ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা সম্পাদনার জন্য উন্মুক্ত

মোহোরোভাইক বিচ্ছিন্নতা

আবিষ্কার : ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দ বিজ্ঞানী : আন্দ্রিজা মোহোরোভাইক

মোহোরোভাইক বিচ্ছিন্নতা

আবিষ্কার : ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দ

বিজ্ঞানী : আন্দ্রিজা মোহোরোভাইক

মোহোরোভাইক বিচ্ছিন্নতা (মোহোরোভাইক ডিসকন্টিনুইটি) বা ‘মোহো’ বলতে বোঝায় পৃথিবীর ত্বক এবং গুরুমণ্ডল-এর মধ্যকার সীমারেখা।

পৃথিবীর অন্তঃস্থলে এই বিচ্ছিন্নতা ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে আবিষ্কৃত হয়েছিল ভূকম্পীয় ঢেউ-এর (সিজমিক ওয়েভস) দ্বারা। আবিষ্কারক ক্রোয়েশিয়াবাসী আন্দ্রিজা মোহোরোভাইক, ভূকম্পবিজ্ঞানী। তিনি দেখলেন যে ভূকম্পীয় ঢেউ-এর গতি নির্ভরশীল সেই পদার্থের ঘনাঙ্কের উপর যার ভিতর দিয়ে সেটা প্রতিবাহিত হচ্ছে।

ভূবিজ্ঞানে ‘বিচ্ছিন্নতা’ বা ‘ডিসকন্টিনুইটি’ শব্দটি ব্যবহৃত হয় যখন কোনও ধরাপৃষ্ঠে ভূকম্পীয় ঢেউ-এর গতি পরিবর্তিত হয়। এমন একটি পৃষ্ঠ হল সমুদ্রতলের গড়ে ৮ কিলোমিটার তলায়। আর একটি বিচ্ছিন্নতা পাওয়া গেছে মূল ভূখণ্ডের তলায় -- গড়ে প্রায় ৩২ কিমি নীচে। এ ধরনের ভূপৃষ্ঠকে বলা হয় মোহোরোভাইক বিচ্ছিন্নতা বা সংক্ষেপে ‘মোহো’।

ভূমিকম্পের সময় সাধারণত আমাদের সকলের যা করণীয়:

  • ভূমিকম্পের প্রথম ঝাঁকুনির সঙ্গে সঙ্গে খোলা জায়গায় আশ্রয় নিন।
  • ঘরে হেলমেট থাকলে তা মাথায় দিয়ে নিন এবং অন্যদেরও দিতে বলুন।
  • ঘর থেকে বের হওয়ার সময় আপনার আশপাশে অবস্থানরত অন্যান্য প্রতিবেশীদেরও ঘর থেকে বের হয়ে আসতে বলুন।
  • দ্রুত বৈদ্যুতিক ও গ্যাসের সুইচ বন্ধ করে দিন।
  • কোন কিছু সঙ্গে নেয়ার জন্য অযথা সময় নষ্ট করবেন না।
  • যদি ঘর থেকে বের হওয়া না যায়, সেক্ষেত্রে ইটের গাঁথুনি দেয়া পাকা ঘর হলে ঘরের কোণে এবং কলাম ও বিমের তৈরি ভবন হলে কলামের গোড়ায় আশ্রয় নিন।
  • আধাপাকা বা টিন দিয়ে তৈরি ঘর থেকে বের হতে না পারলে শক্ত খাট বা চৌকির নিচে আশ্রয় নিন।
  • ভূমিকম্প রাতে হলে কিংবা দ্রুত বের হতে না পারলে সজাগ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘরের কোণে, কলামের গোড়ায় অথবা শক্ত খাট বা টেবিলের নিচে আশ্রয় নিন।
  • গাড়িতে থাকাকালে ভূমিকম্প হলে চালককে গাড়ি থামাতে বলুন। মনে রাখবেন, সেতুর ওপর গাড়ি থাকাকালে ভূমিকম্প অনুভূত হলে তাৎক্ষণিক সেতু পেরিয়ে এসে গাড়ি থামান।
  • ভূমিকম্প চলাকালে লিফট ব্যবহার করবেন না।
  • যদি বহুতল ভবনের উপরের দিকে কোন তলায় আটকা পড়েন এবং সেখান থেকে দ্রুত বের হয়ে আসার কোন পথই না থাকে তবে সাহস হারাবেন না। ধৈর্য হারাবেন না। মনে রাখবেন, বিপদে ধৈর্য রাখা এবং আত্মবিশ্বাস না হারানো বুদ্ধিমত্তার প্রমাণ।
  • বিম, দেয়াল, কংক্রিটের ছাদ ইত্যাদির মধ্যে আপনার শরীরের কোন অংশ চাপা পড়লে, বের হওয়ার কোন সুযোগই যদি না থাকে তবে বেশি নড়াচড়া করবেন না। এতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের মাধ্যমে আপনার বাঁচার সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে যেতে পারে।
  • ধ্বংসস্তূপে আটকে গেলে কোন অবস্থাতেই নিজের সাহস হারাবেন না। যে কোন উত্তেজনা ও ভয় আপনার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

সূত্র : বিংশ শতাব্দীর পদার্থবিদ্যা ও ব্যাক্তিত্ব : ডঃ শঙ্কর সেনগুপ্ত, বেস্টবুকস

2.88235294118
মন্তব্য যোগ করুন

(ওপরের বিষয়বস্তুটি সম্পর্কে যদি আপনার কোন মন্তব্য / পরামর্শ থাকে, তাহলে দয়া করে আমাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট করুন).

Enter the word
ন্যাভিগেশন
Back to top