ভাগ করে নিন

স্বাস্থ্যবিধি

কেন স্বাস্থ্যবিধি সম্বন্ধে তথ্য ভাগ করে নেওয়া ও সেই অনুসারে কাজ করা জরুরি৷

কেন স্বাস্থ্যবিধি সম্বন্ধে তথ্য ভাগ করে নেওয়া ও সেই অনুসারে কাজ করা জরুরি৷

  • ছোটো শিশুদের অসুখ ও মৃত্যুর অর্ধেকেরও বেশি হয় জীবাণু থেকে যা খাবার or জল বা নোংরা হাত থেকে তাদের মুখে প্রবেশ করে৷ এর অনেক জীবাণুই আসে মানুষের এবং পশুর মল থেকে৷
  • বহু অসুখ, বিশেষ করে ডায়রিয়া, নিবারণ করা যায় ভালো স্বাস্থ্যবিধি অভ্যাস করলে : সব মল শৌচাগার বা পায়খানায় ফেলা; মলত্যাগের বা শিশুদের মল স্পর্শ করার পর এবং শিশুকে খাওয়ানো বা খাবার স্পর্শ করার আগে হাত সাবান ও জল বা ছাই ও জল দিয়ে ধোয়া, ; এবং বাড়ি, রাস্তা, কুয়ো ও শিশুদের খেলার জায়গা থেকে দূরে পশু মলের অস্তিত্ব নিশ্চিত করা৷
  • শৌচাগার ও পায়খানা নির্মাণ এবং ব্যবহার, জলের উত্স সুরক্ষা ,ও বর্জ্য জল এবং জঞ্জাল নিরাপদভাবে ফেলার জন্য সম্প্রদায়ের প্রত্যেককে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে৷ সরকারের সম্প্রদায় সব পরিবারের পক্ষে সহজলভ্য কম খরচের পায়খানা ও শৌচাগার সুবিধার সম্বন্ধে তথ্য সরবরাহ করে সম্প্রদায়গুলির সহায়তা করা জরুরি৷ শহর অঞ্চলে কম খরচের স্বাস্থ্যবিধান ও নিকাশি ব্যবস্থা, উন্নত পানীয় জল সরবরাহ, এবং জঞ্জাল সংগ্রহের জন্য সরকারি সহায়তার প্রয়োজন ৷

স্বাস্থ্যবিধি সম্বন্ধে প্রত্যেক পরিবার ও সম্প্রদায়ের যা জানার অধিকার আছে৷

  • যাবতীয় মল নিরাপদভাবে বর্জন করতে হবে৷ শৌচাগার বা পায়খানা ব্যবহার করাই সবথেকে ভালো উপায়৷
  • পরিবারের সকল সদস্যকে, এমনকি শিশুদেরও মল স্পর্শ করার পরে, খাবার স্পর্শ করার আগে ও শিশুদের খাওয়ানোর আগে ভালো করে সাবান ও জল বা ছাই ও জল দিয়ে হাত ধুতে হবে৷
  • সাবান ও জল দিয়ে রোজ মুখ ধুলে চোখের সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য হয়৷ বিশ্বের কোথাও কোথাও চোখের সংক্রমণ থেকে ট্র্যাকোমা হতে পারে, যার ফলে অন্ধত্বও ঘটতে পারে৷
  • কেবলমাত্র নিরাপদ উত্স থেকে প্রাপ্ত বা বিশুদ্ধ জলই ব্যবহার করুন৷ জল পরিষ্কার রাখার জন্য জলপাত্রগুলি ঢাকা দিয়ে রাখা দরকার৷
  • কাঁচা বা বেঁচে যাওয়া খাবার বিপজ্জনক হতে পারে৷ কাঁচা খাবার ধুতে বা রান্না করে ফেলতে হবে৷ রান্না করা খাবার সঙ্গে সঙ্গে খেয়ে নিতে হবে বা আবার ভালো করে গরম করতে হবে৷
  • খাবার, বাসন এবং খাবার তৈরির জায়গাগুলি পরিষ্কার রাখতে হবে ৷ খাবার ঢাকা পাত্রে রাখতে হবে৷
  • বাড়ির সমস্ত জঞ্জাল নিরাপদভাবে বর্জন করলে অসুস্থতা আটকানো যায়৷

সহায়ক তথ্য

মুখ্য বক্তব্য 1: যাবতীয় মল নিরাপদভাবে বর্জন করতে হবে৷ শৌচাগার বা পায়খানা ব্যবহার করাই সবথেকে ভালো উপায়৷

