হোম / ই-গভর্ন্যান্স / কনটেন্ট / মোবাইল গভর্নেন্স / বিভিন্ন উপায়ে ডিজিটাল পেমেন্ট
ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা Review in Process

বিভিন্ন উপায়ে ডিজিটাল পেমেন্ট

মোবাইল ফোন, POS ডিভাইস এর মাধ্যমে ডিজিটাল পেমেন্ট চিরাচরিত ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার থেকে স্বল্প খরচে, সুবিধাজনক এবং বড় মাত্রায় সাধারণ আর্থিক পরিষেবা প্রদান করছে।

ভূমিকা

এর মাধ্যমে সেই সব মানুষ আর্থিক পরিষেবার অন্তর্ভূক্ত হচ্ছে যারা আজ পর্যন্ত ব্যঙ্কিং পরিষেবার বাইরে ছিলেন। ব্যাঙ্ক, ক্ষুদ্র আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মোবাইল অপারেটর এবং থার্ড পার্টি পরিষেবা প্রদানকারীরা মোবাইল ফোন, POS ডিভাইস এমনকি স্বল্প সংখ্যক হলেও এজেন্টদের ব্যবহার করে চিরাচরিত ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার থেকে স্বল্প খরচে, সুবিধাজনক এবং বড় মাত্রায় সাধারণ আর্থিক পরিষেবা প্রদান করছে।

এই পুস্তিকায় উল্লেখিত প্রধান কয়েকধরণের DFS হল:

  • কার্ড
  • USSD
  • AEPS
  • UPI
  • ওয়ালেট

কার্ড

কার্ডকি?

এগুলি সাধারণ ব্যাঙ্ক প্রদান করে থাকে। প্রদানকরার সময়, ব্যবহার এবং কার্ডের ধারকের অর্থ মেটানোর উপর ভিত্তি করে কার্ডকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়। তিন ধরণের কার্ড রয়েছেঃ ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড এবং প্রি-পেড কার্ড।

কার্ডেরবিভিন্নপ্রকারগুলিকিকি?

১. প্রি-পেড কার্ডঃ এই কার্ড গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে আগের থেকেই অর্থ দেওয়া থাকে। সীমিত সংখ্যক লেনদেনের কাজে এই কার্ড ব্যবহার করা যায়।এগুলি মোবাইল রিচার্জের মতোই রিচার্জ করা যায়। ব্যবহারের পক্ষে সুরক্ষিত।

২. ডেবিট কার্ডঃ আপনার যে ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট আছে সেখান থেকে এই কার্ড পাওয়া যাবে। এটি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে। অ্যাকাউন্ট ধারকদেরই (কারেন্ট/সেভিংস/ওভারড্রাফট) এই কার্ড দেওয়া হয়। এই কার্ড ব্যবহার করে খরচের ক্ষেত্রে অর্থ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে তৎক্ষণাৎ কেটে নেওয়া হয়। ধারকরা বর্তমানে এই কার্ড ব্যবহার করে নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে অর্থ তুলতে পারেন। তাছাড়াও দেশের ভেতর এক ব্যক্তি থেকে অপর ব্যক্তিকে অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রেও এই কার্ড ব্যবহার করা যেতে পারে।

৩. ক্রেডিট কার্ডঃ ব্যাঙ্ক বা RBI অনুমোদিত কোন সংস্থা এই ধরণের কার্ড প্রদান করতে পারে। এই কার্ড দেশের ভেতর এবং বিদেশেও  ব্যবহার করা যায় ( যদি বিদেশে ব্যবহারের অনুমতি থাকে)। ক্রেডিট কার্ডে একজন গ্রাহক তার অ্যাকাউন্টে জমা অর্থের থেকেও বেশী পরিমাণ অর্থ তুলতে পারেন। কিন্তু অতিরিক্ত অর্থের থেকে বেশী তোলার ক্ষেত্রে ক্রেডিট কার্ডে একটি নির্দিষ্ট সীমা রয়েছে। এছাড়াও এই ধরণের কার্ডে ব্যবহারের পর অর্থ ফেরত দেওয়ার জন্য একটি একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা রয়েছে। এই সময় পেরিয়ে গেলে, গ্রাহককে মূল টাকার সঙ্গে সুদ দিতে হয়।

ডেবিট কার্ড/ক্রেডিট কার্ড কিভাবে ব্যবহার করা যাবে?

