হোম / স্বাস্থ্য / রোগ ও প্রতিরোধ / মাইগ্রেন নিয়ে আরো কিছু তথ্য
ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা সম্পাদনার জন্য উন্মুক্ত

মাইগ্রেন নিয়ে আরো কিছু তথ্য

মাইগ্রেন নিয়ে আরো কিছু তথ্য

মাথাব্যথা-মাইগ্রেন

মাথাব্যথা বিভিন্ন প্রকারের হয়ে থাকে। এর মধ্যে এক প্রকারের মাথাব্যথা হলো ‘মাইগ্রেন।’ গ্রামদেশে যা সাধারণভাবে ‘আধ কপালি ব্যথা’ বলে পরিচিত। বস্তুত আজ থেকে পনের/বিশ বছর পূর্বে এই রোগের তেমন একটা প্রাদুর্ভাব ছিল না। কিন্তু সময়ের কালস্রোতে প্রাকৃতিক পরিবেশের পরিবর্তনের সাথে সাথে এর ব্যাপকতাও ভীষণভাবে প্রসারিত হয়েছে। কোলকাতা শহরের মতো জনবহুল, ধুলাবালি ও ধোঁয়াযুক্ত পরিবেশের ন্যায় দেশের অন্যান্য অঞ্চলে মূলত এর প্রকোপ একটু বেশি লক্ষণীয়। যাহোক, এই মাইগ্রেন রোগটি বর্তমানে ধীরে ধীরে এত বেশি বিস্তৃতি লাভ করেছে যে ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে এর রূপ আরও ভয়াবহ হতে পারে। সুতরাং এর নানাবিধ দিক ও প্রতিকার সম্পর্কে এবং সর্বোপরি এই রোগের বিষয়ে বিশ্বের চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা যেসব চিন্তা-ভাবনা করছেন তার উপর বিশদ ধারণা আমাদের জানা প্রয়োজন।


মাইগ্রেনের কারণ

বাস্তবিকপক্ষে মাথাব্যথার প্রকৃত কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা আজও কোনো স্থির সিদ্ধান্ত দিতে পারেননি। বিজ্ঞানীরা ১৯৬০ সালে মাথাধরা সম্পর্কিত এক গবেষণায় জানান, টেনশনের কারণে অনেক সময় মাথাব্যথা হয় এবং তার চিকিৎসাও সহজ। রক্তবাহী শিরাগুলো যখন মস্তিষ্কে ঠিকমতো রক্ত সরবরাহ করে না, তখন সেটাকে অনেকে মাইগ্রেনের ব্যথা হিসেবে চিহ্নিত করেন। টেনশন বা অন্য কারণেও এটা হতে পারে। তাছাড়া রক্তবাহী শিরাগুলো কখনও কোনো কারণে অতিরিক্ত রক্ত সরবরাহ করলে মাথাব্যথা হতে পারে। এই ব্যথা মাইগ্রেনের ব্যথার চেয়ে তীব্র; তবে তা মাইগ্রেনের ব্যথার সাথে বুঝতে ভুল হতে পারে।

ধারণা করা হয়, টেনশন বা প্রাকৃতিক কারণ থেকে সৃষ্ট মাইগ্রেনের ব্যথার প্রারম্ভে মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ কমে যায়- যার কিছুটা প্রভাব পড়ে অক্সিপিটাল এবং প্যারাইটাল নামক মস্তিষ্কের দুটি অংশের কার্যকারিতার উপর। ফলে এর বিরূপ প্রতিক্রিয়াস্বরূপ মাথাব্যথার সৃষ্টি হতে শুরু করে। আবার যখন পুরোপুরিভাবে মাথাব্যথা শুরু হয়ে যায়, তখন বহিঃমস্তিষ্কের ধমনিগুলোর প্রসারণ ঘটে- যা মূলত রক্তের মাঝে বিদ্যমান ৫-হাইড্রেক্সি ট্রিপটামিন (৫-Hydroxy Tryptamine) নামক ব্রেনের উপাদানের উপস্থিতির পরিমাণের উপর নির্ভর করে। তবে এই উপাদানটির সঠিক ভূমিকা সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা এখনও সন্দিহান। বর্তমানে আমেরিকার ‘Association For the Study of Headache’ মাথাব্যথা তথা মাইগ্রেনের সঠিক কারণ ও প্রতিকার খুঁজে বের করার লক্ষে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

