হোম / সমাজ কল্যাণ / তফশিলী উপজাতি কল্যাণ / তফশিলি উপজাতিদের জন্য জাতীয় কমিশন
ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা Review in Process

তফশিলি উপজাতিদের জন্য জাতীয় কমিশন

২০০৩-এর ৮৩-তম সংবিধান সংশোধন আইনের মাধ্যমে সংবিধানের ৩৩৮ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে ৩৩৮ ক নামে একটি নতুন অনুচ্ছেদ ঢুকিয়ে তফশিলি উপজাতিদের জাতীয় কমিশন (এনসিএসটি) গঠিত হয়।

ভূমিকা

২০০৩-এর ৮৩-তম সংবিধান সংশোধন আইনের মাধ্যমে সংবিধানের ৩৩৮ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে ৩৩৮ ক নামে একটি নতুন অনুচ্ছেদ ঢুকিয়ে তফশিলি উপজাতিদের জাতীয় কমিশন (এনসিএসটি) গঠিত হয়। এই সংশোধনীর মাধ্য‌মে তফশিলি জাতি ও উপজাতিদের জাতীয় কমিশন দু’ভাগে বিভক্ত হয়েছে

  • ১) তফশিলি জাতিদের জন্য জাতীয় কমিশন(এনসিএসসি) এবং
  • ২) তফশিলি উপজাতিদের জাতীয় কমিশন (এনসিএসটি)। ২০০৪-এর ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে এই ব্য‌বস্থা কার্যকর হয়েছে।

