হোম / স্বাস্থ্য / জীবনের জন্য তথ্য / জীবনের জন্য তথ্য
ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা সম্পাদনার জন্য উন্মুক্ত

জীবনের জন্য তথ্য

জীবনের জন্য তথ্য সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় খবর

নিম্নলিখিতগুলি জীবনের জন্য তথ্য থেকে নেয়া অবশ্যপ্রয়োজণীয় বিষয়

  • ১) মহিলা এবং বাচ্চাদের স্বাস্থ্যের গুরুত্বপূর্ণ উন্নতি সম্ভব যখন প্রসব অন্ততঃ দুবছরের ব্যবধানে হয়, যখন ১৮বছর বয়সের আগে এবং ৩৫বছর বয়সের পরে সন্তান সম্ভাবনা পরিহার করা হয়, এবং একজন মহিলা চারবারের বেশী গর্ভবতী না হয়।
  • ২) সব গর্ভবতী মহিলার প্রসবপূর্ব যত্নের জন্য একজন স্বাস্থ্য-কর্মীর কাছে যাওয়া দরকার এবং জন্মদান একজন শিক্ষাপ্রাপ্ত সহায়কের সহায়তায় হওয়া উচিৎ। সব গর্ভবতী মহিলা এবং তাদের পরিবারের গর্ভসমস্যাদি সম্পর্কে জানা দরকার এবং কোন সমস্যা হলে সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষাপ্রাপ্ত সাহায্যের ব্যবস্থা করে রাখা দরকার।
  • ৩) বাচ্চারা জন্মমূহুর্ত থেকেই শিখতে থাকে। ভালপুষ্টি, দেখাশোনা এবং উৎসাহ পেলে তারা সবচেয়ে তাড়াতাড়ি বাড়ে। বাচ্চাদের, লক্ষ্য করতে, নিজেদের প্রকাশ করতে, খেলতে এবং সবকিছু খুঁটিয়ে দেখতে উৎসাহ দিলে ওরা সামাজিকভাবে, শারীরিকভাবে, এবং বুদ্ধিবৃত্তির দিকদিয়ে সাহায্যপ্রাপ্ত হয়।
  • ৪) শুধুমাত্র বুকের দুধই বাচ্চাদের প্রথম ছয়মাসের প্রয়োজনীয় একমাত্র খাদ্য। ছয়মাস পরে ওদের বুকের দুধ ছাড়া অন্য খাবারের দরকার হয়।
  • ৫) গর্ভ অবস্থায় বা বাচ্চার প্রথম দুবছরে মায়ের অপুষ্টি, সারা জীবনের মত বাচ্চার শারীরিক এবং মানসিক উন্নতি ব্যহত করে দেয়। জন্ম থেকে দুবছর বয়স পর্যন্ত প্রতিমাসে বাচ্চার ওজন নেওয়া দরকার। যদি বাচ্চার ওজন কোনও দুমাস না বাড়ে, বুঝতে হবে কোন গন্ডগোল আছে।
  • ৬) প্রতিটি শিশুর জীবনের প্রথম বছর কতকগুলি টীকাকরণ প্রয়োজন হয় কিছু রোগের থেকে রক্ষা করার জন্য, যেগুলোতে তাদের বৃদ্ধি কমে, অক্ষমতা বা মৃত্যুও হতে পারে। বাচ্চা হওয়ার মত বয়সের প্রত্যেক মহিলাকে টিটেনাস থেকে রক্ষা করা উচিৎ । সেই মহিলা যদি প্রতিষেধক টিকা নিয়ে থাকে তবুও স্বাস্থ্য-কর্মীকে দিয়ে পরীক্ষা করানো দরকার।
  • ৭) উদরাময়ে শিশুদের প্রচুর পরিমানে উপযুক্ত ধরনের তরল পান করা উচিৎ - বুকের দুধ, ফলের রস বা ওরাল রিহাইড্রেশন সল্ট (ওআরএস)। যদি পায়খানার সাথে রক্ত থাকে বা বারে বারে এবং জলের মত হয়, বুঝতে হবে শিশু বিপদে। সঙ্গে সঙ্গে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে চিকিৎসার জন্য ।