প্রধান কারণ

ক) বংশগত প্রভাব : অন্যান্য ব্যথার তুলনায় মাইগ্রেনের ব্যথার উপর বংশগত প্রভাব বেশি- যা মূলত কোষের একক ‘জীন’-এর বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভর করে। প্রমাণ স্বরূপ, নেদারল্যান্ডের লিডেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন ফ্যাকাল্টির একদল নিউরোলজিস্ট একজন মাইগ্রেন রোগীর দেহ থেকে মাইগ্রেনের সাথে সংশ্লিষ্ট জীন পৃথক করেন। পরবর্তীতে ঐ রোগীর মাইগ্রেনের ব্যথা আর দেখা যায়নি। সেই গবেষক দলের নেতা ডা. মাইকেল ফেরি ১০টি পরিবারের ৬০ জন সদস্যের উপর গবেষণা চালিয়ে একই তথ্য প্রকাশ করেন।

খ) টেনশন/ দুশ্চিন্তা/ অস্থিরতা : যারা সবসময় ব্যক্তিগত বা পারিবারিক কারণে চিন্তাগ্রস্ত থাকেন বা দুশ্চিন্তায় ভোগেন, তাদের মাঝে এর প্রকোপ বেশি। তাছাড়া হঠাৎ করে কোনো বিপজ্জনক খবর বা আবেগপ্রবণ অবস্থা এই মাইগ্রেনের জন্ম দেয়।

গ) জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি এবং কিছু যৌন হরমোন : গবেষকদের মতে মাথাব্যথার সাথে নির্দিষ্ট কিছু যৌন হরমোনের সংযোগ রয়েছে। তবে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের ক্ষেত্রে এটা বেশি। অপরদিকে মিসিসিপি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের একদল গবেষক ১০০ জন মহিলার উপর গবেষণা চালিয়ে দেখেছেন, যাদের নিয়মিত মাসিক হয় না তাদের এই মাইগ্রেনের হার বেশি। আবার অনেকের ক্ষেত্রে প্রত্যেক মাসিকের পূর্বাবস্থায় এই মাইগ্রেনের ব্যথা উঠতে পারে। অন্যদিকে যেসব মহিলা দীর্ঘদিন জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি সেবন করেন তাদের মাঝেও এই রোগের লক্ষণ বেশি দেখা যায়।

ঘ) পরিবেশের প্রভাব : বর্তমানে আমাদের দেশসহ বিশ্বের বড় বড় শহরে ক্রমাগত জনসংখ্যার বৃদ্ধি পরিবেশকে অসহনীয় করে তুলছে। এরই মাঝে ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন কর্তৃক বর্জ্য পদার্থ ও ধোঁয়া পরিবেশকে এমন এক অবস্থায় এনেছে যার প্রভাব আমাদের শরীরের উপর পড়ছে। আর এমনি এক প্রভাবের কারণ হিসাবে সৃষ্টি হয়েছে মাইগ্রেন। সম্প্রতি এক পরিসংখ্যানে জানা গেছে, গ্রাম অঞ্চলের লোকদের চেয়ে শহর অঞ্চলের লোকদের মাঝে এর প্রভাব বেশি।

প্রভাবিত করে এমন কারণ

প্রথমত, কিছু কিছু খাবার রয়েছে যা গ্রহণের পর মাইগ্রেনের ব্যথার তীব্রতা বেড়ে যায় বা হালকা ব্যথার ভাব থাকলে তা পরিপূর্ণ মাইগ্রেনের ব্যথায় রূপ লাভ করে। তার মাঝে নিম্নলিখিত খাবার উল্লেখযোগ্য :
(১) চকোলেট
(২) পনির
(৩) মদ্যপান
(৪) কোলাজাতীয় পানীয়।

দ্বিতীয়ত, মাইগ্রেন রোগী কিন্তু পাশাপাশি সাইনাসসমূহের প্রদাহে ভুগছেন বা প্রচন্ড সর্দি কাশি বা ঠান্ডায় ভুগছেন; তাদের ক্ষেত্রে মাইগ্রেনের ব্যথার প্রকোপ ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়।

তৃতীয়ত, যখন প্রচন্ড গরম পড়ে এবং পরিবেশের অবস্থা ভ্যাপসা আকার ধারণ করে, তখন মাইগ্রেনের রোগীর মাথাব্যথার প্রকোপ ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়। অপরদিকে শীতকালে যদি ঠান্ডা বাতাস বেশি লাগে বা কুয়াশা পরিবেষ্টিত অবস্থা বিরাজ করে তখন এর প্রকোপ আরো বেড়ে যায়।

প্রকারভেদ

মাইগ্রেন সাধারণভাবে তিন প্রকার হয়। যথা-
ক) মাইগ্রেন উইথ অরা বা ক্লাসিক মাইগ্রেন;
খ) মাইগ্রেন উইথ আউট অরা বা কমন মাইগ্রেন;
গ) মাইগ্রেন ভ্যারিয়েন্স অ্যাটিপিক্যাল মাইগ্রেন।

