অসমীয়া   বাংলা   बोड़ो   डोगरी   ગુજરાતી   ಕನ್ನಡ   كأشُر   कोंकणी   संथाली   মনিপুরি   नेपाली   ଓରିୟା   ਪੰਜਾਬੀ   संस्कृत   தமிழ்  తెలుగు   ردو

বেগুন

জমি ও মাটি

উঁচু বা মাঝারি জমি সব চেয়ে উপযুক্ত। তবে সব ধরনের মাটিতে বেগুনের চাষ করা যায়। মাটির অম্লত্ব ৫.৫ – ৬-এর মধ্যে হলে সব থেকে ভাল।

জাত

উন্নত জাত

গ্রীষ্মকালীন ও বর্ষাকালীন - পুসা ক্রান্তি, পুসা পারপল ক্লাস্টার, পুসা পারপল লং, পুসা অনুপম ইত্যাদি।

শীতকালীন - মুক্ত কেশী, কৃষ্ণনগর গ্রিন লং, কৃষ্ণা, চিত্রা, পুসা ক্রান্তি ইত্যাদি।

হাইব্রিড

পুসা আনমল, পুসা হাইব্রিড – ৬, রজনী, সৌরভ, সুচিত্রা, সুপ্রিয়া, এমএইচ বি – ১০, ৫৬ ইত্যাদি।

বীজ বৃত্তান্ত

বীজ বোনার সময়

  • গ্রীষ্মকালীন -- পৌষ–মাঘ।
  • বর্ষাকালীন -- চৈত্র–বৈশাখ।
  • শীতকালীন -– ভাদ্র।
  • হাইব্রিড -– মাঘ-আষাঢ়।

বীজের পরিমাণ (হেক্টর প্রতি )

  • উন্নত জাত -- ৪৫০ – ৫০০ গ্রাম।
  • হাইব্রিড জাত -- ২০০ গ্রাম।

বীজ শোধন

বীজবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য বীজ শোধন অবশ্যই করতে হবে। অথবা ৩ গ্রাম আইরাম বা ক্যাপটান বা ম্যানকোজের জাতীয় রাসায়নিক ওষুধ প্রতি লিটার জলে গুলে অন্তত ১০ মিনিট ভিজিয়ে তার পর ছায়ায় শুকিয়ে বীজ বুনতে হবে। এ ছাড়াও জৈবজাত ওষুধ ট্রাইকোডারমা ভিরিডি প্রতি ১০০ গ্রাম বীজের জন্য ২ গ্রাম হারে ভালো ভাবে মিশিয়ে বীজ শোধন করা যায়।

এ ছাড়া জৈবজাত ওষুধ ট্রাইকোডারমা ভিরিডি ৪–৫ গ্রাম প্রতি কেজি বীজের সঙ্গে ভালো ভাবে মিশিয়ে বীজ শোধন করা যায়।

বীজতলায় মাটি শোধন

৩ মি x ১ মি বীজতলার জন্য ২০ মিলি ফরম্যালিন ৪০% ১০ লিটার জলে মিশিয়ে সমান ভাবে ১০ সেমি পর্যন্ত মাটিতে ভিজিয়ে দিতে হবে। তার পর বীজতলা ২ দিন চট বা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। এর ৩–৪ দিন পর বীজ বোনা যাবে। এ ছাড়াও মাটির পোকা ও পিঁপড়ের জন্য বীজতলায় ৫০ গ্রাম ক্লোরোপাইরিফস ৫% গুঁড়ো প্রতিটি বীজতলায় মাটির সঙ্গে ভালো ভাবে মেশাতে হবে। সাথে সাথে বীজ বোনার ৭ দিন আগে প্রতি বর্গমিটারে ৫ গ্রাম কপার অক্সিক্লোরাইড অথবা ২ গ্রাম ক্যাপটাফ প্রতি লিটার জলে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

ফলন বৃত্তান্ত

বীজতলায় চারা শোধন

চারা বের হওয়ার ৭ দিনের মধ্যে কার্বাডিজম ১ গ্রাম/লিটার অথবা কপার অক্সিক্লোরাইড ৪ গ্রাম/লিটার রাসায়নিক ওষুধ জলে গুলে স্প্রে করতে হবে। এ ছাড়া চারা তোলার ৭–১০ দিন আগে দানাদার রাসায়নিক কীটনাশক যেমন কার্বোফিউরান ৩% বা কার্বাপ ৪% জি ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। জৈবজাতীয় ওষুধ ট্রাইকোডারমা ভিরিডি ৪–৫ গ্রাম/লিটার জলে গুলে শিকড় ডুবিয়ে চারা লাগানো যায়।

চারা লাগানোর সময়

৪ – ৬ সপ্তাহের পর চারা লাগাতে হবে।

চারা রোপনের দূরত্ব

উন্নত জাত

  • গ্রীষ্মকালীন - ৬০ সেমি x ৬০ সেমি।
  • বর্ষাকালীন – ৭৫ সেমি x ৬০ সেমি।
  • শীতকালীন - ৯০ সেমি x ৭৫ সেমি।

হাইব্রিড

  • গ্রীষ্মকালীন - ৪৫ সেমি x ৪৫ সেমি।
  • বর্ষাকালীন – ৬০ সেমি x ৬০ সেমি।
  • শীতকালীন - ৭৫ সেমি x ৬০ সেমি
  • বসন্তকালীন - ৪৫ সেমি x ৪৫ সেমি।

মূল জমিতে সার প্রয়োগ (হেক্টর প্রতি)

  • কম্পোস্ট সার – ১৫ টন
  • গ্রীষ্ম ও বর্ষার সময়ে — না : ফ : প : ৫০ : ৫০ : ৫০ কেজি
  • শীতের সময়ে — না : ফ : প : ৪০ : ৪০ : ৪০ কেজি
  • হাইব্রিড — না : ফ : প : ৯০ : ১০০ : ১০০ কেজি

এ ছাড়া চাপান সার হিসাবে উন্নত জাতের চারা লাগানোর ২১ দিন ও ৩৫ দিন পর ২৫ কেজি হারে নাইট্রোজেন/হেক্টরে প্রয়োগ করতে হবে। গ্রীষ্ম ও বর্ষার সময়ে, শীতকালীন সময়ে চারা লাগানোর ২১ দিন ও ৪২ দিন পর ৪৫ কেজি হারে নাইট্রোজেন প্রতি হেক্টরে প্রয়োগ করতে হবে।

উল্লেখ থাকে যে, চাপান সার হিসাবে নাইট্রোজেন জাতীয় সারের মধ্যে ক্যান অথবা অ্যামোনিয়া সালফেট সার প্রয়োগ বেশি কার্যকর।

ফসল তোলার সময়

  • উন্তত জাতের ক্ষেত্রে ৭৫ – ৮০ দিন পর প্রথম ফসল তোলা যায়।
  • হাইব্রিড জাতের ক্ষেত্রে ৫০ – ৬০ দিনের পরে প্রথম ফল তোলা যায়।

সম্ভাব্য ফলন (হেক্টর প্রতি)

  • গ্রীষ্ণ ও বর্ষায় -- ১৫–২৫ টন।
  • শীতে -- ৩০–৩৫ টন।
  • হাইব্রিড -- ৩০–৩৫ টন।

সূত্র

  1. পোর্টাল কনটেন্ট টিম


© 2006–2019 C–DAC.All content appearing on the vikaspedia portal is through collaborative effort of vikaspedia and its partners.We encourage you to use and share the content in a respectful and fair manner. Please leave all source links intact and adhere to applicable copyright and intellectual property guidelines and laws.
English to Hindi Transliterate