হোম / সমাজ কল্যাণ / বানিজ্যিক / পশ্চিমবঙ্গে সরকারি পরিষেবা
ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা Review in Process

পশ্চিমবঙ্গে সরকারি পরিষেবা

পশ্চিমবঙ্গে সরকারি পরিষেবা

রাজ্যবাসীকে প্রদেয় পরিষেবা সংখ্যার নিরিখে পশ্চিমবঙ্গ ভারতের একটি অগ্রণী রাজ্য। আর এই সব পরিষেবার বেশির ভাগই গ্রামের দরিদ্র ও শহরের বস্তিবাসীদের পাওয়ার কথা। এটা তাঁদের অধিকার। কিন্তু অনেক সময়েই দরিদ্র মানুষজন ওই সব পরিষেবার সুযোগ নিতে পারেন না --- অনেক সময়েই সরকারি কর্মীদের দুর্নীতি বা অলসতার কারণে, অথবা রাজ্যবাসীদের আস্থার অভাব বা অজ্ঞতার কারণে।

পরিষেবা পেতে হলে আগে জানতে হবে কী কী পরিষেবা পাওয়ার অধিকারী আপনি। এবং এটা জানার আগে আপনাকে জানতে হবে আপনার এলাকায় সরকারি অফিস কোথায়?

আপনার এলাকায় সরকারি দফতর চিনুন

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য‌ের প্রশাসনিক কাঠামোর মধ্য‌ে কোথায় আপনার গ্রামের অবস্থান সেটা আগে জানা দরকার।

  • পশ্চিমবঙ্গ ৪২টি লোকসভা আসনে বিভক্ত। প্রত্য‌েক লোকসভা আসন থেকে এক জন করে সাংসদ নির্বাচিত হন। তাঁকে কমবেশি ২৩ লক্ষ ভোটার নির্বাচিত করেন। আপনার সাংসদের নাম ও বিস্তারিত জানতে চাইলে here অথবা here ক্লিক করুন। আগে আপনার রাজ্য‌ে ক্লিক করুন, তার পর সংসদীয় ক্ষেত্রের মধ্য‌ে আসুন। সাংসদের নামে ক্লিক করলে তাঁর মোবাইল নম্বর, ঠিকানার মতো গুরুত্বপূর্ণ আরও তথ্য‌ পাবেন।
  • পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য‌ ২৯৪টি বিধানসভা আসনে বিভক্ত। প্রত্য‌েক বিধানসভা কেন্দ্র থেকে এক জন করে বিধায়ক নির্বাচিত হন। প্রায় ৩ লক্ষ ২০ হাজার মানুষ তাঁকে নির্বাচিত করেন। রাজ্য‌ের মানচিত্রের জন্য here ক্লিক করুন, তার পর নীচে ডান দিকে লোকসভা কেন্দ্রের নামে ক্লিক করলে বিধানসভা কেন্দ্রের নাম দেখা যাবে। বিধানসভা কেন্দ্রে ক্লিক করলে সেখানকার বিধায়কের নাম ও যোগাযোগের বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
  • পশ্চিমবঙ্গের স্থানীয় শাসন গ্রাম পঞ্চায়েতে বিভক্ত। গড়পড়তা একটি গ্রাম পঞ্চায়েতে ৫ হাজার মানুষ থাকেন। প্রত্য‌েক গ্রাম পঞ্চায়েতে একজন নির্বাচিত প্রধান আছেন। প্রতিটি পঞ্চায়েত এলাকায় সাধারণত দু’টি করে গ্রাম থাকে।
  • প্রশাসনিক কারণে পশ্চিমবঙ্গকে তিনটি ডিভিশনে ভাগ করা হয়েছে। প্রত্য‌েক ডিভিশনে এক জন করে ডিভিশনাল কমিশনার রয়েছেন। here ক্লিক করলে ডিভিশনের মানচিত্র দেখা যাবে।
  • প্রতিটি ডিভিশন বেশ কয়েকটি জেলা নিয়ে গঠিত। পশ্চিমবঙ্গে কল্কাতা-সহ মোট ২০টি জেলা রয়েছে। here ক্লিক করলে জেলাগুলির সচিত্র মানচিত্র, সদর দফতর এবং জনসংখ্যা পাওয়া যাবে। প্রতিটি জেলার শাসনকার্য পরিচালনা করেন এক জন জেলা শাসক। এখানে ক্লিক করলে জেলাশাসকদের সঙ্গে যোগাযোগের বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
  • প্রতিটি জেলা আবার একাধিক মহকুমায় বিভক্ত। প্রতিটি মহকুমা এক জন মহকুমাশাসক বা এসডিও-র শাসনাধীন।
  • প্রতিটি জেলায় রয়েছে বহু ব্লক প্রশাসন ও নগর এলাকা। এদের নাম জানতে হলে দেখুন- www.districts.nic.in

প্রাপ্ত পরিষেবা

পানীয় জল

দফতর ও অধিকার

প্রতিটি গ্রামে পরিশুদ্ধ পানীয় জল পৌঁছে দেওয়াকে কেন্দ্রীয় সরকার লক্ষ্য‌ হিসাবে ঘোষণা করেছে। পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য‌ে রাজ্য‌ ও কেন্দ্রীয় সরকারি স্তরে বেশ কয়েকটি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এবং কিছু অগ্রগতি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট দফতর

কেন্দ্রীয় সরকার

গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক -পানীয় জল ও পরিচ্ছনতা দফতর। ওয়েবসাইট -- http://ddws.nic.in/

পশ্চিমবঙ্গ সরকার

জনস্বাস্থ্য‌ কারিগরি দফতর। ওয়েবসাইট --http://www.wbphed.gov.in/

স্থানীয় প্রশাসন

শহরের ক্ষেত্রে স্থানীয় পুরসভা/মিউনিসিপ্যালিটি জল সরবরাহের দায়িত্বপ্রাপ্ত অধিকার (সেরা সূত্র : http://www.indianyojana.com/vikas-yojana/bharat-nirman.htm)

  • (ক) ভারত নির্মাণের আওতায় লক্ষ্য‌ :
    • প্রতিটি গ্রামে পরিশুদ্ধ পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া। (here ওয়েবসাইট দেখুন)
    • জন পিছু দৈনিক ৪০ লিটার জলের ব্য‌বস্থা করা। (here ভারত নির্মাণ পুস্তিকার ১১ পৃষ্ঠা দেখুন)
    • প্রতি ২৫০ জন ব্য‌ক্তি পিছু একটি করে হ্য‌ান্ডপাম্পের ব্য‌বস্থা করা। (here ভারত নির্মাণ পুস্তিকার ১১ পৃষ্ঠা দেখুন)
    • কোনও মতেই জলের সূত্র যেন সমতল এলাকায় ১.৬ কিলোমিটারের দূরে বা পাহাড়ি এলাকার ক্ষেত্রে ১০০ মিটারের বেশি উচ্চতায় না হয়। (here ভারত নির্মাণ পুস্তিকার ১১ পৃষ্ঠা দেখুন)
  • (খ) ওয়াটসন (ইউনিসেফ) পানীয় জল, শৌচালয় (here ওয়েবসাইট দেখুন)
  • (গ) জাতীয় জল ও পরিচ্ছনতা মিশন (here ওয়েবসাইট দেখুন)
আবেদন ও সহায়তা

আবেদন করার পদ্ধতি (সাফল্যের সম্ভাবনা ৩০%, সময়সীমা ৩ মাস)

  • ক) আপনার গ্রামে জল সরবরাহ সম্পর্কিত তথ্য‌াদি ঠিক রয়েছে কিনা তা দেখার জন্য‌ here কেন্দ্রীয় সরকারের ওয়েবসাইট দেখে নিন। পাশাপাশি রাজ্য‌ সরকারের জনস্বাস্থ্য‌ কারিগরি দফতরের ওয়েবসাইটও here দেখুন।
  • খ) here কেন্দ্রীয় সরকারের ওয়েবসাইটে দেখে নিন আপনার ব্লকে জল পরীক্ষা করা হয়েছে কিনা। here জনস্বাস্থ্য‌ কারিগরি দফতরের ওয়েবসাইটেও এই তথ্য‌ দেখে নেওয়া যেতে পারে।
  • গ) যদি পরিমাণ ও গুণগত দিক দিয়ে জল নিয়ে অসন্তোষ থাকে তা হলে জল পরীক্ষা বা জলের নতুন সূত্র সন্ধানের জন্য‌ রাজীব গান্ধী ন্য‌াশানাল ড্রিংকিং ওয়াটার মিশনে আবেদন করুন। বিস্তারিত তথ্যের জন্য here যোগাযোগ করুন।
সহায়তা (যদি আবেদনে কোনও ফল না মেলে)
  • ক) যেখানে আবেদন করেছিলেন সেখানে আরও এক বার যান, অভিযোগ জমা দিন; তার পর
  • খ) জনস্বাস্থ্য‌ কারিগরি দফতরে যোগাযোগের জন্য‌ রাজ্য‌ প্রশাসনে ২২৪৮-৬৭৬৯ নম্বরে ফোন করুন; তার পর
  • গ) রাজীব গান্ধী ন্য‌াশানাল ড্রিংকিং ওয়াটার মিশনে তথ্য‌ের অধিকার আইনে জানতে চান। here যোগাযোগ করুন; তার পর
  • ঘ) জাস্টিস ভেঞ্চারস ইন্টারন্য‌াশানাল --দিল্লির জাস্টিস রিসোর্স সেন্টারে যোগাযোগ করুন। ফোন : ৯১-১১-৪০৫০ অথবা ই-মেল delhi@justiceventures.org

খাদ্য

খাদ্য (রেশন কার্ড)
দফতর ও অধিকার
সংশ্লিষ্ট দফতর
কেন্দ্রীয় সরকার
পশ্চিমবঙ্গ সরকার

খাদ্য‌ ও অসামরিক সরবরাহ দফতর (ওয়েবসাইটের জন্য‌ here ক্লিক করুন, তার পর ‘ফুড অ্যান্ড সাপ্লাইজ’-এ ক্লিক করুন)

অধিকার

সেরা সূত্র : সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ-http://www.sccommissioners.org/FoodSchemes/TPDS.html

  • (ক) নিয়মিত অধিবাসী --- যাঁরা দারিদ্রসীমার উপরে তাঁদের জন্য‌ এপিএল রেশন কার্ড। পশ্চিমবঙ্গে স্থায়ী ভাবে বসবাসকারী যে কেউ রেশন কার্ড পেতে পারেন, তাঁর রোজগার যা-ই হোক না কেন।
  • (খ) গরিব অধিবাসী --- দারিদ্রসীমার নীচে আছেন এমন নাগরিকরা বিপিএল রেশন কার্ড পেতে পারেন (here সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ দেখুন।)। তবে তাঁর নাম বিপিএল তালিকায় থাকতে হবে।
  • দুর্দশাগ্রস্ত অধিবাসী --- (যেমন প্রতিবন্ধী বা বিধবা) যাঁদের কোনও সহায়সম্বল নেই তাঁদের অন্ত্যদয় অন্ন যোজনার (এএওয়াই) রেশন কার্ড দেওয়া হয়, তাঁদের নাম বিপিএল তালিকায় থাকুক বা না থাকুক (here সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ দেখুন।)। দর ও মাসিক রেশনের পরিমাণ (here খাদ্য‌ ও গণবণ্টন দফতর দেখুন)