মাইগ্রেনের লক্ষণ

অরা (Aura) বা প্রাক ইঙ্গিত মাইগ্রেন হচ্ছে মাইগ্রেন মাথাব্যথা শুরুর পূর্বের ত্রিশ মিনিটের মধ্যে কিছু বিশেষ অনুভূতির প্রমাণ।একটি মাইগ্রেন মাথাব্যথার আক্রমণকে কয়েক পর্যায়ে ভাগ করা যায়; (ক) প্রডরমাল (prodormal) বা প্রাকউপসর্গ যা মাথাব্যথা শুরু হওয়ার কয়েক ঘন্টা থেকে কয়েক দিন পূর্বে লক্ষ্য করা যায়। (খ) অরা বা পূর্ব লক্ষণ যা মাথাব্যথা শুরুর পূর্ব মুহূর্তে হয়। (গ) মূল মাথাব্যথা, (ঘ) পরবর্তী উপসর্গ বা পোস্টড্ররমাল পর্যায়ে যদিও অধিকাংশ রোগী একাধিক পর্যায়ে ভুগে থাকে। তবে কোনো একটি সময় রোগ নির্ণয়ের জন্যও অপরিহার্য নয়।

পূর্ব লক্ষণ : মাথাব্যথা শুরু হওয়ার কয়েক ঘন্টা বা কয়েক দিন আগে শতকরা ৫০-৮০ ভাগ মাইগ্রেন রোগীদের ক্ষেত্রে কিছু মানসিক, স্নায়ুবিক, অটোনমিক (autonomic) ও অন্যান্য লক্ষণ দেখা যায়। এদের কেউ কেউ বিষন্ন, উল্লসিত, ঝিমুনি, অতি সচেতন, অতি উৎসাহী কিংবা খিটখিটে, শান্ত ধীরগতিভাবে ভুগে থাকে। কারও মধ্যে বমি বমি ভাব, হাই ওঠা, ক্ষুধামন্দা, পিপাসা ইত্যাদি দেখা যায়। কখনও কখনও কিছু খাবার-এর প্রতি আগ্রহ দেখা যায় যেগুলো সাধারণত খাওয়া হয় না। তবে অনেকেই এ লক্ষণগুলো বুঝতেই পারে না। পূর্ব লক্ষণগুলো মাইগ্রেন রোগের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা শুরুর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।


পরবর্তী লক্ষণ (Postdrom)

মাইগ্রেন মাথাব্যথার পরবর্তী পর্যায়ে রোগী সাধারণত ক্লান্ত এবং অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েন যেন বিশাল একটা শারীরিক পরিশ্রমের ধকল গেছে। উপরন্তু এ সময়ে তিনি কোনো কিছু মনোযোগ দিয়ে চিন্তা করতে পারেন না। বমি বমি ভাব, খাদ্যে অরুচি, শরীর ম্যাজ ম্যাজ করা ইত্যাদি দু-একদিন পর্যন্ত থাকতে পারে। তবে এগুলো এত তীব্র হয় না বলে চিকিৎসাও দরকার পড়ে না।

অরা-বিহীন মাইগ্রেন (Migraine without Aura)

এটাকে কমন মাইগ্রেনও বলা হয়। অরাযুক্ত মাইগ্রেন এর চেয়ে এর প্রকোপ অনেক বেশি। এ মাথাব্যথা ৪-৭২ ঘণ্টাব্যাপী হয় এবং কমপক্ষে নিচের যে কোনো দুটি লক্ষণ থাকতে পারে।
ক) চিন চিন বা দপ দপ করে ব্যথা;
খ) অর্ধেক মাথায় ব্যথা;
গ) বমি বমি ভাব অথবা বমি হওয়া;
ঘ) আলো ভীতি বা শব্দ ভীতি;
ঙ) অতীতে এ ধরনের মাথাব্যথার কমপক্ষে পাঁচবার অভিজ্ঞতা ও কোনো মস্তিষ্কের অভ্যন্তরীণ রোগ না থাকা;
চ) অরা-যুক্ত মাইগ্রেন (Migrane with Aura)
কমপক্ষে শতকরা পনেরো ভাগ মাইগ্রেন রোগী তাদের মাথাব্যথা শুরু হওয়ার আগে কিছু লক্ষণ অনুযায়ী আসন্ন মাথাব্যথার আক্রমণ বুঝতে পারে। সাধারণত এ রোগীরা মাথাব্যথা শুরুর পূর্বের আধাঘণ্টা সময়ের মধ্যে চোখে আলোর ঝলকানি, চোখের সামনের কিছু অংশ অন্ধকার দেখা, রাস্তাঘাট উঁচু-নিচু, আঁকা-বাঁকা দেখা ইত্যাদি দেখতে পান। কোনো কোনো সময়ে রোগী শরীরের অংশ বিশেষ অনুভূতির অস্বাভাবিকতা অনুভব করেন। কারো কারো কিছুক্ষণের জন্য শরীরের অংশ বিশেষ অবশ, কথা বলার অস্বাভাবিকতাও হতে পারে।

