ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা সম্পাদনার জন্য উন্মুক্ত

পোর্টাল-কথা

এই বিভাগে বিভিন্ন পোর্টাল সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হয়েছে।

উদ্যোগীদের জন্য পোর্টাল

একই ছাতার তলায় নতুন উদ্যোগপতি, বিনিয়োগকারী ও প্রযুক্তিবিদদের আনতে একটি ওয়েবসাইট চালু করেছে রাজ্যের কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এবং বয়ন (এমএসএমএই অ্যান্ড টি) দফতর। এই ওয়েবসাইটে কোনও প্রকল্পের বিবরণ পোস্ট করলে, সেটির প্রযুক্তিগত ও আর্থিক বিষয়গুলি খতিয়ে দেখবেন বিশেষজ্ঞরা। তা নিয়ে প্রয়োজনীয়ও পরামর্শও দেবেন তাঁরা। এই পরামর্শের উপর ভিত্তি করে প্রকল্পের যৌক্তিকতা যাচাই করা হবে। প্রয়োজনে শেয়ার মূলধন জোগাড়েও সাহায্য করবে রাজ্য সরকার।

কারা পরামর্শ দেবে

ওয়েব সাইটে পোস্ট করা প্রকল্পের বিবরণ খতিয়ে দেখবে আইআইটি-খড়গপুর, আইআইএম কলকাতা ও শিবপুরের আইআইএসটি-র বিশেষজ্ঞরা। সেগুলির উপর প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবেন তাঁরা। প্রথম বার পরামর্শ পেতে সংশ্লিষ্ট উদ্যোগপতিকে কোনও অর্থ ব্যয় করতে হবে না। পরে অবশ্য পরামর্শের জন্য উদ্যোগপতিদের অর্থ ব্যয় করতে হবে।

কোথায় উদ্যোগপতিরা তাদের প্রস্তাব আপলোড করবেন

কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এবং বয়ন দফতর এমএসএমইবেঙ্গলইনভেস্ট(ডট)ইন নামে একটি সাইট তৈরি করেছে। শিল্পপতিরা এই সাইটে তাঁদের প্রস্তাব আপলোড করতে পারবেন। শিল্পপতিদের আপলোড করা প্রস্তাবই যাচাই করবেন বিশেষজ্ঞরা।

২০১১ সালের পর থেকে রাজ্য সরকার কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উন্নয়নের জোর দিয়েছে। দেখা গেছে কোনও উদ্যোগের ভবিষ্যত থাকলেও অনেক সময় উদ্যোগপতিদের প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় শেয়ার মূলধন জোগাড় করা। শেয়ার মূলধন জোগাড় করতে না পারার কারণে অনেক সময় প্রকল্পের বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় না। ফলে, নতুন শিল্পের সম্ভবনা নষ্ট হয়। তাই শুধু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নয়, বিনিয়োগেও সহযোগিতা করার পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য সরকার। এ জন্য ২০০ কোটি টাকার একটি ফান্ড তৈরি করেছে সরকার। এই ফান্ড তৈরির যৌক্তিকতা রাজ্য সরকার খুঁজে পেয়েছে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পগুলির ঋণের পরিমাণ দেখে। ব্যাঙ্কগুলির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩-১৪ সালে রাজ্যের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পগুলি ২১,৮০০ কোটি টাকা ঋণ করেছে, যা দেশের মধ্যে সব চেয়ে বেশি।

সূত্র : এই সময়, ২৮ মার্চ ২০১৫

রাষ্ট্রীয় জ্ঞান আয়োগ

ওয়েব পোর্টাল হল মূলত একটি ওয়েবসাইট বা একটি পরিষেবা যা কোনও একটি বিষয়ে প্রবেশের জন্য একটা দ্বার-বিশেষ, যার মাধ্যমে এর ব্যবহারকারীদের জন্য জ্ঞান-সম্পদ ও পরিষেবা সমূহের একটি বহুস্তরীয় সূচি প্রস্তুত হবে। উদাহরণ হিসাবে একটি স্বাস্থ্য ওয়েব পোর্টালের কথা বলা যেতে পারে। এই পোর্টালের মধ্যে চিকিৎসা সংক্রান্ত কোনও ঘটনার বিবরণ যেমন থাকবে, তেমনই থাকবে ই-মেল গোষ্ঠীসমূহ, বিভিন্ন ফোরাম এবং স্বাস্থ্য তথ্য বিষয়ক একটি গবেষণা-ইঞ্জিন। পোর্টালের মাধ্যমে শুধুমাত্র তথ্যের আদান-প্রদান নয় সাধারণ মানুষ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পোর্টালে আলোচনা করতে পারবেন, মতামত জানাতে পারবেন।

ওয়েব পোর্টাল ও রাষ্ট্রীয় জ্ঞান আয়োগ

রাষ্ট্রীয় জ্ঞান আয়োগ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর একটি উচ্চ পর্যায়ের পরামর্শদাতা সংস্থা, যার প্রধান উদ্দেশ্য হল ভারতকে একটি জ্ঞান সমাজে পরিবর্তিত করা। শিক্ষা থেকে ই-গভর্ন্যান্স বিষয়ক সব ক’টি ক্ষেত্রে জ্ঞানের যে পাঁচটি মূল বিষয় বিন্দু রয়েছে, তার সব ক’টি নিয়েই চিন্তাভাবনা তার কাজ।