১. ATM থেকে অর্থ তোলার জন্য গ্রাহককে তার ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড নির্দিষ্ট স্থানে লাগিয়ে ৪ সংখ্যার PIN নম্বর দিতে হবে যা তিনি ব্যাঙ্ক থেকে পেয়েছেন। এই টাকা তোলার সর্ব্বোচ্চ সীমা ব্যাঙ্ক নির্ধারণ করবে।

২. ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে গ্রাহক ATM থেকে অন্যান্য আর্থিক এবং আর্থিক নয় এমন কাজ করতেও পারবেন যেমন- ব্যালান্স দেখা, টাকা বা চেক জমা করা, সংক্ষিপ্ত বিবরণ (মিনি স্টেটমেন্ট) পাওয়া যা তাকে আগে ব্যাঙ্ক শাখায় গিয়ে জানতে হত।

৩. বেশির ভাগ বিপণীতে ও রিটেল স্টোরে কেনাকাটা করার পর এই ধাপগুলি মেনে চলুনঃ

আমি কেন এই কার্ডগুলি ব্যবহার করবো?

  • যেখানে খুশি কেনাকাটা করার জন্য এই কার্ড ব্যবহার করুন।
  • দোকান, ATM, ওয়ালেট, মাইক্রো ATM, অনলাইন ক্রয়ের জন্য ব্যবহার করা যাবে।
  • ডেবিট কার্ড এবং ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে ATM থেকে টাকা তোলা যাবে, POS এর মাধ্যমে কেনাকাটা করা যাবে এবং অনলাইনে কেনাকাটা করা যাবে।
  • যে কোন ধরনের পরিষেবা বিল মেটাতে ব্যবহার করা যাবে।
  • গ্রাহক এই কার্ড ব্যবহার করে টিকিট বুকিং (বিমান/রেল/বাস), হোটেল বুকিং করতে পারেন বা রেস্তোরাঁতে বিল মেটাতে পারেন।
  • কার্ড রীডার/POS যন্ত্র আছে এমন যে কোন স্থানে অর্থ মেটাতে এই কার্ড ব্যবহার করা যাবে।

কিভাবে কার্ড পাব?

গ্রাহকরা যে কোন রাষ্ট্রায়ত্ত বা বেসরকারী ব্যাঙ্কে ডেবিট/রুপে/ক্রেডিট কার্ডের জন্য আবেদন জানাতে পারেন।

  • গ্রাহকরা তাদের নিজেদের ব্যাঙ্ক শাখায় আবেদনপত্র জমা দিয়ে ডেবিট কার্ড পাবেন।
  • গ্রাহকরা তাদের ডেবিট কার্ড পরিবর্তন করে রুপে কার্ড নিতে পারেন।
  • যে সব নাগরিকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নেই তাদের প্রথমে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে।
  • সরকারের নির্দেশিকা অনূযায়ী সকল জন ধন অ্যাকাউন্ট ধারক রুপে কার্ড পাবেন।

USSD(আনস্ট্রাকচার্ড সাপ্লিমেন্টারি সার্ভিস ডেটা)

USSD কি?

USSD-র অর্থ হল আনস্ট্রাকচার্ড সাপ্লিমেন্টারি সার্ভিস ডেটা। এই পরিষেবার লক্ষ্য হল ব্যাঙ্কিং পরিষেবাকে দেশের প্রতিটি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। এতে একজন গ্রাহক তার মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবহার করে দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা নিতে পারেন, তা অপারেটর যাই হোক না কেন। একটি ন্যাশনাল ইউনিফায়েড USSD প্ল্যাটফর্ম (NUUP) এর মাধ্যমে এই পরিষেবা দেওয়া হয়, যার শর্ট কোড হল *৯৯#। একজন গ্রাহক এই পদ্ধতি ব্যবহার করে প্রতিদিন সর্ব্বোচ্চ ৫০০০ টাকা পর্যন্ত লেনদেন করতে পারেন।

আপনাকে কি করতে হবে?

  • ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে
  • GSM নেটওয়ার্ক যুক্ত ফোন থাকতে হবে
  • গ্রাহকের মোবাইল নম্বর ব্যাঙ্কে নথীভূক্ত হতে হবে

আমি কিভাবে এটা ব্যবহার করব?

