হোম / শক্তি / নানা খবর / চাহিদা মতোই কয়লা খনি পাচ্ছে রাজ্য বিদ্যুৎ নিগম
ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা সম্পাদনার জন্য উন্মুক্ত

চাহিদা মতোই কয়লা খনি পাচ্ছে রাজ্য বিদ্যুৎ নিগম

সুপ্রিম কোর্টের কয়লা ব্লক বণ্টন বাতিলের নির্দেশে বাকি সকলের মতো পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ উন্নয়ন নিগমের খনিও হাতছাড়া হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু চাহিদা মতো কয়লা খনি পাওয়ার বিষয়ে আজ নিশ্চিত হল তারা।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ২০৪টি কয়লা খনির বণ্টন বাতিল হয়ে গিয়েছিল সেপ্টেম্বরে। সেগুলি নতুন করে নিলাম ও বিলি শুরু করেছে কেন্দ্র। বেসরকারি সংস্থাগুলিকে নিলামে দর হেঁকে খনি কিনতে হচ্ছে। কিন্তু কেন্দ্রীয় বা রাজ্য সরকারি সংস্থাগুলির মধ্যে ৪৩টি খনি বণ্টনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কয়লা মন্ত্রক। এই ৪৩টি কয়লা খনির মধ্যে কে কোনটি চাইছে, তা জানিয়ে আবেদন করতে বলা হয়েছিল। কয়লা সচিব অনিল স্বরূপ জানান, “আজ সব আবেদনপত্র খোলার পরে দেখা গিয়েছে, ৪৩টি খনির জন্য ১০৭টি আবেদন জমা পড়েছে।” তবে পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ উন্নয়ন নিগম যে-কয়লা খনিগুলির জন্য আবেদন জানিয়েছে, সেগুলির বেশির ভাগ পাওয়ার জন্যই আর কেউ আবেদন জানায়নি।

কয়লা মন্ত্রক সূত্রের খবর, বড়জোড়া, বড়জোড়া-উত্তর, গঙ্গারামচক ও গঙ্গারামচক ভাদুলিয়া, কাসটা-পূর্ব, তারা-পূর্ব ও পশ্চিম, এই খনিগুলির জন্য শুধু রাজ্য বিদ্যুৎ উন্নয়ন নিগমই আবেদন জানিয়েছে। অন্য কোনও প্রতিযোগী নেই। যার অর্থ, এই খনিগুলি পাওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারে নিগম। একই ভাবে কাগরা জয়দেব খনির জন্য শুধু ডিভিসি-ই আবেদন জানিয়েছে। তবে পাছয়াড়া-উত্তর খনির জন্য বিহার ও ঝাড়খণ্ডের বিদ্যুৎ উন্নয়ন সংস্থাও আবেদন জানিয়েছে। একই ভাবে সাহারপুর জামারপানি খনির জন্য ডিভিসি ছাড়াও উত্তরপ্রদেশ ও ঝাড়খণ্ডের সরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদন সংস্থা আবেদন করেছে।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বণ্টন বাতিল হওয়া কয়লা খনিগুলি নিলামের দায়িত্বে রয়েছেন কয়লা মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব বিবেক ভরদ্বাজ। যিনি আবার পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইএএস অফিসার। কয়লা মন্ত্রক সূত্রের খবর, আজ সব আবেদন খুলে দেখা হয়েছে। ওয়েবসাইটেই সেগুলি জমা পড়েছিল। আবেদনকারীদের উপস্থিতিতে অনলাইনেই সমস্ত আবেদন খোলা হয়। পুরো প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ রাখার জন্য সব তথ্যও সাইটে দেওয়া হয়েছে।

আবেদনগুলি খতিয়ে দেখার পরে আগামী বৃহস্পতিবার খনি বণ্টনের বিষয়ে সুপারিশ জানানো হবে। সেই অনুযায়ী আগামী শনিবার কে কোন খনি পাবে, তা ঘোষণা করা হবে। যে-সব খনির জন্য একাধিক আবেদন জমা পড়েছে, সেগুলির ক্ষেত্রে খনি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের দূরত্ব, খনিতে মজুত কয়লা ও উৎপাদন কেন্দ্রের চাহিদা মিলিয়ে দেখে তবেই বণ্টনের সুপারিশ করা হবে।

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা, ২ মার্চ ২০১৫

2.83783783784
মন্তব্য যোগ করুন

(ওপরের বিষয়বস্তুটি সম্পর্কে যদি আপনার কোন মন্তব্য / পরামর্শ থাকে, তাহলে দয়া করে আমাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট করুন).

Enter the word
ন্যাভিগেশন
Back to top