শিক্ষার স্তরের ক্রমতালিকায় মাধ্যমিক শিক্ষার গুরুত্ব সববচেয়ে বেশি কারণ এই স্তরেই পড়ুয়ারা উচ্চ শিক্ষা এবং কর্ম জগতের জন্য প্রস্তুত হয়। বর্তমানে মাধ্যমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে নীতি হল, ১৪-১৮ বছর বয়সিদের জন্য উন্নত মানের মাধ্যমিক শিক্ষার ব্যবস্থা করা, সেই শিক্ষা তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং তা যাতে তাদের সাধ্যের মধ্যে থাকে তা দেখা। বর্তমানে কেন্দ্রীয় সাহায্যপ্রাপ্ত প্রকল্প হিসেবে নিম্নলিখিত প্রকল্পগুলি মাধ্যমিক স্তরে (নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি) রূপায়িত হচ্ছে --- রাষ্ট্রীয় মাধ্যমিক শিক্ষা অভিযান আদর্শ স্কুল প্রকল্প মেয়েদের জন্য হোস্টেলের প্রকল্প প্রতিটি স্কুলে আইসিটি প্রতিবন্ধীদের মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষায় নিয়ে আসা বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রকল্প জাতীয় মেধা ও উপকরণ ভাতা প্রকল্প মাধ্যমিক শিক্ষার জন্য মেয়েদের উৎসাহদান ভাষা শিক্ষক নিয়োগ মাদ্রাসায় উন্নত মানের শিক্ষা সংখ্যালঘু পড়ুয়াদের জন্য ভাতা প্রকল্পগুলি জাতীয় বৃত্তি শিক্ষা সংক্রান্ত গবেষণা ও প্রশিক্ষণের জাতীয় পর্ষদ (এনসিইআরটি) পড়ুয়াদের মধ্যে বৈষম্য কমানো ও সব পড়ুয়াদের কাছে সমান ভাবে শিক্ষার সুযোগ পৌঁছে দেওয়ার জন্য গুণগত ও পরিমাণগত শিক্ষার বিকাশ ঘটাতে বিশেষ ভাবে প্রয়াসী। জাতীয় মেধা অন্বেষণ প্রকল্পের মাধ্যমে এনসিইআরটি শিক্ষা ক্ষেত্রে পড়ুয়াদের প্রতিভার স্বীকৃতি দিয়ে থাকে। কলা ও সৃজনশীল বিষয়ে দক্ষতা খুঁজে নেওয়ার ক্ষেত্রে রয়েছে চাচা নেহরু বৃত্তি। ১৯৯৫ সালে বাল শ্রী প্রকল্পের মাধ্যমে জাতীয় বাল ভবন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এর লক্ষ্য বিভিন্ন বয়সের শিশুদের প্রতিভাকে সম্মান জানানো।