হোম / সমাজ কল্যাণ / সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা / সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা
ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা সম্পাদনার জন্য উন্মুক্ত

সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা

নতুন সরকার সংখ্যালঘুদের আর্থ-সামাজিক মানোন্নয়নের নিরন্তর চেষ্টা করে চলেছে। রাজ্যে সংখ্যালঘুদের মধ্যে রয়েছেন মুসলিম, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, শিখ, পারসি এবং জৈন সম্প্রদায়ের মানুষ। সাচার কমিটির সুপারিশ মতো তিন বছরে সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের বেশ কিছু কাজ হয়েছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সামগ্রিক উন্নয়নে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। যেমন- ইমাম ও মোয়াজ্জিনদের কল্যাণের উদ্দেশ্যে ভাতা প্রদান, নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির সংখ্যালঘু ছাত্রীদের সাইকেল প্রদান, ৫০ শতাংশের কম নম্বর পাওয়া ছাত্রছাত্রীদের স্কলারশিপ প্রদান ইত্যাদি । উন্নয়নের নানা প্রকল্পের এক ঝলক তুলে ধরা হলো –

আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়

২০১১-১২ সালে নতুন সরকার আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের জন্য রাজারহাটে ২০ একর জমি বরাদ্দ করা হয়েছে এবং ২৩৬ কোটি টাকার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, কাজও শুরু হয়ে গেছে। এছাড়াও গোরাচাঁদ রোডে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অপর ক্যাম্পাস তৈরির কাজ অগ্রগতির পথে। ২.৪ একর জমিতে এই ক্যাম্পাস তৈরি হচ্ছে এবং এজন্য ৬২ কোটি টাকা ইতিমধ্যেই অনুমোদন করা হয়েছে। দুটি নির্মাণ কাজই চুড়ান্ত পর্যায়ে আছে।

ছাত্র-ছাত্রী আবাস

২৪৩ কোটি ৮৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ২৫৪টি হোস্টেল (১৬২টি এমএসডিপি প্রকল্প এবং ৯২টি রাজ্য প্রকল্পের আওতায়) তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। এছাড়াও পার্ক সার্কাসের দিলখুসা স্ট্রীটে কর্মরতা মহিলাদের জন্য আবাস তৈরির কাজ প্রায় শেষের দিকে। এজন্য ১ কোটি ৩২ লক্ষ টাকা খরচ হচ্ছে। তৈরি শেষ হলে ৭১ জন কর্মরতা মহিলা এখানে থাকতে পারবেন।

তৃতীয় হজ ভবন

রাজারহাট-নিউটাউনে তৃতীয় হজ ভবন নির্মাণের কাজ চলছে। এজন্য ৫ একর জমি বরাদ্দ হয়েছে। সমস্ত ধরনের অত্যাধুনিক পরিষেবা এখানে থাকবে। এজন্য ৯৭ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। ২০১২ ও ১৩ সালে যথাক্রমে ১১,৬৫৮ এবং ৯,৫৯১ জন হজ তীর্থযাত্রী পশ্চিমবঙ্গ থেকে সৌদি আরব গিয়েছিলেন তাঁদের অবশ্যপালনীয় হজতীর্থ পালন করতে। ২০১০ ও ২০১১ সালে যথাক্রমে রাজ্য থেকে হজযাত্রীর সংখ্যা ছিল ৯,৫৮৯ এবং ৯,৭৮৩ জন। এই বছর হজতীর্থ যাত্রা করবে প্রায় ৯,৯০৬ জন।

মাল্টি সেক্টরাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্প)

রাজ্যের ১২টি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জেলায় এমএসডিপি প্রকল্প চালু হয়েছে। উন্নয়নের অগ্রগতি এখনও যাঁদের কাছে পৌঁছোয়নি, তাঁদের আর্থ-সামাজিক পরিকাঠামো প্রদান এবং ন্যূনতম পরিষেবা দেওয়া এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য। ১,০৩,০৯৪টি প্রকল্পের মধ্যে ৬৭,৮৬৫টি (২০০৮ থেকে ২০১১ মধ্যে ২৪,৯১৫টি এবং শেষ তিন বছরে ৪২,৯৫০টির কাজ শেষ হয়েছে) ইউনিটের কাজ শেষ হয়েছে অর্থাৎ ৬৬% কাজ এখনও পর্যন্ত সম্পূর্ণ হয়েছে।

