ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা সম্পাদনার জন্য উন্মুক্ত

জাতীয় জৈবজ্বালানি নীতি

নীতিতে কী বলা হয়েছে তা এখানে সংক্ষেপে জানানো হয়েছে।

জৈবজ্বালানি সম্পর্কিত জাতীয় নীতি তৈরি করেছে নতুন শক্তি ও পুনর্নবীকরণযোগ্য‌ শক্তি মন্ত্রক। এটি মন্ত্রিসভার অনুমোদন পেয়েছে ১১ সেপ্টেম্বর ২০০৮-এ।

জাতীয় জৈবজ্বালানি নীতির কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য‌

  • ২০১৭ সালের মধ্য‌ে বায়োইথানল ও বায়োডিজেলের মিশ্রণ জৈবজ্বালানি ২০ শতাংশ ব্যবহারের প্রস্তাব করা হয়েছে।
  • পতিত জমি/প্রান্তিক ও পোড়ো জমিতে অভোজ্য‌ তৈলবীজের চাষ করে জৈবডিজেল উৎপাদন করা হবে।
  • দেশজ জৈবডিজেল ফিড স্টক উৎপাদনের দিকে নজর দেওয়া হবে এবং ভোজ্য‌ তেল, পাম তেল ইত্যাদি তেলনির্ভর ফ্রি ফ্য‌াটি অ্য‌াসিড আমদানির অনুমোদন দেওয়া হবে না।
  • গোষ্ঠীর/সরকারি/জঙ্গলের পোড়ো জমিতে জৈবডিজেলের গাছ লাগানোর উৎসাহ দেওয়া হবে। কিন্তু উর্বর সেচযুক্ত জমিতে এই চাষ করার ব্য‌াপারে নিরুৎসাহিত করা হবে।
  • জৈবডিজেল উৎপাদনকারীরা যাতে ন্যায্য মূল্য পান তার জন্য সরকার জৈবডিজেল তৈলবীজের ন্যূনতম সংগ্রহমূল্য‌ নির্ধারণ করবে। সময়ে সময়ে তা সংশোধিতও হবে। এমএসপি কাঠামো নিয়ে জাতীয় জৈবজ্বালানি নীতিতে যা বলা আছে তা ক্রমান্বয়ে সতর্কতার সঙ্গে রূপায়ণ করা হবে এবং জৈবজ্বালানি স্টিয়ারিং কমিটি তা অনুমোদন করবে।
  • অয়েল মার্কেটিং কোম্পানিগুলো যে ন্যূনতম ক্রয় দর বা এমপিপি অনুসারে বায়োইথানল কিনবে তা ঠিক হবে উৎপাদনের প্রকৃত খরচ ও বায়োইথানলের আমদানি মূল্যের ভিত্তিতে। জৈবডিজেলের ক্ষেত্রে দাম (এমপিপি) সাধারণ ডিজেলের বাজার দরের সঙ্গে যুক্ত করা হবে।
  • জাতীয় জৈবজ্বালানি নীতি অনুযায়ী সরকার বায়োডিজেল এবং বায়োইথানলকে ‘ঘোষিত পণ্য‌’র তালিকায় নিয়ে আসতে পারে যাতে রাজ্য‌ের মধ্য‌ে ও বাইরে এই পণ্য‌ের চলাচল অবাধ হয়।
  • নীতিতে বলা হয়েছে, জৈবডিজেলের উপর কোনও কর বা শুল্ক ধার্য করা হবে না।
  • জাতীয় জৈবজ্বালানি কোঅর্ডিনেশন কমিটির চেয়্য‌ারম্য‌ান হবেন প্রধানমন্ত্রী এবং জৈবজ্বালানি সংক্রান্ত স্টিয়ারিং কমিটির চেয়্য‌ারম্য‌ান হবেন ক্য‌াবিনেট সচিব।
  • জৈবজ্বালানি সংক্রান্ত গবেষণার জন্য‌ স্টিয়ারিং কমিটির অধীনে একটি সাব কমিটি গঠন করা হবে যেটি পরিচালনা করবে কৃষি ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের অধীনস্থ জৈবপ্রযুক্তি দফতর। এবং সমন্বয়ের কাজ করবে নতুন ও পুনর্নবীকরণযোগ্য‌ শক্তি মন্ত্রক।
  • দ্বিতীয় প্রজন্মের জৈবজ্বালানি সেলুলোসিক বায়েফুয়েল সহ জৈবজ্বালানির উপযোগী গাছ লাগানো, প্রক্রিয়াকরণ ও উৎপাদন প্রযুক্তির দিকে বিশেষ নজর দিয়ে জৈবজ্বালানি নিয়ে গবেষণা, উন্নয়ন ও প্রদর্শনের উপর প্রধান গুরুত্ব দেওয়া হবে।

সূত্র : MNRE

3.0
মন্তব্য যোগ করুন

(ওপরের বিষয়বস্তুটি সম্পর্কে যদি আপনার কোন মন্তব্য / পরামর্শ থাকে, তাহলে দয়া করে আমাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট করুন).

Enter the word
ন্যাভিগেশন
Back to top