ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা সম্পাদনার জন্য উন্মুক্ত

মালদহ

এক সময়ে বাংলার রাজধানী ছিল গৌড়। গৌড় ও পাণ্ডুয়ার ধ্বংসাবশেষ আজও পর্যটকদের আকর্ষণ করে।

মালদহ জেলা বা মালদা জেলা পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি বিভাগের একটি জেলা। এই জেলার পশ্চিমে ও উত্তরে বিহার রাজ্য, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা; পূর্বে ও দক্ষিণ-পূর্বে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের রাজশাহি বিভাগ, দক্ষিণে মুর্শিদাবাদ জেলা অবস্থিত। মালদহ জেলার নামকরণ এই জেলার আদি বাসিন্দা ‘মলদ’ কৌমগোষ্ঠীর নাম থেকে। অন্যমতে ফার্সি ‘মাল’ (ধনসম্পদ) ও বাংলা ‘দহ’ শব্দদ্বয়ের সমন্বয়ে এই জেলার নামটির উৎপত্তি।

ব্রিটিশ শাসনের আদিপর্বে মালদহ জেলার কোনো অস্তিত্ব ছিল না। এই জেলার কিয়দংশ পূর্ণিয়া জেলার ও অবশিষ্টাংশ অবিভক্ত দিনাজপুর জেলার অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৮৫৯ সাল থেকে ১৮৭৬ সাল পর্যন্ত মালদহ জেলা রাজশাহী বিভাগের অন্তর্গত ছিল। ১৮৭৬ সালে এই জেলা ভাগলপুর বিভাগের অন্তর্ভুক্ত হয় এবং ১৯০০ সালে পুনরায় রাজশাহী বিভাগের অন্তর্গত হয়। ১৯৪৭ সালের ১৭ অগস্ট শিবগঞ্জ, নবাবগঞ্জ, ভোলাঘাট, নাচোল ও গোমস্তাপুর থানা বাদে মালদহ জেলা ভারত অধিরাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়।

মালদহকে কেন্দ্র করে ঘুরে নেওয়া যায় বাংলার অতীত ইতিহাসের সাক্ষী গৌড় ও পাণ্ডুয়া। মালদহের দক্ষিণে গৌড় ও উত্তরে পাণ্ডুয়া।

গৌড়

রাজা শশাঙ্ক থেকে দেবপালের আমল পর্যন্ত গৌড়ের স্বর্ণযুগ বলে চিহ্নিত। ভেঙে পড়া প্রাচীন মসজিদ, মিনার, প্রাসাদ আজও অতীতের সমৃদ্ধির কথা বলে। মালদহ থেকে গৌড় যাওয়ার পথে পিয়াসবারি দিঘি। পিয়াসবারির পশ্চিমে বৈষ্ণবতীর্থ রামকেলি। রামকেলি থেকে আধ কিমি দক্ষিণে বারোদুয়ারি বা বড়সোনা মসজিদ। আর রয়েছে ফিরোজ মিনার, কদম রসুল মসজিদ, চিকা মসজিদ, লুকোচুরি গেট, বাইশগজি প্রাচীর, ছোটসোনা মসজিদ, তাঁতিপাড়া মসজিদ, লোটন মসজিদ, গুণমন্ত মসজিদ, চামকাটি মসজিদ প্রভৃতি।

পাণ্ডুয়া

পাণ্ডুয়ার প্রধান আকর্ষণ সিকন্দর শাহ ও গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের আমলে নির্মিত বিখ্যাত আদিনা মসজিদ। আদিনার ১ কিমি দূরত্বে সুলতান সিকন্দর শাহের গড়ের ধ্বংসাবশেষ সাতাশঘরা। পাণ্ডুয়ার অন্যান্য দ্রষ্টব্যগুলি হল বড়ি দরগাহ, সালামি দরওয়াজা, ছোটি দরগাহ, একলাখি মসজিদ, কুতবশাহি মসজিদ। মালদহর ৩৫ কিমি দক্ষিণে ফারাক্কা ব্যারেজ। নিকটতম স্টেশন মালদা টাউন । বাসও যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের নানা জায়গা থেকে মালদহে। মালদহ থেকে ট্যাক্সি, টাঙ্গা বা বাসে গৌড়-পাণ্ডুয়া ঘুরে নেওয়া যায়। বাসে করে গৌড় যেতে হলে পিয়াসবারিতে নামতে হবে। মালদহে পশ্চিমবঙ্গ পর্যটনের মালদা ট্যুরিস্ট লজ। পিয়াসবারিতে জেলা পরিষদের ট্যুরিস্ট লজ আছে। রায়গঞ্জে স্টেশনের কাছে জেলা পরিষদের বাংলো। এ ছাড়া, মালদহ শহরে অনেক বেসরকারি হোটেল আছে।

সুত্রঃ পোর্টাল কন্টেন্ট টিম

2.95454545455
দীপক কুমার দে Nov 03, 2016 10:27 PM

দারুণ!
পড়ে খুব ভালো লাগল।

মন্তব্য যোগ করুন

(ওপরের বিষয়বস্তুটি সম্পর্কে যদি আপনার কোন মন্তব্য / পরামর্শ থাকে, তাহলে দয়া করে আমাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট করুন).

Enter the word
ন্যাভিগেশন
Back to top