কমিশনের পশ্চাৎপট

  • কিছু কিছু সম্প্রদায় অস্পৃশ্য‌তা, অতি প্রাচীন চাষের ব্য‌বস্থা, ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতা, পরিকাঠামোগত সুবিধার অভাবের মতো অত্য‌ধিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য‌ের মধ্য‌ দিয়ে জীবনযাপন করছে। এদের স্বার্থ সুরক্ষার উদ্দেশ্যে কিছু বিশেষ ব্য‌বস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
  • এই সম্প্রদায়গুলি সংবিধানের ৩৪১(১) ও ৩৪২(১) অনুচ্ছেদ মোতাবেক তফশিলি জাতি ও তফশিলি উপজাতি হিসাবে সূচিত।
  • সংবিধানের ৩৩৮ অনুচ্ছেদের আদি অবস্থান অনুযায়ী তফশিলি জাতি ও উপজাতিদের জন্য‌ নিযুক্ত স্পেশাল অফিসার (কমিশনার) বিভিন্ন বিধিতে তফশিলি জাতি ও উপজাতিদের রক্ষাকবচ সংক্রান্ত যে সব বিষয় আছে সেগুলো অনুসন্ধান করে দেখতেন ও ওই সব রক্ষাকবচের কাজকর্ম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে রিপোর্ট দিতেন।
  • ওই কমিশনারের কাজের সুবিধার্থে দেশ জুড়ে ১৭টি আঞ্চলিক দফতর খোলা হয়েছিল।
  • ১৯৭৮ সালে সরকার স্থির করে (প্রস্তাব অনুসারে) তফশিলি জাতি ও উপজাতিদের জন্য‌ একাধিক সদস্য‌ বিশিষ্ট একটি কমিশন (বিধিবদ্ধ নয়) গঠন করা হবে যার চেয়্য‌ারপারসন হবেন ভোলা পাশোয়ান শাস্ত্রী এবং সেখানে তিন বছর মেয়াদে চার জন সদস্য‌ থাকবেন। কমিশনারের পদটি অবশ্য বহাল থাকল।
  • ডিজি-র (অনগ্রসর শ্রেণি কল্য‌াণ) কাছে যে ১৭টি আঞ্চলিক দফতর হস্তান্তরিত হয়েছিল, সেগুলি নতুন বহু সদস্য বিশিষ্ট কমিশনের আওতায় ফিরিয়ে আনা হয়।
  • ১৯৮৭ সালে সরকার (আর একটি প্রস্তাব অনুসারে) কমিশনের ভূমিকা সংশোধন করে। কমিশন তফশিলি জাতি ও উপজাতি উন্নয়নে বৃহত্তর নীতি সম্পর্কে সরকারকে পরামর্শ দেওয়ার জন্য কমিশনকে জাতীয় স্তরে উপদেষ্টা বোর্ডের মর্যাদা দেওয়া হয়।
  • তফশিলি জাতি ও উপজাতিদের জন্য‌ বিধিবদ্ধ জাতীয় কমিশন ১২ মার্চ ১৯৯২-এ প্রতিষ্ঠিত হয় (১৯৯০-এর ৬৫-তম সংবিধান সংশোধনী আইন মোতাবেক, প্রজ্ঞাপিত হয় ৮।৬।১৯৯০)। এর চেয়্য‌ারপারসন হন রাম ধন। ভাইস চেয়ারপারসন হন শ্রী বান্দি ওরাওঁ। সদস্য‌রা হলেন, শ্রী বি সামাইয়া, ডঃ সরোজিনী মহিষী, চৌধুরি হরি সিং, শ্রী এন ব্রহ্ম এবং শ্রী জিনাভাই দরজি। এঁরা এসসি-এসটিদের জন্য‌ নিযুক্ত স্পেশাল অফিসারের স্থলাভিষিক্ত হলেন।
  • দ্বিতীয় কমিশন তৈরি হয় ৫।১০।১৯৯৫ তারিখে। এর চেয়্য‌ারপারসন ছিলেন শ্রী এইচ হনুমন্তাপ্পা। ভাইস চেয়ারপারসন ছিলেন ওমেন ময়োং দেউরি। সদস্য‌রা হলেন, শ্রী এন সি চতুর্বেদী, শ্রী আনন্দমোহন বিশ্বাস, লামা লোবজাং, শ্রী নরসিংহ বৈঠা এবং শ্রী বি ইয়াদাইয়া।
  • তৃতীয় কমিশনটি গঠিত হয় ডিসেম্বর ১৯৯৮-এ। চেয়ারপারসন ছিলেন শ্রী দিলীপ সিং ভুরিয়া। ভাইস চেয়ারপারসন কমলেশ্বর পাসোয়ান। সদস্য‌রা হলেন, হরিন্দার সিং খালসা, লামা লোবজাং, শ্রী ছত্রে মাঝি, শ্রী এম কানন, শ্রীমতী বিনা নায়ার। শ্রী এম কানন পদত্য‌াগ করায় তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন শ্রী সি চেলাপ্পন।
  • ২০০২-এর মার্চ মাসে চতুর্থ কমিশন গঠিত হয়। এর চেয়ারপারসন ছিলেন ডঃ বিজয় সোনকার শাস্ত্রী। ভাইস চেয়ারপারসন লামা চোসপেল জোতপা। সদস্য‌রা হলেন, শ্রী বিজয়কুমার চৌধুরি, শ্রী নারায়ণ সিং কেশরী, শ্রী তাপির গাও। শ্রী সি চেলাপ্পন ও শ্রীমতী বিনা নায়ারের মেয়াদকাল শেষ না হওয়ায় তাঁরাও সদস্য‌ হিসাবে ছিলেন। শ্রী চেলাপ্পনের মেয়াদ ফুরোলে ৩০.৯.২০০৩-এ তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন শ্রী সম্পত কুমার। ১৯।২।২০০৪-এর বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সংবিধানের ৮৯-তম সংশোধনী, ২০০৩ মোতাবেক ‘ন্য‌াশানাল কমিশন ফর এসসি অ্যান্ড এসটি’ উঠে গিয়ে আলাদা করে ‘ন্য‌াশানাল কমিশন ফর শিডিউলড কাস্টস’ (এনসিএসসি) ও ‘ন্য‌াশানাল কমিশন ফর শিডিউলড ট্রাইবস’ (এনসিএসটি) গঠিত হয়। তফশিলি উপজাতিদের প্রথম জাতীয় কমিশনের চেয়ারপারসন হয়েছিলেন শ্রী কুঁয়ার সিং (২০০৪-এর ১৫ মার্চ থেকে)। ভাইস চেয়ারপারসন গজেন্দ্র সিং রাজুখেরি। সদস্য‌রা হলেন লামা লোবজাং, শ্রীমতী প্রেমা বাই মান্ডবী, শ্রী বদুরু শ্রীনিবাসালু। সদস্য‌দের মেয়াদ ছিল তিন বছরের। চেয়্য‌ারম্য‌ান কেন্দ্রীয় ক্য‌াবিনেট মন্ত্রীর মর্যাদা পান। ভাইস চেয়ারপারসন পান কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা। সদস্য‌রা সরকারের সচিব পর্যায়ের মর্যাদা পান। শ্রী কুঁয়ার সিং ফেব্রুয়ারি ২০০৭-এ পদত্য‌াগ করেন। শ্রী গজেন্দ্র সিং রাজুখেরি পদত্য‌াগ করেন মে ২০০৭-এ। বাকিরা ২০০৭ সালের মার্চে তাঁদের মেয়াদ ফুরনো অবধি দায়িত্ব পালন করেছেন।
  • দ্বিতীয় কমিশনের চেয়্য‌ারপারসন ছিলেন শ্রীমতী উর্মিলা সিং (১৮।৭।২০০৭ থেকে ২৪।১০।২০১০ পর্যন্ত)। ভাইস চেয়ারপারসন হন মরিস কুজুর (২৫।৪।২০০৮ থেকে ২৪।৪।২০১১ পর্যন্ত)। সদস্য‌রা হলেন শেরিং সামফেল ও ওরিস সিয়াম মিরিয়াও।