 

গম

চাল

চিনি

মুসুর ডাল

এপিএল (সাদা)

টা ৬.৭৫/কেজি

টা ৯/কেজি

টা ২৭.৫/কেজি

নেই

বিপিএল (হলুদ)

টা ৪.৬৫/কেজি

টা ২/কেজি

টা ১৩.৫/কেজি

টা ৪২/কেজি

এএওয়াই (লাল)

টা ২/কেজি

টা ২/কেজি

টা ১৩.৫/কেজি

টা ৪২/কেজি

আবেদন ও সহায়তা
আবেদন করার পদ্ধতি
  • (ক) এপিএল কার্ডের জন্য পদ্ধতি (সাফল্য‌ ৭০% এবং সময়সীমা একমাস) পদ্ধতি here দেখুন। পশ্চিমবঙ্গের ফর্মের জন্য‌ here দেখুন (here ফর্ম ডাউনলোড করুন অথবা পৃষ্ঠা ৫৩ থেকে কপি করুন)। সার্কেল অফিসে ফর্ম জমা দিন। সঙ্গে ২৫ টাকা, বাসস্থানের প্রমাণ ( ইলেকট্রিক বিলের কপি ইত্য‌াদি) অথবা দু’জন প্রতিবেশীর সাক্ষ্য‌, দু’কপি পাশপোর্ট ফটো, ১টি বিধায়ককে দিয়ে অ্যাটেস্ট করা।
  • (খ) বিপিএল কার্ডের জন্য পদ্ধতি (সাফল্য‌ ১০%, সময়সীমা ৬ মাস) www.districts.nic.in দেখুন। রাজ্য ও জেলা সিলেক্ট করে দেখুন আপনার নাম বিপিএল তালিকায় রয়েছে কিনা। সব জেলার কিন্তু বিপিএল তালিকা লভ্য‌ নয়। আপনার নাম বিপিএল তালিকায় থাকলে খাদ্য‌ ও সরবরাহ দফতরে পরিবারের সদস্যদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিয়ে আপনি বিপিএল রেশন কার্ডের জন্য‌ আবেদন করতে পারবেন। প্রয়োজনীয় অনুসন্ধানের পর কর্তৃপক্ষ আপনাকে রেশন কার্ড ইস্য‌ু করবে। আপনার নাম বিপিএল তালিকায় থাকা উচিত, অথচ নেই, তা হলে পঞ্চায়েতে আবেদন করুন।
  • (গ) অন্ত্যদয় অন্ন যোজনার জন্য‌ আবেদন করার পদ্ধতি (সাফল্য‌ের হার ১০ শতাংশ, সময়সীমা ৬ মাস)
  • বিপিএলের মতোই পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে, শুধু এর সঙ্গে নিজেকে দুর্দশাগ্রস্ত ঘোষণা করে একটি স্বলিখিত ঘোষণাপত্র জমা দিতে হবে।

সহায়তা (যদি আবেদনে কোনও ফল না মেলে)
  • (ক) সরাসরি পঞ্চায়েতে অভিযোগ দায়ের করুন; তার পর
  • (খ) জেলার ওয়েবসাইটে প্রদত্ত বিপিএল তালিকায় আপনার নাম রয়েছে কিনা দেখুন www.districts.nic.in –এ। যদি আপনি রেশন কার্ড না পান কিংবা আপনার নাম বিপিএল তালিকায় থাকা উচিত, কিন্তু নেই, তা হলে ৩০ দিনের মধ্য‌ে আপনার জেলায় আপিল কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করুন। তাদের ৬০ দিনের মধ্য‌ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা। যতদিন না আপনার আপিলের মীমাংসা হচ্ছে তত দিন আপনাকে সাময়িক বিপিএল কার্ড দেওয়ার কথা (here সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ দেখুন)।
  • (গ) পশ্চিমবঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট কমিশনারের উপদেষ্টা অনুরাধা তলোয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। ফোন ০৩৩-২৪৩৮-২০৬৪, ই-মেল-jsanghaati@gmail.com
  • (ঘ) ‘রাইট টু ফুড ক্য‌াম্পেন’-এর সঙ্গে যোগাযোগ করুন (ওয়েবসাইট --http://righttofoodindia.org/)
খাদ্য (শিশু ১-৬ বছর : অঙ্গনওয়ারি)

ভারতে লক্ষ লক্ষ শিশু অপুষ্টিতে ভোগে। সুসংহত শিশু বিকাশ প্রকল্পের (আইসিডিএস) অধীনে অঙ্গনওয়ারি প্রকল্পে ৬ মাস থেকে ৬ বছর পর্যন্ত বয়সি শিশুদের, অর্থাৎ স্কুলে যাওয়ার আগের পর্যায় পর্যন্ত শিশুদের পুষ্টিকর খাবারের ব্য‌বস্থা করা হয়। এ ছাড়া ভিটামিন, প্রাথমিক প্রতিষেধক প্রদান করা হয়। কয়েকটি রাজ্য‌ে এই প্রকল্পে বেশ ভালো কাজ হচ্ছে। শিশুরা স্কুলে ভর্তি হলে মিড ডে মিল প্রকল্পের আওতায় আসবে।

দফতর ও অধিকার
সংশ্লিষ্ট দফতর
কেন্দ্রীয় সরকার

নারী ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রক (ওয়েবসাইটের জন্য‌ ক্লিক করুন http://wcd.nic.in/.)

পশ্চিমবঙ্গ সরকার

নারী ও শিশু উন্নয়ন এবং সমাজ কল্য‌াণ দফতর (ওয়েবসাইটের জন্য‌ here ক্লিক করুন।)

অধিকার

সেরা সূত্র : সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ-http://www.sccommissioners.org/FoodSchemes/ICDS.html

প্রতি ৪০ জন শিশুপিছু একটি অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্র থাকবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের জন্য‌ here ক্লিক করুন। ৬ মাস থেকে ৬ বছরের শিশুরা অঙ্গনওয়ারি প্রকল্পের মাধ্য‌মে যে সব সুবিধা পাবে সেগুলি হল-

  • অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্রে সপ্তাহে ৬ দিন অর্থাৎ বছরে ৩০০ দিন সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত শিশুরা থাকবে।
  • প্রতি দিন ডালিয়া, ছোলা ইত্যাদি পুষ্টিকর খাবার পাবে (৫০০ ক্য‌ালোরি)
  • অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের জন্য‌ ৮০০ ক্য‌ালোরি পুষ্টিকর খাবার বাড়িতে নিয়ে যাওয়া যাবে।
  • শিশুরা শিক্ষামূলক খেলনা-সহ শিক্ষামূলক খেলার সুযোগ পাবে।
  • ভিটামিন পাবে (বিশেষ করে আয়রন ইত্য‌াদি)।
  • প্রাথমিক চিকিৎসার ওষুধ পাবে (কৃমির ওষুধ ইত্য‌াদি)।
  • ওজন/উচ্চতা মাপার ব্য‌বস্থা থাকবে। চার্টে প্রতি বার তা উল্লেখ করা হবে।
  • গ্রেড-৩ পর্যায়ের অপুষ্টিতে ভোগা শিশু ও তাদের মায়েরা নিউট্রিশন রিহ্য‌াবিলিটেশন সেন্টারে ১৪ দিন যাওয়ার সুযোগ পাবেন। এই দিনগুলির জন্য মায়েরা দৈনিক ৬৫ টাকা পাবেন।
  • অন্তঃসত্ত্বা এবং যে সব মায়েদের শুশ্রূষা চলছে তাঁরা ৬০০ ক্য‌ালোরি খাবার প্রতি দিন বাড়িতে নিয়ে যেতে পারবেন।
আবেদন ও সহায়তা

src="abc.jpg/@@images/image/preview" />

 

 

আবেদন করার পদ্ধতি (সাফল্য‌ের সম্ভাবনা ৩০%, সময়সীমা ২ মাস)
  • (ক) গ্রামের ৪০ জন ১ থেকে ৬ বছর বয়সি শিশুদের নাম, ঠিকানা, লিঙ্গ, জন্মতারিখ ও বাবা-মার সম্মতি জোগাড় করতে হবে। ‘প্রয়োজনে অঙ্গনওয়ারি’ সংক্রান্ত আদালতের নির্দেশের জন্য‌ here ক্লিক করুন।
  • খ) তালিকাটি কলকাতার নারী ও শিশু উন্নয়ন দফতরের প্রধান অফিসে জমা দিন। ঠিকানা ও বিস্তারিত বিবরণের জন্য‌ here ক্লিক করুন।
সহায়তা (যদি আবেদনে কোনও ফল না মেলে)
  • ক) রাজ্য‌ নারী ও শিশু কল্য‌াণ দফতরের কলকাতার সদর অফিসে পিআইও-র কাছে তথ্য‌ের অধিকার আইনে আবেদন করতে হবে। (ঠিকানা ও যোগাযোগের জন্য‌ here ক্লিক করুন); এর পর
  • খ) পশ্চিমবঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট কমিশনারের উপদেষ্টা অনুরাধা তলোয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। ফোন ০৩৩-২৪৩৮-২০৬৪, ই-মেল-jsanghaati@gmail.com
  • (গ) ‘রাইট টু ফুড ক্য‌াম্পেন’-এর সঙ্গে যোগাযোগ করুন (ওয়েবসাইট --http://righttofoodindia.org/)

সূত্র : ইএইচএ অ্যাডভোকেসি ম্যানুয়ালস

খাদ্য (মিড ডে মিল প্রকল্প)
দফতর ও অধিকার
সংশ্লিষ্ট দফতর

এই প্রকল্প যৌথভাবে রাজ্য‌ ও কেন্দ্রীয় সরকার চালায়। কেন্দ্রীয় সরকার বাজেট বরাদ্দ করে ও নির্দেশিকা দেয়। রাজ্য‌ সরকার প্রকল্পটি পরিচালনা করে।

কেন্দ্রীয় সরকার
  • স্কুল শিক্ষা ও সাক্ষরতা দফতর
  • সর্ব শিক্ষা অভিযান ওয়েব সাইট জানতে ক্লিক করুন - এখানে
পশ্চিমবঙ্গ সরকার

স্কুল শিক্ষা দফতর (এখানে দেখুন)

অধিকার

সেরা সূত্র : সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ-

  • প্রতিটি সরকারি স্কুলে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্র পিছু প্রতি দিন (বছরে ২০০ দিন) ৪৫০ থেকে ৭০০ ক্য‌ালোরিযুক্ত পুষ্টিকর খাবার।
  • এই প্রকল্পে খাদ্য‌ের অধিকার সম্পর্কে জানার জন্য‌ ক্লিক করুন
  • মোট ১২ কোটি শিশুকে এই প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে (বিশ্বের সর্ব বৃহৎ পুষ্টি কর্মসূচি)।
  • প্রতি দিন দু’জন করে অভিভাবক খাবারের মান পরীক্ষা করে দেখতে পারবেন। প্শিশু পিছু প্রতি দিন এই প্রকল্পে পুষ্টি পাওয়ার অধিকার