  • অনেক অসুখ, বিশেষ করে ডায়রিয়া, মানুষের মলে প্রাপ্ত জীবাণু থেকে হয়৷ যদি জীবাণু জল বা খাবার, হাত, বাসন বা খাবার তৈরির জায়গায় লেগে যায়, তাহলে সেগুলি পেটে চলে গিয়ে অসুস্থতা ঘটাতে পারে৷
  • জীবাণু ছড়ানো আটকানোর একমাত্র সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ উপায় হল সব মল — মানুষ ও পশু উভয়েরই— নিরাপদে বর্জন করা৷ মানুষের মল শৌচাগার বা পায়খানায় ফেলতে হবে৷ পায়খানা পরিষ্কার রাখতে হবে৷ পশু মল ঘরবাড়ি, রাস্তা,, জলের উত্স ও শিশুদের খেলাধূলার জায়গা থেকে দূরে রাখতে হবে৷
  • শৌচাগার বা পায়খানা ব্যবহার করা সম্ভব না হলে, প্রত্যেকের ঘরবাড়ি, রাস্তা,, জলের উত্স ও শিশুদের খেলাধূলার জায়গা থেকে দূরে মলত্যাগ করতে হবে৷ মল সঙ্গে সঙ্গে পুঁতে ফেলতে হবে৷
  • সমস্ত মল, এমনকি শিশুদের মলও, জীবাণু বহন করে ও সেই কারণে বিপজ্জনক ৷ যদি শিশুরা শৌচাগার, পায়খানা বা পটি ছাড়াই মলত্যাগ করে তবে তাদের মল সঙ্গে সঙ্গে পরিষ্কার করে পায়খানায় ফেলতে হবে বা পুঁতে দিতে হবে৷
  • পায়খানা ও শৌচাগার ঘন ঘন পরিষ্কার করতে হবে ৷ পায়খানা ঢাকা রাখতে হবে এবং শৌচাগারে জল ঢালতে হবে ৷
  • স্থানীয় প্রশাসন ও বেসরকারি সংস্থাগুলি প্রায়শঃই কম খরচে নির্মাণযোগ্য পায়খানার ডিজ়াইন ও নির্মাণ সংক্রান্ত পরামর্শ দিয়ে সম্প্রদায়গুলিকে স্যানিটারি পায়খানা তৈরি করতে সাহায্য করতে পারে৷

মুখ্য বক্তব্য 2: পরিবারের সকল সদস্যকে, এমনকি শিশুদেরও মল স্পর্শ করার পরে, খাবার স্পর্শ করার আগে ও শিশুদের খাওয়ানোর আগে ভালো করে সাবান ও জল বা ছাই ও জল দিয়ে হাত ধুতে হবে৷

  • সাবান ও জল বা ছাই ও জল দিয়ে হাত ধুলে জীবাণু অপসারিত হয় ৷ জল দিয়ে আঙুলগুলি ধুয়ে নেওয়া যথেষ্ট নয় — দুটি হাত সাবান বা ছাই দিয়ে ঘষতে হবে৷ এর ফলে জীবাণু ও নোংরা খাবার বা মুখে প্রবেশ করা আটকায়৷ হাত ধোয়া কৃমি সংক্রমণও প্রতিরোধ করতে পারে৷ সাবান ও জল বা ছাই ও জল পায়খানা বা শৌচাগারের কাছাকাছি সুবিধাজনকভাবে রাখতে হবে৷
  • মলত্যাগ করার পরে এবং সদ্য মলত্যাগ করেছে এমন শিশুর পিছন পরিষ্কার করার পরে হাত ধোয়া বিশেষ করে জরুরি৷ পশু এবং কাঁচা খাবার স্পর্শ করার পরেও হাত ধোয়া জরুরি৷
  • খাবার বানানো, পরিবেশন করা বা খাওয়ার আগে এবং শিশুদের খাওয়ানোর আগে সবসময় হাত ধুতে হবে৷ শিশুদের অসুস্থতা থেকে বাঁচানোর জন্য তাদের মলত্যাগের পরে ও খাওয়ার আগে হাত ধুতে শেখাতে হবে৷
  • শিশুরা প্রায়ই হাত মুখে দেয়, তাই শিশুদের হাত ঘন ঘন ধুইয়ে দেওয়া জরুরি, বিশেষ করে তারা নোংরায় বা পশুদের সঙ্গে খেলা করার পরে৷
  • শিশুদের সহজেই কৃমি সংক্রমণ হয়, যা শরীরের পোষকতত্ত্বগুলি নিঃশেষ করে দেয়৷ কৃমি ও তার ডিম পাওয়া যায় মানুষের ও পশুর মল এবং মূত্রে, ভূপৃষ্ঠস্থ জল ও মাটিতে, এবং ভালোভবে সিদ্ধ না করা মাংসে৷ শিশুদের পায়খানা, শৌচাগার বা মলত্যাগের এলাকার কাছাকাছি খেলা করা উচিত নয়৷ পায়ের চামড়া দিয়ে শরীরে কৃমির প্রবেশ আটকানোর জন্য পায়খানার আশেপাশে জুতো পরে থাকা উচিত ৷
  • কৃমি বহুল এলাকায় বসবাসকারী শিশুদের বছরে দু থেকে তিন বার কোনো অনুমোদিত কৃমিনাশক ওষুধ দিয়ে চিকিত্সা করতে হবে৷

