হোম / রাজ্যে ডাক্তারি জয়েন্ট ২০ জুলাই
ভাগ করে নিন

রাজ্যে ডাক্তারি জয়েন্ট ২০ জুলাই

অবশেষে জানা গেল ডাক্তারি জয়েন্টের তারিখ৷ এমবিবিএস এবং বিডিএস কোর্সে ভর্তির জন্য আগামী ২০ জুলাই (বুধবার ) রাজ্যে ডাক্তারি প্রবেশিকা নেবে জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড৷ সোমবার দুপুরে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্নে জানান , কিছুক্ষণের মধ্যেই জানানো হবে রাজ্য জয়েন্টের দিনক্ষণ৷ একটু পরে তথ্য ও সংস্কৃতি দন্তরের প্রধান সচিব অত্রি ভট্টাচার্য জয়েন্টের দিনক্ষণ নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন বিস্তারিত ভাবে৷ ডাক্তারি জয়েন্ট নিয়ে দীর্ঘ টানাপোড়েনের অবসান হওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই খুশি পড়ুয়ারা৷

অবশেষে জানা গেল ডাক্তারি জয়েন্টের তারিখ৷ এমবিবিএস এবং বিডিএস কোর্সে ভর্তির জন্য আগামী ২০ জুলাই (বুধবার ) রাজ্যে ডাক্তারি প্রবেশিকা নেবে জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড৷ সোমবার দুপুরে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্নে জানান , কিছুক্ষণের মধ্যেই জানানো হবে রাজ্য জয়েন্টের দিনক্ষণ৷ একটু পরে তথ্য ও সংস্কৃতি দন্তরের প্রধান সচিব অত্রি ভট্টাচার্য জয়েন্টের দিনক্ষণ নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন বিস্তারিত ভাবে৷ ডাক্তারি জয়েন্ট নিয়ে দীর্ঘ টানাপোড়েনের অবসান হওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই খুশি পড়ুয়ারা৷ এ দিন জয়েন্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান সজল দাশগুন্তের তরফেও জারি করা হয়েছে একটি বিজ্ঞন্তি৷ তাতে বলা হয়েছে , গত ২৪ মে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার আনা অর্ডিন্যান্সের ভিত্তিতেই নতুন করে জয়েন্ট আয়োজন করা হচ্ছে ডাক্তারিতে৷ ছাত্রছাত্রীদের জন্য বলা হয়েছে , কোনও পরীক্ষার্থীকে নতুন করে আর আবেদন করা বা টাকা জমা দেওয়ার ঝক্কি পোহাতে হবে না৷ তবে আবেদনকারীদের নতুন করে অ্যাডমিট কার্ড দেওয়া হবে ডাক্তারি জয়েন্টে বসার জন্য৷ ২০ জুলাই সকাল ১০ .৩০ থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত জীববিজ্ঞান পরীক্ষা এবং দুপুর ২টো থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন পরীক্ষা নেওয়া হবে৷ গত এক মাস ধরে ডাক্তারি জয়েন্টের প্রস্ত্ততি নিয়ে ঝড় বয়ে গিয়েছে ছাত্রছাত্রীদের উপর দিয়ে৷ প্রথমে সর্বভারতীয় অভিন্ন প্রবেশিকা (নিট ) পরীক্ষাকে বাধ্যতামূলক বলে রায় দেয় সুপ্রিম কোর্ট৷ সে নির্দেশ পুনর্বিবেচনার আর্জি শীর্ষ আদালতে পেশ হলে , তা খারিজ করে দেয় কোর্ট৷ এর পর কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক সিদ্ধান্ত নেয় , চলতি বছর রাজ্যস্তরের প্রবেশিকাগুলিকে বাধ্যতামূলক নিট থেকে অব্যাহতি দেওয়ার ব্যাপারে পদক্ষেপ করা হবে৷ সেইমতো কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা অর্ডিন্যান্স আনে৷ গত ২৪ তারিখ সেই অর্ডিন্যান্স রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায় অনুমোদন করলে ফের ডাক্তারি জয়েন্টের বন্ধ দরজা খুলে যায় রাজ্যে৷ তবে তার পরও সে পরীক্ষার দিনক্ষণ ঘোষণা নিয়ে গড়িমসি চলতে থাকে সরকারি কর্তাদের মধ্যে৷ তাঁরা অপেক্ষা করছিলেন নতুন সরকার গঠন পর্যন্ত৷

