ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা সম্পাদনার জন্য উন্মুক্ত

কী করবেন

হিটস্ট্রোক হলে কী করবেন তা এখানে বোঝানো হয়েছে।

গ্রীষ্ম প্রধান দেশ। ঘরে তো আর বসে থাকা যাবে না। কাজে কর্মে বেরোতেই হবে বাইরে। কাজেই দুর্দান্ত গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ার সম্ভাবনা প্রতিপদে। সাধারণ ক্লান্তি, মাথা ঘোরা থেকে বমি এমনকী বাড়াবাড়ি হলে জ্ঞানও হারিয়ে যায় অনেক সময়। চড়া রোদের নীচে দাঁড়িয়ে কাজ করলে হিটস্ট্রোকও হয়ে যেতে পারে। ব্যবস্থা নিতে দেরি হলে যা থেকে চরম বিপদ ঘটে যাওয়াও অসম্ভব নয়। কী করে এসব ঝামেলা এড়াব — আসুন জেনে নেওয়া যাক।

  • গরমে বেশি ঘাম হলে ক্লান্তি, মাথাঘোরা, বমি ভাব ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিতে পারে। ঘরে থাকলেও হতে পারে। বাইরে বেরোলে তো কথাই নেই। যার প্রধান কারণ ঘামের সঙ্গে শরীরের পক্ষে প্রয়োজনীয় বেশ কিছু লবণ বেরিয়ে যাওয়া। একে ঠেকাতে ও আর এস পাউডার, ডাব, গ্লুকোজ অথবা সাধারণ নুন-চিনির সরবত খান মাঝেমধ্যে। ঠান্ডা জলে স্নান করুন দু-চারবার অথবা নিদেন পক্ষে ঘাড়ে মুখে জলের ঝাপটা দিন বারে বারে। কিছুটা আরাম পাবেন।
  • গরমের চোটে জ্ঞান হারানোকে বলে হিট সিনকোপ। এ রকম হলে রোগীকে সেখান থেকে সরিয়ে কোনও ঠান্ডা জায়গায় নিয়ে আসুন। মাথার দিক খানিকটা নিচু করে শুইয়ে দিন। পাখা চালিয়ে মাথা ধুইয়ে দেওয়া যেতে পারে। এবং বমি না থাকলে অল্প অল্প করে ও আর এস খাওয়ালে খানিকক্ষণের মধ্যে অবস্থা আয়ত্তে চলে আসবে। সঙ্গে জ্বর না থাকলে তত বিপদের কিছু নেই। তবু ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে নেবেন।
  • প্রচন্ড জ্বর ১০৫ ডিগ্রির উপর, ভুল বকা, জ্ঞান হারানো, নাড়ির গতি এবং শ্বাসপ্রশ্বাসের হার বাড়া হিট স্ট্রোকের উপসর্গ। হিটস্ট্রোক অত্যন্ত মারাত্মক অবস্থা। কাজেই উপসর্গ দেখা দিলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ডাক্তারের সঙ্গে বা সরাসরি হাসপাতালে যোগাযোগ করবেন। তার মধ্যে জামা কাপড় খুলে ঠান্ডা জলে স্নান করিয়ে, বরফ জলে ভেজা কাপড়ে শরীর জড়িয়ে রেখে জোরে ফ্যান চালিয়ে দেওয়া এবং জ্বর কমানোর ওষুধ খাওয়ানো শুরু করতে হবে। মনে রাখবেন সঙ্গে সঙ্গে চিকিত্সা শুরু না করলে রোগী কোমায় চলে যেতে পারেন। মৃত্যু হওয়াও অসম্ভব নয়।
2.96610169492
মন্তব্য যোগ করুন

(ওপরের বিষয়বস্তুটি সম্পর্কে যদি আপনার কোন মন্তব্য / পরামর্শ থাকে, তাহলে দয়া করে আমাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট করুন).

Enter the word
ন্যাভিগেশন
Back to top