  1. আপনার ব্যাঙ্ক শাখায় গিয়ে আপনার মোবাইল নম্বরটি অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত করান (অনলাইন বা ATM-এও করা যেতে পারে)।
  2. আপনি মোবাইল মানি আইডেন্টিফায়ার (MMID) এবং মোবাইল পিন (MPIN) পাবেন।
  3. পিনটিকে মনে রাখুন।

USSD সুবিধা ব্যবহারের পদ্ধতিগুলি

আপনার সাধারণ মোবাইল ফোন থেকেই ব্যালেন্স পরীক্ষা করে দেখার মতোই সহজ।

  • আপনার মোবাইল নম্বরটিকে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে লিঙ্ক করান
  • আপনার ফোন থেকে *৯৯# ডায়াল করুন
  • আপনার ব্যাঙ্কের নামের প্রথম ৩টি বর্ণ অথবা IFSC কোডের প্রথম ৪টি বর্ণ টাইপ করুন
  • Fund-Transfer-MMID বিকল্পটি বেছে নিন
  • গ্রহীতার মোবাইল নম্বর এবং তার MMID লিখুন
  • অর্থের পরিমাণ প্রবেশ করান এবং আপনার MPIN লিখুন, একটা স্পেস দিয়ে আপনার অ্যাকাউন্ট নম্বরের শেষ ৪টি সংখ্যা লিখুন

উপরের পদ্ধতি অনুসরন করে আপনি অর্থ পাঠাতে পারবেন।

উপলব্ধ পরিষেবা

আর্থিক নয় এমন পরিষেবাঃ

ব্যালেন্স পরীক্ষা- গ্রাহক তার মোবাইল ফোন ব্যবহার করে অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্স পরীক্ষা করতে পারেন।

সংক্ষিপ্ত বিবরণ- গ্রাহক তার মোবাইল ফোন ব্যবহার করে অ্যাকাউন্টের লেনদেনের সংক্ষিপ্ত বিবরণ বা মিনি স্টেটমেন্ট পেতে পারেন।

MMID জানা *(মোবাইল মানি আইডেন্টিফায়ার)- গ্রাহক তার ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টের সঙ্গে মোবাইল ব্যাঙ্কিং পরিষেবা যুক্ত করার সময় দেওয়া MMID জানতে পারেন।

M-PIN উৎপাদন/পরিবর্তণ- গ্রাহক এর মাধ্যমে তার এমপিন উটপাদন/পরিবর্তন করতে পারেন যা আসলে একটি পাশওয়ার্ডের মতোই কোন লেনদেনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

বিশদ তথ্যের জন্য আপনি সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের ওয়েবসাইট দেখতে পারেন।

মোবাইল নং এবং MMID ব্যবহার করে অর্থ হস্তান্তর- গ্রাহক MMID এবং প্রাপকের মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে অর্থ হস্তান্তর করতে পারে।

IFSC এবং অ্যাকাউন্ট নম্বর ব্যবহার করে অর্থ হস্তান্তর- গ্রাহক প্রাপকের IFSC কোড এবং তার অ্যাকাউন্ট নম্বর ব্যবহার করে অর্থ পাঠাতে পারেন।

AEPS (আধার এনাবেল পেমেন্ট সিস্টেম)

AEPS কি?

AEPS এর অর্থ হল আধার এনাবেল পেমেন্ট সিস্টেম। এই পরিষেবায় একজন গ্রাহক তার আধারের তথ্য ব্যবহার করে নিজের আধার যুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এর মাধ্যমে সাধারণ ব্যাঙ্কিং লেনদেন করতে পারেন। এই পরিষেবায় POS (মাইক্রো ATM) থেকে ব্যাঙ্ক থেকে ব্যাঙ্ক হস্তান্তরে অনুমতি দেওয়া হয়। ব্যাঙ্কিং করস্পডেন্ট (BC)/VLE এর থেকে সহায়তা পাওয়া যায়। গ্রাহকজকে শুধুমাত্র তার আধার নম্বর ব্যাঙ্কে যুক্ত করাতে হয়। যে কোন AEPS পয়েন্টে গ্রাহক কোন পিন বা পাশওয়ার্ড ছাড়াই যতখুশী লেনদেন করতে পারেন।

AEPS চালু করতে গেলে আমাকে কি করতে হবে?

AEPS চালু করার জন্য গ্রাহকের শুধুমাত্র যা প্রয়োজন-

  • IIN (গ্রাহক যে ব্যাঙ্কের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তাকে চিহ্নিত করে)
  • আধার নম্বর
  • এনরোলমেন্টের সময় নেওয়া আঙ্গুলের ছাপ

আমি এটা কেন ব্যবহার করব?