মুখ্য বক্তব্য 3: সাবান ও জল দিয়ে রোজ মুখ ধুলে চোখের সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য হয়৷ বিশ্বের কোথাও কোথাও চোখের সংক্রমণ থেকে ট্র্যাকোমা হতে পারে, যার ফলে অন্ধত্বও ঘটতে পারে৷

নোংরা মুখে মাছি এসে বসে, এবং তারা যে সব জীবাণু বহন করে তা একজন থেকে অন্যজনে ছড়িয়ে পড়ে৷চোখ পরিষ্কার ও সুস্থ না রাখলে চোখে ব্যথা বা সংক্রমণ হতে পারে এবং দৃষ্টিশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত বা নষ্ট হয়ে যেতে পারে৷

সুস্থ চোখের সাদা অংশটি পরিষ্কার থাকে, চোখ ভেজাভেজা ও চকচকে হয়, এবং দৃষ্টিশক্তি তীক্ষ্ণ হয়৷ চোখ অত্যন্ত শুকনো হলে বা খুব লালভাব ও ব্যথা থাকলে, রস গড়ালে বা দেখতে অসুবিধা হলে যত শীঘ্র সম্ভব একজন স্বাস্থ্যকর্মীকে দিয়ে শিশুটিকে পরীক্ষা করানো প্রয়োজন৷

মুখ্য বক্তব্য 4: কেবলমাত্র নিরাপদ উত্স থেকে প্রাপ্ত বা বিশুদ্ধ জলই ব্যবহার করুন৷ জল পরিষ্কার রাখার জন্য জলপাত্রগুলি ঢাকা দিয়ে রাখা দরকার৷

পর্যাপ্ত পরিষ্কার জলের জোগান থাকলে ও তাকে কী ভাবে জীবাণুমুক্ত রাখতে হয় তা জানা থাকলে পরিবারগুলির অসুখবিসুখ কম হয়৷

জল পরিষ্কার না হলে ফুটিয়ে বা পরিস্রুত করে বিশুদ্ধ করে নেওয়া যায়৷

পরিষ্কার জলের উত্সর মধ্যে আছে যথাযথভাবে নির্মিত ও রক্ষণাবেক্ষণকৃত পাইপে জল আনার ব্যবস্থা, নলকূপ, সুরক্ষিত খোঁড়া কুয়ো এবং ঝর্ণা৷ অরক্ষিত উত্স থেকে সংগৃহীত জল— যেমন পুকুর, নদী, খোলা জলাধার ও ধাপ কাটা ইঁদারা— ফুটিয়ে নিয়ে নিরাপদ করা যায়৷ জল পরিষ্কার রাখার জন্য ঢাকা পাত্রে জল সঞ্চয় করা উচিত৷

পরিবার ও সম্প্রদায়গুলি তাঁদের জল সরবরাহ সুরক্ষিত রাখতে পারেন:

