হোম / শিক্ষা / কনটেন্ট / শিশু অধিকার / যত্ন দিয়ে শিশুর লালনপালন
ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা সম্পাদনার জন্য উন্মুক্ত

যত্ন দিয়ে শিশুর লালনপালন

শিশুর লালনপালন

সার কথা

যে সব শিশু ভালো পরিবেশে বড় হয়ে ওঠে তাদের ব্যবহারও ভালো হয় এবং যে কোনও পরিস্থিতিই তারা খুব ভালো ভাবে মোকাবিলা করতে পারে। শিশুর পরিবেশ তার পরিবার, আত্মীয়বন্ধু, শিক্ষক ও স্কুলের ওপর নির্ভর করে। শিশুর বিকাশের জন্য তাকে সঠিক ভাবে সামাজিক করে তুলতে হবে। প্রাথমিক ভাবে শিশুর চরিত্র গঠন করেন তার বাবা মা এবং শিক্ষক। পাশাপাশি এ কথা মনে রাখতে হবে, শিশুর জীবনের সাফল্য বা ব্যর্থতার পেছনে পড়াশোনায় তার যোগ্যতাই একমাত্র নির্ধারক বিষয় নয়, যদিও পড়াশোনায় দক্ষতা এ বিষয়টিকে অনেকটা নিয়ন্ত্রণ করে। কিন্তু আজকের যুগে প্রায়ই দেখা যায়, শিশুর চরিত্র ও মনের বিকাশের থেকে বাবা মা তার লেখাপড়ার দিকে বেশি গুরুত্ব দেন, আর এই ভুল দৃষ্টিভঙ্গির শিকার হয় শিশুরা। এখন সময় এসে গেছে, ভবিষ্যতের সুনাগরিক তৈরির উদ্দেশ্যে শিশুর মা বাবা ও শিক্ষককে এক সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগোতে হবে। শিশুকে অত্যন্ত যত্নের সঙ্গে এবং মানবিক ও সামাজিক গুণাবলির মিশেল দিয়ে বেড়ে উঠতে সাহায্য করতে হবে।

ভূমিকা

সিগমুন্ড ফ্রয়েড বলেছেন, শিশুর শৈশব তার ভবিষ্যতকে নিয়ন্ত্রণ করে। বিখ্যাত শিশু মনোবিশেষজ্ঞ স্কফ বলেছেন, যে সব শিশু ভালো পরিবার ও ভালো পরিবেশে বড় হয়ে ওঠে, তাদের মানবিক গঠন সুন্দর হয় এবং তারা অন্য ব্যক্তির সঙ্গে খুব তাড়াতাড়ি সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে কিন্তু যে শিশুরা খারাপ পরিবার ও পরিবেশে বড় হয়ে ওঠে, তাদের ক্ষেত্রে এ রকম হয় না। শিশুরা অনুকরণপ্রবণ হয়। পরিবেশে ও পরিবারে তারা যা দেখে, তা-ই অনুকরণ করার চেষ্টা করে। শিশুরা যাদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত মেলামেশা করে, যেমন তার পরিবারের আত্মীয়স্বজন, স্কুলের বন্ধু ও শিক্ষক এবং পরিচিতরা-- তাদের নিয়েই শিশুদের সামাজিক পরিবেশ তৈরি হয়।

সঠিক ভাবে শিশুকে সামাজিক করে তুলতে পারলেই তার সঠিক বিকাশ সম্ভব। শিশুকে সামাজিক করার প্রাথমিক মাধ্যম হল পরিবার, এখানেই শিশুর চরিত্র প্রথম গঠিত হয়। দ্বিতীয় মাধ্যম হল স্কুল, এখানেই শিশু তার জীবনের প্রথম অধ্যায় অতিবাহিত করে। সুতরাং স্কুল হল শিশুর জীবনে এক নতুন সমাজ। শিশুর যথাযথ বিকাশের জন্য তিনটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ --- এগুলি হল, পড়াশোনায় উৎকর্ষ, সমাজোপযোগী বিকাশ ও মানসিক অনুভুতির বিকাশ।