এ দিন বেলায় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী শশী পাঁজা প্রথমে নবান্নে ও পরে স্বাস্থ্যভবনে বৈঠক করেন শীর্ষ স্বাস্থ্যকর্তা ও জয়েন্ট বোর্ডের কর্তাদের সঙ্গে৷ তার পরেই সিদ্ধান্ত হয় , ২০ জুলাই হবে ডাক্তারির জয়েন্ট৷ তবে শুধু এ বছরই নয় , বরাবরের জন্যই নিট -এর বদলে রাজ্যস্তরের জয়েন্ট এন্ট্রান্স চায় পড়ুয়া ও চিকিত্সক মহলের একটা বড় অংশ৷ এ দিন রাজ্য মেডিক্যাল জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা চালু রাখার দাবিতে ছাত্র সংগঠন ডিএসও -র উদ্যোগে একটি আলোচনা চক্র আয়োজিত হয় মৌলালি যুবকেন্দ্রে৷ সেখানে চিকিত্সক , শিক্ষক , ডাক্তারি পড়ুয়া এবং জয়েন্ট পরীক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে উঠে আসে জয়েন্টের পক্ষে নানা যুক্তি৷ ২০১৩ -তে অভিন্ন প্রবেশিকার মেধাতালিকায় স্থান পেয়ে এনআরএসে ভর্তি হন নীলাঞ্জন দত্ত৷ তিনি তাঁর তেতো অভিজ্ঞতার কথা আলোচনা করেন৷ তাঁর প্রশ্ন, ‘নিট -এ যে ধরনের প্রশ্ন আসে , তার জন্য সিবিএসই -র উপযোগী প্রস্ত্ততি নিতে হয়৷ প্রাইভেট কোচিং ছাড়া তাতে সাফল্য পাওয়া মুশকিল৷ আর্থিক ভাবে অস্বচ্ছল পরিবার কিংবা গ্রামাঞ্চলের বাসিন্দা হলে , এই ধরনের কোচিংয়ে ভর্তি হওয়া অসম্ভব৷ নিট মানে কি তার মানে , গরিব ঘরের ছেলেমেয়েদের ডাক্তারি পড়া থেকে বঞ্চিত করা নয় ?’ চলতি বছর জয়েন্টে বসতে চলেছেন বিমান রায়৷ তিনি বলেন , ‘আচমকা নিট হবে শুনে আত্মবিশ্বাস খুইয়েছিলাম৷ বিভ্রান্তও হয়েছিলাম সিলেবাস , প্রশ্নের ধরন ইত্যাদি নিয়ে৷ ’ প্রবীণ চিকিত্সক সুভাষ দাশগুন্ত প্রশ্ন তোলেন , দেশের ২৯টি বোর্ডের মধ্যে আচমকা সিবিএসই পাঠ্যক্রমকেই মান্যতা কেন দেওয়া হচ্ছে নিট -এ ? সিবিএসই পাঠ্যক্রম যে দেশের মধ্যে সেরা , এমন কোনও প্রমাণ তো মেলেনি ! তিনি বলেন , ‘শিক্ষা কেন্দ্র-রাজ্য যৌথ তালিকাভুক্ত হওয়ার পরও , গোটা দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কায়েম হবে নিট বাধ্যতামূলক হয়ে যাওয়ায়৷ ’শহরে ডিএসও -র শিক্ষা কনভেনশন৷

সুত্র: এই সময়

Back to top