হোম / শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল উত্তর ভারত, আতঙ্ক দিল্লিতে
ভাগ করে নিন

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল উত্তর ভারত, আতঙ্ক দিল্লিতে

রবিবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চল। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৬.৮। ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র আফগানিস্তানে হিন্দুকুশ পর্বতমালা। কম্পন অনুভূত হয়েছে রাজধানী দিল্লি, কাশ্মীর, পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও রাজস্থানে। শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়েছে পাকিস্তানেও। সেখানে রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ৭.১ ছিল বলে খবর।

 

রবিবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চল। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৬.৮। ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র আফগানিস্তানে হিন্দুকুশ পর্বতমালা। কম্পন অনুভূত হয়েছে রাজধানী দিল্লি, কাশ্মীর, পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও রাজস্থানে। শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়েছে পাকিস্তানেও। সেখানে রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ৭.১ ছিল বলে খবর। ভারতে প্রাণহানির কোনও খবর না থাকলেও পাকিস্তানে একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও এদিন মৃদু ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ গুজরাতের সুরাট ও তাপি জেলায়। সেখানে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৩.৪। উপকেন্দ্র নন্দভি শহর।

রবিবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চল। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৬.৮। ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র আফগানিস্তানে হিন্দুকুশ পর্বতমালা। কম্পন অনুভূত হয়েছে রাজধানী দিল্লি, কাশ্মীর, পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও রাজস্থানে। শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়েছে পাকিস্তানেও। সেখানে রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ৭.১ ছিল বলে খবর। ভারতে প্রাণহানির কোনও খবর না থাকলেও পাকিস্তানে একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও এদিন মৃদু ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ গুজরাতের সুরাট ও তাপি জেলায়। সেখানে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৩.৪। উপকেন্দ্র নন্দভি শহর।
এদিন ভূমিকম্পের জেরে আতঙ্ক ছড়ায় দিল্লিসহ প্রায় গোটা উত্তর ভারতেই। আতঙ্কে ঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন অসংখ্য মানুষ। তবে ভারতের কোনও জায়গা থেকেই কোনও সম্পত্তি বা প্রাণহানির খবর আসেনি। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির অপারেশনস হেড জে এল গৌতম বলেন, বিকাল ৩টে ৫৮ মিনিটে হিন্দুকুশ পর্বতমালায় ভূপৃষ্ঠের ১৯০ কিলোমিটার গভীরে এই ভূমিকম্পের উৎস। রিখটার স্কেলে তীব্রতা ছিল ৬.৮। পাকিস্তান ও উত্তর ভারতের বড় অংশে এই কম্পন অনুভূত হয়েছে।
ভূমিকম্পের পর দিল্লির মেট্রো পরিষেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে কিছুক্ষণ পর তা ফের চালু করে দেওয়া হয় বলে জানান দিল্লি মেট্রোর এক আধিকারিক। দিল্লির দমকল বিভাগ ও পুলিশের আধিকারিকেরা জানান, বড় কোনও ক্ষয়ক্ষতি বা বহুতল ভেঙে পড়ার কোনও খবর কন্ট্রোল রুমে আসেনি। পাশাপাশি ইনস্টিটিউট অব সিসমোলজিকাল রিসার্চ (আইএসআর)-এর তরফে জানানো হয়, দক্ষিণ গুজরাতের সুরাট ও তাপি জেলায় বিকেল ৩টে ৪ মিনিটে ৩.৪ তীব্রতার মৃদু ভূমিকম্প হয়েছে। তবে সেখান থেকেও কোনও ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর নেই। তাপি জেলার কাকরাপার শহরে রয়েছে পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র। তবে ওই পরমাণু কেন্দ্রটিও নিরাপদে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যদিও পরে হিন্দুকুশ পর্বতমালায় সৃষ্ঠ শক্তিশালী ভূমিকম্পের জেরে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায় উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ অংশে। পাঞ্জাবের ফাগওয়ারা শহরের কলেজ শিক্ষক অনুদীপ গোরায়া বলেন, রবিবার ছুটির দিনে অধিকাংশ মানুষই বাড়িতে বিশ্রাম করছিলেন সেই সময়। ভূমিকম্পের পর সবাই বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। একই অবস্থা শ্রীনগরেও। সেখানেও বহুতলগুলি থেকে রাস্তায় নেমে আসেন আতঙ্কিত মানুষ। ভূমিকম্পের পর কাশ্মীরের বহু জায়গায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। আতঙ্ক ছড়ায় চণ্ডীগড় ও দিল্লি শহরেও। সচিবালয়ের ষষ্ঠ তল থেকে ট্যুইট করেন দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিশোদিয়া। ভূমিকম্পের ফলে তিনি যে ভয় পেয়ে গিয়েছেন, ট্যুইটারে তা গোপন করেননি উপ-মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, সব কিছু কাঁপতে দেখছি আমি। আশা করি সবাই ভালো আছেন।

