ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা সম্পাদনার জন্য উন্মুক্ত

কৃত্রিম উপায়ে প্রাণীকণা উৎপাদন

কৃত্রিম উপায়ে কী ভাবে প্রাণীকণা উৎপাদন করা যায় তা এখানে বলা হয়েছে।

ছোট ডোবা, চৌবাচ্চা বা ট্যাঙ্কে কৃত্রিম উপায়ে প্রাণীকণা উৎপাদন করা সম্ভব। ডোবা বা পুকুরে প্রাণীকণার আধিক্য ঘটানোর জন্য প্রতি মাসে নিয়মমাফিক জৈব ও অজৈব সার ব্যবহার করা প্রয়োজন। ট্যাঙ্ক বা চৌবাচ্চায় প্রাণীকণা উৎপাদনের জন্য প্রথমে এটিকে জলপূর্ণ করা হয়। প্রতি হাজার লিটার জলের জন্য ২৫০ – ৩০০ গ্রাম মুরগির মল (পোলট্রি লিটার) বস্তা বা নেটের মধ্যে দিয়ে ৭ – ১০ দিন জলে ডুবিয়ে রাখলে জলের রং হাল্কা সবুজাভ অর্থাৎ উদ্ভিদকণার সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। এর পর পুকুর থেকে প্লাঙ্কটন নেটের বা মার্কিন কাপড় দিয়ে প্রাণীকণা সংগ্রহ করে এর মধ্যে ছাড়তে হয়। বিভিন্ন প্রাণীকণার মধ্যে ডাফনিয়া ও ময়না আলাদা ভাবে চাষ করলে ভালো কারণ মাগুর মাছের বাচ্চারা যে পরিমাণ পুষ্টিগুণসম্পন্ন খাবার খায় তার মধ্যে ময়না ও ডাফনিয়া অন্যতম। প্রতি হাজার লিটার জলে ২০ লিটার প্রাণীকণা প্রাথমিক ভাবে ছেড়ে দিলে ১৫ – ২০ দিন পরে এরা বংশবিস্তার করতে শুরু করে। প্রতি ১৫ দিন অন্তর মুরগির মল পরিবর্তন করা দরকার। বাষ্পীভবনের জন্য যে পরিমাণ জল কমবে তা প্রতি ৫ দিন অন্তর দেখে নিয়ে ট্যাঙ্কের বা চৌবাচ্চার জলের পরিমাণ ঠিক রাখা দরকার।

তথ্যসূত্র : মৎস্য বিভাগ, পশ্চিমবঙ্গ সরকার

3.03846153846
মন্তব্য যোগ করুন

(ওপরের বিষয়বস্তুটি সম্পর্কে যদি আপনার কোন মন্তব্য / পরামর্শ থাকে, তাহলে দয়া করে আমাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট করুন).

Enter the word
ন্যাভিগেশন
Back to top