নির্দেশ : ক্লিক করুন

বস্তু

প্রাথমিক (১ম থেকে ৫ম)

উচ্চ প্রাথমিক (৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণি)

ক্যালোরি

৪৫০

৭০০

প্রোটিন (গ্রামে)

১২

২০

ভাত/গম (গ্রামে)

১০০

১৫০

ডাল (গ্রামে)

২০

৩০

সবজি (গ্রামে)

৫০

৭৫

তেল ও স্নেহ (গ্রামে)

৭.৫

আবেদন ও সহায়তা
আবেদন করার পদ্ধতি (সাফল্য‌ের সম্ভাবনা ৯০%, সময়সীমা এক মাস)
  • প্রতিটি সরকারি স্কুলে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীরা এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত হবে।
  • যদি তারা সেই সুযোগ না পায় তা হলে বাবা-মায়েরা সরাসরি স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত ভাবে আবেদন করতে পারবেন।
সহায়তা (যদি আবেদনে কোনও ফল না মেলে)

প্রতিদিন দু’জন অভিভাবকের খাবার পরীক্ষা করে দেখার অধিকার রয়েছে। খাবারের গুণ বা পরিমাণ নিয়ে সমস্যা থাকলে --

  • (ক) সরাসরি স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করুন; তার পর
  • (খ) স্কুল শিক্ষা দফতরে তথ্যের অধিকার আইনে জানতে চান; তার পর
  • (গ) পশ্চিমবঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট কমিশনারের উপদেষ্টা অনুরাধা তলোয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। ফোন ০৩৩-২৪৩৮-২০৬৪, ই-মেল-jsanghaati@gmail.com
  • (ঘ) ‘রাইট টু ফুড ক্য‌াম্পেন’-এর সঙ্গে যোগাযোগ করুন (ওয়েবসাইট --http://righttofoodindia.org/)

সূত্র : ইএইচএ অ্যাডভোকেসি ম্যানুয়ালস

রোজগার

রোজগার (এমজিএনরেগা)

বিশ্বের ইতিহাসে মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন সম্ভবত সর্ববৃহৎ সরকারি কর্মসংস্থান প্রকল্প। এর মাধ্য‌মে লক্ষ লক্ষ মানুষ উপকৃত হচ্ছেন। এর প্রকল্পের আওতায় গ্রামের সমস্ত পরিবার, তারা দারিদ্রসীমার নীচে হোক বা না হোক, সরকারি কর্মসূচিতে বছরে ১০০ দিনের জন্য‌ কাজ পাচ্ছেন (যেমন রাস্তা তৈরি, সেচের কাজ ইত্য‌াদি)। প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য‌ রোজগার বাড়ানোর পাশাপাশি স্থায়ী সম্পদ সৃষ্টি এবং গ্রামের মানুষকে যাতে কাজের খোঁজে গ্রামের বাইরে যেতে না হয় তার ব্য‌বস্থা করা।

দফতর ও অধিকার
সংশ্লিষ্ট দফতর
কেন্দ্রীয় সরকার

গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক। (ওয়েবসাইট দেখুন-গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক)

পশ্চিমবঙ্গ সরকার

পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর। (ওয়েবসাইটের জন্য‌ ক্লিক করুন-পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর)

অধিকার

সেরা সূত্র : সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ-এখানে ক্লিক করুন

  • (ক) মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন (এমজিএনরেগা)
    • প্রতিটি গ্রামীণ পরিবারকে বছরে ১০০ দিনের কাজের ব্য‌বস্থা করে দেওয়া (১৮ বছরের উপরের যে কেউ)
    • ১৫ দিনের মধ্য‌ে কাজ পাওয়া।
    • আবেদনকারী যে ব্লকে বসবাস করেন সেখানেই কাজ পাওয়ার অধিকারী। পাঁচ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে কাজ দিলে যাতায়াতের জন্য‌ খরচ দিতে হবে।
    • নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি দিতে হবে, কিন্তু কোনও মতেই তা দৈনিক ১২২ টাকার কম নয়। তাঁর বাড়ির কাছাকাছি ব্য‌াঙ্কে বা পোস্ট অফিসে তাঁর অ্য‌াকাউন্টে এই টাকা জমা পড়বে। যেখানে কাছাকাছি ব্য‌াঙ্ক বা পোস্ট অফিস নেই সেখানেই একমাত্র নগদে টাকা দেওয়া যেতে পারে।
    • কাজের ১৪ দিনের মধ্য‌ে ব্য‌াঙ্ক বা পোস্ট অফিস অ্য‌াকাউন্টে মজুরির টাকা জমা করতে হবে।
    • আবেদন করার ১৫ দিনের মধ্য‌ে কোনও কাজ না পেলে বেকার ভাতা পাওয়ার যোগ্য‌ বলে বিবেচিত হবেন। প্রথম ৩০ দিনের জন্য‌ মজুরির ৩৩ শতাংশ এবং তারপর থেকে ৫০ শতাংশ বেকার ভাতা হিসাবে দেওয়া হবে।
    • কাজের জায়গায় খাবার জল, বাচ্চা রাখার ব্য‌বস্থা, বিশ্রামের জন্য‌ শেড রাখতে হবে।
    • প্রতিবন্ধী ও প্রবীণ নাগরিকদের জন্য‌ উপযুক্ত কাজের ব্য‌বস্থা করে দিতে হবে।
    • এমজিএমএনরেগা প্রকল্পে কাজ করার সময় মৃত্য‌ু হলে বা বরাবরের মতো শারীরিক দিক দিয়ে অক্ষম হয়ে পড়লে ২৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে।
    • এমজিএমএনরেগার জব কার্ড থাকলে বাড়িতে শৌচাগার তৈরি করার জন্য‌ ১০ হাজার টাকা পাবেন। ক্লিক করুন এখানে
    • এমজিএমএনরেগার কর্মীরা নিম্নলিখিত সুবিধা পাবেন --
      • জনশ্রী বিমা যোজনা অনুসারে সারা জীবনের জন্য‌ ও চিরস্থায়ী অক্ষমতার জন্য‌ বিমার সুবিধা পাবেন।
      • যাঁরা আগের আর্থিক বছরে অন্তত ১৫ দিন কাজ করেছেন তাঁদের জন্য‌ রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্য‌ বিমার সুযোগ।
  • (খ) সম্পূর্ণ গ্রামীণ রোজগার যোজনা (এসজিআরওয়াই) (ওয়েবসাইটের জন্য‌ এখানে ক্লিক করুন।)
    • গ্রাম পঞ্চায়েতের মাধ্য‌মে, বিশেষ করে বিশেষ করে তফসিলি জাতি ও উপজাতি এলাকায় রাস্তাঘাটের উন্নয়ন।
    • স্থানীয় গরিব মানুষ নিজেরাই কাজ করবেন। কোনও ঠিকাদার নিয়োগ করা হবে না।
    • কর্মীরা ৫ কেজি করে খাদ্য‌শস্য ও মজুরির অন্তত পক্ষে ২৫ শতাংশ নগদে পাবেন।
আবেদন ও সহায়তা
আবেদন করার পদ্ধতি
  • (ক) এমজিএমএনরেগা (সাফল্য‌ের সম্ভাবনা ৫০%, সময়সীমা ৬ মাস)
    • জব কার্ডের জন্য‌ স্থানীয় পঞ্চায়েতে আবেদন করুন(ফর্মের জন্য here দেখুন)।
    • কাজের জন্য‌ পঞ্চায়েতে দরখাস্ত করুন। অথবা here অন লাইনে দরখাস্ত করুন। ১৫ দিনের মধ্যে কাজ পান।
  • (খ) এসজিআরওয়াই
    • গ্রাম সভার অনুমোদন নিয়ে গ্রাম পঞ্চায়েত একটি নির্দিষ্ট পূর্ত-কাজের জন্য‌ আবেদন করতে পারে।
    • ব্য‌ক্তিবিশেষও গ্রাম পঞ্চায়েতে কাজের জন্য‌ আবেদন করতে পারেন।
সহায়তা
  • (ক) এমজিএমএনরেগায় অভিযোগ নিষ্পত্তির যে ব্যবস্থা আছে সেখানে সরাসরি অভিযোগ করুন। এর জন্য‌ here দেখুন; তার পর
  • (খ) পশ্চিমবঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট কমিশনারের উপদেষ্টা অনুরাধা তলোয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। ফোন ০৩৩-২৪৩৮-২০৬৪, ই-মেল-jsanghaati@gmail.com
  • (গ) ‘রাইট টু ফুড ক্য‌াম্পেন’-এর সঙ্গে যোগাযোগ করুন (ওয়েবসাইট --http://righttofoodindia.org/)

সূত্র : ইএইচএ অ্যাডভোকেসি ম্যানুয়ালস

রোজগার (পেনশন ও সামাজিক নিরাপত্তা)
দফতর ও অধিকার
সংশ্লিষ্ট দফতর
কেন্দ্রীয় সরকার

কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক। ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন-http://rural.nic.in/.

পশ্চিমবঙ্গ সরকার

নারী ও শিশু উন্নয়ন এবং সমাজ কল্য‌াণ দফতর। ওয়েবসাইটের জন্য‌ ক্লিক করুন here

অর্থ দফতরের ডিরেক্টরেট অফ পেনশন। ওয়েবসাইটের জন্য‌ ক্লিক করুন here

অধিকার

সেরা সূত্র : জাতীয় সামাজিক সহায়তা কর্মসূচি (এনএএসপি)-http://nsap.nic.in/guidelines.html

  • ইন্দিরা গান্ধী জাতীয় বিধবা পেনশন প্রকল্প*-- ৪০ থেকে ৫৯ বছর বয়সি সকল বিধবা, যাঁরা দারিদ্রসীমার নীচে বাস করেন, তাঁরা মাসে ২০০ টাকা করে এই প্রকল্পের মাধ্য‌মে পেনশন পাবেন (এর সঙ্গে রাজ্য‌ের প্রদেয় অর্থ যুক্ত করে পেনশনের পরিমাণ বাড়তে পারে)। কেন্দ্রীয় সরকারের ওয়েবসাইট here দেখুন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সংশ্লিষ্ট সাইটটি here দেখুন।
  • ইন্দিরা গান্ধী জাতীয় বয়স্ক পেনশন প্রকল্প -- দারিদ্রসীমার নীচে বসবাসকারী সমস্ত নাগরিক যাঁদের ৬০ বছর বয়স হয়ে গিয়েছে তাঁরা এই প্রকল্পে ৭৯ বছর বয়স পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে মাসে ২০০টাকা করে পেনশন পাবেন। ৮০ বা তার বেশি বয়স হলে পাবেন মাসে ৫০০ টাকা করে। কেন্দ্রীয় সরকারের ওয়েবসাইট here দেখুন, সুপ্রিম কোর্টের রায় here দেখুন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সমাজ কল্যাণ সাইটটি here দেখুন।
  • জাতীয় পরিবার সাহায্য প্রকল্প বা ন্য‌াশনাল ফ্য‌ামিলি বেনিফিট স্কিম -- দারিদ্রসীমার নীচে বসবাসকারী যে সব পরিবারের মুখ্য‌ রোজগারকারী মারা গিয়েছেন, সেই পরিবারগুলি তাঁর মারা যাওয়ার চার সপ্তাহের মধ্য‌ে এই সাহায্য পাবে। দুর্ঘটনা বা মহামারিতে মৃত্য‌ু হলে ১০ হাজার টাকা ও স্বাভাবিক কারণে মৃত্য‌ু হলে ৫ হাজার টাকা সাহায্য‌ পাবে। সুপ্রিম কোর্টের আদেশ here দেখুন।
  • প্রতিবন্ধকতা পেনশন -- দারিদ্রসীমার নীচে ১৮ থেকে ৫৯ বছর বয়সি প্রতিবন্ধীদের জন্য‌ মাসে ৩০০ টাকা করে কেন্দ্রীয় সরকার পেনশনের ব্য‌বস্থা করেছে। কেন্দ্রীয় সরকারের ওয়েবসাইট here দেখুন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সমাজ কল্য‌াণ দফতরের ওয়েবসাইট here দেখুন।