AEPS এর মাধ্যমে আপনি নিম্নলিখিত প্রকারের লেনদেন করতে পারবেন-

  • ব্যালেন্স পরীক্ষা
  • টাকা তোলা
  • টাকা জমা
  • আধার থেকে আধার টাকা পাঠানো
  • ন্যায্য মূল্যের দোকানে কেনাকাটা

AEPS লেনদেনের মূল ধাপগুলি হলঃ

আমি কেন এটা ব্যবহার করব?

  • সহজে ব্যবহারযোগ্য, সুরক্ষিত পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম যা আধার নম্বর এবং আঙ্গুলের ছাপ ব্যবহার করে লেনদেনে সাহায্য করে।
  • যেহেতু এতে একজন ব্যাক্তির শারীরিক গঠন এবং বায়োমেট্রিক/ আইরিশের তথ্য ব্যবহার করা হয়, তাই এর থেকে কোন জালিয়াতির সম্ভাবণা থাকে না।
  • এর মাধ্যমে সরকারের বিভিন্ন ভর্তূকি যেমন NREGA, সামাজিক সুরক্ষা পেনশন, বিকলাঙ্গ বৃদ্ধাবস্থা পেনশন প্রভৃতি কেন্দ্র সরকারী বা রাজ্য সরকারী প্রকল্পের সুবিধা সহজে পাওয়া যায়।
  • ব্যাঙ্কগুলির মধ্যে লেনদেনের ক্ষেত্রেও নিরাপত্তা ও সুরক্ষা বজায় থাকে।
  • সেই সব মানুষের কাছে আর্থিক পরিষেবা নিয়ে যায় যারা তথাকথিত ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার বাইরে রয়েছেন।
  • বর্তমানে এর জন্য কোন লেনদেনের মাসুল নেই।
  • ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর মনে রাখার প্রয়োজন নেই।
  • যে সব গ্রাহকদের কম্পিউটার, অ্যান্ড্রয়েড ফোন/ট্যাবলেটে বায়োমেট্রিক ব্যবস্থা রয়েছেন, তারা বাড়িতে থেকেই এর সুবিধা নিতে পারবেন। কিছু ট্যাবলেটে ইনবিল্ট বায়মেট্রিক ব্যবস্থা থাকে যা ট্র্যানজেকশনের জন্য কাজে লাগতে পারে।

UPI (ইউনিফায়েডপেমেন্টসইন্টারফেস)

UPI কি?

UPI এর অর্থ হল ইউনিফায়েড পেমেন্টস ইন্টারফেস। এটা অতিদ্রুত, ইলেকট্রনিক পেমেন্ট সিস্টেম যা গ্রাহকের মোবাইল ফোন থেকেই ব্যবহার করা যায়। এটা আসলে ইমিডিয়েট পেমেন্ট পরিষেবা (IMPS) এর উন্নত সংস্করণ। IMPS এর মতোই UPI তেও সারা দিনরাত্রি অর্থ হস্তান্তর করা যায়।

  • এতে কোন কার্ডের ব্যবহার ছাড়াই শুধুমাত্র ফোনের ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রাহকে পরিচিতি যাচাই করা যায়।
  • এটা ২৪ ঘন্টা, ৩৬৫ দিন কাজ করে।

আপনার কি প্রয়োজন?

  • UPI অ্যাপ্লিকেশন (APP) সহ একটি স্মার্ট ফোন
  • একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট

এটাকিভাবেকাজকরে?

বিভিন্ন উপায়ে ডিজিটাল পেমেন্টUPI এর ব্যবহারের মাধ্যমে সরল ৩ ধাপ পদ্ধতিতে অনলাইন ট্রানজেকশন করা যায়

এরসুবিধাএবংবৈশিষ্ট্যগুলিকিকি?

  • এর মাধ্যমেগ্রাহকের নাম, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর, IFSC কোড বা ব্যাঙ্কের শাখার নাম অন্যের সঙ্গে ভাগ করে নেবার প্রয়োজন হয়না
  • UPI ডেবিট কার্ডের মতো বাহ্যিক সামগ্রীর ব্যবহার করে না
  • নেট ব্যাঙ্কিং এর মতো একাধিক ধাপ পেরোনোর সম্ভাবনা থাকে না যা অনেক সময়ই অসুরক্ষিত
  • যে কোন ব্যক্তি এই সরল অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবেন
  • তাৎক্ষনিক এবং নিরাপদ যাচাই প্রক্রিয়া যা যেখান থেকে খুশী শুরু করা যেতে পারে
  • সম্পূর্ণ ভাবে নগদ অর্থ মুক্ত সমাজ গড়ার কাজে পথনির্মাণকারী
  • ইনভয়েসের মতো করেই টাকা পাওয়ার জন্য অনুরোধ পাঠানো যায়
  • গ্রাহকেরা অনলাইনে অর্থ প্রদান বা পরিষেবা বিল মেটানো এবং বিদ্যালয়ের ফি দেওয়ার কাজেও UPI ব্যবহার করেন।

ই-ওয়ালেট

বিভিন্ন উপায়ে ডিজিটাল পেমেন্ট

ই-ওয়ালেট কি?

