হোম / সমাজ কল্যাণ / অনুদানে ভরা প্রথম বাজেট বিধাননগরের
ভাগ করে নিন

অনুদানে ভরা প্রথম বাজেট বিধাননগরের

নবগঠিত বিধাননগর পুরনিগমের নিজস্ব আয় বাড়িয়ে স্বনির্ভর হওয়াই প্রধান লক্ষ্য।

কেন্দ্র কিংবা রাজ্যের অনুদানের উপরে নির্ভর না করে নিজস্ব আয় বাড়িয়ে স্বনির্ভর হওয়াই প্রধান লক্ষ্য। সে দিকে তাকিয়েই প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ হল নবগঠিত বিধাননগর পুরনিগমে। সেখানে পরিকাঠামোর সংস্কার-সহ একগুচ্ছ উন্নয়নের প্রস্তাব রেখেছে পুরবোর্ড।

শনিবার কাউন্সিলরদের বৈঠকে বাজেট পেশ করলেন মেয়র সব্যসাচী দত্ত। ২০১৬-’১৭ অর্থবর্ষের এই বাজেট পেশ করতে গিয়ে মেয়র জানান, স্বনির্ভর হতে হবে। সে দিকে তাকিয়ে নিজস্ব আয় বৃদ্ধির একাধিক পথ বার করতে হবে। বাজেটে সেই সম্ভাবনা তুলে ধরে সম্পত্তি করের ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করে সমতা আনা, বকেয়া কর আদায়ে জোর দেওয়ার মাধ্যমে নিজস্ব আয় বাড়ানোয় জোর দেওয়া হয়েছে। সামগ্রিক ভাবে বাজেটে মোট আয় দেখানো হয়েছে প্রায় ৪৯২ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকা এবং মোট ব্যয় দেখানো হয়েছে প্রায় ৪৯১ কোটি ৬১ লক্ষ টাকা। উদ্বৃত্তের পরিমাণ প্রায় ৮২ লক্ষ ৫৮ হাজার টাকা।
বাজেটে দেখা যাচ্ছে, সিংহভাগই অনুদান। নিজস্ব আয়ের হাতে গোনা কিছু প্রস্তাব ছাড়া বাকি গতানুগতিক। তা হলে স্বনির্ভরতা কোথায়? মেয়র সব্যসাচী দত্তের দাবি, ব্যয়সঙ্কোচ করা হবে। বকেয়া কর আদায়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া, আবর্জনা থেকে জৈব সার তৈরি করে বিক্রি করা হবে। তা থেকে অতিরিক্ত আয়ের ব্যবস্থা হবে।

কেন্দ্র কিংবা রাজ্যের অনুদানের উপরে নির্ভর না করে নিজস্ব আয় বাড়িয়ে স্বনির্ভর হওয়াই প্রধান লক্ষ্য। সে দিকে তাকিয়েই প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ হল নবগঠিত বিধাননগর পুরনিগমে। সেখানে পরিকাঠামোর সংস্কার-সহ একগুচ্ছ উন্নয়নের প্রস্তাব রেখেছে পুরবোর্ড।শনিবার কাউন্সিলরদের বৈঠকে বাজেট পেশ করলেন মেয়র সব্যসাচী দত্ত। ২০১৬-’১৭ অর্থবর্ষের এই বাজেট পেশ করতে গিয়ে মেয়র জানান, স্বনির্ভর হতে হবে। সে দিকে তাকিয়ে নিজস্ব আয় বৃদ্ধির একাধিক পথ বার করতে হবে। বাজেটে সেই সম্ভাবনা তুলে ধরে সম্পত্তি করের ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করে সমতা আনা, বকেয়া কর আদায়ে জোর দেওয়ার মাধ্যমে নিজস্ব আয় বাড়ানোয় জোর দেওয়া হয়েছে। সামগ্রিক ভাবে বাজেটে মোট আয় দেখানো হয়েছে প্রায় ৪৯২ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকা এবং মোট ব্যয় দেখানো হয়েছে প্রায় ৪৯১ কোটি ৬১ লক্ষ টাকা। উদ্বৃত্তের পরিমাণ প্রায় ৮২ লক্ষ ৫৮ হাজার টাকা।
বাজেটে দেখা যাচ্ছে, সিংহভাগই অনুদান। নিজস্ব আয়ের হাতে গোনা কিছু প্রস্তাব ছাড়া বাকি গতানুগতিক। তা হলে স্বনির্ভরতা কোথায়? মেয়র সব্যসাচী দত্তের দাবি, ব্যয়সঙ্কোচ করা হবে। বকেয়া কর আদায়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া, আবর্জনা থেকে জৈব সার তৈরি করে বিক্রি করা হবে। তা থেকে অতিরিক্ত আয়ের ব্যবস্থা হবে।

উৎস: আনন্দবাজার পএিকা, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

2.7
মন্তব্য যোগ করুন

(ওপরের বিষয়বস্তুটি সম্পর্কে যদি আপনার কোন মন্তব্য / পরামর্শ থাকে, তাহলে দয়া করে আমাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট করুন).

Enter the word
ন্যাভিগেশন
Back to top