হোম / প্রভাবসম্পন্ন খবর / বহু আগেই এসেছে স্বচ্ছতা
ভাগ করে নিন

বহু আগেই এসেছে স্বচ্ছতা

‘স্বচ্ছ ভারত’–এর অনেক আগে থেকেই এ গ্রাম স্বচ্ছ -– বাইরে এবং ভিতরে, সর্বত্রই।

আসলে মিলটা অন্যত্র, শিক্ষকদের সঙ্গে গ্রামবাসীদের মিল, যা শিশুদের সঙ্গে শিক্ষকের মিলটা এক এমন একটা উপলব্ধির ব্যাপার করে তুলেছে। এই মিল থেকে গ্রামবাসী যেমন এসেছেন স্কুলের কাছে, তেমনই স্কুল পৌঁছে গেছে তাঁদের বাড়িতে বাড়িতে, নানা ভাবে। একটাই শুধু নিদর্শন দেখুন, গোটা গ্রামে প্রতিটি বাড়িতে তৈরি হয়েছে শৌচালয় এবং সেগুলো কেবল প্রকল্পের টার্গেট পূরণ করে না, ব্যবহৃত হয়। ‘স্বচ্ছ ভারত’–এর সরকারি ঘোষণার এবং মন্ত্রী–সান্ত্রিরা ঝাড়ু হাতে ছবি তোলার বহু আগেই স্কুলের প্রভাবে এ গ্রামে স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠিত।

শুধু দৈহিক নয়, প্রসারিত মানসিক স্বচ্ছতায় গ্রামবাসীরা গড়ে তুলেছেন এমন এক সমাজ, যেখানে স্বপ্ন দেখা হচ্ছে কয়েকটি বাড়ি মিলে যৌথ রান্নাঘর গড়ে তোলার। হয়তো বা ইউটোপিয়া, কল্পসমাজ, হয়তো বা সোভিয়েত অভিজ্ঞতা ভয় দেখাচ্ছে, কিন্তু মানুষই তো পারে কল্পনা করতে, কল্পনা আছে বলেই প্রাণ আছে — যে প্রাণ একটা গ্রাম, একটা স্কুল ছড়িয়ে, এখনও অলক্ষ্যে, বিস্তৃত হচ্ছে পশ্চিমবাংলার প্রান্তে, প্রান্তান্তরে।

প্রান্ত ধরে এগিয়ে যান মণিপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে, আরও এগিয়ে শূলপাণিপুর, দেখুন শিক্ষার স্থানিক আয়োজনে স্কুলগুলো কেমন বদলে যাচ্ছে গ্রামীণ সংহতি কেন্দ্রে। হাতে সময় থাকলে ঘুরে আসুন হিলি — ঐতিহাসিক শ্রীগোহালি, একদা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে পরিপুষ্ট যে লোকালয় রাজনৈতিক ইতিহাসের স্বেচ্ছাচারে শ্রীহীন, কিন্তু সেখানেও স্কুলে স্কুলে যৌবনের উন্মেষ। পর পর দেখতে পাবেন চকদাপট, ফেরুসা, নোয়াপাড়ায় কত বিরুদ্ধতা অতিক্রম করে একটা শিক্ষাসমাজ জেগে উঠছে।

Back to top