পড়াশোনায় উৎকর্ষ

পড়াশোনায় উৎকর্ষ

পড়াশোনায় সব শিশুর মেধা এক রকম হয় না। স্কুলের ক্লাসগুলিতে বিভিন্ন মেধার শিশু থাকে। অনেক শিশুরই কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে পড়তে, লিখতে ও অঙ্ক করতে অসুবিধা থাকে, এই অক্ষমতাকে বলা হয় ডিসলেক্সিয়া, ডিসগ্রাফিয়া ও ডিসক্যালকুলিয়া। পড়াশোনার ক্ষেত্রে এ ধরনের অক্ষমতা কখনওই সারিয়ে তোলা যায় না। তবে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সহযোগিতায় এই শিশুরাও ভাল ফল করতে পারে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই শিক্ষক ও অভিভাবকরা এ বিষয়ে সচেতন থাকেন না। যদি কোনও শিক্ষক কোনও শিশুর এই অক্ষমতার কথা জানতে পারেন, তবে শিক্ষকের উচিত তার পড়ানোর পদ্ধতি পরিবর্তন করে শিশুকে শিক্ষা দেওয়া। এ জন্য শিশুটিকে অবশ্যই আলাদা সময় দিতে হবে। অভিভাবকদেরও শিশুর এই অক্ষমতাকে মেনে নিতে হবে ও তাদের সঙ্গে যথাযথ ব্যবহার করতে হবে।

অভিভাবকদের ভূমিকা

শিশুর পড়াশোনার লক্ষ্য যেন এমন কিছু না হয়, যা তার ক্ষমতার বাইরে। অভিভাবকদের উচ্চাশা থাকতেই পারে কিন্তু কখনওই তা শিশুর ওপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, অভিভাবকরা সারাক্ষণ সহপাঠীদের সঙ্গে সন্তানের তুলনা করে চলেছেন। সন্তানের কাছে তাঁদের চাওয়া ক্রমেই বাড়তে থাকে। পড়াশোনা নিয়ে অভিভাবকদের এই নিষ্ঠুর আচরণে অনেক ক্ষেত্রেই শিশুর ব্যবহার পাল্টে যায়। শিশু উত্তেজনাপ্রবণ হয়ে পড়ে এবং তার পড়াশোনার মান হঠাৎই খারাপ হতে শুরু করে। মনে রাখতে হবে, শিশুরা বাবা মায়ের অংশ নয়, তাদেরও ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্য রয়েছে। অভিভাবকরা প্রকৃত সত্য জানেন না। লেখাপড়ায় ভালো হলেই যে জীবনে সাফল্য মিলবে, তা নয়। তবে এটা বলা চলে যে জীবনে সাফল্য বা ব্যর্থতার এটা অন্যতম একটি কারণ।

বাবা মায়ের যা করা উচিৎ‌-

  • শিশুর প্রয়োজন, চাহিদা এবং অনুভূতিকে বুঝুন
  • সব সময় পক্ষপাতশূন্য থাকবেন, অন্য কারও সঙ্গে শিশুর তুলনা করবেন না
  • শিশুর সঙ্গে সহজ ও বন্ধু ভাবে মিশুন
  • শিশুর সামনে তার সম্পর্কে আলোচনা করবেন না

শিক্ষকদের ভূমিকা

অনেক শিক্ষকই এটা মানতে পারেন না ‘দেখতে সুস্থ স্বাভাবিক’, এমন কোনও শিশুর পড়াশোনার ক্ষেত্রে কোনও অসুবিধা থাকতে পারে। অনেকে আবার ভাবেন, শিশুটি অলস, অমনোযোগী। এমনকী তাদের এই অক্ষমতাকে তাঁরা সবার সামনে প্রকাশ করে শিশুটিকে ব্যঙ্গ করেন। শুধু তা-ই নয়, তাঁরা শিশুটিকে বকেন, শাস্তি দেন, যাতে পরবর্তীকালে শিশুটি মনোযোগী হয়ে ওঠে। কিন্তু পড়াশোনায় এই সব শিশুর দুর্বলতা কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে শিক্ষকদেরই প্রধান ভূমিকা নিতে হবে। সম্প্রতি কয়েকটি ঘটনায় দেখা গেছে, এ ধরনের শিশুদের প্রতি খারাপ ব্যবহারের কারণে অভিভাবকরা শিক্ষকদের অভিযুক্ত করছেন, কোনও কোনও শিক্ষককে বদলি করে দেওয়া হয়েছে, কাজ থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে, এমনকী তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। এ সব ক্ষেত্র শিক্ষকরা যুক্তি দেন, তাঁরা শিশুদের শাস্তি দেন যাতে তারা ভালো করে পড়াশোনা করে এবং পরীক্ষায় ভালো ফল করে। যখন কোনও শিক্ষককে ছাত্রের প্রতি নিষ্ঠুর আচরণের জন্য শাস্তি দেওয়া হয়, তখন শিক্ষকরা যে প্রতিক্রিয়া দেখান তাকে ইতিবাচক মনোভাবের প্রকাশ বলা চলে না। এর চেয়েও বড় কথা, তাঁরা যতটা না কাজের ক্ষেত্রে শিক্ষকের নির্দিষ্ট ভূমিকাটি পালন করছেন, তার চেয়ে অনেক বেশি নিয়ম-মানা কর্মচারীতে পরিণত হয়েছেন।

