হোম / সমাজ কল্যাণ / তফশিলী জাতি কল্যাণ / তফশিলি জাতি উপ-যোজনা (এসসিএসপি)
ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা Review in Process

তফশিলি জাতি উপ-যোজনা (এসসিএসপি)

তফশিলি জাতি উপ-যোজনা (এসসিএসপি)

শিডিউলড কাস্ট ডেভেলপমেন্ট ব্য‌ুরোর অধীনে সামাজিক ন্য‌ায়বিচার ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রক তফশিলি জাতি উপ-যোজনা (এসসিএসপি) কার্যকর করে। তফশিলি জাতির উপকারের জন্য উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্র থেকে যে আর্থিক ও অন্যান্য সুবিধা দেওয়া হয় তার রূপায়ণ সুনিশ্চিত করাই এই উপ-যোজনার লক্ষ্য। এই পরিকল্পনা অনুসারে রাজ্য‌ সরকার ও বিভিন্ন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে তাদের বার্ষিক পরিকল্পনার অঙ্গ হিসাবে অর্থের সংস্থান করে স্পেশাল কমপোনেন্ট প্ল্য‌ান (এসসিপি) প্রণয়ন ও রূপায়ণ করতে হয় । এ পর্যন্ত তফশিলি জাতির ভালোরকম বসবাস রয়েছে এমন ২৭টি রাজ্য‌ ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল তফশিলি জাতি উপ-যোজনা রূপায়ণ করছে।

উপ-যোজনার উদ্দেশ্য

  • ১) এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য দারিদ্র্যসীমার নীচে বসবাসকারী তফশিলি জাতির অর্থনৈতিক উন্নয়নে পরিবারভিত্তিক পরিকল্পনায় জোর দেওয়া, প্রকল্পকে আরও বেশি করে কার্যকর করতে অর্থের সংস্থান করা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান জোগান দেওয়া। যে হেতু তফশিলি জাতির জন্য পরিকল্পনা ও কর্মসূচি স্থানীয় পেশাভিত্তিক ধাঁচ ও লভ্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের উপর নির্ভরশীল, বিশেষ কেন্দ্রীয় সহায়তা (এসসিএ) সদ্ব্যবহার করার ব্য‌াপারে রাজ্য‌ সরকারগুলি ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। তবে একটা শর্তে। স্পেশাল কমপোনেন্ট প্ল্য‌ান এবং অন্য‌ান্য‌ কর্পোরেশন বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সহায়তার সঙ্গে সম্মিলিত ভাবে এই এসসিএ সদ্ব্যবহার করতে হবে।
  • ২) প্রকল্পের সামগ্রিক কাঠামোর মধ্যে থেকে বিশেষ কেন্দ্রীয় সহায়তায় কী কী পরিকল্পনা কার্যকর করা হবে সে ব্য‌াপারে রাজ্য‌ সরকারগুলিকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে।

বিশেষ কেন্দ্রীয় সহায়তা

তফশিলি জাতি উপ-যোজনায় (এসসিএসপি) বিশেষ কেন্দ্রীয় সহায়তা (এসসিএ) কেন্দ্রীয় সরকারের একটি প্রকল্প, যাতে রাজ্য‌ ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলিকে উপ-যোজনার উপরে অতিরিক্ত একশো শতাংশ সহায়তা দেওয়া হয়।

উপ-যোজনায় অর্থ

তফশিলি জাতি উপ-যোজনায় অনুযায়ী ২০০৭-০৮ থেকে ২০১৩-১৪ পর্যন্ত কত অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে তার বিস্তারিত হিসাব পাওয়া যাবে

উপ-যোজনা সংক্রান্ত নির্দেশিকা

সুষ্ঠু রূপায়ণের নির্দেশিকা

প্রকল্প কার্যকর করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট এজেন্সি/দফতরকে দেরিতে তহবিল বরাদ্দ করা, খরচ না হওয়া অর্থ তাদের কাছে দীর্ঘ সময় ধরে ফেলে রাখা, বরাদ্দ অর্থ দীর্ঘ সময় সিভিল ডিপোজিট, ফিক্সড ডিপোজিট, পিএল অ্য‌াকাউন্ট, সেভিংস ব্য‌াঙ্ক অ্য‌াকাউন্টের মতো নানা ডিপোজিটে রেখে দেওয়া, প্রকল্প রূপায়ণে যথাযথ অ্য‌াকশান প্ল্য‌ান না থাকা, আদৌ কার্যকর করা সম্ভব হবে কি না তা বিচার না করে অর্থ বরাদ্দ করা, খরচের ক্ষেত্রে অর্থ নয়ছয় করার ঘটনায় উদ্দিষ্ট গোষ্ঠীর অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রক্রিয়াই পিছিয়ে যায়। যাতে সুষ্ঠু ভাবে পরিকল্পনা বরাদ্দ কাজে লাগানো যায় তার জন্য‌ উপযুক্ত ব্য‌বস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। এর জন্য‌ নিম্নলিখিত বিষয়গুলির উপর জোর দিতে হবে—

  • কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে এসসিএ পাওয়ামাত্র তা যাতে তৎক্ষণাৎ রূপায়ণকারী এজেন্সিকে দেওয়া হয় তার ব্য‌বস্থা করতে হবে।
  • রূপায়ণকারী এজেন্সিকে বরাদ্দ করা এসসিএ তহবিলের আলাদা হিসাব রাখতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট এজেন্সি সেই অর্থ ঠিকঠাক খরচ করছে কিনা তা নিয়মিত নজরদারির মধ্য‌ে রাখতে হবে। এজেন্সিগুলির কাছ থেকে নিয়মিত রিপোর্ট তলব করতে হবে।
  • সময়মতো কর্মরত এজেন্সির কাছ থেকে ইউটালাইজেশন সার্টিফিকেট জোগাড় করতে হবে।
  • এসসিএ অ্য‌াকাউন্টগুলির রাজ্য‌, জেলা ও ব্লকস্তরে বার্ষিক অডিট সুনিশ্চিত করতে হবে।
  • দীর্ঘ সময় ধরে এসসিএ-র টাকা বিভিন্ন ডিপোজিটে ফেলে রাখা বন্ধ করতে হবে। পরিকল্পনা ঠিক করায় বিলম্ব, সেই পরিকল্পনায় কারা উপকৃত হবে তা চিহ্নিত করায় বিলম্ব এবং উপকৃতদের টাকা দিতে দেরির জন্যই বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে টাকা পড়ে থাকে। তহবিল বরাদ্দের হিসাব না নিয়ে অর্থ বরাদ্দ করলে অ্য‌াকাউন্টে খরচ না করা অর্থের পরিমাণ বাড়তেই থাকে এবং বিভিন্ন অ্য‌াকাউন্টে ডিপোজিটের পরিমাণ বাড়ে।
  • আর্থিক বছর শুরু হওয়ার আগেই বিভিন্ন প্রকল্পে কারা উপকার পাবে এবং সঠিক কোন প্রকল্পগুলির মাধ্য‌মে তফশিলি জাতির উন্নয়ন সম্ভব সেগুলি চিহ্নিত করতে হবে। সে ক্ষেত্রে এসসিএ-র টাকা পাওয়ামাত্রই প্রকল্পে অনুমোদন দেওয়া সম্ভব হবে এবং টাকা বরাদ্দ করা যাবে। এর ফলে শেষ মুহূর্তে তহবিল অনুমোদন দেওয়া বন্ধ হবে এবং তহবিলের পুরোটা কাজে লাগানো সম্ভব হবে।
  • ভারত সরকারের সামাজিক ন্য‌ায়বিচার ও ক্ষমতায়ন দফতর রাজ্য‌ ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির তফশিলি জাতি জনসংখ্য‌া ও তাদের পশ্চাৎপদতা বিচার করে আর্থিক বছরের গোড়ায় মোটামুটি হিসাব করে রাজ্য‌ ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলিকে বিশেষ সহায়তা হিসাবে আর্থিক বছরের প্রথম তিন মাসের জন্য‌ প্রথম কিস্তির টাকা দেবে। রাজ্য‌ ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে আগের বছর ও চলতি বছরের প্রথম তিন মাসের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের ইউটালাইজেশন সার্টিফিকেট এবং চলতি বছরের উদ্যোগভিত্তিক তথ্য প্রতি বছর আগস্ট মাসে দিতে হবে। তাতে আর্থিক বছরের দ্বিতীয় অর্ধে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা বরাদ্দের ব্যাপারটি সুনিশ্চিত হবে।
  • ১৫ শতাংশ ও ৫ শতাংশ অর্থ যথাক্রমে তফশিলি জাতিভুক্ত মহিলা ও প্রতিবন্ধীদের আর্থিক উন্নতির জন্য‌ খরচ করার ব্যাপারটি সুনিশ্চিত করতে হবে। কত জন তফশিলি জাতিভুক্ত মানুষের উন্নতি হয়েছে, কত তহবিল খরচ হয়েছে তার রিপোর্ট প্রতি আর্থিক বছরের ছ’মাস অতিক্রম করার পর এক মাসের মধ্য‌ে মন্ত্রকের কাছে দিতে হবে।
  • উপকৃতরা অর্থ বরাদ্দকে কাজে লাগিয়ে সম্পদ সংগ্রহ করতে পেরেছেন কিনা এবং সেই সম্পদ কাজে লাগিয়ে রোজগার করা সম্ভব হচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে।
  • এমন ভাবে স্কিল ডেভলপমেন্ট প্রোগ্রাম করতে হবে যাতে প্রশিক্ষণ নিয়ে স্বনির্ভর হওয়া যায় বা চাকরির সুযোগ পাওয়া যায়।