আইটিআই ও পলিটেকনিক

সংখ্যালঘু যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানমুখী প্রযুক্তিগত ট্রেনিং-এর উদ্দেশ্যে ২৪টি আইটিআই ও ৭টি পলিটেকনিক কলেজ গড়ে তোলা হচ্ছে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায়। এমএসডিপি প্রকল্পের পরিকাঠামোগত সহায়তায় রাজ্য সরকারের কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ বিভাগ এগুলির পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করবে।

ইনটিগ্রেটেড মাইনরিটি ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (সুসংহত সংখ্যালঘু উন্নয়ন প্রকল্প)

রাজ্যের যে সমস্ত জেলায় এমএসডিপি প্রকল্পের মাধ্যমে উন্নয়নের কাজ চলছে না, সেই সমস্ত ৭টি জেলায় এই প্রকল্পের মাধ্যমে উন্নয়নের কাজ চলছে। এই ৩ বছরে এমএসডিপি প্রকল্পের মতো ৯০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫৩২৫টি ইউনিটের কাজ শুরু হয়েছে।

গোরস্থানে সীমানা-প্রাচীর

গোরস্থানগুলির রক্ষণাবেক্ষণ ও জবরদখল বন্ধ করতে এবং দূষণমুক্ত করতে বেশ কিছু উদ্দ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই ৩ বছরে ১৪০০টি গোরস্থানে সীমানা-প্রাচীর তৈরির কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে, যাতে ব্যয় হচ্ছে ৭৩ কোটি ৭৪ লক্ষ টাকা।

সংখ্যালঘু ভবন

রাজ্যের সমস্ত জেলায় সংখ্যালঘু বিষয়ক সুযোগ-সুবিধা প্রদানের জন্য সংখ্যালঘু ভবন গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে সংখ্যালঘু মানুষেরা এক জায়গা থেকে (single window system) সরকারের সমস্ত পরিকল্পনা ও সুযোগ-সুবিধার কথা জানতে পারবেন। ইতিমধ্যেই উত্তর ২৪ পরগণা, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, দক্ষিণ দিনাজপুর, বাঁকুড়া, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, নদীয়া, বর্ধমান, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব মেদিনীপুর ও হুগলীতে মোট ১৫টি সংখ্যালঘু ভবন তৈরির কাজ শেষ হয়েছে এবং পরিষেবা প্রদানের কাজ শুরু হয়েছে।

উর্দু ভাষার প্রচার ও প্রসার

এই সরকার ওয়েস্ট বেঙ্গল অফিসিয়াল ল্যাঙ্গুয়েজ (অ্যামেনমেন্ট) অ্যাক্ট ২০১২ বিজ্ঞপিত করেছে এবং ২০১২-র ডিসেম্বর থেকে এটি কার্যকরী হয়েছে। যেসব এলাকায় বসবাসকারী জনগণের ১০ শতাংশের বেশি মানুষ উর্দুভাষী, সেখানে উর্দুকে সরকারি ভাষা হিসাবে মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। এই আইন সরকারি অফিসে উর্দুভাষী জনসাধারণের মাতৃভাষায় কাজকর্ম চালু করার দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ করেছে। এছাড়াও যাঁরা পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা এবং হিন্দি, উর্দু, নেপালি, সাঁওতালি ও গুরুমুখি ভাষাভাষীর মানুষ, তাঁদের ভাষাভিত্তিক সংখ্যালঘু হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

মাদ্রাসার ছাত্রীদের সাইকেল প্রদান

সংখ্যালঘু ছাত্রীদের শিক্ষার বিষয়ে উৎসাহ দিতে এবং তাঁদের মধ্যে স্কুল ছুটের হার কমাতে (পরিবার সংস্কার সহ) ২০১২-১৩ সালে রাজ্য সরকার এই প্রকল্প নিয়েছে। নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির সংখ্যালঘু ছাত্রীদের মধ্যে ২ লক্ষ ৯ হাজার ১২১ জনকে ইতিমধ্যেই সাইকেল প্রদান করা হয়েছে। এজন্য ব্যয় হয়েছে ৬১.০৭ কোটি টাকা। বিদ্যালয়ে ছাত্রীদের নথিভুক্তকরণে এর গভীর প্রভাব রয়েছে।

•   বৃত্তিমূলক / দক্ষতা উন্নয়নের প্রশিক্ষণ

•   যেহেতু মুসলিম কর্মীদের বেশিরভাগই স্বনিযুক্তি কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত থাকেন, তাঁদের বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ ও ঋণ সংক্রান্ত উদ্যোগ ভীষণ প্রয়োজন। এই বিষয়টির কথা মাথায় রেখে এই বিভাগ সংখ্যালঘু যুবক-যুবতীদের বিশেষ প্রশিক্ষণের কাজ শুরু করেছে যাতে তাঁদের কর্মসংস্থান বাড়ে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের যুবক-যুবতীদের বিনা ব্যয়ে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বসার জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এই ৩ বছরে ২ লক্ষ ৬৬ হাজার জনকে বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ ও বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় বসার জন্য কোচিং দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হয়েছে ৫৭ কোটি ৫২ লক্ষ টাকা।