ই-ওয়ালেট শব্দের অর্থ হল ইলেক্ট্রনিক ওয়ালেট। এটা একধরনের ইলেক্ট্রনিক কার্ড যার মাধ্যমে একটি কম্পিউটার বা মোবাইল ফোনের সাহায্যে অনলাইনে লেনদেন করা যায়। পেমেন্ট করার জন্য ই-ওয়ালেটকে অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত থাকতে হবে। ই-ওয়ালেটের আসল উদ্দেশ্যে হল কাগজবিহীন অর্থ লেনদেন পদ্ধতিকে আরও সহজতর করা।

এটা কিভাবে কাজ করে?

ই-ওয়ালেটের মূলত দুটি উপাদান রয়েছে, সফটওয়্যার ও তথ্য।

সফটওয়্যার অংশে ব্যাক্তিগত তথ্য জমা থাকে। এটি তথ্যকে সুরক্ষিত এবং এনক্রিপ্ট করে। যেখানে তথ্য অংশ হল একটি তথ্যভাণ্ডার যার মধ্যে গ্রাহকের নাম, শিপিং ঠিকানা, পেমেন্ট পদ্ধতি, কত টাকা মেটাতে হবে, ক্রেডিট কার্ড অথবা ডেবিট কার্ডের তথ্য প্রভৃতি থাকে।

ই-ওয়ালেটের ব্যবহার আমি কিভাবে করব?

গ্রাহকদের জন্যঃ

  • আপনার ডিভাইসে অ্যাপ ডাউনলোড করুন
  • প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সাইন-আপ করুন। ব্যবহারকারী একটি পাশওয়ার্ড পাবেন।
  • ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড বা নেট ব্যাঙ্কিং এর মাধ্যমে অর্থ ভরুন
  • অনলাইনে কেনাকাটার পর, ই-ওয়ালেটে ক্রেতার তথ্যাদি নিজে থেকেই এসে যাবে
  • অনলাইনে পেমেন্ট করা হয়ে গেলে, গ্রাহককে আর কোন অর্ডার ফর্ম পূরণ করতে হয় না কারণ তথ্যাদি স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্যভান্ডারে সঞ্চিত হয়ে যায়।

বিক্রেতাদের জন্যঃ

  • বিক্রেতা তার ডিভাইসে অ্যাপ ডাউনলোড করবেন
  • প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সাইন-আপ করুন। ব্যবহারকারী একটি পাশওয়ার্ড পাবেন।
  • নিজেকে বিক্রেতা বলে ঘোষণা করুন
  • পেমেন্ট গ্রহণ করতে থাকুন

ই-ওয়ালেট ব্যবহার শুরু করতে আমার কি লাগবে ?

  1. ব্যাংক অ্যাকাউন্ট
  2. স্মার্ট ফোন
  3. ২G/৩G/৪G সংযোগ
  4. একটি নিঃশুল্ক ওয়ালেট অ্যাপ

এই বিষয়গুলি অবশ্যই মনে রাখবেন

  • প্রতিটি লেনদেনের বিষয়ে SMS পাওয়ার জন্য আপনার মোবাইল নম্বরটিকে ব্যাঙ্কে রেজিষ্টার করান
  • কারো সঙ্গে আপনার PIN আলোচনা করবেন না
  • একমাত্র বিশ্বাসযোগ্য ব্যবসায়ীদের কাছেই কেনাকাটা করুন
  • ATM –এ থাকাকালীন, নিশ্চিত করুন যাতে কেউ উঁকিঝুঁকি না মারে।

সূত্র: বিকাশপিডিয়া বেঙ্গলি টীম

3.0625
মন্তব্য যোগ করুন

(ওপরের বিষয়বস্তুটি সম্পর্কে যদি আপনার কোন মন্তব্য / পরামর্শ থাকে, তাহলে দয়া করে আমাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট করুন).

Enter the word
ন্যাভিগেশন
Back to top