ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা সম্পাদনার জন্য উন্মুক্ত

পেঁয়াজ

এখানে পেঁয়াজের উপকারিতা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

পেঁয়াজে কুইয়ারসেটিন, কেমফেরল এবং সালফারের বিভিন্ন উপাদান রয়েছে। যা ম্যালেরিয়া, বাত, ব্যাকটেরিয়া ও উচ্চ রক্তচাপরোধী হিসেবে কাজ করে। গবেষণায় প্রমাণিত পেঁয়াজ দেহে সুগার ও কোলেস্টেরলের পরিমাণ হ্রাস করতে দারুণ কার্যকর। এর নিয়মিত ব্যবহারে ইনসুলিন ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা হ্রাস পায়। তা ছাড়া পেঁয়াজ মাথা ও কান ব্যথা, পেটে গ্যাস জমা হাওয়া, পোকামাকড়ের দংশনের ক্ষতি থেকে দেহকে রক্ষা করে এবং কামোত্তেজক হিসেবেও কাজ করে। পেঁয়াজ শরীরের স্বাভাবিক ক্যানসার প্রতিরোধী ক্ষমতাকে উত্তেজিত করে প্রাকৃতিক ক্যানসার প্রতিরোধ প্রক্রিয়াকে জোরদার করে।

সাধারণ এই গুণাগুণ ছাড়া রয়েছে পেঁয়াজের ব্যতিক্রমী কিছু ব্যবহার।

  • ১। মশার উৎপাত বা কীটপতঙ্গের উপদ্রব থেকে রক্ষা পেতে পেঁয়াজের রস শরীরের অনাবৃত অংশে লাগিয়ে নিন, দেখবেন মশা বা কীটপতঙ্গ কামড়াতে আসছে না।
  • ২। কীটপতঙ্গের কামড়ের ব্যথা দূর করতেও পেঁয়াজ উপকারী। পোকামাকড়ের কামড়ের ব্যথা দূর করতে এক টুকরো পেঁয়াজ ঘষে দিন ব্যথার স্থানে। ব্যথা কমে যাবে।
  • ৩। গলা ব্যথা হলে একটু গরম জলে পেঁয়াজের রস দিয়ে অল্প অল্প করে খান। আরাম লাগবে। গলা ব্যথা সেরে যাবে।
  • ৪। পুড়ে যাওয়া ব্যথা দূর করতে পেঁয়াজ সমান উপকারী। শরীর যে অংশটি পুড়ে গিয়েছে সেখানে পেঁয়াজের রস লাগিয়ে রাখুন। দেখবেন পোড়া স্থানের ব্যথা থাকবে না, জ্বালাও কমবে।
  • ৫। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখলেন গালে একটা ব্রণ। ভয় পাবেন না বা চিন্তা করবেন না। ব্রণে পেঁয়াজের রস লাগিয়ে দিন এবং কিছু দিনের মধ্যেই ব্রণ চলে যাবে।
  • ৭। চুল পড়া কমাতে চুলে পেঁয়াজের রস মাখার বিকল্প কিছু হতে পারে না। চুলের গোড়াকে শক্ত করে পেঁয়াজের রস। তাই চুল পড়া কমে যায় দ্রুত।
  • ৮। অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল হিসেবেও কাজ করে এই পেঁয়াজ। এতে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান। তাই ফোঁড়া বা ঘা পেঁয়াজ দিয়ে ধুলে তাড়াতাড়ি সেরে যায়।
  • ৯। হেঁচকি ওঠা বন্ধ করতেও পেঁয়াজের রস ভীষণ উপকারী। এক টুকরো পেঁয়াজ কেটে, তার রস মিশিয়ে জলে মিশিয়ে খান। হেঁচকি বন্ধ হয়ে যাবে।
  • ১০। বমি বন্ধ করতে হলে কয়েক ফোঁটা পেঁয়াজের রস জলে মিশিয়ে খান। কিছুক্ষণের মধ্যেই বমি বন্ধ হয়ে যাবে।

আদা, রসুন ও পেঁয়াজ আলাদা আলাদা ব্যবহার করলে উপরোক্ত উপকারিতা পাওয়া যাবে। তা ছাড়া এগুলোর সম্মিলিত ব্যবহারে কার্যকারিতা আরেও বেড়ে যাবে। তাই এই ত্রিমূলকে আপনার নিয়মিত খাদ্য তালিকার অংশ হিসেবে রাখুন। যাদের কাঁচা ত্রিমূল সেবনে বিশেষ অসুবিধা হয় তাঁরা বিশেষজ্ঞের পরামর্শে গার্লিক ট্যাবলেট সেবন করতে পারেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ত্রিমূলা অর্থাৎ আদা, রসুন, পেঁয়াজ শুধু মসলাই নয়, এগুলো যেন জীবনেরই ত্রিমূল।

তথ্যসূত্র : বাংলামেল ২৪ ডট কম, স্বাস্থ্য বার্তা এবং অন্যান্য সূত্র থেকে সংগৃহীত

3.11320754717
মন্তব্য যোগ করুন

(ওপরের বিষয়বস্তুটি সম্পর্কে যদি আপনার কোন মন্তব্য / পরামর্শ থাকে, তাহলে দয়া করে আমাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট করুন).

Enter the word
ন্যাভিগেশন
Back to top