  • ৮) বেশীরভাগ শিশুই কফ্-কাশি থেকে নিজে নিজেই সেরে উঠবে। কিন্তু কফ্ বা কাশির সময়ে যদি বাচ্চা দ্রুত বা কষ্ট করে নিশ্বাস নেয় তাহলে বুঝতে হবে বিপদ আছে। সঙ্গে সঙ্গে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে চিকিৎসার জন্য ।
  • ৯) ভাল স্বাস্থ্যকর অভ্যাস মানলে অনেক রোগ প্রতিহত করা যায় – পরিষ্কার বাথরুম পায়খানা ব্যবহার করা, মল মূত্র ত্যাগের পরে বা খাবার নাড়াচাড়ার আগে হাত সাবান ও জল বা ছাই ও জল দিয়ে ভাল করে ধোয়া।
  • ১০) ম্যালেরিয়া, যা মশার কামড় দ্বারা ছড়ায়, প্রাণনাশক হতে পারে। যেখানে ম্যালেরিয়ার প্রাদুর্ভাব আছে, সেখানে পরামর্শনতো কীটনাশক প্রয়োগ করা মশারী ব্যবহার করতে হবে। জ্বর হলে শিশুকে স্বাস্থ্য-কর্মীকে দিয়ে পরীক্ষা করাতে হবে। গর্ভবতী মহিলাদের স্বাস্থ্য-কর্মীর পরামর্শ অনুযায়ী পিল খেতে হবে।
  • ১১) এইডস্ একটা প্রাণনাশক অসুখ, কিন্তু প্রতিরোধ করা যায়। এইচআইভি, যা এইডস্ এর ভাইরাস, অরক্ষিত যৌনক্রিয়া (কনডম ব্যবহার না করে যৌনক্রিয়া),পরীক্ষা না করা রক্ত সঞ্চারিত করা, দুষিত সূঁচ এবং সিরিঞ্জ (প্রায়শঃই যা অষুধ ইঞ্জেকশন করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে) ব্যবহার, গর্ভাবস্থায়, প্রসবকালে বা বুকের দুধ খাওয়ানোর সময়ে সংক্রমিত মহিলার দ্বারা সন্তানে ছড়ায়। প্রত্যেকের এইচআইভি এবং তার প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে জানা উচিৎ। প্রাথমিক যৌনপথ দিয়ে সংক্রমণের সম্ভাবনা নিবারন করা যায় সুরক্ষিত যৌনপ্রক্রিয়া অবলম্বন করে। এইচআইভি সংক্রমিত বা সংক্রমিত হয়ে থাকার সুযোগ সম্ভাবনা আছে এমন মহিলাদের শিক্ষিত স্বাস্থ্য-কর্মীরসাথে আলোচনা করা উচিৎ খবর, পরামর্শ এবং পরীক্ষার জন্য, তাদের নিজেদের স্বাস্থ্য্রক্ষার জন্য এবং তাদের সন্তানদের মধ্যে সংক্রমণ না ছড়ানোর জন্য।
  • ১২) বাচ্চাদের প্রতি যদি বাবা-মায়েরা বা দেখাশোনার লোকেরা লক্ষ্য রাখেন, এবং তাদের পরিবেশ নিরাপদ রাখেন, তবে অনেক গুরুতর দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।
  • ১৩) বিপর্যয় বা জরুরী অবস্থায় শিশুদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যরক্ষা ব্যবস্থা, হামের টিকা, মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট(পুষ্টিকর) বিকল্প খাদ্য ইত্যাদি পাওয়া উচিৎ । কষ্টকর অবস্থায় শিশুদের, বাবামায়ের বা অন্য পরিচিত বড়দের যত্নে থাকা উচিৎ । এইসময়ে বুকের দুধ খাওয়ানো বিশেষ করে প্রয়োজন।

সুত্রঃ UNICEF

2.9435483871
মন্তব্য যোগ করুন

(ওপরের বিষয়বস্তুটি সম্পর্কে যদি আপনার কোন মন্তব্য / পরামর্শ থাকে, তাহলে দয়া করে আমাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট করুন).

Enter the word
ন্যাভিগেশন
Back to top