টিকা - চিহ্নিত পেনশনে প্রকল্পের জন্য‌ কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি বছর নির্দিষ্ট বাজেট বরাদ্দ রয়েছে। ফলে আবেদন করলেই সেই বছরই পেনশন পাবেন এমনটা নয়।

আবেদন ও সহায়তা
আবেদন করার পদ্ধতি --
  • সমস্ত পেনশনের জন্য‌ই আবেদনকারীর অন্য‌ কোনও রকম পেনশন পেলে চলবে না।
  • পঞ্চায়েতকে তথ্য‌ দিয়ে জানাবে যে তিনি অন্য‌ কোনও রকম পেনশন পান না।
  • পঞ্চায়েত এ ব্য‌াপারে অনুসন্ধান করবে এবং সমাজ কল্য‌াণ দফতরে কাগজপত্র পাঠিয়ে দেবে।
  • সমাজ কল্য‌াণ দফতর অনুমোদন দেবে আশা করা যায়।
  • পেনশন পোস্ট অফিস বা ব্য‌াঙ্ক অ্য‌াকাউন্টে জমা পড়বে।
প্রতিটি প্রকল্পের জন্য‌ প্রদেয় নথি --
  • (ক) বিধবা পেনশন (সাফল্য‌ের সম্ভাবনা ৬০%, সময়সীমা তিন মাস)
    • ফর্ম ডাউনলোড করুন here
    • পাঁচ বছরের বসবাসের শংসাপত্র (যেমন, রেশন কার্ড, ভোটার পরিচয়পত্র বা কার্ডের ফোটোকপির উপর প্রতিবেশী, বিধায়ক, স্থানীয় দোকানদারের সাক্ষ্য‌ থাকবে।)
    • ব্য‌াঙ্ক অ্য‌াকাউন্ট নম্বর (৯ সংখ্য‌ার এমআইসিআর এবং ৭ সংখ্য‌ার আইএফসিএস)
    • একটি ফোটো
    • স্বামীর ডেথ সার্টিফকিটে
    • নাম, ঠিকানা, বিপিএল, সমস্ত পরিবারের সদস্য‌দের নাম, অন্য‌ কোনও রকম পেনশন পান না তার ঘোষণা, স্বামীর মৃত্য‌ুর পর আর বিবাহ করেননি সেই সম্পর্কিত তথ্য‌, পরবর্তীকালে বিবাহ করলে সরকারকে জানানোর অঙ্গীকার জানিয়ে একটি হলফনামা পেশ করতে হবে।
  • (খ) বৃদ্ধ বয়সের পেনশন (সাফল্য‌ের সম্ভাবনা ৬০%, সময়সীমা তিন মাস)
    • ফর্ম ডাউনলোড করুন here
    • পাঁচ বছর বসবাসের প্রমাণ (রেশন কার্ড, ভোটার পরিচয়পত্র বা ২ জন প্রতিবেশীর সাক্ষ্য)
    • ব্য‌াঙ্ক অ্য‌াকাউন্ট নম্বর (৯ সংখ্য‌ার এমআইসিআর এবং ৭ সংখ্য‌ার আইএফসিএস)
    • একটি ফটো
    • নাম, ঠিকানা, বয়স, বিপিএল এবং অন্য‌ কোনও পেনশন পান না সেই সংক্রান্ত তথ্য‌ দিয়ে হলফনামা পেশ।
  • (গ) মুখ্য‌ রোজগারকারীর মৃত্য‌ুজনিত পেনশন (এনএফবিএস) (সাফল্য‌ের সম্ভাবনা ৬০ %, সময়সীমা ৩ মাস)
    • ফর্ম ডাউনলোড করুন here
    • মৃত্য‌ুর সময় ১৮ থেকে ৬৪ বছরের মধ্য‌বর্তী বয়সি মানুষ পরিবারে জীবিত।।
    • পাঁচ বছরের বসবাসের শংসাপত্র (যেমন, রেশন কার্ড, ভোটার পরিচয়পত্র বা কার্ডের ফোটোকপির উপর প্রতিবেশী, বিধায়ক, স্থানীয় দোকানদারের সাক্ষ্য‌ থাকবে।)
    • ব্য‌াঙ্ক অ্য‌াকাউন্ট নম্বর (৯ সংখ্য‌ার এমআইসিআর এবং ৭ সংখ্য‌ার আইএফসিএস)
    • একটি ফটো
    • মুখ্য‌ রোজগারকারীর ডেথ সার্টিফিকেট।
    • নাম, ঠিকানা, বয়স, বিপিএল এবং অন্য‌ কোনও পেনশন পান না সেই সংক্রান্ত তথ্য‌ দিয়ে হলফনামা পেশ।
  • (ঘ) প্রতিবন্ধকতাজনিত পেনশন (সাফল্য‌ের সম্ভাবনা ৩০%, সময়সীমা ৫ মাস)
    • ফর্ম ডাউনলোড করুন here
    • পাঁচ বছর বসবাসের প্রমাণ (রেশন কার্ড, ভোটার পরিচয়পত্র বা ২ জন প্রতিবেশীর সাক্ষ্য)
    • ব্য‌াঙ্ক অ্য‌াকাউন্ট নম্বর (৯ সংখ্য‌ার এমআইসিআর এবং ৭ সংখ্য‌ার আইএফসিএস)
    • একটি ফটো
    • ৪০ শতাংশের বেশি প্রতিবন্ধকতার সার্টিফিকেট এবং
    • নাম, ঠিকানা, এবং অন্য‌ কোনও পেনশন পান না সেই সংক্রান্ত তথ্য‌ দিয়ে হলফনামা পেশ।
সহায়তা (যদি আবেদনে কোনও ফল না মেলে)
  • (ক) পঞ্চায়েতে খোঁজ নিন; তার পর
  • (খ) সমাজকল্য‌াণ দফতরে তথ্যের অধিকার আইনে (আরটিআই) জানতে চান। যোগাযোগের জন্য‌ দেখুন-http://wbsc.gov.in
  • (গ) পশ্চিমবঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট কমিশনারের উপদেষ্টা অনুরাধা তলোয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। ফোন ০৩৩-২৪৩৮-২০৬৪, ই-মেল-jsanghaati@gmail.com

সূত্র : ইএইচএ অ্যাডভোকেসি ম্যানুয়ালস

রোজগার (শিশুকন্যা)

নারী-পুরুষ অনুপাতে ভারত গোটা বিশ্বের মধ্য‌ে বেশ পিছিয়ে। প্রতি বছর হাজার হাজার কন্য‌াভ্রূণ হত্য‌া করা হয়। ভারতীয় পরিবারগুলি জাতে কন্যাসন্তানকে মূল্য দেয়, তাদের শিক্ষার ব্যবস্থা করে তার জন্য বিভিন্ন রাজ্য‌ সরকারের প্রকল্প রয়েছে। কন্যাসন্তান যাতে ধাপে ধাপে উচ্চ স্তরের শিক্ষা অর্জন করে তার জন্য এই সব প্রকল্প অনুযায়ী টাকা জমা রাখা হয়।

সংশ্লিষ্ট দফতর
কেন্দ্রীয় সরকারি দফতর
  • নারী ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রক (ওয়েবাসাইটের জন্য‌ ক্লিক করুন--http://wcd.nic.in। আইসিডিএস-এ চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট–এ ক্লিক করুন।
পশ্চিমবঙ্গ সরকার
  • নারী ও শিশু কল্য‌াণ দফতর। ওয়েবসাইটের জন্য‌ ক্লিক করুন --http://wbsc.gov.in/
অধিকার

বালিকা সমৃদ্ধি যোজনা অনুসারে দারিদ্রসীমাভুক্ত যে সব কন্য‌া সন্তানের ১৫।৮।১৯৯৭ তারিখে বা তার পরে জন্ম হয়েছে তারা জন্মের সময় ৫০০ টাকা পায়। এখনও পর্যন্ত ১ লক্ষ ৩৪ হাজার ৯২৯ জন এই সুবিধা পেয়েছে। এর জন্য মা-মেয়েকে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্য‌াঙ্কে বা পোস্ট অফিসে জয়েন্ট অ্য‌াকাউন্ট খুলতে হয়। ওই কন্য‌াসন্তানের বয়স ১৮ বছর হলে ওই জমা টাকা সুদ-সহ পাওয়া যায়। সমাজ কল্য‌াণ দফতর এখন বালিকা সমৃদ্ধি যোজনার আওতাভুক্ত কন্য‌াসন্তানদের পড়াশোনার জন্য আর্থিক সাহায্য‌ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।

আবেদন করার পদ্ধতি
  • নারী ও শিশু উন্নয়ন দফতরের স্থানীয় অফিসে আবেদন করুন।
সহায়তা (যদি আবেদনে কোনও ফল না মেলে)

নারী ও শিশু উন্নয়ন দফতরে তথ্যের অধিকার আইনে (আরটিআই) জানতে চান। (ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন http://wbsc.gov.in/)

