হোম / শিক্ষা / জ্ঞান বিজ্ঞান / শতবর্ষ পেরিয়ে উপমহাদেশের সিনেমা
ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা সম্পাদনার জন্য উন্মুক্ত

শতবর্ষ পেরিয়ে উপমহাদেশের সিনেমা

গত ২০১৩ সালটি উপমহাদেশের শিল্প-সংস্কৃতির অঙ্গন দু’টো অসাধারণ মাইলফলক স্পর্শ করেছিল। ১৯১৩-য় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জিতে নিয়েছিলেন বিশ্বসাহিত্যে সব চেয়ে সম্মানজনক পুরস্কার, নোবেল পুরস্কার। আর একই সঙ্গে সূত্রপাত হয়েছিল উপমহাদেশের সিনেমার। কারও কারও মতে সে দিন আমরা আরও আগেই পেরিয়ে এসেছি। সে বিতর্কে না ঢুকে জেনে নেওয়া যাক উপমহাদেশের সিনেমার এই দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় নেপথ্য নায়কদের কথা।

শুরুর কথা
১৯১৩ সালের ৩ মে দাদা সাহেব ঢুন্ডিরাজ গোবিন্দ ফালকে-র হাত ধরে উপমহাদেশের চলচ্চিত্র গৌরবোজ্জ্বল যাত্রা শুরু করে।
সবাক চলচ্চিত্রের যাত্রা শুরু
১৯৩১ সালের ১৪ মার্চ মুক্তি পায় আরদেশির ইরানি পরিচালিত ‘আলম আরা’, ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র।
দেশপ্রেম ও সেন্সর বোর্ড
শুরুর দিকে ভারতীয় চলচ্চিত্রে দেশপ্রেম বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছিল। মূলত রাজনৈতিক কারণে এল সেন্সর বোর্ডও।
বলিউডের কিংবদন্তিরা
শুরু হয়েছিল রাজ কাপুর আর গুরু দত্তকে দিয়ে। তার পর ভারতীয় সিনেমা একে একে পেল বলিউডের কিংবদন্তিদের।
রাজেশ খান্না পেরিয়ে অমিতাভ
সত্তর দশকের গোড়ার দিকটা ছিল রাজেশ খান্না। তার পর আবির্ভাব ভারতীয় সিনেমার জীবন্ত কিংবদন্তি অমিতাভ বচ্চনের।
খান যুগ
এর পর এল খান যুগ --- শাহরুখ-আমীর-সলমন।
বলিউডের আরও নানা কথা
বিনোদনমূলক মসালা ছবিই শেষ কথা নয়, বলিউড দিয়েছে আরও নানা ধরনের চলচ্চিত্র, বিরল প্রতিভার চলচ্চিত্রকার এবং অভিনেতা-অভিনেত্রীদের।
অস্কার, ভারতীয় ছবি ও সত্যজিৎ রায়
তিন তিন বার মনোনয়ন পেলেও কোনও ভারতীয় ছবি অস্কার জিতে নিতে পারেনি। কিন্তু অস্কার উপেক্ষা করতে পারেনি বিশ্বশ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়কে।
উত্তম-সুচিত্রা এবং তপন-ঋত্বিক-মৃণাল
সিনেমায় জুটি কাকে বলে তা প্রথম দেখিয়েছিলেন টালিগঞ্জের উত্তম-সুচিত্রা। আর সত্যজিতের পাশাপাশি আবির্ভাব ঘটেছিল বিরল প্রতিভার এক ঝাঁক বাঙালি চলচ্চিত্রকারের।
ভারতীয় চলচ্চিত্রে দক্ষিণের ভূমিকা
দ্রাবিড় রাজনীতি আর দক্ষিণী সিনেমা যেন এক সুতোয় বাঁধা। কিন্তু সিনেমায় দক্ষিণের অবদান শুধু এতেই সীমাবদ্ধ নয়। বলিউডকে নিয়মিত অভিনেতা-অভিনেত্রী সরবরাহ করে গেছে দক্ষিণ। আমরা পেয়েছি হেমা-রেখা-শ্রীদেবীকে।
ন্যাভিগেশন
Back to top