হোম / শক্তি / ওঁরা কী বলেন / ভারতের শক্তি নিরাপত্তা
ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা সম্পাদনার জন্য উন্মুক্ত

ভারতের শক্তি নিরাপত্তা

মানুষের জীবনযাত্রা এখন শক্তি-নির্ভর। অথচ এই জ্বালানির ব্যবহার আমাদের অস্তিত্বকেও বিপন্ন করে তুলছে উষ্ণায়ন ও তজ্জনিত বিভিন্ন কারণে। এরই মধ্যে আশার কথা শুনিয়েছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্য‌ালয়ের স্কুল অফ এনর্জি স্টাডিজের প্রাক্তন অধিকর্তা সুজয় বসু।

শক্তি নিরাপত্তাই এখন আলোচনার কেন্দ্রে
সত্তরের দশকের ‘অয়েল শক’ সারা দুনিয়াকে এক রূঢ় বাস্তবের সামনে দাঁড় করিয়ে দিল। এই ধাক্কাতেই শক্তির নিরাপত্তা আন্তজার্তিক আলোচনার কেন্দ্রে চলে এল।
বেড়েই চলেছে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার
বিশেষজ্ঞদের অভিমত, সমস্ত জীবকূলের স্বার্থেই জীবাশ্ম জ্বালানির ব্য‌বহার কমিয়ে আনতে হবে। অথচ বাস্তবে ঘটছে তার বিপরীত।
সমাজকে বিশেষ নিরাপত্তা দেয় শক্তি
যে হেতু অপরিহার্য শক্তির অভাব ঘটলেই সমাজে বিশৃঙ্খল অবস্থার সৃষ্টি হয় তাই শক্তি সমাজকে এক বিশেষ নিরাপত্তা দেয় যা অপরিহার্য।
জীবাশ্ম জ্বালানির ভাণ্ডার
জীবাশ্ম জ্বালানির অর্থাৎ তেল, গ্য‌াস ও কয়লার ভূগর্ভের ভাণ্ডার এ দেশে বেশ কম।
তেল ব্যবহারে আমদানিই ভরসা
তেলের চাহিদা বাড়তে বাড়তে বিশ্বের মোট তেল উৎপাদনের ৩.৯ শতাংশে পৌঁছেছে। ফলে চাহিদার তিন চতুর্থাংশ মেটাতে হচ্ছে তেল আমদানি করে।
তেল আমদানি ছাড়া অন্য পন্থা
তেল উদ্বৃত্ত দেশের তেল কোম্পানিগুলির অংশীদার হলে আখেরে লাভজনক। কিন্তু সেখানেও প্রতিযোগিতা বাড়ছে। প্রধান প্রতিযোগী চিন।
সৌরশক্তি কার্যকর বিকল্প হবেই
প্রযুক্তি উন্নয়ন যে স্তরে পৌঁছচ্ছে তাতে এই শতাব্দীর দ্বিতীয় ভাগে সৌরশক্তি যে বিদ্য‌ুতের চাহিদা সিংহভাগ মেটাতে পারবে তাতে কোনও সন্দেহ নেই।
ন্যাভিগেশন
Back to top