হোম / সমাজ কল্যাণ / প্রকল্প ও কর্মসূচি / স্ট্যান্ড আপ ইন্ডিয়া প্রকল্প
ভাগ করে নিন

স্ট্যান্ড আপ ইন্ডিয়া প্রকল্প

তপশিলি জাতি ও উপজাতি এবং মহিলা উদ্যোগীদের সহায়তা প্রদান করার জন্য এই “স্ট্যান্ড আপ ইন্ডিয়া প্রকল্প”-এর সূচনা

তপশিলি জাতি ও উপজাতি এবং মহিলা উদ্যোগীদের দশ লক্ষ টাকা থেকে এক কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দিয়ে সহায়তা প্রদান করার জন্য এই “স্ট্যান্ড আপ ইন্ডিয়া প্রকল্প”-এর সূচনা হচ্ছে| ব্যাংকের প্রতিটি শাখায় (তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক) অন্তত দু’টি করে এবং প্রতিটি বিভাগের গড়ে একটি করে কর্ম-পরিকল্পনা এই প্রকল্পের মাধ্যমে সহায়তা করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়ায় প্রকল্পটি বিশাল সংখ্যার উদ্যোগীদের জন্য সহায়ক হয়ে উঠবে বলে আশা করা যাচ্ছে|

এই প্রকল্পের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে:--

১) যে কোনো নতুন উদ্যোগ স্থাপনে চালু মূলধনের অংশ সহ ১০ লক্ষ টাকা থেকে ১০০ লক্ষটাকা পর্যন্ত মিশ্র ঋণ|
২) চালু মূলধন তোলার জন্য ডেবিট কার্ড (রুপে কার্ড)|
৩) ঋণ গ্রহীতার ঋণ-ইতিহাস উন্নত করা|
৪) স্মল ইন্ডাস্ট্রিস ডেভেলপমেন্ট ব্যংক অবইন্ডিয়া (এস.আই.ডি.বি.আই.)-এর মাধ্যমে পুনরায় অর্থ-সংস্থানের জন্য প্রাথমিকভাবে ১০,০০০ কোটি টাকার ব্যবস্থা|
৫) এন.সি.জি.টি.সি.-এর মাধ্যমে ঋণ নিশ্চয়তার জন্য ৫,০০০ কোটি টাকার মূল তহবিল গঠন|
৬) ঋণ গ্রহীতাকে হাতে কলমে সাহায্য করার জন্য ঋণ নেওয়ার আগের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, ঋণের সুযোগ, উৎপাদন করা, বাজারজাত করা ইত্যাদির জন্য সুসংহত সহায়তা|
৭) অনলাইনে নথিভুক্তকরণ ও সহায়তা পরিষেবার জন্য ওয়েব পোর্টাল|

এই প্রস্তাবের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে তপশিলি জাতি, তপশিলি উপজাতি ও মহিলা ঋণ গ্রহীতাদের দ্বারা গঠিত অ-কৃষি ক্ষেত্রে ব্যাংকের ঋণের সুবিধা দিয়ে জনসংখ্যার বঞ্চিত অংশের মানুষদের কাছে প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ কাঠামো পৌঁছে দেওয়া| এই উদ্যোগ বর্তমানে চলতে থাকা অন্যান্য দফতরের প্রকল্পগুলির উন্নয়নেও সহায়তা করবে|

দলিত ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডি.আই.সি.সি.আই.) এবং দেশের বিভিন্ন সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্রের শিল্পের সহযোগিতায় এই পদ্ধতিতে নেতৃত্ব দেবে এস.আই.ডি.বি.আই.| ন্যাশনাল ব্যাংক ফর এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট (নাবার্ড) এবং এস.আই.ডি.বি.আই.-এর অফিসগুলি ‘স্ট্যান্ড আপ কানেক্ট সেন্টার’ (এস.ইউ.সি.সি.) হিসেবে নির্ধারিত হবে|

এই সূচনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনা প্রকল্পের অধীনে ভারতীয় মাইক্রো ক্রেডিট (বি.এম.সি.)-এর দ্বারা ৫১০০ টি ই-রিক্সা বিতরণ করা হবে| এর পাশাপাশি এই রিক্সা প্রাপকগণ প্রধানমন্ত্রী জন ধন যোজনা, প্রধানমন্ত্রী সুরক্ষা যোজনা, প্রধানমন্ত্রী জীবন জ্যোতি যোজনা, অটল পেনশন যোজনা প্রকল্প এবং আরও আটটি গুরুত্বপূর্ণ প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পের আওতায় আসবেন|

যারা ব্যাংকের সঙ্গে যুক্ত নন তাঁদের ব্যাংকের আওতায় নিয়ে আসতে প্রধানমন্ত্রী ২০১৪ সালের ১৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী জন ধন যোজনা (পি.এম.জে.ডি.ওয়াই.)-এর সূচনা করেন| সবাই জানেন যে, এই উদ্যোগ অসাধারণ সাফল্য পেয়েছে| কেননা ২১.৩ কোটিরও বেশি অ্যাকাউন্ট এই উদ্যোগের মাধ্যমে খোলা হয়েছে| তাছাড়া, যাদের মূলধন নেই, তাঁদের মূলধন যোগাতে ২০১৫ সালের ৮ এপ্রিল সূচনা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনা। এর মাধ্যমে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে| আজ পর্যন্ত ১.২২ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি ঋণ বিতরণ করা হয়েছে এই প্রকল্পের মাধ্যমে, যেখানে তপশিলি জাতির ৫৭.৭৫ লক্ষ, তপশিলি উপজাতির ১৫.১৫ লক্ষ এবং ২.৫২ কোটিরও বেশি মহিলা উদ্যোগী উপকৃত হয়েছেন| এই অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধিকে আরও গতিময় করে তুলতে প্রধানমন্ত্রী ২০১৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির উদ্দেশ্যে তাঁর ভাষণে “স্টার্ট আপ ইন্ডিয়া, স্ট্যান্ড আপ ইন্ডিয়া” উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছিলেন|

সুত্র: প আই বি

3.2380952381
মন্তব্য যোগ করুন

(ওপরের বিষয়বস্তুটি সম্পর্কে যদি আপনার কোন মন্তব্য / পরামর্শ থাকে, তাহলে দয়া করে আমাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট করুন).

Enter the word
ন্যাভিগেশন
Back to top