অর্থ বরাদ্দের নির্দেশিকা

নিম্নলিখিত শর্তগুলি মানলে রাজ্য‌ ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে এসসিএ দেওয়া হবে।

  • ক) রাজ্য‌ের তফশিলি জাতির জনসংখ্য‌ার ভিত্তিতে --- ৪০শতাংশ।
  • খ) রাজ্য‌ ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির তুলনামূলক পশ্চাৎপদতার ভিত্তিতে (এসডিপির ব্য‌স্তানুপাতে) ---১০শতাংশ
  • গ) দারিদ্র্যসীমার উপরে তুলে আনার জন্য যে সুসংহত অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মসূচি রয়েছে তার অধীনে থাকা তফশিলি জাতি পরিবারগুলির শতাংশের ভিত্তিতে --- ২৫ শতাংশ
  • ঘ) তফশিলি জাতির জনসংখ্য‌ার শতাংশের তুলনামূলক হিসাবে বার্ষিক পরিকল্পনায় স্পেশাল কমপোনেন্ট প্ল্য‌ানের ভিত্তিতে --- ২৫ শতাংশ।
  • ১) মোট বাজেট বরাদ্দের ২ শতাংশ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্য‌গুলির তফশিলি জাতি উন্নয়নের ক্ষেত্রে এসসিপি রূপায়ণে ব্য‌য় করা হবে।
  • ২) রাজ্য‌ ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে বরাদ্দকৃত অর্থের ১৫ শতাংশ ব্যয় করা হবে মহিলাদের জীবিকা ও রোজগার নির্ভর প্রকল্পগুলির জন্য‌।
  • ৩) রাজ্য‌ ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে বরাদ্দকৃত অর্থের ৫ শতাংশ ব্যয় করা হবে তফশিলি জাতির প্রতিবন্ধীদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য।
  • ৪) রাজ্য‌ ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে বরাদ্দকৃত অর্থের ৩ শতাংশ ব্যয় করা হবে এসসিএ তহবিলের অর্থে চালু অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রকল্পগুলির তত্ত্বাবধান, নজরদারি ও মুল্যায়নে।
  • ৫) আগের বছর পড়ে থেকে অর্থ ও চলতি বছরের প্রথম কিস্তির ৭৫ শতাংশ অর্থ খরচ সাপেক্ষে এসসিএ-র দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেওয়া হবে।
  • ৬) বিভিন্ন প্রকল্প তত্ত্বাবধান, রূপায়ণ, নজরদারি ও মুল্যায়ন সঠিক ভাবে কার্যকর করার লক্ষ্য‌ে কর্মী নিয়োগ ও রূপায়ণের বিভিন্ন স্তরে পরিকাঠামো তৈরির জন্য‌ খরচ ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩ শতাংশ করা হয়েছে। দারিদ্র্যসীমার নীচে বসবাসকারী মানুষজনের অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্য‌ে নেওয়া কর্মসূচিতে এসসিএ তহবিলের যথাযথ ও সময়োচিত সদ্ব্যবহারে বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। এর জন্য রাজ্য‌ সরকার ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির প্রশাসনকে রাজ্য ও জেলাস্তরে নজরদারি ব্যবস্থা শক্তিশালী ব্য‌বস্থা করতে হবে। যে এজেন্সির মাধ্য‌মে কাজ হচ্ছে তারা তহবিলের সদ্ব্যবহার নিয়ে নিয়মিত মাসিক রিপোর্ট দেবে জেলা পর্যায়ের নজরদারি কমিটিকে। জেলা নজরদারি কমিটিকে আবার প্রতি তিন মাস অন্তর রাজ্য‌ স্তরের নজরদারি কমিটির কাছে রিপোর্ট পাঠাতে হবে। রাজ্য‌ের সংশ্লিষ্ট দফতরের সচিবকে প্রতি তিন মাসের কোয়ার্টার শেষ হওয়ার ১৫ দিনের মধ্য‌ে ত্রৈমাসিক রিপোর্ট এবং আর্থিক বছর শেষ হওয়ার ৩ মাসের মধ্যে বার্ষিক রিপোর্ট পাঠাতে হবে কেন্দ্রীয় সরকারের সামাজিক ন্য‌ায় বিচার ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রকের কাছে। মন্ত্রক রাজ্য‌ সরকারগুলির কাছ থেকে রিপোর্ট পাওয়ার পর উপ-যোজনায় বিশেষ সহায়তা প্রকল্পের খরচ নিয়ে রাজ্য‌ওয়াড়ি রিপোর্ট তৈরি করে যোজনা কমিশনের কাছে পাঠাবে।