সূত্র : ইএইচএ অ্যাডভোকেসি ম্যানুয়ালস

রোজগার (জনশিক্ষা সংস্থানের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ)
দফতর ও অধিকার
সংশ্লিষ্ট দফতর
কেন্দ্রীয় সরকার
  • জন শিক্ষা সংস্থান (http://www.nlm.nic.in/jss.htm) জাতীয় সাক্ষরতা মিশন কর্তৃপক্ষ, মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের স্কুল শিক্ষা ও সাক্ষরতা দফতর।
  • জাতীয় বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ তথ্য‌ পরিষেবা-(http://dget.nic.in/schemes) এবং
  • মডিউলার এমপ্লয়বেল স্কিলস–এর ভিত্তিতে দক্ষতা উন্নয়ন উদ্য‌োগ প্রকল্প (http://dget.nic.in/mes), ডাইরেক্টরেট জেনারেল অফ এমপ্লয়মেন্ট অ্য‌ান্ড ট্রেনিং (ডিজিইটি),শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রক।
অধিকার
সেরা সূত্র : জন শিক্ষণ সংস্থান-http://www.nlm.nic.in/jss.htm
  • (ক) জেএসএস
    • খুব কম খরচে গুণগত বৃত্তিমূলক দক্ষতা ও কারিগরি জ্ঞান দেওয়ার ব্যবস্থা করে জেএসএস। এর জন্য‌ কোনও শিক্ষাগত যোগ্য‌তার প্রয়োজন নেই।
    • এই প্রকল্প বস্তিবাসী এবং প্রত্য‌ন্ত গ্রামীণ এলাকার বাসিন্দাদের জন্য‌ বানানো হয়েছে।
    • মোমবাতি তৈরি, সেলাই থেকে শুরু করে কম্পিউটার --- জন শিক্ষণ সংস্থান নানা ধরনের পাঠক্রমের ব্য‌বস্থা করেছে (মোটামুটি ৩৭১ ধরনের)।
    • পশ্চিমবঙ্গে আটটি জেএসএস রয়েছে। এগুলি হল বাঁকুড়া, হাওড়া, জলপাইগুড়ি, নরেন্দ্রপুর, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, পূর্ব মেদিনীপুর। এদের ঠিকানা ও অবস্থানের জন্য‌ ক্লিক করুন --- http://jss. nic.in/initJssUnitPortal.do
  • (খ) জাতীয় বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ
    • হস্তশিল্প প্রশিক্ষণ প্রকল্প -- অত্য‌ন্ত কম খরচে সরকারি আইটিআইগুলিতে এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ১২৭ রকম বৃত্তির জন্য‌ এ ধরনের প্রশিক্ষণের ব্য‌বস্থা রয়েছে। মেয়াদ ৬ থেকে ১২ মাস। এই পাঠক্রমে ভর্তির জন্য‌ অষ্টম মান বা তার বেশি শিক্ষাগত যোগ্য‌তার প্রয়োজন। http://dget.nic.in/schemes/cts/TradeList.htm
    • মহিলাদের জন্য‌ বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ -- পোশাক তৈরি, কম্পিউটার চালানো, চুল ও ত্বকের যত্ন প্রভৃতি বিষয়ে মহিলাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ন্যূনতম বয়স ১৪ বছর। সময়সীমা এক সপ্তাহ থেকে এক বছর।
  • (গ) মডিউলার এমপ্লয়বেল স্কিলস --- মডিউলার এমপ্লয়বেল স্কিলস–এর ভিত্তিতে স্বল্পকালীন প্রশিক্ষণের ব্য‌বস্থা করা, কার্যকর জীবিকার প্রয়োজনে যে দক্ষতার দরকার হয় (সর্বনিম্ন বয়স-১৪ বছর, শিক্ষাগত যোগ্য‌তা - ন্যূনতম পঞ্চম মান, ১৪০৬ ধরনের বৃত্তি তালিকভুক্ত)।
  • http://dget.nic.in/mes/Downloads/SDIManual1Oct.pdf

    http://dget.nic.in/mes/annex4.pdf

আবেদন ও সহায়তা

 

 

আবেদন করার পদ্ধতি (সাফল্য‌ের সম্ভাবনা ৫০%, সময়সীমা ৬ মাস)
  • (ক) জন শিক্ষণ সংস্থান
    • ৬ মাসের পাঠক্রমের জন্য‌ এপ্রিল ও অক্টোবর মাসে ভর্তি নেওয়া শুরু হয়।
    • সরাসরি ভর্তির জন্য‌ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। (ক্লিক করুন here , তার পর আপনার অঞ্চলে ক্লিক করুন।)
    • ভর্তির জন্য‌ যে সব নথি লাগে -- রেশন কার্ড, দু’টি পরিচয়পত্র, ৪-৫টি পাশপোর্ট মাপের ফটোগ্রাফ।
    • ফি ১০০ টাকা।
  • (খ) জাতীয় বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ
    • সরকার ভর্তির জন্য‌ বিজ্ঞপ্তি জারি করে। এর জন্য‌ ফি-র পরিমাণ ৫০ থেকে ১৫০ টাকা। দেখুন-http://dget.nic.in/admission/NVTI-Short-Term-Adm.pdf
    • আইটিআইয়ের তালিক ও তথ্যের জন্য‌ ক্লিক করুন here
  • (গ) মডিউলার এমপ্লয়বেল স্কিলস
    • রাজ্য‌ সরকারগুলি ভর্তির ব্য‌াপারে যাবতীয় তথ্য‌ দিয়ে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি জারি করে। তাতে প্রশিক্ষণের ব্য‌বস্থা সহ বিস্তারিত তথ্য‌ থাকে।
    • সাফল্য‌ের সঙ্গে প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করলে প্রশিক্ষণের ফি (৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা) ফেরত দেওয়া হয়। যারা অসুবিধায় রয়েছে তাদের জন্য ফি-এ ২৫ শতাংশ ছাড়।
    • ওয়েস্টবেঙ্গল স্টেট কাউন্সিল অফ ভোকেশনাল এডুকেশন অ্য‌ান্ড ট্রেনিং-এর জন্য ক্লিক করুন here
সহায়তা (যদি আবেদনে কোনও ফল না মেলে)
  • সংশ্লিষ্ট জেএসএস-এ তথ্যের অধিকার আইনে (আরটিআই) জানতে চান। বিস্তারিত তথ্য‌ের জন্য ক্লিক করুন here

সূত্র : ইএইচএ অ্যাডভোকেসি ম্যানুয়ালস

রোজগার (স্বনির্ভর গোষ্ঠী)

জেলা গ্রামীণ উন্নয়ন এজেন্সি মানুষজনের মধ্যে সঞ্চয়ী গোষ্ঠী তৈরি করে তহবিলের ব্য‌বস্থা করে দেয় যাতে তারা ছোট ব্য‌বসা শুরু করতে পারে।

সংশ্লিষ্ট দফতর
কেন্দ্রীয় সরকার

কেন্দ্রীয় সরকারের গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক (ওয়েবসাইটের জন্য‌ ক্লিক করুন here)

রাজ্য‌ সরকার

পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর (ওয়েবসাইটের জন্য‌ ক্লিক করুন here)

অধিকার

সেরা সূত্র : http://www.indianyojana.com/rojgar-yojana/swarnajayanti-gram-swarozgar-yojana.htm

স্বর্ণজয়ন্তী গ্রাম স্ব-রোজগার যোজনা (এসজিএসওয়াই)

ওয়েবসাইটের জন্য‌ ক্লিক করুন here আর here

  • দারিদ্রসীমার নীচে অবস্থিত পরিবারগুলিকে ১০-২০ জন সদস্য নিয়ে স্ব-নির্ভর গোষ্ঠী তৈরি করতে বলা হয়।
  • কিছুদিন সঞ্চয় করার পর গোষ্ঠীটি ব্য‌াঙ্ক বা সরকারের ঋণ পাওয়ার উপযুক্ত হয়।
  • তার পর গোষ্ঠীটি ব্য‌বসা শুরু করে।
আবেদন করার পদ্ধতি (সাফল্য‌ের সম্ভাবনা ৫০%, সময়সীমা ৬ মাস)
  • জেলা গ্রামোন্নয়ন এজেন্সির মাধ্য‌মে আবেদন করতে হয়।
সহায়তা
  • জেলা গ্রামোন্নয়ন এজেন্সির কাছে তথ্যের অধিকার আইনে (আরটিআই) জানতে চান।
সাফল্য‌ের খবর

মধ্যপ্রদেশের ছত্তরপুর জেলার খাইরো গ্রামে একটি স্বনির্ভর গোষ্ঠী খোলা হয়েছিল। স্বর্ণ জয়ন্তী রোজগার প্রকল্পে গোষ্ঠীটি ব্য‌াঙ্ক থেকে এক লক্ষ টাকা ঋণ পায়। সেই টাকা দিয়ে তারা ৪৮টি মেয়ে ও ২টি ছেলে ছাগল কেনে। এখন তাদের মোট ১০৩টি ছাগল রয়েছে। প্রতিটি ছাগল তারা ২ হাজার টাকা করে বিক্রি করতে পারে। গোষ্ঠীভুক্ত মহিলারা এখন খুবই খুশি।

সূত্র : ইএইচএ অ্যাডভোকেসি ম্যানুয়ালস

রোজগার (ড্রাইভার্স লাইসেন্স)

লেখাপড়া বিশেষ জানা নেই এমন ব্য‌ক্তির জন্য‌ গাড়ি চালানো রোজগারের ভালো রাস্তা হতে পারে। তাঁর শুধু একটি ড্রাইভিং লাইসেন্সের প্রয়োজন। লাইসেন্স ইস্য‌ু করে পরিবহন বিভাগ। কিন্তু এই বিভাগ নাকি খুবই দুর্নীতিগ্রস্ত। যাঁরা ড্রাইভিং লাইসেন্স নিতে যান তাঁদের বেশির ভাগ অংশের কাছ থেকেই এখানে ঘুষ নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট দফতর

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের রাজ্য‌ পরিবহন দফতর ( ক্লিক করুন here)

অধিকার

সেরা সূত্র : http://www.advocatekhoj.com/library/legalforms/howdoi/index.php?Pno=drivinglicence.php

  • ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে যে কোনও ব্য‌ক্তি যিনি গাড়ি চালানো শিখেছেন তিনিই লাইসেন্সের জন্য‌ আবেদন করতে পারবেন।
  • ১৬ বছরে দু’চাকার যান এবং ৫০ সিসি গিয়ার ছাড়া গাড়ির জন্য‌ লাইসেন্স পেতে পারেন।
  • বাণিজ্য‌িক গাড়ির লাইসেন্স পেতে গেলে ২০ বছর বয়স হওয়া প্রয়োজন।
আবেদন করার পদ্ধতি

পদ্ধতি দেখুন here এবং here। শিক্ষানবিশি লাইসেন্সের জন্য‌ নির্দিষ্ট ফর্ম্য‌াটে স্থানীয় পরিবহন অফিসে দরখাস্ত করতে হবে। তার সঙ্গে পাসপোর্ট সাইজের ফোটো, বয়স ও বাসস্থানের প্রমাণপত্র, শারীরিকভাবে সক্ষম থাকা সংক্রান্ত চিকিৎসকের শংসাপত্র এবং প্রয়োজনীয় ফি জমা দিতে হবে। নথি খতিয়ে দেখার পর আপনাকে শিক্ষানবিশি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে বলা হবে। শিক্ষানবিশি পরীক্ষায় সফল হলে শিক্ষানবিশি লাইসেন্স বা ‘এল’ লাইসেন্স দেওয়া হবে। অকৃতকার্য হলে ফের পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবেন। স্থায়ী লাইসেন্সের জন্য‌ আবেদন করতে হলে আপনার বৈধ শিক্ষানবিশি লাইসেন্স থাকা আবশ্য‌ক। শিক্ষানবিশি লাইসেন্স পাওয়ার ৩০ থেকে ১৮০ দিনের মধ্য‌ে স্থায়ী লাইসেন্স পাওয়ার জন্য‌ আবেদন করতে হবে। আপনাকে গাড়ি চালনা, মোটরগাড়ির পদ্ধতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল হতে হবে, ট্রাফিক নিয়ম ও বিধি জানতে হবে। আপনাকে এর জন্য‌ পরীক্ষা দিতে হবে। পরীক্ষার জন্য‌ সঙ্গে গাড়ি আনতে হবে। পরীক্ষায় কৃতকার্য হলে আপনাকে স্থায়ী লাইসেন্স দেওয়া হবে।

