ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা সম্পাদনার জন্য উন্মুক্ত

রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা

কী ভাবে এই রোগ নির্ণয় করা যায়, চিকিৎসাই বা কী তা এখানে বলা হয়েছে

রোগ নির্ণয়

  • সিএমএল রোগ নির্ণয় একটি সহজ রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে করা হয়। পরীক্ষায় অস্বাভাবিক ভাবে উচ্চমাত্রায় শ্বেত রক্ত কণিকার পরিমাণ দেখাতে পারে। মাইক্রোস্কোপে দেখা রক্ত নমুনাতে অপূর্ণাঙ্গ সাদা রক্ত কণিকা, যা সাধারণ ভাবে অস্থি মজ্জায় থাকে তা খুঁজে পাওয়া যায়।
  • পরীক্ষা যা ক্রমোজম বিশ্লেষণ করে (সাইটোজেনেটিক্স অথবা আণবিক জেনেটিক্স) ফিলাডেলফিয়া ক্রমোজম প্রগনসিস সনাক্ত করে তার দরকার হয়।

চিকিৎসা

  • যদিও অধিকাংশ চিকিৎসা রোগ সারায় না, তারা এর অগ্রগতি কমিয়ে দেয়। নতুন ওষুধ ফিলাডেলফিয়া ক্রমোজমের দ্বারা তৈরি অস্বাভাবিক উৎসেচক তৈরিতে বাধা দেয়। এই ওষুধ অন্যান্য চিকিৎসার থেকে বেশি কার্যকর এবং সামান্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ঘটায়।
  • রোগ নির্ণয়ের ৫ বছর পরে বাঁচার হার ৯০% এর ওপর।
  • কেমোথেরাপি ওষুধের উচ্চ মাত্রার সঙ্গে স্টেম কোষ প্রতিস্থাপন সিএমএল সারাতে সাহায্য করে। তবে কেবলমাত্র কিছু মানুষের ক্ষেত্রে এই প্রতিস্থাপন সম্ভব। স্টেম কোষ এমন এক দাতার থেকে আসা উচিত যার উপযুক্ত টিস্যু আছে, সাধারণত পরিবারের লোকজনের থেকে এই টিস্যু নেওয়া হয়।
  • রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে প্রতিস্থাপন সর্বাপেক্ষা কার্যকর। যদি সিএমএল দ্রুত বাড়তে থাকে তখন কম কার্যকর হয়। সে ক্ষেত্রে অবস্থা সঙ্কটজনক হয়।
  • গুরুতর অবস্থায় মানুষ চিকিৎসা ছাড়া অল্প কয়েক মাস বাঁচে। চিকিৎসা, কেমোথেরাপি ওষুধ কখনও কখনও রোগীর বাঁচাকে ১২ মাস অথবা তার বেশি প্রসারিত করে।
  • যাঁদের ক্ষেত্রে ফিলাডেলফিয়া ক্রমোজম ছাড়া পুনরায় রোগ দেখা দেয় তাঁদের অপেক্ষাকৃত পুরনো কেমোথেরাপি চিকিৎসাও করা যেতে পারে । কোনও ওষুধেই দীর্ঘদিন বাঁচা সম্ভব নয়। তারা রোগের লক্ষণগুলি কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
3.03937007874
মন্তব্য যোগ করুন

(ওপরের বিষয়বস্তুটি সম্পর্কে যদি আপনার কোন মন্তব্য / পরামর্শ থাকে, তাহলে দয়া করে আমাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট করুন).

Enter the word
ন্যাভিগেশন
Back to top