ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা সম্পাদনার জন্য উন্মুক্ত

ডিইআইটির প্রস্তাব

চলতি মূল পরিকাঠামোকে আরও শক্তিশালী এবং বিস্তৃত করার জন্য দ্বাদশ পঞ্চবার্ষিক যোজনায় বিভিন্ন প্রস্তাব দিয়েছে ইলেকট্রনিক্স এবং তথ্য প্রযুক্তি বিভাগ (ডিইআইটি) এর মধ্যে রয়েছে আরও বেশি করে সমান্তরাল সংযোগের ব্যবস্থা করা, খুব বেশি করে সংযোগ তৈরি করা ইত্যাদি। মূল পরিকাঠামোর ক্ষেত্রে ফাইবার অপটিক নির্ভর সংযোগের সুযোগ নেওয়া হবে এবং আরও ১,৫০,০০ সিএসসি স্থাপন করা হবে। এর ফলে পঞ্চায়েত স্তরে সুশাসন পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে একটি বাস্তুতান্ত্রিক কাঠামো তৈরি সম্ভব হবে। মোবাইল ফোনের বহুল ব্যবহারকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন প্রশাসনিক পরিচালনা পরিষেবা এবং তথ্য পরিষেবা দেওয়া হবে।

সরকারি কাজকর্ম স্বচ্ছ, নাগরিক-কেন্দ্রিক, দক্ষ ও সহজলভ্য করে তুলতে সমস্ত সরকারি পরিষেবা ইলেক্ট্রনিক মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে ইলেক্ট্রনিক ও তথ্য প্রযুক্তি বিভাগ বৈদ্যুতিন পরিষেবা সরবরাহ আইন (ইডিএস) প্রণয়ন এবং তা প্রয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে। ই-গভর্ন্যান্সের গ্রহণযোগ্যতা ত্বরান্বিত করতে এবং ই-গভর্ন্যান্স প্রকল্প দ্রুত রপায়ণে ‘চক্রের সময়’ কমাতে গোটা কার্যপ্রক্রিয়ার পুনর্গঠন, একটি আদান-প্রদানের মঞ্চ এবং একটি জাতীয় অ্যাপলিকেশন ভাণ্ডার গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে ডিইআইটি-র।

ব্যাপক হারে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। তাই এর প্রয়োগ যাতে নিরাপদ এবং সুরক্ষিত হয় সে ব্যপারে সরকারি উদ্যোগ দাবি করে। তথ্যের অসামঞ্জস্যতার কারণে যে সামজিক এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য রয়েছে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে তা কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে ডিইআইটি-র। আমজনতার কাছে বিভিন্ন কল্যাণমূলক প্রকল্প পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারগুলির বিভিন্ন বিভাগকে সাহায্য করতে চায় ডিইআইটি।

আরও নতুন ক্ষেত্রে জাতীয় ই-গভর্ন্যান্স প্রকল্পকে পৌঁছে দেওয়া হবে। এর মধ্যে রয়েছে, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, গণবণ্টন ব্যবস্থা, ডাক ও তার, দক্ষতা বৃদ্ধি, অপরাধের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং আরটিআই ইত্যাদি। ই-গভর্ন্যান্স ও মোবাইল গভর্ন্যান্স-এর ক্ষেত্রে উদ্ভাবন এবং বহুল পরিমাণে ই-গভর্ন্যান্স অ্যাপলিকেশন তৈরিতে উৎসাহ দেবে ডিইআইটি। এর জন্য একটি তহবিল গঠনের প্রস্তাবও দিয়েছে সংস্থা। বিভিন্ন সংস্থা এবং নাগরিকরা যাতে সরকারি অ-শ্রেণিবদ্ধ তথ্য গঠনমূলক কাজে ব্যবহার করতে পারে সে জন্য একটি প্রতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরির ইচ্ছা রয়েছে ডিইআইটি-র। এই সংস্থা ই-গভর্ন্যান্স সচেতনা বাড়াতে চায়, এই পরিষেবা সাধারণ মানুষের উপর কতটা প্রভাব ফেলছে তা নিয়মিত যাচাই করতে চায় এবং সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ সুনিশ্চিত করতে একটি ব্যবস্থা গরে তুলতে চায়। পরিশেষে সমস্ত স্তরে সরকারি কর্মীদের জন্য পরিকল্পিত ই-গভর্ন্যান্স প্রশিক্ষণ, সার্টিফিকেশন ও অনলাইন কোর্সের ব্যবস্থা করে এবং কেন্দ্রীয় সরকারের দক্ষতা বৃদ্ধির বর্তমান প্রকল্পকে আরও ছড়িয়ে দিয়ে যথাযথ প্রাতিষ্ঠানিক পরিকাঠামো তৈরি করে দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্যোগকে এবং অভ্যন্তরীণ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে আরও শক্তিশালী করতে চায় ডিইআইটি।

3.0
Pratap Chandra Kole Nov 13, 2014 06:08 PM

কোন সন্ধেয় নেই বিকাশ পিডিয়া একটি অনবদ্য প্রযাশ. বিকাশ পিডিয়া পড়লে সত্যই অনেক কিছু জানা যায় , তবে বিষয় ভিত্তিক আলোচনা গুলির আরো বিশদে চাই . সামান্য লেখায় মন ভরছে না. পাশাপাশি সি এস সি নিয়ে সরকারের হাল ভাবনা চিন্তা ও এর উন্নতি নিয়ে কি বব্স্থ্যা নিছেন বা নিতে চলেছেন সে বিষয়ে সহজে চোখে পরার মত একটা ব্যবস্থা নেবার দরকার বলে আমার মনে হয়. যেমন একট হেডিং থাকবে আপডেট বলে এবং তার নিচে এই মাসের বা এই সপ্তাহের সরকারী ভাবে কি ঘোসনা হলো ও কি পরিষেবা সি এস সি থেকে চালু হলো নাগরিক দের জন্য সে বিষয়ে আলোকপাত করার . আমি বিকাশ পিডিয়ার শ্রীবৃদ্ধি কামনা করি

মন্তব্য যোগ করুন

(ওপরের বিষয়বস্তুটি সম্পর্কে যদি আপনার কোন মন্তব্য / পরামর্শ থাকে, তাহলে দয়া করে আমাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট করুন).

Enter the word
ন্যাভিগেশন
Back to top