হোম / মেডিসিন শপে চাল -ডাল
ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা সম্পাদনার জন্য উন্মুক্ত

মেডিসিন শপে চাল -ডাল

ইমামি ফ্র্যাঙ্ক রস সোমবার রাজারহাট -নিউটাউনের ইকোস্পেসে যে নতুন বিপণী খুলল , তাতে এ সব পণ্য ছাড়াও অচিরেই মিলবে তাদের রসকেয়ার ব্র্যান্ডে চাল , ডাল , মশলা , তেলও৷

ওষুধের দোকানে এত দিন শুধু ওষুধ পাওয়া যেত৷ মিলত বেবি ফুড, এনার্জি ড্রিঙ্ক ইত্যাদি স্বাস্থ্য সংক্রান্ত পণ্য৷ এবার ওষুধের দোকানে মিলবে ওষুধ ছাড়াও বেবি ফুড, এনার্জি ড্রিঙ্ক , চা , কফি , বিউটি প্রোডাক্টস্, পার্সোনাল ও ডেইলি কেয়ার প্রোডাক্টসও ! ইমামি ফ্র্যাঙ্ক রস সোমবার রাজারহাট -নিউটাউনের ইকোস্পেসে যে নতুন বিপণী খুলল , তাতে এ সব পণ্য ছাড়াও অচিরেই মিলবে তাদের রসকেয়ার ব্র্যান্ডে চাল , ডাল , মশলা , তেলও৷ এক কথায় জামা , জুতো ছাড়া মিলবে গৃহস্থালির প্রয়োজনীয় প্রায় সব কিছুই৷ সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর আরকে জাটিয়ার কথায় , ‘আমাদের এটা ১৪৫ নম্বর স্টোর৷ তবে এ ধরনের স্টোর , ‘রসকেয়ার এক্সক্লুসিভ ’ এটাই প্রথম৷ এই দোকানের ৪০ শতাংশ জায়গা জুড়েই থাকবে রসকেয়ার ব্র্যান্ডের নানাবিধ পণ্য৷ আগামী ২ বছরে আমাদের লক্ষ্য , ৫০০টি নতুন স্টোর খোলা , যার মধ্যে ৪০ -৫০টি হবে রসকেয়ার এক্সক্লুসিভ৷ ’অর্গানাইজড মেডিসিন রিটেলের ক্ষেত্রে যেখানে অনেক সংস্থাই ওষুধের পাশাপাশি ডায়াগনস্টিক চেইন খুলছে , সেখানে হঠাত্ ওষুধের সঙ্গে পার্সোনাল ও ডেইলি প্রোডাক্টস্ কেন ? ইমামি ফ্র্যাঙ্ক রস -এর প্রেসিডেন্ট সৌগত পাত্রর জবাব , ‘আমরা ব্যবসা ক্ষেত্রে ভিন্ন মডেল নিয়েছি , কারণ , রসকেয়ার ব্র্যান্ডের আওতায় এমন অনেক পণ্য রয়েছে , যেগুলি আমরা বা আমাদের সহযোগী সংস্থা তৈরি করি৷ আর বাদবাকি পণ্য আমরা সরাসরি উত্পাদকের কাছ থেকে নিয়ে তা রসকেয়ার ব্র্যান্ডে বিক্রি করব৷ ফলে , কোনও মিডলম্যান না থাকায় সংশ্লিষ্ট পণ্যের দাম বাজারের থেকে কম হবে৷ ’ এরই উদাহরণ দিতে গিয়ে তাঁর দাবি , ‘আমরা যে দার্জিলিং টি বিক্রি করছি , তা যেমন উচ্চ গুণমানের তেমনই দামের দিক থেকে অন্তত ২৫ শতাংশ কম৷ ’বর্তমানে রসকেয়ার -এর আওতায় ৫৫টি পণ্য রয়েছে , যা আগামী কয়েক বছরের মধ্যে ৩০০ -তে নিয়ে যাওয়া হবে বলে জাটিয়া জানিয়েছেন৷ তিনি বলেন , ‘আমাদের মোট বার্ষিক আয়ের ২৫ কোটি টাকা মতো রসকেয়ার থেকে আসে৷ পাঁচ বছরে আমাদের লক্ষ্য , তা বাড়িয়ে ৩০০ কোটি টাকাতে নিয়ে যাওয়া৷ ’ তিন রকম মাপের স্টোর রয়েছে ফ্র্যাঙ্ক রসের৷ তার মধ্যে রসকেয়ার এক্সক্লুসিভ মাপে যেমন সবথেকে বড় (১২০০ বর্গফুট ) তেমনই বিনিয়োগের পরিমাণও বেশি৷ জাটিয়া জানান , আগামী দু’বছরে পশ্চিমবঙ্গ , ওডিশা , গুজরাট , কর্ণাটক , বিহার এবং ঝাড়খণ্ডে তাঁরা যে ৫০০টি স্টোর খোলার পরিকল্পনা করেছেন , তাতে সব মিলিয়ে ৩০০ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ হতে পারে৷ বর্তমানে ফ্র্যাঙ্ক রসের স্টোরগুলি সংস্থার পরিচালনাধীন হলেও ভবিষ্যতে তারা ফ্র্যাঞ্চাইজি মডেলে যাওয়ার কথাও বিবেচনা করছে৷ অভিনব উদ্যোগ ইমামি ফ্র্যাঙ্ক রসের৷

সুত্র:এই সময়
3.18421052632
মন্তব্য যোগ করুন

(ওপরের বিষয়বস্তুটি সম্পর্কে যদি আপনার কোন মন্তব্য / পরামর্শ থাকে, তাহলে দয়া করে আমাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট করুন).

Enter the word
Back to top