হোম / অচিরেই সরকারি দন্তরে কর্মরত সমস্ত অস্থায়ী ও ঠিকা কর্মীকে স্বাস্থ্য বিমার আওতায় আনবে রাজ্য সরকার৷
ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা সম্পাদনার জন্য উন্মুক্ত

অচিরেই সরকারি দন্তরে কর্মরত সমস্ত অস্থায়ী ও ঠিকা কর্মীকে স্বাস্থ্য বিমার আওতায় আনবে রাজ্য সরকার৷

অচিরেই সরকারি দন্তরে কর্মরত সমস্ত অস্থায়ী ও ঠিকা কর্মীকে স্বাস্থ্য বিমার আওতায় আনবে রাজ্য সরকার৷ সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে এই বিমায় মিলবে দেড় লক্ষ টাকার সুরক্ষাকবচ৷ প্রকল্পের নাম রাখা হয়েছে ‘স্বাস্থ্য সাথী ’৷ আওতায় আসবেন রাজ্যের আনুমানিক ৪৫ লক্ষ অস্থায়ী ও ঠিকা কর্মী৷

অচিরেই সরকারি দন্তরে কর্মরত সমস্ত অস্থায়ী ও ঠিকা কর্মীকে স্বাস্থ্য বিমার আওতায় আনবে রাজ্য সরকার৷ সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে এই বিমায় মিলবে দেড় লক্ষ টাকার সুরক্ষাকবচ৷ প্রকল্পের নাম রাখা হয়েছে ‘স্বাস্থ্য সাথী ’৷ আওতায় আসবেন রাজ্যের আনুমানিক ৪৫ লক্ষ অস্থায়ী ও ঠিকা কর্মী৷

নবান্নের একাংশের অনুমান , বছরে আনুমানিক হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি ব্যয় হবে এই বিমা খাতে৷ ইতিমধ্যে নবান্নের নির্দেশে স্বাস্থ্য দন্তরের একটি বিশেষ কমিটি বিমার খসড়া তৈরি করছে৷ সেই খসড়া তৈরিও শেষের পর্যায়ে৷ স্বাস্থ্য দন্তরের অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি প্রদীপ মিত্র জানান , ‘দ্রুতই স্বাস্থ্য দন্তর বিমার আওতাভুক্ত রোগ -ব্যাধি নিরাময়ের খরচের খসড়া তালিকা নবান্নে পাঠাবে মঞ্জুরির জন্য৷ ’ এর পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবুজ সঙ্কেত পেলেই রাজ্যে চালু করা হবে স্বাস্থ্য সাথী৷ তখন প্রত্যেক নথিভুক্ত ব্যক্তিকেই একটি করে ‘স্বাস্থ্য সাথী ’ স্মার্ট কার্ড দেওয়া হবে৷ তবে গোড়া থেকেই যেহেতু ৪৫ লক্ষ কর্মী একসঙ্গে নথিভুক্ত হবেন না , তাই সরকারের ঘাড়ে গোড়া থেকেই পুরো বোঝা চাপবে না৷ স্বাস্থ্য বরাবরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশেষ নজরে রয়েছে৷ দ্বিতীয় ইনিংসে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই রাজ্য সরকার সকলের জন্য চিকিত্সা পরিষেবার ব্যান্তি বাড়ানোয় উদ্যোগী হয়৷ সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে পরিষেবা আরও মসৃণ করতে সমস্ত মেডিক্যাল কলেজ ও জেলা হাসপাতালকে সতর্ক করেন মমতা৷ তেমনই স্বাস্থ্য বিমার আওতায় আরও বেশি মানুষকে যুক্ত করতে চাইছে রাজ্য সরকারের৷ এত দিন এর আওতায় ছিলেন সরকারি কর্মীরা৷ এ বার স্বাস্থ্য বিমার আওতায় আনা হচ্ছে কলকাতা পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ার , রাজ্য পুলিশের ভিলেজ ভলান্টিয়ার কিংবা স্বাস্থ্য দন্তরের আশা কর্মীদেরও৷ রাজ্যে এ ধরনের কর্মীর সংখ্যা নয় নয় করে ৪৫ লক্ষ৷ এত দিন অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের একাংশের জন্য ছিল রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্য বিমা যোজনা , সংক্ষেপে আরএসবিওয়াই৷ এতে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ৩০ হাজার টাকা অবধি ক্যাশলেস চিকিত্সার সুবিধা মেলে৷ সম্প্রতি আরএসবিওয়াই -এর ঊর্ধ্বসীমা ৩০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার করতে উদ্যোগী হয়েছে স্বাস্থ্য দন্তর৷ এ ছাড়া সরকারি কর্মীদের একাংশ রাজ্য সরকারের হেলথ স্কিমের সুবিধা পেত৷ এ জন্য হেলথ স্কিমের নথিভুক্ত সরকারি কর্মীদের বরাদ্দ ৩০০ টাকার মেডিক্যাল অ্যালাউয়েন্স কেটে নেওয়া হয়৷ এই স্কিমে বেসরকারি হাসপাতালে এক লক্ষ টাকা মূল্যের ক্যাশলেস চিকিত্সা পাওয়া যায়৷

প্রস্তাবিত ‘স্বাস্থ্য সাথী ’ স্কিমে অস্থায়ী ও ঠিকাকর্মীদের এই সুবিধা পেতে কোনও বাড়তি টাকা দিতে হবে না৷ স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে , চলতি মাসে নবান্ন থেকে একটি নির্দেশ আসে৷ মুখ্যসচিব বাসুদেব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের আওতায় থাকা রোগ -ব্যাধির খরচের খসড়া তালিকা তৈরি করতে বলা হয়৷ এর পর বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি কমিটি গঠিত হয়৷ আলোচনা করা হয় নিউরোমেডিসিন বিশেষজ্ঞ শ্যামল দাস, রেডিয়োথেরাপি বিশেষজ্ঞ সুবীর গঙ্গোপাধ্যায়, গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট গোপালকৃষ্ণ ঢালির সঙ্গে৷ দু’ দফা বৈঠক শেষে সেই খসড়া তালিকাও শেষের পর্যায়ে৷ কাজ শেষ হলেই তা পাঠানো হবে নবান্নে৷ স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্প চালু হলে, সেই সমস্ত কর্মীরা এ বার বেসরকারি হাসপাতালে একরকম ক্যাশলেস স্বাস্থ্য বিমারই সুবিধা পাবে৷

সু্ত্র:এই সময়

3.0
মন্তব্য যোগ করুন

(ওপরের বিষয়বস্তুটি সম্পর্কে যদি আপনার কোন মন্তব্য / পরামর্শ থাকে, তাহলে দয়া করে আমাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট করুন).

Enter the word
Back to top