স্কলারশিপ ও ঋণ প্রদান

পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও বিত্ত নিগম, ওয়াকফ বোর্ড, আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও উর্দু আকাদেমির সঙ্গে একযোগে পশ্চিমবঙ্গের সংখ্যালঘু জনসাধারণের আশা-আকাঙ্খা পূরণ করতে সমর্থ হয়েছে। গত ৩ বছরে সংখ্যালঘু ছাত্র-ছাত্রীদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের হার ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রকল্প

•   প্রাক-মাধ্যমিক, মাধ্যমিক উত্তর, ট্যালেন্ট সাপোর্ট, মেধা তথা অবলম্বন বৃত্তি, শিক্ষা ঋণ, ওয়াকফ, উর্দু আকাডেমি / শিক্ষা ঋণ ইত্যাদির মাধ্যমে –

•   ১. ২০০৬-০৭ এবং ২০১০-১১ বর্ষে সুবিধাপ্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা – ৮,৬৮,৮৫৬ এবং অর্থের পরিমাণ ১৯২.৮৮ কোটি টাকা

•   ২. ২০১১-১২ এবং ২০১৩-১৪ বর্ষে সুবিধাপ্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা – ৫৭,৩৫,৪১৬ এবং অর্থের পরিমাণ ৯৯১.১৭ কোটি টাকা।

প্রশিক্ষণ ও স্বনিযুক্তি

সংখ্যালঘু যুবক-যুবতীদের মধ্যে কর্মসংস্থানের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি লক্ষ্য রেখে এই ক্ষেত্রটি অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে গ্রহণ করা হয়েছে। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও বিত্ত নিগমের মাধ্যমে -

•   প্রকল্প :

•   বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ ও ফ্রি কোচিং –

•   ১. ২০০৬-০৭ এবং ২০১০-১১ বর্ষে সুবিধাপ্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা – ২৭,৫৮৩ এবং অর্থের পরিমাণ ৩২.২৬ কোটি টাকা

•   ২. ২০১১-১২ এবং ২০১৩-১৪ বর্ষে সুবিধাপ্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা – ২,৪৩,৭৪৪ এবং অর্থের পরিমাণ ৫৭.৫২ কোটি টাকা।

•   প্রকল্প :

•   মেয়াদি ঋণ, ক্ষুদ্র আর্থিক সহায়তা এবং এম ডব্লিউ ই পি –

•   ১. ২০০৬-০৭ এবং ২০১০-১১ বর্ষে সুবিধাপ্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা – ১,৩০,৬৬৬ এবং অর্থের পরিমাণ ২৫৬.১২ কোটি টাকা

•   ২. ২০১১-১২ এবং ২০১৩-১৪ বর্ষে সুবিধাপ্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা – ৩,১০,৫৫১ এবং অর্থের পরিমাণ ৫৩৫.৫১ কোটি টাকা।

•   মুসলিম কর্মীদের বেশিরভাগ ক্ষুদ্র মালিকানাধীন কুটির শিল্পের সঙ্গে যুক্ত থাকেন এবং বড় শিল্পে তাঁদের আনুপাতিক অংশগ্রহণ বেশ কম। এই বিভাগ তাঁদের কর্মসংস্থান বাড়াতে মেয়াদি ঋণ, ক্ষুদ্র আর্থিক সহায়তা এবং সংখ্যালঘু মহিলাদের ক্ষমতায়ণের লক্ষ্যে সাহায্য প্রদান প্রকল্পে ৫৩৫ কোটি ৫১ লক্ষ টাকা ব্যয় করেছে। এই ৩ বছরে ৩ লক্ষ ১০ হাজার ৫৫১ জন সংখ্যালঘু যুবক ও মহিলাদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

