ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা সম্পাদনার জন্য উন্মুক্ত

অসংক্রামক এবং সংক্রামক রোগ

অসংক্রামক এবং সংক্রামক রোগ সংক্রান্ত যে সব কর্মসূচি রয়েছে সে সম্পর্কে এখানে সংক্ষেপে আলোচনা করা হয়েছে।

ক্যানসার, ডায়বেটিস, কার্ডিওভাসকুলার রোগ এবং স্ট্রোক প্রতিরোধ এবং নিয়ন্ত্রণে জাতীয় কর্মসূচি (এনপিসিডিসিএস)
অ-সংক্রামক রোগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকির বিষয়গুলি হল উচ্চ রক্তচাপ, বাড়তি কলেস্টেরল, তামাক ব্যবহার, অস্বাস্থ্যকর খাদ্য, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা, অতিরিক্ত মদ্যপান এবং স্থূলতা, যা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
অন্ধত্ব নিবারণে জাতীয় কর্মসূচি (ন্যাশনাল প্রোগ্রাম ফর কন্ট্রোল অফ ব্লাইন্ডনেস)
এই কর্মসূচি ১৯৭৬ সালে শুরু হয়।
জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য কর্মসূচি (ন্যাশনাল মেন্টাল হেলথ প্রোগ্রাম)
আনুমানিক দেশের জনসংখ্যার ৬-৭ শতাংশ মানসিক রোগে ভুগছে।
বয়স্কদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় জাতীয় কর্মসূচি (ন্যাশনাল প্রোগ্রাম ফর দ্য হেলথকেয়ার অফ দ্য এল্ডারলি)
বিংশ শতকে মানুষের আয়ুর অভূতপূর্ব বৃদ্ধি হয়েছে। ফলে বিশ্ব জুড়ে বয়স্ক মানুষের জনসংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে।
বধিরতা প্রতিরোধ এবং নিয়ন্ত্রণ জাতীয় কর্মসূচি (ন্যাশনাল প্রোগ্রাম ফর প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোল অফ ডেফনেস)
শ্রবণ সমস্যা মানুষের সংবেদনশীল সংমস্যাগুলির মধ্যে খুবই একটা সাধারণ সমস্যা। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী ভারতে প্রায় ৬ কোটি ৩০ লক্ষ মানুষ শ্রবণ সমস্যায় ভুগছেন।
জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি (ন্যাশনাল টোব্যাকো কন্ট্রোল প্রোগ্রাম)
তামাক ব্যবহারের কারণে একাধিক দীর্ঘস্থায়ী রোগ, ক্যানসার, ফুসফুসের রোগ, এবং কার্ডিওভাসকুলার রোগ হতে পারে।
জাতীয় মৌখিক স্বাস্থ্য কর্মসূচি (ন্যাশনাল ওরাল হেলথ প্রোগ্রাম)
সামগ্রিক ভালো থাকা, বৃদ্ধি, উন্নয়ন, শিক্ষা, পুষ্টি, যোগাযোগ এবং সবার শেষে আত্মসম্মানের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মৌখিক স্বাস্থ্য সব ভারতীয়ের একটি মৌলিক প্রত্যাশা।
উপশমকারী যত্নের জাতীয় কর্মসূচি (ন্যাশনাল প্রোগ্রাম ফর প্যালিয়াটিভ কেয়ার)
সব স্তরে স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে যুক্তিসম্মত, উন্নতমানের ব্যাথা উপশমকারী যত্ন প্রয়োজন। সেই লক্ষ্য নিয়েই কেন্দ্রীয় সরকার তৈরি করেছে উপশমকারী যত্নের জাতীয় কর্মসূচি।
পোড়া সংক্রান্ত আঘাত প্রতিরোধের জন্য জাতীয় কর্মসূচি (ন্যাশনাল প্রোগ্রাম ফর দ্য প্রিভেনশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অফ বার্ন ইনজুরিস)
ভারতে প্রতি বছর আনুমানিক ৬০ থেকে ৭০ লক্ষ পুড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ জন্য বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এই ধরণের ঘটনার নিরক্ষরতা, দারিদ্র্য ও নিচু স্তরের নিরাপত্তা সংক্রান্ত চেতনাকে দায়ী করা যেতে পারে।
ফ্লুরোসিস প্রতিরোধ এবং নিয়ন্ত্রণে জাতীয় কর্মসূচি (ন্যাশনাল প্রোগ্রাম ফর প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোল অফ ফ্লুরোসিস)
ফ্লরোসিস একটি জনস্বাস্থ্য সমস্যা। জল/খাদ্য বা শিল্প দূষণের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত ফ্লোরাইড শরীরে প্রবেশ করলে ফ্লুরোসিস হয়।
ন্যাভিগেশন
Back to top