হোম / ট্যাক্সিচালকের সততায় ফেরত ল্যাপটপ , ব্যাগ
ভাগ করে নিন

ট্যাক্সিচালকের সততায় ফেরত ল্যাপটপ , ব্যাগ

শহরের বুকে প্রতি দিনই ট্যাক্সিচালকদের বিরুদ্ধে যাত্রী প্রত্যাখ্যান , অভব্য আচরণের অভিযোগ ওঠে৷ এমনকি খুচরোর সমস্যায় যাত্রীর গায়ে ব্লেড চালানোর মতো গুরুতর অভিযোগও উঠেছে চালকদের বিরুদ্ধে৷

শহরের বুকে প্রতি দিনই ট্যাক্সিচালকদের বিরুদ্ধে যাত্রী প্রত্যাখ্যান , অভব্য আচরণের অভিযোগ ওঠে৷ এমনকি খুচরোর সমস্যায় যাত্রীর গায়ে ব্লেড চালানোর মতো গুরুতর অভিযোগও উঠেছে চালকদের বিরুদ্ধে৷ সেই কলকাতাতেই এক চালকের সৌজন্যে নিজের ফেলে যাওয়া মূল্যবান সামগ্রী ফিরে পেলেন কৈখালির সুব্রত মাইতি৷ ঘটনা প্রসঙ্গে লেকটাউন থানার পুলিশ জানিয়েছে , প্রতি দিনই থানায় ভূরি -ভূরি অভিযোগ জমা পড়ে ট্যাক্সিচালকদের বিরুদ্ধে৷ এ বার একেবারে উল্টো ঘটনা ঘটল৷ ঠিক কী ঘটেছিল ? পুলিশ জানিয়েছে , বুধবার দমদম বিমানবন্দরে নেমে ট্যাক্সিতে কৈখালির বাড়িতে ফিরছিলেন অবসরপ্রান্ত অধ্যাপক সুব্রত মাইতি৷ বাড়ি পৌঁছেই তিনি বুঝতে পারেন , নিজের ব্যাগ , ল্যাপটপ সহ -গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ফেলে রেখেই ট্যাক্সি ছেড়ে দিয়েছেন৷ জিনিসপত্র ফিরে পাওয়ার আশাও ছেড়ে দেন সুব্রতবাবু৷

এ দিকে সুব্রতবাবুর পর ওই ট্যাক্সিতে ওঠেন উমেশ সিংহানিয়া নামে এক যাত্রী৷ ওই যাত্রীই প্রথমে দেখতে পান , গাড়ির মধ্যে অনেক জিনিসপত্র পড়ে রয়েছে৷ তিনি জানতে চান , জিনিসপত্র কার ? তখনই ধর্মেন্দ্রকুমার রায় নামে ওই চালক বুঝতে পারেন , ওই সব জিনিসপত্র আগের আরোহীর৷ চালক তখনই ঠিক করেন , সব জিনিস ফিরিয়ে দেবেন৷ এর পরেই ওই যাত্রীর সাহায্য নিয়ে ট্যাক্সিচালক ধর্মেন্দ্র সোজা পৌঁছে যান লেকটাউন থানায়৷ ফিরিয়ে দেন সমস্ত সামগ্রী৷ পুলিশ জানিয়েছে , ধর্মেন্দ্র এসে লেকটাউন থানায় যোগাযোগ করেন৷ সঙ্গের ব্যাগ থেকে সুব্রত মাইতির ফোন নম্বর পাওয়া যায়৷ তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়৷ তিনি থানায় এলে ফিরিয়ে দেওয়া হয় তাঁর ফেলে যাওয়া সব জিনিসপত্র৷ ট্যাক্সিচালকের সততায় মুগ্ধ সুব্রতবাবু৷ তাঁর বক্তব্য , ‘পুলিশ ও ওই চালককে ধন্যবাদ৷ না হলে আমি আর জিনিসপত্র ফিরে পেতাম না৷ ’ ওই চালককে কুর্নিশ করছেন লেকটাউন থানার পুলিশকর্মীরাও৷

সুত্র: এই সময়

Back to top