বিকেন্দ্রীকরণ, তথ্যের অধিকার, জনতার অংশীদারীত্ব ও পারদর্শিতার হাওয়া সারা দেশে বইছে। সেই পরিবেশে সাধারণ মানুষ নিজেদের অধিকারের প্রয়োগ করতে ক্রমশ বেশি বেশি করে আগ্রহী হচ্ছেন। এই কাজে সহায়তা করতে পারে ওয়েব পোর্টাল। তাই রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ের জ্ঞানকে ছড়িয়ে দিতে, গণসচেতনতা ছড়িয়ে দিয়ে এবং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনার পরিসর বিস্তৃত করতে ওয়েব পোর্টালকেই হাতিয়ার করছে রাষ্ট্রীয় জ্ঞান আয়োগ।

এই প্রসঙ্গে রাষ্ট্রীয় জ্ঞান আয়োগ নানান গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে গণচেতনার জন্য ওয়েব পোর্টাল তৈরি করার কিছু প্রক্রিয়া স্থির করেছে:

  • প্রধান নেতৃস্থানীয় সংস্থাগুলিতে চিহ্নিত করা।
  • আয়োগের অনুমোদনের জন্য সংস্থাগুলির দ্বারা পোর্টালের পরিকল্পনা এবং স্থাপত্য বিষয়ক প্রস্তাব জমা দেওয়া।
  • যাঁদের এ বিষয়ে দায়বদ্ধতা আছে এবং যাঁরা অংশীদার হতে পারেন তাঁদের চিহ্নিত করা এবং পোর্টালের ব্যবস্থাপনার জন্য একটা কাঠামো তৈরি করা।
  • বিষয়-বস্তুগত সামগ্রী নির্মাণ
  • পোর্টালগুলিতে উত্তোলিত করা

তথ্যসূত্র : রাষ্ট্রীয় জ্ঞান আয়োগ

ইন্ডিয়া ওয়াটার পোর্টাল

এটি ভারতের জল বিষয়ক পোর্টাল। এই পোর্টালটি তৈরি করছে অর্ঘ্যম ট্রাস্ট নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। এর কাজ শুরু হয়েছে জানুয়ারি ২০০৬-এ এবং কাজ শেষ হয়ে পোর্টালটি আপলোড হয় ২০০৬-এর ডিসেম্বর মাসে। দেশের জল সম্পদ বিষয়ক যাবতীয় তথ্য এই পোর্টালের পাওয়া যাবে। তবে শুধু তথ্য বা জ্ঞানের বিস্তার নয়, ব্যবহারকারীরা এই পোর্টালে তাদের প্রশ্নও তুলে ধরতে পারবেন। এর পাশাপাশি জল নিয়ে জন সচেতনতার কাজও পোর্টালটি করে থাকে।

ভারত বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ। এর অন্যতম সম্পদ হল জল। এর চাহিদা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই জলসম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনা গুরুত্বপূর্ণ। সেই লক্ষ্য নিয়েই তৈরি হয়েছে জাতীয় জল নীতি। আর এই ব্যবস্থাপনার কাজে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ জরুরি। মূলত সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণকে জোরদার করতে ইন্ডিয়া ওয়াটার পোর্টালটি তৈরি করা হয়েছে। এই পোর্টালের মাধ্যমে জল সম্পদ বিষয়ক নানা তথ্য ও জ্ঞান পাওয়া যায়। এই তথ্য ও জ্ঞান একটি মুক্ত মঞ্চের মাধ্যমে সবার মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার ক্ষেত্রে পোর্টালটি কাজ করে। এই পোর্টালের মুখ্য উদ্দেশ্য হল:

  • ১। জল ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সাধারণ জন-মানসে সচেতনতা তৈরি এবং এ বিষয়ে প্রচলিত ধ্যানধারণার ভুল ভাঙানো
  • ২। যে পদ্ধতিতে অন্যত্র সফলতা পাওয়া গেছে এবং এ বিষয়ে যা অভিজ্ঞতা – সে সব বিষয়ে জল ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত প্রয়োগকর্তাদের অবহিত করানো
  • ৩। বহুবিধ দায়বদ্ধতা যাঁদের রয়েছে তাঁদের জন্য তথ্যের আদান-প্রদানের একটা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা।

এই পোর্টালে জল সম্পদ ব্যবস্থাপনার কাজে রাজ্য ভিত্তিক উল্লেখযোগ্য সাফল্যের খবর এবং তথ্য। পাঠকরা জল সম্পদ সংক্রান্ত কোনও প্রশ্ন থাকলে এই পোর্টালে তা করতে পারেন। নিয়মিত এই সব প্রশ্নের উত্তরও দেন বিশেষজ্ঞরা। এ ছাড়া জল সম্পদ সংরক্ষণের বিষয়ে মানুষক আগ্রহী করতে ফোটোগ্রাফ ও অনুষ্ঠানের খবরও এখানে পাওয়া যায়।

এই পোর্টালটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন : http://www.indiawaterportal.org

3.16666666667
তারকাগুলির ওপর ঘোরান এবং তারপর মূল্যাঙ্কন করতে ক্লিক করুন.
মন্তব্য যোগ করুন

(ওপরের বিষয়বস্তুটি সম্পর্কে যদি আপনার কোন মন্তব্য / পরামর্শ থাকে, তাহলে দয়া করে আমাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট করুন).

Enter the word
Back to top