  • কুয়োগুলি ঢেকে রেখে ও হ্যাণ্ডপাম্প বসিয়ে
  • মল ও বর্জ্য জল রান্না, পান বা স্নানের জন্য ব্যবহৃত জলের উত্স থেকে যথেষ্ট দূরে ফেলে
  • জলের উত্স থেকে অন্ততঃ 15 মিটার দূরে এবং নিচের দিকে পায়খানা বানিয়ে
  • জল সংগ্রহের কাজে ব্যবহৃত বালতি, দড়ি ও পাত্র যথাসম্ভব পরিষ্কার রেখে ও সেই জন্য সেগুলি মাটিতে রাখার বদলে কোনো পরিষ্কার জায়গায় রেখে
  • পশুদের পানীয় জলের উত্স ও পরিবারের বসবাসের এলাকা থেকে দূরে রেখে
  • জলের উত্সর কাছাকাছি কোথাও কীটনাশক বা রাসায়নিক ব্যবহার না করে৷

পরিবারগুলি বাড়িতে জল পরিষ্কার রাখতে পারেন:

  • পানীয় জল পরিষ্কার, ঢাকা পাত্রে সঞ্চয় করে
  • অপরিষ্কার হাতে পরিষ্কার জল স্পর্শ না করে
  • পাত্র থেকে পরিষ্কার হাতা বা কাপ দিয়ে জল নিয়ে
  • জলের পাত্রে কল লাগিয়ে
  • কাউকে পাত্রে হাত ডোবাতে বা সরাসরি তা থেকে পান করতে না দিয়ে
  • সঞ্চিত জল থেকে পশুদের দূরে রেখে৷

পানীয় জলের নিরাপত্তা সম্বন্ধে সংশয় থাকলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে৷

মুখ্য বক্তব্য 5: কাঁচা বা বেঁচে যাওয়া খাবার বিপজ্জনক হতে পারে৷ কাঁচা খাবার ধুতে বা রান্না করে ফেলতে হবে৷ রান্না করা খাবার সঙ্গে সঙ্গে খেয়ে নিতে হবে বা আবার ভালো করে গরম করতে হবে৷

  • খাবার ভালো করে সিদ্ধ করলে জীবাণু মরে যায়৷ খাবার, বিশেষ করে মাংস এবং হাঁসমুরগি, খুব ভালো করে সিদ্ধ করা উচিত৷
  • উষ্ণ খাবারে জীবাণু দ্রুত বৃদ্ধি পায়৷ রান্নার পরে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব খাবার খেয়ে নিতে হবে যাতে খাবারে জীবাণু জমার সময় না হয়৷
  • খাবার দু ঘণ্টার বেশি রাখতে হলে, হয় খুব গরম নয়তো খুব ঠাণ্ডা রাখতে হবে৷
  • যদি রান্না করা খাবার আবার খাওয়ার জন্য বাঁচিয়ে রাখা হয় তাহলে তা মাছি ও পোকামাকড় থেকে বাঁচানোর জন্য ঢেকে রাখতে হবে এবং খাওয়ার আগে খুব ভালো করে গরম করতে হবে৷
  • খাবারে দই ও টক জাউ রাখা ভালো কারণ তাদের অম্লে জীবাণুর বৃদ্ধি রোধ হয়৷
  • কাঁচা খাবারে, বিশেষ করে হাঁসমুরগি ও সামুদ্রিক খাবারে, সাধারণতঃ জীবাণু থাকে৷ কাঁচা খাবারের ছোঁয়া লাগলে রান্না করা খাবারেও জীবাণু আসতে পারে৷ তাই কাঁচা ও রান্না করা খাবার সবসময় আলাদা রাখতে হবে৷ ছুরি, তরকারি কাটার পাটা ও খাবার তৈরির জায়গা কাঁচা খাবার তৈরির পর সব সময় পরিষ্কার করতে হবে৷
  • ছোটো বাচ্চা ও শিশুদের জন্য বুকের দুধ সব থেকে নিরাপদ দুধ৷ জ্বাল না দেওয়া দুধের থেকে সদ্য ফোটানো বা প্যাস্তুরাইজ় করা পশু দুগ্ধ নিরাপদ৷
  • পরিষ্কার, ঢাকা পাত্রে গালানো বুকের দুধ স্বাভাবিক তাপমাত্রায় আট ঘণ্টা পর্যন্ত নিরাপদে রাখা যায়৷
  • ছোটো বাচ্চা ও শিশুদের জন্য খাবার বানানোর সময় বিশেষ যত্ন নিতে হবে৷ তাদের খাবার টাটকা বানাতে হবে এবং সম্ভব হলে তৈরি করে রেখে দেওয়া হবে না৷
  • ফল ও সবজির খোসা ছাড়াতে হবে বা ভালো করে পরিষ্কার জল দিয়ে ধুতে হবে, বিশেষতঃ যদি সেগুলি ছোটো বাচ্চা বা শিশুদের কাঁচা দেওয়া হয়৷ রাসায়নিক যেমন কীটনাশক ও আগাছানাশক ফল ও সবজির উপর দেখা যায় না কিন্তু তবুও তা বিপজ্জনক হতে পারে৷