আবাসন

দরিদ্র মানুষের সামাজিক জীবনের উন্নয়নের লক্ষ্যে গৃহ তথা আশ্রয় প্রদান এই বিভাগের অন্যতম লক্ষ্য। নতুন ৪টি গৃহ প্রকল্পের কাজ এই বিভাগ হাতে নিয়েছে। গীতাঞ্জলি, দুঃস্থ মহিলাদের গৃহ পুনর্বাসন প্রকল্প , বিশেষ বিআরজিএফ ও এমএসডিপি প্রকল্পের আওতায় ইন্দিরা আবাস যোজনা, আইএমডিপি প্রকল্পের অধীনে সংখ্যালঘুদের আবাসগৃহ নির্মাণের কাজ রূপায়িত হচ্ছে, এর জন্য ৬৫৫ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৭৫,৪০৪টি গৃহ তৈরি করা হয়েছে।

মাদ্রাসা শিক্ষা

•   মাদ্রাসা শিক্ষা ডাইরেক্টরেটের আওতায় নিম্নলিখিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে –

১. প্রাথমিক স্তরে শিশুদের জন্য ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ৯৪০টি জাতীয় পাঠক্রমভিত্তিক বই প্রদান করা হয়েছে। ২০১১-১২ ও ২০১২-১৩ সালে এই সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ১,৩৪,৪২৫টি ও ১,৫০,৫৭৭টি।

২. ২০১৩-১৪ সালে ১ লক্ষ ৭৬ হাজার ৬৮৬ জন স্কুল ছাত্রীদের (প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণিতে পাঠরতা) পোশাক ভাতা দেওয়া হয়েছে। ২০১১-১২ ও ২০১২-১৩ সালে এই সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ১,১২,৫০০ জন ও ১,৭৪,৮৭০ জন।

৩. ২০১৩-১৪ সালে মাধ্যমিক স্তরে ৪৬০টি বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান গবেষণাগারের আধুনিকীকরণের কাজ চলছে। ২০১১-১২ এবং ২০১২-১৩ সালে এই সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ১৫৮টি ও ৪২৪টি।

৪. এছাড়া বিভিন্ন প্রকল্প যেমন পাঠাগারের উন্নয়ন, রিডিং রুম, মহিলাদের কমন রুম, পানীয় জলের ব্যবস্থা, শৌচাগার, মাদ্রাসার জন্য বিশেষ আসবাব ও উপকরণ, জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয়ের জন্য অতিরিক্ত শ্রেণিকক্ষ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মাদ্রাসার মানোন্নয়ন

এই ৩ বছরে ৭টি জুনিয়র হাই থেকে হাই মাদ্রাসা, ২৭টি হাই মাদ্রাসা থেকে উচ্চমাধ্যমিক এবং ১৭টি প্রতিষ্ঠানকে আলিম থেকে ফাজিলে উন্নীত করা হয়েছে। এছাড়া ৬টি নিউ সেট আপ মাদ্রাসা তৈরির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সাহায্যপ্রাপ্ত নয় এমন মাদ্রাসা

সাহায্যপ্রাপ্ত নয় এরূপ মাদ্রাসা প্রকল্পে রাজ্যের মাদ্রাসাগুলিকে মূলস্রোতে নিয়ে আসতে উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। এই মাদ্রাসাগুলিকে স্বীকৃতি দিয়ে শিক্ষার উৎকর্ষ বৃদ্ধি করাটাই মূল উদ্দেশ্য। এজন্য ইতিমধ্যেই উল্লিখিত তারিখ পর্যন্ত ২২২৩টি আবেদনপত্র গ্রহণ করা হয়েছে এবং ২৩৫টির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

রূপায়ণমুখী প্রকল্প

১. কৃষক এবং কারুশিল্পীদের বিপণনের সুবিধার জন্য ১২৩টি মার্কেটিং হাব(কর্মতীর্থ) নির্মাণের কাজ চলছে। এই প্রকল্পের ফলে সংখ্যালঘু যুবক-যুবতীরা স্বনিযুক্তির সুবিধা পাবে। ৬টি মার্কেটিং হাব ইতিমধ্যেই চালু হয়েছে।

২. দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙর-এর নলমুড়ি মৌজায় একটি মাল্টি স্পেশালিটি হাসপাতাল সহ একটি সংখ্যালঘু মেডিকেল কলেজ তৈরি হচ্ছে। ৭৫০ শয্যাবিশিষ্ট এই মেডিকেল কলেজে ১৫০ জন এমবিবিএস ছাত্রছাত্রীর পঠনপাঠনের ব্যবস্থা থাকবে।

সুত্রঃ পশ্চিমবংগো সরকার

2.92
মন্তব্য যোগ করুন

(ওপরের বিষয়বস্তুটি সম্পর্কে যদি আপনার কোন মন্তব্য / পরামর্শ থাকে, তাহলে দয়া করে আমাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট করুন).

Enter the word
ন্যাভিগেশন
Back to top