পড়ুয়া-শিক্ষক সম্পর্ক তখনই ভাল হবে যখন শিক্ষক-

  • ইতিবাচক চিন্তা করবেন
  • শাস্তি দেওয়াকে এড়িয়ে যেতে পারবেন
  • পড়ুয়াদের কথা শুনবেন ও তাদের আত্মবিশ্বাস জোগাবেন
  • ছাত্রছাত্রীদের দুর্বলতা কটিয়ে উঠতে সাহায্য করবেন

সামাজিক সক্ষমতা

সামাজিক অগ্রগতি

শারীরিক সক্ষমতার মতো সামাজিক সক্ষমতাও শিশুর সাফল্যের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। যেখানে বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজন, সংবাদমাধ্যম শিশুর ওপর প্রভাব বিস্তার করে। শিশুকে অবশ্যই বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়পরিজনদের সঙ্গে মেলামেশা করতে দিতে হবে, যাতে সে সামাজিক হয়ে ওঠে। তবে যথাযথ তত্ত্বাবধানেই এটা করতে হবে। এই সামাজিক হওয়ার প্রক্রিয়াতেই শিশু অনেক কিছু গ্রহণ করতে শেখে, যা সে হয়তো পছন্দ করত না । এই প্রক্রিয়ায় সে অনেক নতুন ঘটনা ও অভিজ্ঞতারও সম্মুখীন হয়।

অভিভাবকদের ভূমিকা

বাবা, মা-ই সন্তানের আদর্শ। সব সময় আপনার সন্তানের সঙ্গে সহজ, বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করুন। অভিভাবকরা শিশুর মূল্যবোধ ও লক্ষ্য স্থির করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। তবে মনে রাখবেন, যে লক্ষ্য শিশুর জন্য স্থির করেছেন, তা যেন আকাশের চাঁদ না হয়ে দাঁড়ায়। অভিভাবকরা অবশ্যই জীবনসংগ্রামের নিত্য নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে সন্তানকে সাহায্য করবেন এবং তাদের মধ্যে আদর্শ ও নৈতিক মূল্যবোধ তৈরি করবেন ।

শিক্ষকদের ভূমিকা

শিশুর চরিত্র গঠনে শিক্ষকদের একটা বড় ভূমিকা থাকে। শিশুরা সজ্ঞানে বা অজ্ঞানে শিক্ষকদের অনুকরণ করে। যদি তাদের শিক্ষাগুরু সৎ চরিত্রের হন এবং ভালো ব্যবহার করেন, তা হলে শিশুরাও ভালো হয়। যদি শিক্ষক বিভিন্ন অবস্থায় মানিয়ে নিতে পারেন এবং বিভিন্ন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন, তা হলে শিশুরাও তা করতে শিখবে। কাজেই শিক্ষককে শিশুর চোখে আদর্শ হতে হবে। জীবনযুদ্ধে জয়ী হওয়ার কৌশলও শিক্ষকই শিশুকে শেখান। বিদ্যালয়ে শিশুর জন্য আদর্শ পরিবেশ গড়ে তুলতে পারেন শিক্ষকই।

শিশুর অনুভূতির বিকাশ

শিশুর অনুভূতির বিকাশ

প্রতিটি মনেই আবেগ থাকে । বিভিন্ন মানুষের মনে বিভিন্ন মাত্রায় অনুভূতি থাকে। অনেকগুলি বিষয় আছে যা আমাদের অনুভূতিকে নিয়ন্ত্রণ করে। শিক্ষক ও অভিভাবক, উভয়ই শিশুর মনের অনুভূতিগুলির বিকাশ ঘটান। ভয়, রাগ, ঈর্ষা, ভালোবাসা---মোটামুটি এই ক’টি অনুভূতি শিশুর মনে থাকে। এগুলিই নানা ক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে মনের বিকাশ ঘটায়। কিন্তু আরও কিছু জিনিস, যেমন, ক্লান্তি, শারীরিক অবস্থা, বুদ্ধিমত্তা, সামাজিক পরিস্থিতি এবং পারিবারিক সম্পর্ক শিশুর অনুভূতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

অভিভাবকের ভূমিকা

বেঁচে থাকার জন্য যেটুকু না হলেই নয়, অর্থাৎ খাদ্য, জল, বাসস্থান দিয়েই শিশুদের প্রয়োজন মেটে না। এগুলো ছাড়াও বেশ কিছু জিনিস তাদের প্রয়োজন হয়---