চিকিৎসা


ক) সাধারণ চিকিৎসা
ক.১ যে সব খাবার মাইগ্রেনের ব্যথাকে ত্বরান্বিত করে সেসব খাবার পরিত্যাগ করা। (যা কারণসমূহের সাথে বর্ণনা করা হয়েছে।
ক.২ যদি কোনো মহিলা জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি খেতে থাকেন, তবে তিনি বড়ি খাওয়া বন্ধ রাখবেন এবং অন্য যে কোনো প্রকার বিকল্প পদ্ধতি গ্রহণ করবেন।
ক.৩ পরিবেশগত কারণে যদি ধোঁয়া বা ধুলাবালি বা প্রচন্ড গরম বা শীতের বাতাসের মাঝে বের হতে হয় তবে মাস্ক বা রুমাল ব্যবহার করতে হবে।

খ) শাস্ত্রীয় চিকিৎসা
খ.১ সাময়িকভাবে আক্রান্ত সাধারণ মাইগ্রেন রোগীর চিকিৎসা
খ.১.১ ট্যাবলেট অ্যাসপিরিন (৬০০-৯০০ মি.গ্রা.) যা জলতে দ্রবণীয় অথবা ট্যাবলেট প্যারাসিটামল (১ গ্রাম বা ২টা ট্যাবলেট)
খ.১.২ সাথে বমি বন্ধ করার জন্য ওষুধ, যেমন- Metoclopromide
(মেটোক্লোপ্রোমাইড) বাজারে যা মোটিলন, নিউট্রামিড, অ্যান্টিমেট বা মেটোসিড নামে পরিচিত অথবা প্রোক্লোরপিরাজিন ((prochlorperazine)) বাজারে যা স্টিমিটিল, ভারগন বা প্রম্যাট নামে পাওয়া যায়- এসব দেয়া যেতে পারে।

গ) ক্ল্যাসিকেল মাইগ্রেনের চিকিৎসা
গ.১ প্রথমত:
গ.১.১ আরগোটামিন টারট্রেট (Ergotamine Tartrate)
০.৫-১.০ মি.গ্রা. জিহ্বার নিচে, পায়ুপথে বা ইনহেলার বা শ্বাসের সাথে নিতে হবে
গ.১.২ মূলত এই চিকিৎসা তখনই দেয়া হয় যখন বেশি ব্যথার সাথে সাথে দৃষ্টিজনিত অসুবিধা বা স্নায়ুঘটিত সমস্যার লক্ষণ প্রকাশিত হয়।
গ.১.৩ ট্যাবলেট আরগোটামিন নিজেই বমি বমি ভাব বা বমির উদ্রেক করে যার ফলে বেশিরভাগ রোগীই এটাকে সহ্য করতে পারেন না। অপরপক্ষে অতিরিক্ত সেবনের ফলে ধমনি/ শিরাতে সংকুচিত ভাব প্রকাশ পায় ও পাশাপাশি মাথাব্যথাও শুরু হয়। যার ফলে এর ব্যবহার সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হয়। লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে সপ্তাহে ১২ মি. গ্রা. এর মাত্রার বেশি মাত্রা না পড়ে। শুধু তাই নয়- নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে এর ব্যবহার নিষিদ্ধ :
(১) গর্ভাবস্থায়
(২) ইশকেমিক হার্ট ডিজিজ (IHD)
(৩) প্রান্তীয় রক্তনালীর বিশৃঙ্খলতা (Peripheral Vascular Disease)
গ.২ দ্বিতীয়ত, সহসা আক্রান্ত মাইগ্রেনে সুমাট্রিপট্যান (sumatriptan) যা ব্রেনের উপাদান সিরোটোনিন এর কাজের সহায়ক নতুন এক সংযোজিত ওষুধ।
(১) মাত্রা : ১০০ মি.গ্রা. ২৪ ঘণ্টার মাঝে। অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে মাত্রা ৩০০ মি. গ্রা. এর উপরে না যায়। এটি ইনজেকশনের আকারেও পাওয়া যায়।
৬ মি. গ্রা. চামড়ার নিচে। লক্ষণীয়; ২৪ ঘণ্টার মাঝে যেন দু’টির বেশি ইনজেকশন না পড়ে। এর কার্যকারিতা খুবই ভালো তবে খুব ব্যয়সাধ্য।

সু্ত্র: বিকাশপিডিয়া টীম

2.88659793814
মন্তব্য যোগ করুন

(ওপরের বিষয়বস্তুটি সম্পর্কে যদি আপনার কোন মন্তব্য / পরামর্শ থাকে, তাহলে দয়া করে আমাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট করুন).

Enter the word
ন্যাভিগেশন
Back to top