দৃষ্টিভঙ্গি এবং কার্যপদ্ধতি

  • স্বাধীনতার প্রায় অর্ধ শতাব্দী পর সংবিধানের বাধ্য‌বাধকতা ও প্রকৃত অবস্থার কথা বিবেচনা করে তফশিলি উপজাতির উন্নয়নের লক্ষ্য‌ে ২০০৪ সালে এই নতুন কমিশন গঠন করা হয়েছে যাতে আরও গুরুত্ব সহকারে এর কাজ বাস্তবায়িত করা যায়। কমিশনের বৈঠকগুলি নিয়মিত হয় এবং কাজকর্মের উপর নিয়মিত নজরদারির ব্য‌বস্থা থাকে।
  • উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলির রূপায়ণ খতিয়ে দেখার জন্য‌ কমিশন একেবারে তৃণমূলস্তরে গিয়ে হাতে কলমে কাজকর্ম প্রত্য‌ক্ষ করে এবং কাজের সফল রূপায়ণের জন্য‌ রাজ্য‌ সরকার বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্য‌ সচিব বা অন্য আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করে। কমিশন মনে করে এ ধরনের পরিদর্শন ও বৈঠক করার ফলে রাজ্য‌ সরকারগুলি তফশিলি উপজাতিদের বাস্তব সমস্য‌াগুলি আরও ভালো ভাবে বুঝতে সক্ষম হয় ও সঠিক পদক্ষেপ নেওয়ার মাধ্য‌মে সমস্য‌াগুলির সমাধানে ব্রতী হয়।
  • কমিশন তার সদর দফতর ও রাজ্য‌ দফতরগুলির মাধ্যমে ক্ষেত্রসমীক্ষা ও অনুসন্ধানের কাজ করে। বিশেষ করে তফশিলি উপজাতিভুক্তদের উপর করা অপরাধ ও অত্য‌াচারের মীমাংসার ক্ষেত্রে ও উন্নয়নের সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া খুবই কার্যকর।
  • চাকরির ক্ষেত্রে তফশিলি উপজাতিভুক্তরা কোনও রকম অসুবিধার মধ্য‌ে পড়লে অভিযোগ অনুসারে সঠিক কেসগুলি চিহ্নিত করে তার দ্রুত অনুসন্ধান করে সমাধান করার ব্য‌বস্থা নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট আধিকারিক বা লিয়াজঁ অফিসারকে সমস্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সমেত ডেকে একটি বা দু’টি বৈঠকের মাধ্য‌মেই দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা মামলাগুলির দ্রুত নিস্পত্তি করে কমিশন। অনুসন্ধান করার ক্ষেত্রে কমিশন তার সিভিল কোর্টের ক্ষমতা প্রয়োগ করে যাবতীয় তথ্য‌ চেয়ে পাঠাতে পারে এবং সংশ্লিষ্ট ব্য‌ক্তির হাজিরা দেওয়া নিশ্চিত করতে পারে।
  • কমিশন মনে করে একমাত্র উপযুক্ত পরিকল্পনা ও যথোপযুক্ত উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্য‌মে তফশিলি উপজাতিভুক্তদের সমাজের বাকি অংশের সঙ্গে সামিল করা এবং তাদের ক্ষমতার পূর্ণ ব্য‌বহার করা যেতে পারে। সেই কারণে রাজ্য‌ ও কেন্দ্রীয় স্তরে পরিকল্পনা তৈরির সময় কমিশন অত্য‌ন্ত সক্রিয় ভাবে যুক্ত থাকে। কেন্দ্রীয় যোজনা কমিশন, রাজ্য‌ সরকার, কেন্দ্রীয় সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের সঙ্গে কমিশন সব সময় ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখে। কমিশনের রাজ্য‌ দফতরগুলির সহায়তায় বার্ষিক পরিকল্পনাগুলির পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করা হয়।