এই নথিগুলি আঞ্চলিক পরিবহন দফতরে (আরটিও) জমা দিন।

  • ফর্ম ৪-এ লাইসেন্সের দরখাস্ত here
  • ফর্ম-১-এ শারীরিক ভাবে সক্ষম থাকার ঘোষণাপত্র here
  • মেডিক্য‌াল সার্টিফিকেট ফর্ম-১এ তে here
  • বাসস্থানের প্রমাণপত্র।
  • ৬টি ফোটো।
  • মোটর ড্রাইভিং স্কুলের ইস্য‌ু করা ড্রাইভিং সার্টিফিকেট।
সহায়তা

পরিবহন দফতরের পিআইও-এর কাছে তথ্যের অধিকার আইনে (আরটিআই) জানতে চান here

সূত্র : ইএইচএ অ্যাডভোকেসি ম্যানুয়ালস

স্বাস্থ্য

স্বাস্থ্য (সরকারি হাসপাতাল)

সরকারি হাসপাতালে প্রত্য‌েকের জন্য‌ নিখরচায় পরামর্শ, চিকিৎসা, চিকিৎসা সংক্রান্ত পরীক্ষা ও ওষুধের ব্যবস্থা থাকার কথা। কিন্তু দুঃখের বিষয় সার্বিক ভাবে সরকারি হাসপাতালের আর্থিক সঙ্গতি অতি অল্প, যে কারণে সরকারি হাসপাতালের সংখ্য‌াও অত্য‌ন্ত অল্প। সেখানে ওষুধ, চিকিৎসকেরও অভাব। আর এই সরকারি হাসপাতালে সব সময় ভিড় লেগেই থাকে। এমতাবস্থায় মধ্য‌বিত্ত মানুষ বেসরকারি হাসপাতালে যেতে বাধ্য‌ হন। সম্প্রতি সরকার রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্য‌বিমা যোজনা (আরএসবিওয়াই) প্রকল্পের মাধ্য‌মে দারিদ্ সীমার নীচে বসবাসকারী মানুষদের বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা পাওয়ার ব্য‌বস্থা করেছে।

দফতর ও অধিকার
সংশ্লিষ্ট দফতর
কেন্দ্রীয় সরকার
  • স্বাস্থ্য‌ ও পরিবার কল্য‌াণ মন্ত্রক (ওয়েবসাইটের জন্য‌ ক্লিক করুন-http://mohfw.nic.in/).
  • রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্য‌বিমা যোজনা (আরএসবিওয়াই) বা গরিবদের জন্য‌ স্বাস্থ্য‌বিমা প্রকল্প (ওয়েবসাইট পাবেন here এবং বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর পাবেন here)
পশ্চিমবঙ্গ সরকার
  • চিকিৎসা, স্বাস্থ্য‌ ও পরিবার কল্য‌াণ দফতর (ওয়েবসাইটের জন্য‌ ক্লিক করুন --http://www.wbhealth.gov.in/).
  • ডবলুবি আরএসবিওয়াই (ওয়েবসাইটের জন্য‌ ক্লিক করুন here )
অধিকার
সেরা সূত্র : Govt of India http://www.jsk.gov.in/district_health.asp

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ্য‌ ও পরিবার কল্য‌াণ দফতরের লক্ষ্য‌ হল পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত অধিবাসীদের স্বাস্থ্য‌ের উন্নতি ঘটানো বিশেষ করে যাঁরা খুবই গরিব এবং যাঁদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তাঁদের। - (দফতরের ওয়েবসাইট থেকে)

  • (ক) সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সমস্ত রাজ্যবাসীর জন্য উচ্চ মানের সাধ্যায়ত্ত চিকিৎসার সুবিধা
    • সরকারি হাসপাতালের তালিকার জন্য‌ ক্লিক করুন here এবং here । সমস্ত জেলা হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য‌ কেন্দ্রের তালিকার জন্য‌ ক্লিক করুন here
    • জেলা হাসপাতাল : ১৬টি জেলা হাসপাতাল, প্রতি ৪ লক্ষ মানুষের জন্য‌, একাধিক চিকিৎসক ও অনুসন্ধানের ব্য‌বস্থা।
    • কমিউনিটি হেলথ সেন্টার (সিএইচসি) : ৩৪৯টি সিএইচসি, প্রতি এক লক্ষ মানুষের জন্য‌, প্রতিটিতে চার জন করে চিকিৎসক, ক্লিক করুন here
    • প্রাথমিক স্বাস্থ্য‌ কেন্দ্র (পিএইচসি) : ৯২৪টি পিএইচসি, প্রতি ৭০ হাজার মানুষের জন্য, প্রতিটিতে এক জন করে চিকিৎসক, এবং
    • সাব সেন্টার : ১০,৩৫৬টি সাব সেন্টার বা উপ-স্বাস্থ্য‌ কেন্দ্র, প্রতি ৬ হাজার মানুষের জন্য‌, প্রতিটিতে এক জন করে স্বাস্থ্য‌ সহায়ক (এএনএম)।
    • প্রতিটি প্রাথমিক স্বাস্থ্য‌ কেন্দ্রের মানচিত্রের জন্য‌ ক্লিক করুন here । প্রতিটি গ্রাম থেকে সাব সেন্টার বা প্রাথমিক স্বাস্থ্য‌ কেন্দ্রের দূরত্ব জানতে ক্লিক করুন here

  • (খ) আরএসবিওয়াই প্রকল্পে স্মার্ট কার্ডধারীদের জন্য‌ ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত চিকিৎসা সুবিধা (কেন্দ্রীয় সরকারের ওয়েবসাইটের জন্য‌ ক্লিক করুন here)এবং
  • (গ) যক্ষ্মা রোগী (টিবি হাসপাতালে ফ্রি বেডের আবেদনের জন্য‌ ক্লিক করুন here ।), কুষ্ঠরোগীর নিখরচায় চিকিৎসার ব্য‌বস্থা রয়েছে। অন্তঃসত্ত্বাদের চিকিৎসা ও প্রসবের নিখরচায় ব্য‌বস্থাও রয়েছে। প্রতিটি সরকারি হাসপাতালে শিশুদের প্রতিষেধক প্রদান ও ডায়েরিয়ার চিকিৎসার ব্য‌বস্থা করা হয়েছে। (রাজ্য‌ সরকারের এ সম্পর্কিত ওয়েবসাইটের জন্য‌ ক্লিক করুন here)
আবেদন ও সহায়তা
আবেদন করার পদ্ধতি (সাফল্য‌ের সম্ভাবনা ৮০%, সময়সীমা ২ থেকে ৫ দিন)
  • (ক) স্থায়ী বাসিন্দাদের জন্য‌ : বাড়ির কাছকাছি কোনও হাসপাতাল বা স্বাস্থ্য‌কেন্দ্রে যান এবং লাইন দিয়ে অপেক্ষা করুন।
  • (খ) আরএসবিওয়াই প্রকল্পের অন্তর্গত স্মার্ট কার্ডধারীদের জন্য‌ পদ্ধতি জানতে ক্লিক করুন here
    • বিপিএল তালিকা প্রস্তুত করে তা বীমা সংস্থাকে জানানো হবে। বীমাকারী তালিকা অনুযায়ী ব্য‌ক্তিদের নাম নথিভুক্ত করার দিন জানিয়ে দেবেন।
    • ওই নির্দিষ্ট দিনে বিপিএল কার্ডধারী পরিবারটি ফটো নিয়ে হাজির হবে, তাঁদের আঙুলের ছাপ নেওয়া হবে ও কার্ড ইস্য‌ু করা হবে (প্রতি ৫ জন পরিবারের সদস্য‌ের জন্য‌)। কার্ড ইস্য‌ু করার সময়সীমা ১০ মিনিট। এর জন্য‌ খরচ ৩০ টাকা। প্রতি বছর পরিবারের যে কোনও সদস্য‌ ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত চিকিৎসা খরচ দাবি করতে পারেন।
    • কার্ডধারীদের হাসপাতালের একটি তালিকা দেওয়া হবে। হাসপাতালের তালিকা জানতে ক্লিক করুন here
    • অসুস্থ হলে কার্ডধারী ব্য‌ক্তি তালিকা অনুযায়ী সুবিধামতো হাসপাতালে যাবেন এবং আরএসবিওয়াই হেল্প ডেস্কে হাজিরা দেবেন। সেখানে তাঁর কার্ডটি পরীক্ষা করে দেখা হবে। যদি তাঁকে ভর্তির প্রয়োজন পড়ে তা হলে ৩০ হাজার টাকা থেকে চিকিৎসা খরচ বাদ যাবে এবং পরিবহন খরচ হিসাবে ১০০ টাকা দেওয়া হবে।
    • কোন পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত আর কোনটি নয়, জানতে ক্লিক করুন here
সহায়তা (যদি আবেদনে কোনও ফল না মেলে)
  • (ক) যদি দায়িত্বে থাকা মেডিক্য‌াল অফিসারের কাছে (পিএইচসির বা সিএইচসির) লিখিত অভিযোগ করে কাজ না হয় সে ক্ষেত্রে
  • (খ) যে জেলায় হাসপাতালটি অবস্থিত সেই জেলার মুখ্য‌ জেলা স্বাস্থ্য‌ আধিকারিকের কাছে অভিযোগ জানাতে হবে (তালিকা দেখুন here। ২০ নম্বরের উপর ক্লিক করুন, স্বাস্থ্য‌ ও পরিবার কল্য‌াণ দফতর); এর পর
  • (গ) আপনার রাজ্য‌ের জাতীয় গ্রামীণ স্বাস্থ্য‌ অধিকর্তার কাছে অভিযোগ করুন here
  • (ঘ) পশ্চিমবঙ্গ চিকিৎসা, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের কাছে তথ্য জানতে আরটিআই করুন (পিআইও-র জন্য‌ ক্লিক করুন here । তার পর স্বাস্থ্য‌ ও পরিবার কল্য‌াণ দফতরে ক্লিক করুন); তার পর
  • (ঙ) স্মার্ট কার্ডের হেল্প লাইন ১৮০০-১১-৩৩০০ বা নোডাল অফিসার। বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন here

সূত্র : ইএইচএ অ্যাডভোকেসি ম্যানুয়ালস

স্বাস্থ্য (প্রতিষেধক)

এখনও ভারতে শিশুর মৃত্য‌ুর হার যথেষ্ট বেশি। ঠিকমতো প্রতিষেধক পৌঁছে দেওয়ার অভাবে প্রতিরোধযোগ্য‌ রোগে প্রতি বছর বহু শিশুর মৃত্য‌ু হয়।

সংশ্লিষ্ট দফতর

কেন্দ্রীয় সরকার
  • কেন্দ্রীয় সরকারের স্বাস্থ্য‌ ও পরিবার কল্য‌াণ দফতর (ওয়েবসাইটের জন্য‌ ক্লিক করুন - http://mohfw.nic.in)
  • জাতীয় গ্রামীণ স্বাস্থ্য‌ মিশন (এনআরএইচএম)। দেখুন here
পশ্চিমবঙ্গ সরকার

চিকিৎসা, স্বাস্থ্য‌ ও পরিবার কল্য‌াণ দফতর (ওয়েবসাইটের জন্য‌ ক্লিক করুন দেখুন-http://www.wbhealth.gov.in/).

