ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা সম্পাদনার জন্য উন্মুক্ত

স্নায়ুতন্ত্রের ওপর প্রভাব

) আনুমানিক ৩৫ শতাংশ সুরাপায়ীর (যা শতকরা নিয়মিত সুরাপায়ীদের মধ্যে আরও বেশি) চেতনা/স্মৃতির সাময়িক বিলুপ্তি (black out) হয়। অর্থাৎ সুরাপানের বেশ কিছু ক্ষণ পর্যন্ত তারা চারপাশে ঘটে যাওয়া ঘটনা পরে মনে আনতে পারে না।

) এটি ঘুমের সমস্যা তৈরি করে। যদিও ঘুম আনার জন্য সুরা সাহায্য করে; কিন্তু এটি ঘুমের পরবর্তী অংশে ব্যাঘাত ঘটায়। অর্থাৎ স্বপ্ন-ঘুম এবং গভীর ঘুম, এই দুইয়েরই পরিমাণ হ্রাস পায়। নাসিকা গর্জন এবং নিদ্রাকালে শ্বাসের কষ্ট (Sleep apnoea) সুরার প্রভাবে বেড়ে যেতে পারে।

) সুরাপায়ীর সিদ্ধান্তগ্রহণ ক্ষমতার যথেষ্ট বিশৃঙ্খলা ঘটে থাকে এবং চলনে-গমনে দ্রুত পেশি সঞ্চালনে সহযোগিতা না পাওয়ায় সে দুর্ঘটনাপ্রবণ হয়ে ওঠে।

) সুরাপানে আনুষঙ্গিক কয়েকটি লক্ষণ-উপসর্গ দেখা যায়। যেমন — মাথাব্যথা, বমনেচ্ছা, বমি, হাত পা শিথিল হয়ে দুর্বল বোধ হওয়া ইত্যাদি। এই সবই নেশা পরবর্তী কালের শারীরিক বিরূপতার (hangover syndrome) কারণে ঘটে, এমনই মনে করা হয়।

তবে সুরার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তির স্নায়ুতন্ত্রের ওপর সুরার প্রভাব আরও গভীর ও সুদূরপ্রসারী। যেমন —

) .১৫ শতাংশ ব্যক্তির প্রান্তীয় স্নায়ুতন্ত্রর বিকার শুরু হয়। যে কারণে দুই হাত-পায়ে অসাড়তা, ঝিনঝিন বোধ ও নানা অস্বভাবী অনুভূতি লক্ষ করা যায়।

) আনুমানিক এক শতাংশ ক্ষেত্রে লঘুমস্তিষ্কজনিত (cerebellum) ক্ষয় হওয়ায় এদের হাঁটাচলার অসংলগ্নতা দেখা যায়। তাদের সাধারণ চলাফেরার অসুবিধা হয় এবং দৃষ্টি নিবদ্ধ করার ক্ষমতাও (nystagmus) ক্রমশ অস্বভাবী হয়ে ওঠে।

) এ ছাড়া ক্ষণস্থায়ী বা দীর্ঘস্থায়ী স্মৃতিবিলুপ্তি ও নানা ধরনের গুরুতর মস্তিষ্কজনিত রোগের লক্ষণ-উপসর্গ দেখা যায়। যেমন — ভার্নিক ও কোর্সাকফ সিনড্রোম ইত্যাদি। তবে এই রোগীরা সংখ্যায় কম; প্রতি হাজারে মাত্র দু’ জন।

) সুরাপায়ীদের জ্ঞানজ (cognitive) প্রক্রিয়া পরিচালনার ক্ষেত্রে নানা সমস্যা দেখা যায়। সুরাপান থেকে বিরত হলে এই সব সমস্যার প্রভূত উন্নতি ঘটে।

2.95967741935
মন্তব্য যোগ করুন

(ওপরের বিষয়বস্তুটি সম্পর্কে যদি আপনার কোন মন্তব্য / পরামর্শ থাকে, তাহলে দয়া করে আমাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট করুন).

Enter the word
ন্যাভিগেশন
Back to top