সাংগঠনিক তালিকা

তফশিলি উপজাতিভুক্তদের জাতীয় কমিশন তার দিল্লিস্থ মূল দফতর এবং ছ’টি রাজ্য‌ে স্থাপিত আঞ্চলিক দফতর মারফত কাজ চালায়।

সদর দফতরের মোট ছটি ইউনিট রয়েছে।

  • ১) প্রশাসনিক
  • ২) কোঅর্ডিনেশন ইউনিট
  • ৩) গবেষণা ইউনিট-১
  • ৪) গবেষণা ইউনিট-২
  • ৫) গবেষণা ইউনিট-৩
  • ৬) গবেষণা ইউনিট-৪

মূল কার্যনির্বাহী ইউনিটগুলি হল ৪টি গবেষণা ইউনিট। এই ইউনিটগুলি তফশিলি উপজাতিভুক্তদের আর্থ-সামাজিক ও শিক্ষাগত উন্নয়নের বিষয়, কর্মক্ষেত্রে তাদের রক্ষাকবচ ও তাদের উপর অত্য‌াচার ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলি মন্ত্রক ও রাজ্য‌/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগের ভিত্তিতে নিষ্পত্তি করে। কমিশনের ছ’টি আঞ্চলিক দফতর রয়েছে যেগুলি তার ‘চোখ ও কান’ হিসাবে কাজ করে। রাজ্য‌ বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল স্তরে তফশিলি উপজাতিদের কল্য‌াণে যে নীতি নির্ধারণ করা হয় ছ’টি আঞ্চলিক দফতর তার উপর নজর রাখে ও নীতিনির্দেশ দেয় এবং নিয়মিত ভাবে সদর দফতরকে এ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল করে। কোনও রাজ্য‌ সরকার বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রশাসন তফশিলি উপজাতিভুক্তদের স্বার্থের সঙ্গে জড়িত কোনও রকম নীতি নির্ধারনের সিদ্ধান্ত নিলে সে সম্পর্কে যথোপযুক্ত ব্য‌বস্থা নেওয়ার জন্য‌ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে।