এদিন ভূমিকম্পের জেরে আতঙ্ক ছড়ায় দিল্লিসহ প্রায় গোটা উত্তর ভারতেই। আতঙ্কে ঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন অসংখ্য মানুষ। তবে ভারতের কোনও জায়গা থেকেই কোনও সম্পত্তি বা প্রাণহানির খবর আসেনি। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির অপারেশনস হেড জে এল গৌতম বলেন, বিকাল ৩টে ৫৮ মিনিটে হিন্দুকুশ পর্বতমালায় ভূপৃষ্ঠের ১৯০ কিলোমিটার গভীরে এই ভূমিকম্পের উৎস। রিখটার স্কেলে তীব্রতা ছিল ৬.৮। পাকিস্তান ও উত্তর ভারতের বড় অংশে এই কম্পন অনুভূত হয়েছে।
ভূমিকম্পের পর দিল্লির মেট্রো পরিষেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে কিছুক্ষণ পর তা ফের চালু করে দেওয়া হয় বলে জানান দিল্লি মেট্রোর এক আধিকারিক। দিল্লির দমকল বিভাগ ও পুলিশের আধিকারিকেরা জানান, বড় কোনও ক্ষয়ক্ষতি বা বহুতল ভেঙে পড়ার কোনও খবর কন্ট্রোল রুমে আসেনি। পাশাপাশি ইনস্টিটিউট অব সিসমোলজিকাল রিসার্চ (আইএসআর)-এর তরফে জানানো হয়, দক্ষিণ গুজরাতের সুরাট ও তাপি জেলায় বিকেল ৩টে ৪ মিনিটে ৩.৪ তীব্রতার মৃদু ভূমিকম্প হয়েছে। তবে সেখান থেকেও কোনও ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর নেই। তাপি জেলার কাকরাপার শহরে রয়েছে পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র। তবে ওই পরমাণু কেন্দ্রটিও নিরাপদে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যদিও পরে হিন্দুকুশ পর্বতমালায় সৃষ্ঠ শক্তিশালী ভূমিকম্পের জেরে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায় উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ অংশে। পাঞ্জাবের ফাগওয়ারা শহরের কলেজ শিক্ষক অনুদীপ গোরায়া বলেন, রবিবার ছুটির দিনে অধিকাংশ মানুষই বাড়িতে বিশ্রাম করছিলেন সেই সময়। ভূমিকম্পের পর সবাই বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। একই অবস্থা শ্রীনগরেও। সেখানেও বহুতলগুলি থেকে রাস্তায় নেমে আসেন আতঙ্কিত মানুষ। ভূমিকম্পের পর কাশ্মীরের বহু জায়গায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। আতঙ্ক ছড়ায় চণ্ডীগড় ও দিল্লি শহরেও। সচিবালয়ের ষষ্ঠ তল থেকে ট্যুইট করেন দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিশোদিয়া। ভূমিকম্পের ফলে তিনি যে ভয় পেয়ে গিয়েছেন, ট্যুইটারে তা গোপন করেননি উপ-মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, সব কিছু কাঁপতে দেখছি আমি। আশা করি সবাই ভালো আছেন।

সুত্র: বর্তমান

Back to top