ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা সম্পাদনার জন্য উন্মুক্ত

কোচবিহার

খেন রাজাদের উত্তরসূরি কোচ রাজাদের করদ রাজ্য কোচবিহার ১৯৪৯-এ ভারতভুক্ত হয়ে পশ্চিমবঙ্গের একটি জেলার মর্যাদা পায়। ১৫২২-এ বিশ্ব সিংহের হাতে স্বাধীন কোচবিহার রাজ্যের পত্তন। তাই ঐতিহ্য এই কোচবিহারের অঙ্গপ্রত্যঙ্গে জড়িয়ে।

রাজপ্রাসাদ
সংস্কারের পর ঐতিহ্যমণ্ডিত রাজবাড়ির দ্বার খুলে দেওয়া হয়েছে পর্যটকদের জন্য।
বাণেশ্বর শিবমন্দির
মন্দিরটির নির্মাণকাল নিয়ে নানা মতবাদ রয়েছে। তবে যা নিয়ে দ্বিমত নেই তা হল কোচবিহারের মহারাজা প্রাণনারায়ণ এই মন্দিরের সংস্কার করেছিলেন।
সিদ্ধেশ্বরী মন্দির
এখানকার কামাক্ষীয় মন্দির মহারাজা নরনারায়ণের প্রতিষ্ঠিত।
কামতেশ্বরী মন্দির ও অনাথনাথ শিবমন্দির
বর্তমানের কামতেশ্বরী মন্দিরের বয়স সাড়ে তিনশো বছর। আর অনাথনাথ শিবমন্দিরের দেওলায়ে রয়েছে বিড়ালমূর্তি, যা পশ্চিমবঙ্গের কোনও মন্দিরে দেখা যায় না।
পঞ্চরত্ন মন্দির ও মদনমোহন মন্দির
পঞ্চরত্ন মন্দিরের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল রাজা প্রাণনারায়ণের আমলে, শেষ হয় রাজা দেবনারায়ণের আমলে। আর মদনমোহন মন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন মহারাজা নৃপেন্দ্রনারায়ণ।
ভবানীদেবীর মন্দির ও বড়দেবীর মন্দির
কামতেশ্বরী মন্দির অনুকরণে ভবানীদেবীর মন্দির নির্মাণ করান মজারাজ প্রাণনারায়ণ। বড়দেবীর মন্দির আদতে মা দুর্গার মন্দির।
বলরাম ঠাকুরের মন্দির, মধুপুরধাম ও হরিহরপুরের শিবমন্দির
রাসে, দোলে আর জন্মাষ্টমীতে বড় উৎসব হয় বলরাম ঠাকুরের মন্দিরে। শঙ্করদেবের পদধুলিধন্য মধুপুরধাম। হরিহরপুরের শিবমন্দির তৈরি করিয়েছিলেন মহারাজা উপেন্দ্রনারায়ণ।
মসজিদ, মাজার ও দুর্গ
কোচবিহারের মসজিদ, মাজার ও দুর্গ নিয়ে কিছু তথ্য আছে এখানে।
ন্যাভিগেশন
Back to top