অধিকার
সেরা সূত্র : জনসংখ্য‌া স্থিরতা কোষ

-http://www.jsk.gov.in/district_health.asp

পশ্চিমবঙ্গ সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের তফশিল অনুযায়ী সার্বিক প্রতিষেধকের ব্য‌বস্থা করার লক্ষ্য‌ে কাজ করছে।(here)

বয়স

প্রতিষেধক

জন্ম

হেপাটাইটিস বি,ওপিভি (পোলিও প্রথম ডোজ)

জন্ম থেকে ৬ সপ্তাহ

বিসিজি (টিবি)

৬ সপ্তাহ

ডিপিটি-১ম, ওপিভি (পোলিও-২য়), হেপাটাইটিস বি

১০ সপ্তাহ

ডিপিটি-২য়, ওপিভি (পোলিও-৩য়)

১৪ সপ্তাহ

ডিপিটি-৩য়, ওপিভি (পোলিও-৪র্থ)

৯মাস

হাম, হেপাটাইটিস বি

১৫-১৮ মাস

ডিপিটি-৪র্থ, ওপিভি (পোলিও-৫ম), এমএমআর

১৬ থেকে ২৪ মাস

ডিপিটি প্রথম বুস্টার, ওপিভি (পোলিও- প্রথম বুস্টার)

৫ বছর

ডিপিটি ২য় বুস্টার, ওপিভি ২য় বুস্টার

প্রতিষেধক দেওয়া হয়-
  • (ক) গ্রামের স্বাস্থ্য‌দিবসে আশা ও এএনএম-এ; অথবা
  • (খ) সাব সেন্টারগুলিতে; অথবা
  • (গ) প্রাথমিক স্বাস্থ্য‌ কেন্দ্র বা পিএইচসিতে; অথবা
  • (ঘ) কমিউনিটি হেলথ সেন্টার বা সিএইচসিতে।

প্রতিটি জেলার পিএইচসির মানচিত্র এবং গ্রাম থেকে পিএইচসি বা সাব সেন্টার কত দূরে তা জানার জন্য ক্লিক করুন here

আবেদন করার পদ্ধতি (সাফল্য‌ের সম্ভাবনা ৮০%, সময়সীমা ৭ দিন)

বাচ্চাকে এখানে নিয়ে যান --

  • (ক) গ্রাম স্বাস্থ্য‌দিবস পালনের জায়গায়, অথবা
  • (খ) সাব সেন্টারে; অথবা
  • (গ) প্রাথমিক স্বাস্থ্য‌ কেন্দ্র বা পিএইচসিতে; অথবা
  • (ঘ) কমিউনিটি হেলথ সেন্টার বা সিএইচসিতে।

প্রতিটি জেলার পিএইচসির মানচিত্র এবং গ্রাম থেকে পিএইচসি বা সাব সেন্টার কত দূরে তা জানার জন্য ক্লিক করুন here

সহায়তা (যদি পূর্বোল্লিখিত পদ্ধতি সফল না হয়)
  • (ক) পিএইচসি/সিএইচসির ভারপ্রাপ্ত মেডিক্য‌াল অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগপত্র জমা দিন, তার পর
  • (খ) যে জেলায় এই সুবিধা পাওয়ার কথা সেই জেলার মুখ্য‌ স্বাস্থ্য‌ আধিকারিকের কাছে অভিযোগ করুন (তালিকা দেখুন here । ২০ নম্বরে ক্লিক করে স্বাস্থ্য‌ ও পরিবার কল্য‌াণ দফতরে যান।)।
  • (ঘ) মুখ্য‌ জেলা স্বাস্থ্য‌ আধিকারিকের কাছে তথ্য জানতে আরটিআই করুন।

 

সূত্র : ইএইচএ অ্যাডভোকেসি ম্যানুয়ালস

স্বাস্থ্য‌ (অন্তঃসত্ত্বা-জেএসওয়াই/এএসএইচএ বা আশা)

ভারতে এখনও প্রসূতি মৃত্য‌ুর হার এখনও খুব বেশি। অন্তঃসত্ত্বাদের নিয়মিত পরীক্ষা এবং কমিউনিটি হেলথ সেন্টার বা হাসপাতালে নিরাপদ প্রসবের জন্য আশা-সহ (অ্যাক্রিডেটেড সোশ্যাল হেলথ অ্যাক্টিভিস্ট) সরকারের নানা প্রকল্প রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট দফতর
কেন্দ্রীয় সরকার

স্বাস্থ্য‌ ও পরিবার কল্য‌াণ দফতর (ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন http://mohfw.nic.in)

পশ্চিমবঙ্গ সরকার
  • চিকিৎসা, স্বাস্থ্য‌ ও পরিবার কল্য‌াণ দফতর (ওয়েবসাইটের জন্য‌ ক্লিক করুন--http://www.wbhealth.gov.in/).
  • নারী ও শিশু উন্নয়ন দফতর (ওয়েবসাইটের জন্য‌ ক্লিক করুন--http//wbsc.gov.in/)
অধিকার (সেরা সূত্র: জন সুরক্ষা যোজনা-http://jknrhm.com/PDF/JSR.pdf)
  • (ক) সুসংহত শিশুবিকাশ প্রকল্পের (আইসিডিএস) অধীনে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি অন্তঃসত্ত্বা নারী -(ওয়েবসাইট দেখুন-http://wbsc.gov.in/এর পর ক্লিক করুন প্রকল্পে, তার পরআইসিডিএস-এ।)
    • স্বাস্থ্য‌ পরীক্ষা ও অন্য‌ত্র পাঠানোর ব্য‌বস্থা
    • টিটেনাস প্রতিষেধক
    • অতিরিক্ত পুষ্টি ও পুষ্টি সম্পর্কিত শিক্ষা
  • (খ) জননী সুরক্ষা যোজনা বা জেএসওয়াই প্রকল্পের মাধ্য‌মে হাসপাতালে প্রসবের ক্ষেত্রে টাকা দেওয়ার ব্য‌বস্থা (দেখুন here)
  • গ্রামীণ মহিলার হাসপাতালে প্রসব হলে ৭০০টাকা করে পাবেন। শহরাঞ্চলের মহিলারা পাবেন ৬০০টাকা করে। যদি সেই মা --

    • বিপিএল তালিকাভুক্ত হন।
    • ১৯ বছরের বেশি বয়স হয়।
    • সর্বাধিক দু’টি সন্তান প্রসব করেন।

    আশা প্রকল্পের ব্য‌াপারে বিস্তারিত জানতে হলে জাতীয় গ্রামীণ স্বাস্থ্য‌ মিশন দেখুন here

  • (গ) জাতীয় মাতৃত্বকালীন সুবিধা প্রকল্প বা এনএমবিএস (এনএমবিএস সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন here এবং here )
    • দারিদ্রসীমার নীচে অবস্থানকারী সমস্ত অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে ৫০০টাকা করে দেওয়া হয়।
    • যেখানেই প্রসব হোক না কেন, এই টাকা পাওয়া যাবে।
    • প্রসবের ৮ থেকে ১২ সপ্তাহ আগে এই টাকা দেওয়া হয়।
আবেদন করার পদ্ধতি (সাফল্য‌ের সম্ভাবনা ৮০%, সময়সীমা ১৪ দিন)
  • (ক) আশা প্রকল্পের জন্য‌
  • আপনার স্থানীয় পিএইচসি বা সিএইচসিতে যান।

  • (খ) জেএসওয়াই প্রকল্পের জন্য‌
    • ‘আশা’ সঙ্গে নিয়ে পিএইচসি বা সিএইচসিতে প্রসবের জন্য‌ যান।
    • ছাড়া পাওয়ার সময় টাকা নিয়ে নিন।
সহায়তা

জেএসওয়াইয়ে টাকা পাওয়ার জন্য‌ --

  • (ক) পিএইচসি বা সিএইচসির দায়িত্বপ্রাপ্ত মেডিক্য‌াল অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিন; তার পর
  • (খ) যে জেলায় পিএইচসি বা সিএইচসি অবস্থিত সেই জেলার মুখ্য‌ স্বাস্থ্য‌ আধিকারিকের কাছে লিখিত অভিযোগ করুন (তালিকা দেখুন here । ২০ নম্বরে ক্লিক করে স্বাস্থ্য‌ ও পরিবার কল্য‌াণ দফতরে যান।); তার পর
  • (ঘ) মুখ্য‌ জেলা স্বাস্থ্য‌ আধিকারিকের কাছে তথ্য জানতে আরটিআই করুন। এনএমবিসির জন্য‌ --
  • সুপ্রিম কোর্টের নিয়োজিত কমিশনারের উপদেষ্টার সঙ্গে যোগাযোগ করুন (দেখুনhere)

    সূত্র : ইএইচএ অ্যাডভোকেসি ম্যানুয়ালস

স্বাস্থ্য‌ (প্রতিবন্ধীদের জন্য‌ পরিষেবা)

আমাদের দেশে দুর্ভাগ্য‌বশত কেউ কেউ এখনও মনে করেন প্রতিবন্ধীরা দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক। নীচে বর্ণিত প্রকল্পগুলির মাধ্য‌মে প্রতিবন্ধীদের বোঝা হালকা করার চেষ্টা হয়েছে। ইম্যানুয়েল হসপিটাল অ্যাসোসিয়েশন (ইএইচএ) এখন প্রতিবন্ধীদের প্রদেয় সুবিধা সম্বলিত ম্য‌ানুয়াল তৈরি করেছে, যার মাধ্য‌মে কোথায় কী ধরনের সুবিধা পাওয়া যায় তা বিবৃত হয়েছে। এর জন্য‌ ইএইচএ ওয়েবসাইট দেখুন- www.eha-health.org এখানে ‘অ্য‌াডভোকেসি’ ম্য‌ানুয়ালে বিষয়গুলি বিবৃত করা হয়েছে।

দফতর ও অধিকার
সংশ্লিষ্ট দফতর
কেন্দ্রীয় সরকার
  • গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক (ওয়েবসাইটের জন্য‌ ক্লিক করুন-http://rural.nic.in)
  • সামাজিক ন্য‌ায় ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রক (ওয়েবসাইটের জন্য‌ ক্লিক করুন-http://socialjustice.nic.in/).
পশ্চিমবঙ্গ

চিকিৎসা, স্বাস্থ্য‌ ও পরিবার কল্য‌াণ দফতর (ওয়েবসাইটের জন্য‌ ক্লিক করুন-http://www.wbhealth.gov.in/).