  • শিশুদের এমন একজনকে প্রয়োজন, যার সঙ্গে তারা তাদের ভাবনা, সমস্যা ও লক্ষ্য নিয়ে কথা বলতে পারে। অভিভাবকদের উচিত রোজ তাঁর সন্তানের সঙ্গে কথা বলা ও সময় কাটানো।
  • বন্ধুরা শিশুর জীবনে বড় ও দ্রুত পরিবর্তন নিয়ে আসে। তাই ভালো বন্ধু শিশুর জীবনে অত্যন্ত জরুরি। কথায় আছে, ‘সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ’। পছন্দ, অপছন্দ, স্বপ্ন, ইচ্ছায় তার সঙ্গে মিল রয়েছে, এমন ব্যক্তির সঙ্গে শিশুরা মিশতে পছন্দ করে। তাই শিশুরা কার সঙ্গে মেলামেশা করছে, সে দিকে অভিভাবকদের তীক্ষ্ণ নজর রাখা দরকার।
  • শিশুদের আত্মপরিচয়ের বিকাশ ঘটানো উচিত, এমন কিছু বৈশিষ্ট্যের অধিকারী করে তোলার চেষ্টা করা উচিত, যা তাদের অন্য শিশুদের থেকে আলাদা করে। শিশুরা অন্য সবার থেকে আলাদা, তারা একেবারে নিজস্ব ভঙ্গিমায় নিজের মনের ভাব প্রকাশ করে। অভিভাবকদের অবশ্যই তাদের এ ব্যাপারে উৎসাহ দেওয়া প্রয়োজন, তাদের চেতনায় সঠিক নীতিবোধ যাতে জায়গা করে নিতে পারে সে ব্যাপারে সচেষ্ট হওয়া দরকার।

শিক্ষকের ভূমিকা

শিশুদের মনের বিকাশ ঘটে তার পড়াশোনা, অভিজ্ঞতা, বুদ্ধিমত্তা ও পরিণতির ওপর নির্ভর করে। শিক্ষকরা সব সময় শিশুর বুদ্ধিমত্তা বিকাশের ওপর গুরুত্ব দেন কিন্তু কখনওই তাদের আবেগ ও অনুভূতির বিকাশের কথা বলেন না। এ কারণে তাঁরা বহির্মুখী শিশুর কাছ থেকে যা পেয়ে অভ্যস্ত, তা তাঁরা এক জন অন্তর্মুখী শিশুর কাছ থেকেও প্রত্যাশা করে থাকেন। কিন্তু শিক্ষকদের উচিত এক জন অন্তর্মুখী শিশুকেও উৎসাহ দিয়ে সৃজনশীল ভাবে তাদের প্রতিভার বিকাশ ঘটানো। এ জন্য প্রতিটি শিশুকে গভীর ভাবে লক্ষ করা একান্ত প্রয়োজন।

সহযোগিতার মঞ্চ

শিক্ষক ও অভিভাবকরা একটা সহযোগিতা মঞ্চ গড়তে পারেন, যেখান থেকে তাঁরা শিশুকে আরও যত্নের সঙ্গে দেখাশোনার ব্যাপারে উন্নততর বোঝাপড়ায় পৌঁছতে পারেন। বাড়ি ও স্কুলের সুসম্পর্কের মাধ্যমেই শিশুর সামাজিক ভাবে,অনুভূতিগত দিক দিয়ে এবং পড়াশোনার ক্ষেত্রে সঠিক বিকাশ ঘটানো সম্ভব। শিক্ষক-অভিভাবক সহযোগিতা স্কুল ও বাড়ির সুসম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করে, যার ফলে

  • শিশুটির বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে শিক্ষক ও অভিভাবকরা যথাযথ উপলব্ধির দিকে যেতে পারেন।
  • শিক্ষার সংজ্ঞা সম্পর্কে উন্নততর বোঝাপড়ায় পৌঁছতে পারেন।
  • নিজেদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ পাওয়া যায়।
  • শিশুর পড়াশোনা ও প্রশিক্ষণের ব্যাপারে নতুন নতুন পদ্ধতি আয়ত্ত করা সম্ভব হয়।

এই লক্ষ্যগুলি পূরণ করা গেলে শিশুরা অবশ্যই বাড়িতে ও স্কুলে শিশু-বান্ধব পরিবেশে বড় হয়ে ওঠার সুযোগ পাবে।

3.01298701299
মন্তব্য যোগ করুন

(ওপরের বিষয়বস্তুটি সম্পর্কে যদি আপনার কোন মন্তব্য / পরামর্শ থাকে, তাহলে দয়া করে আমাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট করুন).

Enter the word
ন্যাভিগেশন
Back to top