ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা সম্পাদনার জন্য উন্মুক্ত

টিডিএমএ প্রযুক্তি

এল টিডিএমএ প্রযুক্তি। সহজ হল মোবাইল পরিষেবা। টিডিএমএ প্রযুক্তি কী, তা এখানে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

অ্যাম্পস প্রযুক্তিতেও বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তিবিদরা সন্তুষ্ট হলেন না। অ্যাম্পস প্রযুক্তিতে গ্রাহকদের কথা বলার সময় এক একটি করে চ্যানেল দেওয়া হয়, কিন্তু সত্যিই কি সেটার প্রয়োজন আছে? একই সঙ্গে একটা চ্যানেল বিভিন্ন গ্রাহকরা কেন ব্যবহার করতে পারবেন না? অ্যাম্পস রেডিও ছিল অ্যানালগ রেডিও। উদ্ভাবিত হল ডিজিটাল রেডিও - যাতে ব্যবহার করা যায় টাইম ডিভিশন মাল্টিপল অ্যাকসেস (টিডিএমএ) এবং কোড ডিভিশন মাল্টিপল অ্যাকসেস (সিডিএমএ) পদ্ধতি। শব্দগুলো গালভারী এবং প্রযুক্তিও যথেষ্ট গোলমেলে। কিন্তু সহজ ভাষায় জটিলতা এড়িয়ে এটা একটু আলোচনা করা যাক। আমরা যদি মনে করি চ্যানেলগুলো হচ্ছে এক একটা ঘর, সেই ঘরে যখন দু’জন বসে কথা বলছে, তখন পাশের ঘরেও দু’জন বসে কথা বলতে পারে - তাতে কোনও অসুবিধা হবে না। কিন্তু একই সঙ্গে যদি চার জন, ছয় জন কি আট জন একই ঘরে বসে যদি এক সঙ্গে কথা বলতে শুরু করে তবে অবশ্যই গোলমালে কথা ভালো শোনা যাবে না। কিন্তু বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন - যখন কেউ কথা বলছে, তখন সেটি যদি খুব অল্প অল্প বিরতি দিয়ে অতি অল্প সময়ের জন্য রেকর্ড করা হয় (এখানে আমরা মাইক্রো সেকেন্ড অর্থাৎ সেকেন্ডকে দশ লক্ষ ভাগ করলে যে সময়টুকু পাওয়া যায় - সেই মাত্রায় কথা বলছি) তা হলে রেকর্ড করা অংশগুলো পরে জোড়া দিলে কথাগুলি পরিষ্কারই বোঝা যাবে। আর ঐ বিরতির সময়ে অন্যদের কথাবার্তাও একই ধারায় রেকর্ড করা যাবে। এই পদ্ধতি ব্যবহার করে একই ঘরে উপস্থিত তিন জোড়া লোকের কথাবার্তা যদি পর্যায়ক্রমে রেকর্ড করতে থাকা যায় এবং সেগুলি পরে আলাদা ভাবে তিনটি জোড়া দেওয়া যায়, তা হলে সবগুলি কথাই পরিষ্কার শোনা যাবে কোনও গোলমাল ছাড়াই। এটাই হল টিডিএমএ-র মূল কথা ।

সূত্র : মোবাইল ফোন খুঁটিনাটি, মোজাহিদুল ইসলাম ঢেউ, সিসটেক পাবলিকেশন্স, ঢাকা

3.1935483871
মন্তব্য যোগ করুন

(ওপরের বিষয়বস্তুটি সম্পর্কে যদি আপনার কোন মন্তব্য / পরামর্শ থাকে, তাহলে দয়া করে আমাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট করুন).

Enter the word
ন্যাভিগেশন
Back to top