কমিশনের কাজ

৩৩৮ ক অনুচ্ছেদের ধারা ৫ অনুযায়ী

  • ১) সংবিধান, অন্যান্য আইন ও সরকারি নির্দেশ অনুসারে তফশিলি উপজাতিভুক্তদের জন্য যে সব রক্ষাকবচ রয়েছে সে সম্পর্কিত বিষয়গুলির অনুসন্ধান ও নজরদারি করা এবং ওই ধরনের রক্ষাকবচের কাজকর্মের মূল্যায়ন করা।
  • ২) তফশিলি উপজাতিভুক্তদের অধিকার ও রক্ষাকবচ নিয়ে নির্দিষ্ট অভিযোগের তদন্ত করা।
  • ৩) তফশিলি উপজাতিভুক্তদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সংক্রান্ত পরিকল্পনা প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করা, সে ব্যাপারে উপদেশ দেওয়া এবং রাজ্য‌ বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের নেওয়া উন্নয়ন পরিকল্পনা কতটা কার্যকর হল তা মূল্য‌ায়ন করা।
  • ৪) তফশিলি উপজাতিভুক্তদের রক্ষাকবচের কাজকর্ম এবং তাদের কল্য‌াণ ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্য‌ে নেওয়া প্রকল্প ও কার্যক্রমগুলির কার্যকর রূপায়ণে গৃহীত ব্যবস্থাদি নিয়ে রাষ্ট্রপতিকে বাৎসরিক বা পর্যায়ক্রমিক রিপোর্ট দেওয়া।
  • ৫) সংসদে গৃহীত আইনের প্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপতি বিধি অনুযায়ী তফশিলি উপজাতি সংক্রান্ত কোনও কাজ নির্দিষ্ট করে দিলে তা সম্পাদন করা।
  • ৬) তফশিলি উপজাতিভুক্তদের রক্ষা, কল্য‌াণ, উন্নয়ন ও অগ্রগতি সংক্রান্ত নিম্নলিখিত কাজগুলিও করে থাকে কমিশন
    • জঙ্গলে উৎপন্ন সাধারণ দ্রব্য‌গুলির উপর জঙ্গলবাসী আদিবাসী মানুষদের মালিকানা অধিকার সুনিশ্চিত করতে ব্যবস্থা নেওয়া।
    • জল সম্পদ, খনিজ সম্পদের উপর আদিবাসী সম্প্রদায়ের ন্য‌ায্য‌ অধিকার রক্ষা করতে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া।
    • আদিবাসী সম্প্রদায়ের উন্নয়ন এবং তাদের জন্য‌ আরও কার্যকর জীবিকাসংস্থানের ব্য‌বস্থা করা।
    • বিভিন্ন উন্নয়মূলক প্রকল্পের দরুন উচ্ছেদ হওয়া আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষের ত্রাণ ও পুনর্বাসনের বিষয়টি যাতে আরও ভালো ভাবে করা যায় তার ব্যবস্থা নেওয়া।
    • যাতে আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ ভূমি থেকে বিচ্ছিন্ন না হয় তা দেখা এবং ইতিমধ্যেই যারা বিচ্ছিন্ন হয়েছে তাদের উপযুক্ত পুনর্বাসনের ব্য‌বস্থা করা।
    • জঙ্গল রক্ষা ও সামাজিক বনসৃজনের কাজে আদিবাসী সম্প্রদায়কে সঠিক ভাবে যুক্ত করা এবং তাদের পূর্ণ সহযোগিতা সুনিশ্চিত করতে ব্যবস্থা নেওয়া।
    • পঞ্চায়েত (এক্সটেনশন টু দ্য শিডিউলড এরিয়াস) অ্য‌াক্ট ১৯৯৬ যাতে সম্পূর্ণ কার্কর হয় তার ব্য‌বস্থা করা।
    • স্থান পরিবর্তন করে চাষের পদ্ধতি থেকে আদিবাসীদের সরিয়ে আনা এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে তা নির্মূল করা। এই পদ্ধতিতে আদিবাসীরা ধারাবাহিক ভাবে ক্ষমতাহীন হন এবং ভূমি ও পরিবেশের ক্ষতি হয়।

সুত্রঃ পোর্টাল কনটেন্ট টিম

3.03389830508
মন্তব্য যোগ করুন

(ওপরের বিষয়বস্তুটি সম্পর্কে যদি আপনার কোন মন্তব্য / পরামর্শ থাকে, তাহলে দয়া করে আমাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট করুন).

Enter the word
ন্যাভিগেশন
Back to top