মুখ্য বক্তব্য 6:খাবার, বাসন এবং খাবার তৈরির জায়গাগুলি পরিষ্কার রাখতে হবে ৷ খাবার ঢাকা পাত্রে রাখতে হবে ৷

খাবারের জীবাণু পেটে চলে যেতে পারে ও অসুস্থতা ঘটাতে পারে৷ জীবাণু থেকে খাবার বাঁচাতে :

  • খাবার তৈরির জায়গা পরিষ্কার রাখতে হবে
  • ছুরি, রান্নার বাসন, হাঁড়িকড়াই ও থালা পরিষ্কার ও ঢাকা রাখতে হবে
  • থালা বাসন পরিষ্কার করার কাপড় রোজ ভালো করে ধুতে হবে ও রোদে শুকোতে হবে৷ থালা, বাসন ও হাঁড়িকড়াই খাবার পরেই ধুতে হবে ও তাকে শুকোতে দিতে হবে
  • পোকামাকড় ও পশু থেকে বাঁচানোর জন্য খাবার ঢাকা পাত্রে রাখতে হবে
  • ফীডিং বোতল বা চুষি ব্যবহার করা উচিত নয় কারণ প্রতিবার ফুটন্ত জল দিয়ে পরিষ্কার না করলে তাতে ডায়রিয়ার জীবাণু থাকতে পারে৷ শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াতে হবে বা একটি পরিষ্কার, খোলা কাপ থেকে খাওয়াতে হবে৷

মুখ্য বক্তব্য 7: বাড়ির সমস্ত জঞ্জাল নিরাপদভাবে বর্জন করলে অসুস্থতা আটকানো যায়৷

  • মাছি, আরশোলা, ইঁদুর ও নেংটি ইঁদুরের মাধ্যমে জীবাণু ছড়াতে পারে, যা জঞ্জাল যেমন ফেলাছড়া খাবার এবং ফল ও তরকারির খোসা খেয়ে বেড়ে ওঠে৷
  • যদি সম্প্রদায়ব্যাপী জঞ্জাল সংগ্রহের ব্যবস্থা না থাকে, তাহলে প্রতি পরিবারের একটি ময়লা ফেলার গর্তের প্রয়োজন যেখানে গৃহস্থালীর জঞ্জাল রোজ পোঁতা বা পোড়ানো হবে৷
  • বাসভবন ও চারপাশের এলাকা পরিষ্কার ও মল, আবর্জনা ও বর্জ্য জলমুক্ত রাখলে রোগ প্রতিরোধ করা যায় ৷ বাড়ির বর্জ্য জল সোক পিটের সাহায্যে বা সবজি বাগান বা ক্ষেতের দিক নালা কেটে বার করে দিয়ে সহজেই নিরাপদে বর্জন করা যায়৷
  • রাসায়নিক পদার্থ যেমন কীটনাশক ও আগাছানাশক অল্প পরিমাণে জলের সরবরাহে বা খাবার, হাত বা পায়ে লেগে গেলেও খুব বিপজ্জনক হতে পারে ৷ রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার কালে পরিহিত কাপড়জামা ও ব্যবহৃত পাত্র গৃহস্থালীর জলের উত্সর কাছে ধোয়া উচিত নয়৷ .
  • বাসভবনের আশেপাশে বা জলের উত্সর কাছাকাছি কীটনাশক ও অন্যান্য রাসায়নিক ব্যবহার করা উচিত নয়৷ রাসায়নিক পানীয় জলের পাত্র বা খাবারের কাছে রাসায়নিক সঞ্চয় করা চলবে না৷ খাবার বা জল কখনো কীটনাশক বা সারের পাত্রে সঞ্চয় করবেন না৷

সুত্রঃ UNICEF

2.875
মন্তব্য যোগ করুন

(ওপরের বিষয়বস্তুটি সম্পর্কে যদি আপনার কোন মন্তব্য / পরামর্শ থাকে, তাহলে দয়া করে আমাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট করুন).

Enter the word
ন্যাভিগেশন
Back to top