হোম / সমাজ কল্যাণ / রাজ্যের বার্তা / ডিমের উৎপাদন বাড়িয়ে দামে লাগাম টানছে রাজ্য
ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা সম্পাদনার জন্য উন্মুক্ত

ডিমের উৎপাদন বাড়িয়ে দামে লাগাম টানছে রাজ্য

স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে কাজে লাগিয়ে, ডিমের উৎপাদন বাড়িয়ে দামে লাগাম টানতে চায় রাজ্য

বাতাসে হিমেল হাওয়ার ‘পরশ’ মিললেও কমছে না সবজির দাম। এরই মধ্যে পোলট্রির ডিমের দাম এক লাফে সাড়ে চার টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৬ টাকা। শীত না পড়তে পড়তেই কেন হঠাৎ বাড়তে শুরু করেছে ডিমের দাম?

কি কারনে বাড়ছে দাম ?

কারণটা জানালেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিম বিপণনের সঙ্গে জড়িত এক ব্যক্তি। ওনার মতে, ডিমের দাম বাড়ার পিছনে দু’টি কারণ রয়েছে। গ্রীষ্মকালের তুলনায় শীতকালে বেশি দিন ডিম ভালো থাকে। ফলে আড়তদাররা বেশি দিন ডিম ঘরে রেখে বিক্রি করতে পারেন। গ্রীষ্মকালে যেখানে নষ্ট হওয়ার ভয়ে কম দামে ডিম বাজারে ছেড়ে দেন, সেখানে শীতকালে তাঁরা বেশি দামে ডিম বাজারজাত করেন।

egg

এর ফলে প্রতি বছরই শীতকালে ডিমের দাম চড়া থাকে। শীতকালে সাধারণত ডিমের চাহিদা গরমকালের তুলনায় বেশি থাকে। পশ্চিমবঙ্গে চাহিদার তুলনায় ডিমের উৎপাদন যথেষ্ট কম হয়। অর্থাৎ মোট ডিমের চাহিদার মাত্র ৩০ ভাগ পূরণ করতে পারে পশ্চিমবঙ্গ। বাকি ৭০ ভাগ আনতে হয় ভিন্‌ রাজ্য থেকে। মূলত অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা থেকে ডিম আমদামি করা হয় পশ্চিমবঙ্গে। এর মধ্যে অন্ধ্র থেকে সব চেয়ে বেশি পরিমাণ ডিম আমদানি করা হয়। ফলে পরিবহণ খরচ বেড়ে যায়। বাড়ে ডিমের দাম। এক লাফে ডিম দাম এতটা বাড়া উচিত নয়। সরকার আড়তদারদের নিয়ন্ত্রণে রাখলে ডিমের দাম অনেকটাই কম রাখা যেতে পারে।

কি পরিকল্পনা করছে সরকার ?

তাই ডিমের উৎপাদন বাড়িয়ে দামে লাগাম টানার পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য। এজন্য স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকেই কাজে লাগানো পরিকল্পনা নিয়েছে প্রাণীসম্পদ দফতর। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মুর্শিদাবাদে এই প্রকল্প শুরু করা হচ্ছে। প্রতি বছর এই জেলায় ৩৬কোটি ডিম উৎপাদন হয়। কিন্তু জেলার ডিমের চাহিদা ৭৬ কোটি। এই চাহিদা পূরণ করতে অন্য রাজ্য থেকে ডিম আনা হয়। এই সুযোগেই ব্যবসায়ীরা ডিমের দাম বাড়ায়। জেলায় কিষাণ মান্ডিগুলিতে হ্যাচারি তৈরি করে সেই ঘাটতি মেটানো সম্ভব হবে বলে মনে করছে প্রশাসন।

কে নিলো দায়িত্য?

হরিহর পাড়ায় একটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে ২১টি হ্যাচারি মেশিন দেওয়া হয়েছে। প্রতিমাসে ১২০০ বাচ্চা হবে সেখানে, বছরে প্রায় ১৩ হাজার। এই বাচ্চাগুলির একমাস বয়স হলে জেলার ২৬৮টি স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে বিক্রি করা হবে। পরে সেই ডিম কিনে নিয়ে প্রশাসনকে বিক্রি করবে ওই স্বনির্ভর গোষ্ঠী।

এই প্রকল্পকে বাস্তবায়িত করতে মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে ১০০দিনের কাজের বরাদ্দে কিষাণ মান্ডিগুলিতে ঘর করে দেওয়া হবে। এছাড়া আনন্দধারা প্রকল্পে মুরগি পালনের প্রশিক্ষণ ও সমবায়ের মাধ্যমে ডিম ফোটানোর মেশিন কেনার ঋণ দেবে প্রশাসন।

সূত্রঃ khaboronline

3.0
মন্তব্য যোগ করুন

(ওপরের বিষয়বস্তুটি সম্পর্কে যদি আপনার কোন মন্তব্য / পরামর্শ থাকে, তাহলে দয়া করে আমাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট করুন).

Enter the word
ন্যাভিগেশন
Back to top