ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা সম্পাদনার জন্য উন্মুক্ত

এনপিসিডিসিএস-তে সাফল্য

এনপিসিডিসিএস কর্মসূচিতে কী সাফল্য এসেছে তা এখানে বলা হয়েছে।

  • কাজকর্মের নীতিনির্দেশিকা উন্নত করা
  • স্বাস্থ্যকর্মী এবং মেডিক্যাল অফিসারদের জন্য প্রশিক্ষণ মডিউল তৈরি করা
  • এনসিডি সেলের অধীনে মানবসম্পদের ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়েছে
  • রাজ্য ও জেলা স্তরে মানবসম্পদ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে
  • ১১ রাজ্য থেকে স্বাক্ষরিত মউ পাওয়া গেছে
  • রাজ্য এবং জেলা স্তরে এনসিডি সেল তৈরি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে
  • রোগ নির্ণয়ের জন্য স্ক্রিনিংয়ের জন্য এবং জেলা হাসপাতাল ও কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে (সিএইচসি) এনসিডি ক্লিনিক স্থাপনের জন্য এনপিসিডিসিএস অনুযায়ী ১৯ রাজ্যের ২৭ জেলার ক্ষেত্রে অর্থ-তহবিল দেওয়া হয়েছে ২০১১ সালের মার্চে
  • গণমাধ্যমে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন সম্পর্কে সচেতন করে তোলার জন্য প্রচার চালানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে
  • প্রশিক্ষণ কর্মশালা চালানোর জন্য ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর হেলথ অ্যান্ড ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার (এনআইএইচএফডব্লু) এবং ভারতের নার্সি কাউন্সেলকে অর্থ প্রদান করা হয়েছে
  • স্কুলভিত্তিক ডায়াবেটিক স্ক্রিনিং কর্মসূচির পাইলট প্রোজেক্ট নেওয়া হয়েছে ৬ জেলায়
  • এনসিডি-র ঝুঁকির উপাদানগুলির উপর নজরদারি করার প্রস্তাবটি এখন বিবেচনা করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্যকর জীবনশৈলী অনুসরণ করার জন্য সামাজিক আচারআচরণে যাতে পরিবর্তন ঘটে, এনপিসিডিসিএস কর্মসূচির মাধ্যমে সেটাই বাস্তবায়িত করার চেষ্টা হচ্ছে। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য চাই সুস্থ খাদ্যাভ্যাস, বেশি করে কায়িক শ্রম করা এবং মদ এবং তামাকজাত দ্রব্য যথাসম্ভব পরিহার করা। এটা করতে পারলে অসংক্রামক (এনসিডি) রোগে ঝুঁকির উপাদানগুলি কমবে এবং সার্বিক ভাবে অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে।

সূত্র : স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের তথ্য

সংশ্লিষ্ট সংযোগ

  1. Guidelines for strengthening of tertiary care of Cancer
3.14285714286
মন্তব্য যোগ করুন

(ওপরের বিষয়বস্তুটি সম্পর্কে যদি আপনার কোন মন্তব্য / পরামর্শ থাকে, তাহলে দয়া করে আমাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট করুন).

Enter the word
ন্যাভিগেশন
Back to top