ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা সম্পাদনার জন্য উন্মুক্ত

এনইজিডি-র মাধ্যমে দক্ষতা সৃষ্টি

প্রশাসনের সব ধাপে ই-গভর্ন্যান্স পরিচালনায় কর্মীদের দক্ষ করাই এই বিভাগের লক্ষ্য।

জাতীয় ই-গভর্ন্যান্স পরিকল্পনার অধীন দক্ষতা সৃষ্টির একটি প্রকল্প ২০০৮ সালের জানুয়ারিতে তিন বছরের জন্য গ্রহণ করা হয়। পরে আরও দু’বছর এর সময়সীমা বাড়ানো হয়। এই প্রকল্পের লক্ষ্য, জাতীয় ই-গভর্ন্যান্স পরিকল্পনাকে চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য একেবারে শীর্ষ স্তরের সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত পর্যন্ত প্রশাসনের সব ধাপে দক্ষতা তৈরি করা। এর জন্য ৩০টি রাজ্যে ই-মিশন টিম (এসইএমটি) তৈরি করা হয়েছে। সরকারি আধিকারিকদের দক্ষ এবং উদ্যোগী করে তোলা এই প্রকল্পের অন্যতম গুরুত্বপর্ণ লক্ষ্য। এর জন্য বিস্তৃত প্রশিক্ষণ পর্বে থাকছে, লিডারশিপ মিট, ই-গভর্ন্যান্স কর্মসূচির জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ (এসটিইপি), সিআইও-র প্রোগ্রাম, মানসিক অভিযোজনের উদ্দেশ্যে কর্মশালা ইত্যাদি। রাজনৈতিক স্তরেও বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে ১৮ রাজ্যে ‘লিডারশিপ মিট’ হয়েছে। বাকি রাজ্যগুলিতেও বৈঠক করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ই-গভর্ন্যান্সের নানা দিক নিয়ে সারা ভারত জুড়েই সরকারি আধিকারিকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া চলছে। এর পাশাপাশি সরকারের সর্ব স্তরে ই-গভর্ন্যান্স কর্মসূচি রূপায়িত করতে অভ্যন্তরীণ বিশেষজ্ঞ কর্মীবাহিনী তৈরি করার একটি সিআইও পরিকল্পনাও চালানো হচ্ছে।

ডিইআইটি এ জন্য দ্বাদশ পঞ্চবার্ষিক যোজনায় একটি স্বশাসিত জাতীয় ই-গভর্ন্যান্স ইনস্টিটিউটও (এনআইজি) তৈরির প্রস্তাব দিয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য হবে বছরভর সরকারি আধিকারিকদের ই-গভর্ন্যান্স নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া। এ নিয়ে গবেষণার ক্ষেত্রেও প্রতিষ্ঠানটি অগ্রণী ভূমিকা নেবে। এনআইজি হবে ই-গভর্ন্যান্সের পথিকৃৎ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ই-গভর্ন্যান্সের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে এবং সরকারি কর্মীদের দৃষ্টিভঙ্গিতে এ সম্পর্কে আমূল পরিবর্তন আনতে এনআইজি সর্বাধুনিক শিক্ষণপ্রণালী চালু করবে। দক্ষতা সৃষ্টির প্রকল্পে প্রশিক্ষণ ও ওয়ার্কশপ চালানোর ক্ষেত্রে এনআইজিকে ব্যবহার করা হবে। সংস্থাটি প্রতি বছর পঞ্চাশ জন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীকে প্রশিক্ষণ দেবে, যা ই-গভর্ন্যান্স প্রকল্প সফল হওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সব স্তরের সরকারি কর্মীদের প্রশিক্ষিত করতে এবং উৎসাহী করে তুলতে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে নজর দেওয়া হবে।

  • প্রাথমিক আইটি দক্ষতা --- কর্মীদের তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) সম্পর্কে প্রাথমিক ভাবে দক্ষ করা হবে। অর্থাৎ প্রাথমিক ভাবে আইটি সাক্ষর করা হবে। ই-গভর্ন্যান্স সম্পর্কে ভাল করে জানা বোঝার জন্য সরকারি আধিকারিকদের কমপিউটার প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করাটা অন্যতম লক্ষ্য। যারা নতুন চাকরিতে ঢুকছে তাদের ক্ষেত্রেও এই প্রশিক্ষণ ধাপে ধাপে চালু করা হবে।
  • অতিরিক্ত দক্ষতা-- এর লক্ষ্য হবে, প্রাথমিক হার্ডওয়ার নেটওয়ার্কিং, ডেটাবেস, ট্রাবল শুটিং, কন্ট্রাক্ট ইত্যাদি সম্পর্কে দক্ষতা তৈরি করা।
  • বিশেষ দক্ষতা-- বিশেষজ্ঞসিআইও/ই-চ্যাম্পিয়ন, প্রযুক্তি, চেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট, ও প্রসেস রি-ইঞ্জিনিয়ারিং ইত্যাদিতে বিশেষজ্ঞ তৈরি করতে বিশেষ দক্ষতা তৈরি করা।
3.0
মন্তব্য যোগ করুন

(ওপরের বিষয়বস্তুটি সম্পর্কে যদি আপনার কোন মন্তব্য / পরামর্শ থাকে, তাহলে দয়া করে আমাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট করুন).

Enter the word
ন্যাভিগেশন
Back to top