ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা সম্পাদনার জন্য উন্মুক্ত

বাঁচার ও বিকাশের অধিকার

এগুলিই হল জীবনধারণ ও নিজের সম্ভাবনা পূর্ণ সম্পাদনের অধিকার।

অনুচ্ছেদ ৭ (নিবন্ধীকরণ, নাম, জাতীয়তা, যত্ন)

প্রতিটি শিশুর আইনগত ভাবে নিবন্ধীকৃত নাম ও জাতীয়তার অধিকার আছে। তার জানার অধিকার আছে এবং যতদূর সম্ভব বাবা-মায়ের যত্ন পাওয়ার অধিকার আছে।

অনুচ্ছেদ ৯ (বাবা-মায়ের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা)

বাবা-মায়ের কাছ থেকে কোনও শিশুর বিচ্ছিন্ন থাকা উচিত নয়, যদি না সেটা তার ভালোর জন্য হয়। (উদাহরণ হিসেবে, কোনও বাবা বা মা যদি সন্তানের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন বা অবহেলা করেন)। বাবা-মা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে, শিশুর অধিকার আছে তাঁদের সংস্পর্শে থাকার, যদি না তাতে তার কোনও ক্ষতি হয়।

অনুচ্ছেদ ২০ (পরিবার থেকে বঞ্চিত শিশু)

শিশুর পরিবার যদি তার দেখভাল করতে না পারে, তা হলে তার ধর্ম, সংস্কৃতি, ও ভাষার প্রতি শ্রদ্ধা আছে এমন লোক যাতে তার যথাযথ দেখাশোনা করতে পারেন তা সরকারকে সুনিশ্চিত করতে হবে।

অনুচ্ছেদ ২২ (উদ্বাস্তু শিশু)

কোনও শিশু উদ্বাস্তু হিসেবে কোনও দেশে এলে, সেই দেশের শিশুর সমান অধিকার তার থাকবে। বাস্তুহারা শিশুকে তার পরিবারের সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়ার জন্য যতদূর সম্ভব যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।

অনুচ্ছেদ ২৩ (প্রতিবন্ধকতা)

প্রতিবন্ধী শিশুরও সমাজে সক্রিয় ভূমিকা-সহ সম্মানের সঙ্গে একটি সুন্দর স্বাধীন জীবন যাপনের অধিকার আছে। এ ধরনের জীবন যাপনে বিশেষ যত্ন ও উৎসাহ পাওয়ার অধিকার তার আছে।

অনুচ্ছেদ ২৪ (স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্য পরিষেবা)

প্রতিটি শিশু যাতে সুস্থ থাকতে পারে তার জন্য সে ভালো স্বাস্থ্য পরিষেবা, পরিষ্কার জল, পুষ্টিকর খাদ্য ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ পাওয়ার অধিকারী।

অনুচ্ছেদ ২৫ (দেখভালের পর্যালোচনা)

বাবা-মায়ের পরিবর্তে কোনও শিশুর দেখভাল যদি স্থানীয় কর্তৃপক্ষ (হাসপাতাল, হেফাজত ইত্যাদি) করেন, তা হলে সেই অবস্থা নিয়মিত পর্যালোচনা করানোর অধিকার সেই শিশুর আছে।

অনুচ্ছেদ ২৬ (সামাজিক নিরাপত্তা)

কোনও শিশু গরিব হলে বা তার কোনও প্রয়োজন থাকলে, সরকারের কাছ থেকে সাহায্য পাওয়ার অধিকার তার আছে।

অনুচ্ছেদ ২৭ (জীবনের যথোপযুক্ত মান)

শারীরিক ও মানসিক চাহিদা মেটানোর মতো যথেষ্ট ভালো জীবন যাপনের অধিকার প্রতিটি শিশুর আছে। শিশুর পরিবার যদি তার ব্যবস্থা করতে না পারে, তা হলে সরকারের সব রকম সাহায্য করা উচিত।

অনুচ্ছেদ ২৮ (শিক্ষার অধিকার)

প্রতিটি শিশুর শিক্ষা পাওয়ার অধিকার আছে। প্রাথমিক শিক্ষা হবে নিখরচায়। প্রতিটি শিশুকে মাধ্যমিক শিক্ষা দিতে হবে।

অনুচ্ছেদ ২৯ (শিক্ষার লক্ষ্য)

শিক্ষা শিশুর ব্যক্তিত্ব ও মেধার পরিপূর্ণ বিকাশ ঘটায়। পাশাপাশি মানবাধিকার, বাবা-মা, নিজের ও অন্যের সংস্কৃতি এবং পরিবেশের প্রতিও শ্রদ্ধা জাগায়।

অনুচ্ছেদ ৩০ (সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শিশু)

দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মানুক বা না-ই মানুক, নিজের ভাষা শেখা ও ব্যবহার করা এবং পরিবারের প্রথা ও ধর্ম পালন করার অধিকার প্রতিটি শিশুর আছে।

অনুচ্ছেদ ৩১ (অবসর, খেলা ও সংস্কৃতি)

জিরোনো, খেলা করা এবং সাংস্কৃতিক ও পাঠক্রম-বহির্ভূত কর্মকাণ্ডে যোগ দেওয়ার অধিকার সব শিশুর আছে।

অনুচ্ছেদ ৪২ (অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা)

সরকারের উচিত এই সনদের কথা প্রতিটি শিশু ও তার বাবা-মাকে জানানো।

3.05109489051
মন্তব্য যোগ করুন

(ওপরের বিষয়বস্তুটি সম্পর্কে যদি আপনার কোন মন্তব্য / পরামর্শ থাকে, তাহলে দয়া করে আমাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট করুন).

Enter the word
ন্যাভিগেশন
Back to top