হোম / কৃষি / ফসল উৎপাদন / জীবাণু সার
ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা সম্পাদনার জন্য উন্মুক্ত

জীবাণু সার

জীবাণু সার একটি অনুজীবঘটিত সার। জীবাণু সার জীবন্ত অনুজীবের মাধ্যমে বায়ুমণ্ডল থেকে ডাল ও তৈলজাতীয় ফসলের শিকড়স্থ নডিউলে নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে ফসলকে দিয়ে থাকে।

জীবাণু সার একটি অনুজীবঘটিত সার। জীবাণু সার জীবন্ত অনুজীবের মাধ্যমে বায়ুমণ্ডল থেকে ডাল ও তৈলজাতীয় ফসলের শিকড়স্থ নডিউলে নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে ফসলকে দিয়ে থাকে। এ সার ডাল ও তৈলজাতীয় ফসল যেমন- মসুর, ছোলা, মুগ, মাসকলাই, বরবটি, সয়াবিন, চীনাবাদাম ইত্যাদিতে নাইট্রোজেন তথা ইউরিয়ার সম্পূর্ণ প্রয়োজন মেটায়।

জীবাণু সার

জীবাণু সার একটি অনুজীবঘটিত সার। জীবাণু সার জীবন্ত অনুজীবের মাধ্যমে বায়ুমণ্ডল থেকে ডাল ও তৈল জাতীয় ফসলের শিকড়স্থ নডিউলে নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে ফসলকে দিয়ে থাকে। এ সার ডাল ও তৈল জাতীয় ফসল যেমন- মসুর, ছোলা, মুগ, মাসকলাই, বরবটি, সয়াবিন, চীনাবাদাম ইত্যাদিতে নাইট্রোজেন তথা ইউরিয়ার সম্পূর্ণ প্রয়োজন মেটায়।

বর্তমান ইউরিয়ার বিকল্প হিসেবে যে জীবাণু সার বিনা উদ্ভাবিত হয়েছে এবং উৎপাদিত হচ্ছে ও কৃষক পর্যায়ে সরবরাহ করা হচ্ছে তা রাইজোবিয়াম জীবাণু সার।

এ সারের গুণাগুণ

  1. বায়ুমণ্ডল থেকে নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে ফসলের সর্বাধিক প্রয়োজনীয় খাদ্যোপাদান নাইট্রোজেন যোগান দেয়। ফলে ফসলের ফলন বৃদ্ধি পায়। দানায় আমিষের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
  2. হরমোন নামের এক প্রকারের উদ্ভিদ বৃদ্ধিকারী জৈব-রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণ করে যা গাছের বৃদ্ধিতে অত্যন্ত সহায়ক।
  3. এ সারের জীবাণু ফাইটোটক্সিন নামে এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণ করে যা ফসলের রোগব্যাধির জীবাণুকে ধ্বংস করে, ফলে রোগবালাই কম হয় ও ফলন বৃদ্ধি পায়।
  4. মাটির গুণাবলী উন্নত করে। মাটি চাষবাদের ফলে সাধারণত অম্লবৈশিষ্টের হয়ে যায়।  এ সকল জীবাণুর ক্রিয়ার ফলে কিছু রাসায়নিক পদার্থের নিঃসরণ ঘটে যা মাটির পিএইচ  এর বৃদ্ধি সাধন করে। ফলে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি পায়।

ব্যবহার পদ্ধতি

  • প্রতি কেজি বীজের সাথে ৫০ গ্রাম চিটাগুড় মিশিয়ে বীজের গায়ে আঠালো আবরণ তৈরি করতে হবে।
  • আঠালো আয়রণযুক্ত বীজের প্রতিকেজিতে ৫০ গ্রাম হারে জীবাণুসার মেশাতে হবে যাতে করে প্রতিটি বীজের গায়ে জীবাণুসারের একটি কালো আবরণ তৈরি হয়।
  • এ কালো জীবাণুসার আবরণযুক্ত বীজ ঠাণ্ডা সময়ে অর্থাৎ গমমের দিনে সকালে ৯ টার পূর্বে  ও বিকালে ৪ টার পর বপন করা উচিৎ । তাতে করে কোনো জীবাণু অধিক তাপে মারা যাবে না ও ভালো ফলন পাওয়া যাবে। বপনের পর জমিতে ভালোভাবে মই দিতে হবে যেন বীজগুলো মাটির নিচে চলে যায়।
  • বালাইনাশক বা কীটনাশক মেশানো বীজ ধুয়ে সামান্য শুকিয়ে জীবাণু সার প্রয়োগ করতে হবে।

সূত্র: কৃষি কথা

2.89285714286
মন্তব্য যোগ করুন

(ওপরের বিষয়বস্তুটি সম্পর্কে যদি আপনার কোন মন্তব্য / পরামর্শ থাকে, তাহলে দয়া করে আমাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট করুন).

Enter the word
Back to top