স্পেশাল কমপোনেন্ট প্ল্য‌ান

স্পেশাল কমপোনেন্ট প্ল্য‌ান এবং ট্রাইবাল সাব প্ল্য‌ান (টিএসপি)-এর পরিকল্পনা করা হয়েছিল সাতের দশকে যথাক্রমে তফশিলি জাতি ও উপজাতিদের উন্নয়নের লক্ষ্য‌ে। এদের জনসংখ্য‌ার আনুপাতিক হারে কেন্দ্র ও রাজ্য‌ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক খাত থেকে টাকা জোগাড় করে তহবিল গঠন নিশ্চিত করা ও তার সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার দিকে তাকিয়ে। কেন্দ্রীয় সরকার এসসিএ এবং টিএসপি ছাড়াও রাজ্য‌ সরকার ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে বিশেষ সহায়তা (এসসিএ) দিয়ে থাকে। এই সহায়তা সামাজিক ন্য‌ায়বিচার ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রক থেকে একশো শতাংশই অনুদান হিসাবে দেওয়া হয়।

  • পরে এসসিপির নাম পরিবর্তন করে টিএসপির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে তফশিলি জাতি উপ-যোজনা (শিডিউলড কাস্ট সাবপ্ল্য‌ান সংক্ষেপে এসসিএসপি) করা হয়েছে। এসসিএসপির লক্ষ্য‌ হল তফশিলি জাতির সামাজিক, অর্থনৈতিক ও শিক্ষার উন্নতির লক্ষ্য‌ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করা এবং তাদের বাসস্থান ও কাজের পরিবেশের উন্নতি ঘটানো।
  • টিএসপির লক্ষ্য‌ হল তফশিলি উপজাতিদের সুসংহত বিকাশের লক্ষ্য‌ে সমস্ত তহবিল একত্র করে রাজ্য‌ের মধ্য‌ে তাদের বিশেষ এলাকার উন্নয়ন ঘটানো এবং জীবনযাপনের মানোন্নয়ন করা। এর জন্য‌ পরিবারভিত্তিক রোজগার বাড়ানোর ব্য‌বস্থা করা, শোষণ মুক্ত করা, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও পরিকাঠামোর উন্নয়নের ব্য‌বস্থা করা হয়। টিএসপি প্রকল্পের ক্ষেত্রে অর্থ পাওয়া যায় ক) রাজ্য‌, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল, কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট দফতর/মন্ত্রকের নির্ধারিত তহবিল থেকে। খ) টিএসপির জন্য‌ বিশেষ কেন্দ্রীয় সহায়তা থেকে।গ) সংবিধানের ২৭৫(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাজ্য‌ ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে কেন্দ্রীয় অনুদান থেকে। ঘ) কেন্দ্রীয় প্রকল্পের ও কেন্দ্রীয় স্পন্সর্ড প্রকল্পের তহবিল থেকে। ঙ) আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে।
  • যোজনা কমিশন এসসিপি ও টিএসপির জন্য‌ পরিকল্পনা তৈরি, তা কার্যে পরিণত করা, দেখভাল করার জন্য‌ তফশিলি জাতি ও উপজাতিদের জনসংখ্য‌ার আনুপাতিক হারে নির্দিষ্ট ও পরস্পর সম্পৃক্ত তহবিল গঠন করার নির্দেশিকা দিয়েছে। আলাদা বাজেট হেড ও সাব হেড তৈরি করে উপযুক্ত ইউনিটের মাধ্য‌মে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য‌ সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক, দফতরের অনুমোদন লাভ করে অপরিবর্তনযোগ্য‌ তহবিল গঠনের ও তাকে কাজে লাগানোর নির্দেশিকাও যোজনা কমিশন নির্দিষ্ট করে দিয়েছে। কেন্দ্রীয় সামাজিক ন্য‌ায়বিচার ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রক ও তফশিলি উপজাতি সংক্রান্ত মন্ত্রক যথাক্রমে এসসিপি ও টিএসপির সময়ে সময়ে মূল্য‌ায়ন করে উপযুক্ত ব্য‌বস্থা নেয়।

সংশ্লিষ্ট সংযোগ

  • Schedules caste Sub-plan and Tribal Sub-Plan Guidelines
  • Status of special component plan for Scheduled caste and Scheduled tribes
2.88461538462
মন্তব্য যোগ করুন

(ওপরের বিষয়বস্তুটি সম্পর্কে যদি আপনার কোন মন্তব্য / পরামর্শ থাকে, তাহলে দয়া করে আমাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট করুন).

Enter the word
ন্যাভিগেশন
Back to top