হোম / শিক্ষা / জ্ঞান বিজ্ঞান / ঝাড়খণ্ডে বেড়ানোর জায়গা
ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা সম্পাদনার জন্য উন্মুক্ত

ঝাড়খণ্ডে বেড়ানোর জায়গা

পশ্চিমবঙ্গের প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ড প্রকৃতির অকৃপণ দানে ভরপুর। তাই এই রাজ্যের প্রতি পর্যটকদের আকর্ষণ বরাবরের, বিশেষ করে বাঙালির। ঝাড়খণ্ডের কিছু পর্যটনস্থলের বর্ণনা এই বিভাগে।

প্রতিবেশী ঝাড়খণ্ড
দক্ষিণ বিহারের উপজাতিদের সংগঠন ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার দীর্ঘ আন্দোলনের পর ২০০০ সালের ১ নভেম্বর স্বীক‌ৃতি মেলে ঝাড়খণ্ড রাজ্যের।
রাঁচি
জঙ্গল আর আদিবাসী অধ্যুষিত প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর ছোটনাগপুর মালভূমির কেন্দ্রস্থলে ৬৫২ মিটার উঁচুতে রাঁচি শহর।
নেতারহাট
ছোটনাগপুর পাহাড়ের ঢালে পলামু জেলায় ১২৫০ মিটার উঁচুতে শাল-মহুয়া-পলাশে ছাওয়া পাইন আর ইউক্যালিপটাসের শহর নেতারহাট।
ম্যাকলাসকিগঞ্জ
ই টি ম্যাকলাসকি সাহেবের নামানুসারে রাঁচি জেলায় ১৯৩৪ সালে দশ হাজার হেক্টর তথা লাপড়া, কঙ্কা, হেসাল এই ৩ বস্তি লিজে নিয়ে বিলেতের আদলে গড়া মিনি হোমল্যান্ড ম্যাকলাসকিগঞ্জ।
পলামু জাতীয় উদ্যান/বেতলা
ছোটনাগপুর মালভূমির পশ্চিমাংশে ল্যান্ড অফ পলাশ অ্যান্ড মহুয়া অর্ধাৎ পলামু।
জামসেদপুর/টাটানগর
আদিবাসী অধ্যুষিত এক অখ্যাত গ্রাম, নাম তার সাকোহি। ১৯০৮ সালে ভারতের প্রথম ইস্পাত কারখানা টাটা আয়রন অ্যান্ড স্টিল কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয় এই সাকোহিতে।
ঘাটশিলা
আজও নাকি সোনা মেলে বালুতটে, দেখতেও মেলে নদীচরে সকাল সাঁঝে। তাই নদীর নাম সুবর্ণরেখা।
গালুডি
ঘাটশিলা থেকে ৮ কিমি দূরে পূর্ব সিংভূম জেলার গালুডিও আর একটি স্বাস্থ্যকর স্থান।
কিরিবুরু
এ বার যাওয়া যাক সারান্ডায়। সাতশো পাহাড়ের দেশ থেকেই সারান্ডা শব্দের উৎপত্তি।
চাইবাসা
অরণ্যময় পাহাড়ভূমির আর এক আকর্ষণ আদিবাসীদের দেশ চাইবাসা।
ন্যাভিগেশন
Back to top