অধিকার (সেরা সূত্র : সামাজিক ন্য‌ায়বিচার ও ক্ষমতায়ন http://socialjustice.nic.in/schemespro3.php এবং পূনর্ভবা-http://www.punarbhava.in/ )
  • (ক) প্রতিবন্ধকতা শংসাপত্র
    • সরকারি চিকিৎসককে পরীক্ষা করে বলতে হবে ৪০ শতাংশের বেশি প্রতিবন্ধী।
    • পেনশন বা রেলভাড়ায় ছাড়-সহ বিভিন্ন সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে এই শংসাপত্র প্রয়োজন।
  • (খ) প্রতিবন্ধকতা পেনশন -- ইন্দিরা গান্ধী জাতীয় প্রতিবন্ধকতা পেনশন প্রকল্প (আইজিএনডিপিএস)
  • বিস্তারিত জানার জন্য‌ ক্লিক করুন here এবং/অথবা here

    • ১৮ থেকে ৫৯ বছরের মধ্যে হতে হবে (এর পরই বৃদ্ধাবস্থার পেনশন চালু হবে)।
    • বিপিএল পরিবারের হওয়া চাই এবং মাসিক পারিবারিক আয় এক হাজার টাকার কম হওয়া চাই।
    • চরম ও বহুমুখী প্রতিবন্ধকতা থাকা চাই(৪০ শতাংশের বেশি প্রতিবন্ধকতা দেখানোর জন্য‌ প্রতিবন্ধকতা সম্পর্কিত সরকারি শংসাপত্র দরকার)।
    • কেন্দ্রীয় সরকার এই পেনশন প্রকল্পে জনপিছু মাসে ২০০ টাকা করে দেয় রাজ্য‌ সরকার কিছু টাকা ম্যাচিং গ্রান্ট হিসাবে দেয়। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে সেটি জনপিছু ১২৫ টাকা।
  • (গ) বাসে ও ট্রেনে সফরের ক্ষেত্রে ছাড় (ভারতীয় রেলের ওয়েবসাইট দেখুন here এবং ডিসেবিলিটি ইন্ডিয়ার ওয়েবসাইট দেখুন here ।)
    • বাসের ক্ষেত্রে- সরকারি বাসে প্রতিবন্ধী ও তাঁর সাহায্য‌কারীর জন্য‌ ভাড়ায় ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়।
    • ট্রেনের ক্ষেত্রে অস্থি-প্রতিবন্ধী ও অন্ধদের জন্য‌ স্লিপারে ৭৫%, এসিতে ৫০%, রাজধানী/শতাব্দী এক্সপ্রেসে ২৫% ভাড়া ছাড়।
    • মানসিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে তাঁর ও সহযোগীর জন্য‌ ৫০ শতাংশ ভাড়া ছাড়।
    • শ্রবণ ও কথা বলার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী যারা তাঁদের জন্য‌ শুধুমাত্র তাঁর ভাড়ায় ৫০% ছাড়।
  • (ঘ) সামাজিক ন্য‌ায়বিচার ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রকের আওতাধীন প্রকল্প ---
  • বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য‌ ক্লিক করুন here এবং here

আবেদন ও সহায়তা
আবেদন করার পদ্ধতি
  • (ক) প্রতিবন্ধকতা শংসাপত্র (সাফল্যের সম্ভাবনা ৩০%, সময়সীমা ১২ মাস)
    • নির্দেশিকা দেখুন here
    • জেলা হাসপাতালের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছ থেকে মেডিক্যাল সার্টিফিকেট।
    • ২টি পাসপোর্ট ফোটো (১টি অ্যাটেস্টেড); এবং
    • বসবাসের প্রমাণ (রেশন কার্ড বা ভোটার পরিচয়পত্র)।
  • (খ) প্রতিবন্ধকতা পেনশন (সাফল্যের সম্ভাবনা ৩০%, সময়সীমা প্রতিবন্ধকতা শংসাপত্র পাওয়ার পর ৬ মাস)
  • গ্রাম পঞ্চায়েতে আবেদন করতে হবে, যারা যোগ্য লোকদের চিহ্নিত করতে পারে

  • (গ) ভ্রমণে ছাড় (শংসাপত্র লাগবে)
    • (ফর্মের জন্য দেখুন here, here )
    • রেলে ভাড়ায় ছাড়ের জন্য সরাসরি কাছাকাছি স্টেশনে আবেদন করুন।
  • (ঘ) সামাজিক ন্যায় ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রকের অধীনে অন্যান্য প্রকল্প
  • বিভিন্ন প্রকল্প দেখুন here

সহায়তা (যদি আবেদনে ফল না হয়)
  • (ক) সংশ্লিষ্ট জেলার মুখ্য‌ স্বাস্থ্য‌ আধিকারিকের কাছে আবেদন করুন/ আরটিআই আইনে তথ্য জানতে চান (তালিকা দেখুন here । ২০ নম্বরে ক্লিক করে স্বাস্থ্য‌ ও পরিবার কল্য‌াণ দফতরে যান)।
  • (খ) ডাইরেক্টরেট অফ পেনশনের কাছে আবেদন করুন/ আরটিআই আইনে তথ্য জানতে চান। যোগাযোগের জন্য ওয়েবসাইট দেখুন here
  • (গ) রেল মন্ত্রকের কাছে আবেদন করুন/ আরটিআই আইনে তথ্য জানতে চান। (পিআইও-এর জন্য ক্লিক করুন http://rti.railnet.gov.in/).
  • (ঘ) সামাজিক ন্য‌ায়বিচার ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রকের কাছে আবেদন করুন/ আরটিআই আইনে তথ্য জানতে চান। যোগাযোগের জন্য ক্লিক করুন here

সূত্র : ইএইচএ অ্যাডভোকেসি ম্যানুয়ালস

স্বাস্থ্য (মাদকাসক্তদের পুনর্বাসন)

কাণ্ডজ্ঞান রহিত হয়ে বা কোনও আশা না দেখে বহু গরিব মানুষ ড্রাগ বা মদের নেশায় ডুবে যান। ড্রাগ বা মদের নেশা শুধুমাত্র আসক্তদের জীবনে ক্ষতি করে তাই নয়, তাঁদের পরিবার ও প্রতিবেশীর জীবনও দুর্বিষহ করে তোলে। ড্রাগ ও মদ্য‌াসক্তদের জন্য‌ সরকার নিখরচায় পুনর্বাসন পরিষেবার ব্য‌বস্থা করেছে।

সংশ্লিষ্ট দফতর
কেন্দ্রীয় সরকার

সামাজিক ন্য‌ায়বিচার ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রক। ওয়েবসাইটের জন্য‌ ক্লিক করুন-http://socialjustice.nic.in/).

পশ্চিমবঙ্গ সরকার

চিকিৎসা, স্বাস্থ্য‌ ও পরিবার কল্য‌াণ দফতর। ওয়েবসাইটের জন্য‌ ক্লিক করুন- (http://www.wbhealth.gov.in/).

অধিকার (সেরা সূত্র : ইউএন অফিস অন ড্রাগস অ্য‌ান্ড ক্রাইম। দেখুন here.)
  • সরকারি হাসপাতালে নিখরচায় আসক্তিনাশক চিকিৎসার সুযোগ।
  • বেশ কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সরকারের সহায়তায় বিনা খরচে ড্রাগ ও মদ্য‌াসক্তদের চিকিৎসার ব্য‌বস্থা করে (দেখুন here। মাদকাসক্তি থেকে মুক্তির জন্য পশ্চিমবঙ্গে ৪৭টি চিকিৎসাকেন্দ্র রয়েছে। তার তালিকা দেখুন here
  • নিখরচায় ২৪ ঘণ্টা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য হেল্পলাইন ১৮০০ ২৬৬ ২৩৪৫

আবেদন করার পদ্ধতি (সাফল্য‌ের সম্ভাবনা ১০%, সময়সীমা এক বছর)

যে সরকারি হাসপাতালে সাফল্য‌ের নজির রয়েছে সেখানে বহির্বিভাগে নিয়ে গিয়ে দেখান।

সহায়তা (যদি আবেদনে ফল না হয়)
  • (ক) সংশ্লিষ্ট জেলার মুখ্য‌ স্বাস্থ্য‌ আধিকারিকের কাছে অভিযোগ দায়ের করুন। (তালিকা দেখুন here । ২০ নম্বরে ক্লিক করে স্বাস্থ্য‌ ও পরিবার কল্য‌াণ দফতরে যান)।
  • (খ) সংশ্লিষ্ট জেলার মুখ্য‌ স্বাস্থ্য‌ আধিকারিকের কাছে আরটিআই আইনে তথ্য জানতে চান।

সূত্র : ইএইচএ অ্যাডভোকেসি ম্যানুয়ালস

স্বাস্থ্য‌ (এইচআইভি)
দফতর ও অধিকার
সংশ্লিষ্ট দফতর
কেন্দ্রীয় সরকার

স্বাস্থ্য‌ ও পরিবার কল্য‌াণ মন্ত্রক-জাতীয় এইডস নিয়ন্ত্রণ সংগঠন বা ন্য‌াকো-ওয়েবসাইট-http://www.naco.gov.in/NACO

রাজ্য‌ সরকার

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য‌ এইডস নিয়ন্ত্রণ সোসাইটি বা ডবলুবিএসএসিএস। ওয়েবসাইট-http://www.wbhealth.gov.in/wbsapcs

অধিকার(সেরা সূত্র : জাতীয় এইডস নিয়ন্ত্রক সংগঠন- http://www.naco.gov.in/NACO
  • (ক) এইচআইভি পরীক্ষা-- ইন্টিগ্রেটেড কাউন্সেলিং অ্য‌ান্ড ট্রেনিং সেন্টারে (আইসিটিসি) গোপনে এবং নিখরচায় পরীক্ষার ব্য‌বস্থা রয়েছে। ওয়েবসাইট দেখুন here
    • চিকিৎসা/চেক আপের জন্য‌ কিছু মনোনীত এআরটি সেন্টার রয়েছে। এইডস রোগীরা রেলে দ্বিতীয় শ্রেণির ভাড়ায় ৫০ শতাংশ ছাড় পান। মাসিক ও ত্রৈমাসিক টিকিটেও ৫০ শতাংশ ছাড় পেয়ে থাকেন।
    • এক জন সহকারী বা সহযোগীও একই হারে ভাড়ায় ছাড় পান।
  • (খ) চিকিৎসা -- এইচআইভি নির্ণীত হলে কোনও ব্য‌ক্তি নিখরচায় এআরটি কেন্দ্রগুলিতে চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন। এআরটি সেন্টারগুলির তালিকার জন্য‌ ক্লিক করুন here.।
  • (গ) যত্ন এবং সহায়তা -- কমিউনিটি কেয়ার সেন্টারে এইচআইভি পজিটিভ ও এইডস রোগীদের এ ধরনের পরিষেবা দেওয়ার ব্য‌বস্থা রয়েছে। কমিউনিটি কেয়ার সেন্টারের ওয়েবসাইট ও তালিকার জন্য‌ ক্লিক করুন here
  • (ঘ) অধিকারের সুরক্ষা : সম্মতি নিতে হবে, গোপনীয়তা বজায় রাখা হবে এবং কোনও বৈষম্য করা হবে না। (ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন here এবং here
    • পূর্ণবয়স্ক এবং ছোটরা কোনও বৈষম্য ছাড়া সরকারি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা ও চিকিৎসা পরিষেবা গ্রহণের সুযোগ পাবে।
    • কোনও সরকারি নিয়োগকর্তা বা সরকারি ক্ষেত্রগুলির নিয়োগকর্তা এইচআইভি পজিটিভদের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র এটিকে কারণ হিসাবে দেখিয়ে চাকরির অধিকার কেড়ে নিতে পারেন ন