ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা সম্পাদনার জন্য উন্মুক্ত

রোগ নির্ণয়

শিশুর ক্ষেত্রে চিকিৎসকরা কী ভাবে হাঁপানি নির্ণয় করেন তা এখানে আলোচিত।

  • কোনও বাচ্চার বারে বারে সোঁ সোঁ করে আওয়াজের ঘটনা ঘটলে, বিশেষত যদি তার পরিজনদের কারও হাঁপানি বা অ্যালার্জি আছে বলে জানা থাকে, তবে ডাক্তারবাবু বাচ্চার হাঁপানি থাকতে পারে বলে সন্দেহ করেন।
  • ডাক্তারবাবু সাধারণত এক্স-রে করতে বলেন এবং কখনও কখনও কারণ জানার জন্য অ্যালার্জি টেস্টও করান।
  • ঘন ঘন সোঁ সোঁ আওয়াজ করে এমন বাচ্চাদের অন্যান্য সমস্যা, যেমন সিস্টিক ফাইব্রোসিস বা গ্যাস্ট্রোইসোফিগাল রিফ্লাক্স ইত্যাদি আছে কিনা জানার জন্য পরীক্ষা করা হতে পারে।
  • বেশি বয়সের বাচ্চাদের অনেক সময় পালমোনারি ফাংশন টেস্ট (পিএফটি) করা হয়, যদিও বেশির ভাগ বাচ্চার ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ির মাঝামাঝি সময়ে পালমোনারি ফাংশন স্বাভাবিক থাকে।
  • একটু বেশি বয়সের বা বয়ঃসন্ধির বাচ্চাদের যাদের হাঁপানি আছে, তারা প্রায়শই শ্বাসনালির বাধার পরিমাণ মাপার জন্য পিক ফ্লো মিটার (একটি ছোট যন্ত্র, যা কোনও ব্যক্তি কত জোরে ফুঁ দিতে পারে তা মাপতে পারে) ব্যবহার করে। ডাক্তাররা এবং বাবা-মায়েরা টানের সময়ে এবং দু’টি টানের মধ্যবর্তী সময়ে বাচ্চার অবস্থা বোঝার জন্য এই পরিমাপের সাহায্য নিতে পারেন। হাঁপানি আছে জানা থাকলে ডাক্তাররা এক্স-রে করান না, যদি না তিনি নিউমোনিয়া বা ফুসফুসের গণ্ডগোল সন্দেহ করেন।
2.98518518519
মন্তব্য যোগ করুন

(ওপরের বিষয়বস্তুটি সম্পর্কে যদি আপনার কোন মন্তব্য / পরামর্শ থাকে, তাহলে দয়া করে আমাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট করুন).

Enter the word
ন্যাভিগেশন
Back to top