অসমীয়া   বাংলা   बोड़ो   डोगरी   ગુજરાતી   ಕನ್ನಡ   كأشُر   कोंकणी   संथाली   মনিপুরি   नेपाली   ଓରିୟା   ਪੰਜਾਬੀ   संस्कृत   தமிழ்  తెలుగు   ردو

যে বিষয়ে গুরুত্ব

যে বিষয়ে গুরুত্ব
  • বিকল্প শিক্ষাব্যবস্থা।
  • যে সকল শিশুর  বিশেষ  দেখাশোনার  প্রয়োজন।
  • এলাকার মানুষদের  অংশগ্রহণ।
  • মেয়েদের  শিক্ষা।
  • প্রাথমিক শিক্ষার মান।
  • প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার --- সর্বশিক্ষা অভিযানে শিক্ষাদান ব্যবস্থার উন্নতির জন্য কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার ঠিক ভাবে যাতে বিভিন্নপ্রান্তে সুবিধাগুলো পৌঁছতে পারে তার চেষ্টা করা হয়। রাজ্য সরকারগুলি তাদের শিক্ষাব্যবস্থার বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন করবে। এর মধ্যে থাকবে, শিক্ষা প্রশাসন, স্কুলগুলির সাফল্যের পরিমাণ, আর্থিক বিষয়, বিকেন্দ্রীকরণ ও জনগোষ্ঠীর মালিকানা, রাজ্যের শিক্ষা আইনগুলি ফিরে দেখা, শিক্ষক নিয়োগ পদ্ধতিকে যুক্তিসম্মত করে তোলা, ছাত্রী, তফশিলি জাতি উপজাতি এবং পিছিয়ে থাকা অংশের পড়াশোনার মূল্যায়ন এবং বেসরকারি বিদ্যালয়গুলি ও ‘আর্লি চাইল্ডহুড কেয়ার অ্যান্ড এডুকেশন স্কিম’ (ইসিসিই) সংক্রান্ত নীতি নির্ধারণ। অনেক রাজ্যই উচ্চতর প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নের জন্য শিক্ষা ব্যবস্থায় বেশ কিছু পরিবর্তন করেছে।
  • ৭। স্বপ্রতিপালক আর্থিক বন্দোবস্ত --- সর্ব শিক্ষা অভিযান যে ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে, তাতে বুনিয়াদি শিক্ষায় আর্থিক সাহায্য স্বপ্রতিপালক হলেই সর্বশিক্ষা অভিযান ধারাবাহিক ভাবে চলতে পারে। এর জন্য কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী আর্থিক অংশীদারিত্বের ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন।
  • ৮। জনগোষ্ঠীর মালিকানা ---  এই কর্মসূচিতে কার্যকর বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে নির্দিষ্ট স্কুলে জনগোষ্ঠীর মালিকানা-নির্ভর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। এর জন্য চাই মহিলা সমিতি, পঞ্চায়েত সদস্য এবং ভিইসি সদস্যদের অংশগ্রহণ।
  • ৯।  প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা নির্মাণ --- সর্ব শিক্ষা অভিযানে স্কুল প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা নির্মাণে জাতীয়, রাজ্য এবং জেলা স্তরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যেমন, এনআইইপিএ/এনসিইআরটি/এসসিইআরটিএ/নসিটিই/এসআইইএমএটি/ডিআইইটি-র এক বিশাল দায়িত্ব রয়েছে। গুণমানের উন্নতির বিষয়টি সর্বদাই ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নিরন্তর সহায়তার ওপর নির্ভর করে।
  • ১০। মূলধারার শিক্ষা প্রশাসনের উন্নয়ন --- স্কুলের উন্নতি, নতুন চিন্তাধারার সঙ্গে মেলবন্ধন ঘটানো এবং কম খরচে সঠিক দক্ষতাযুক্ত পদ্ধতির ব্যবহারের মাধ্যমে মূল শিক্ষাব্যবস্থার পরিচালন পদ্ধতির উন্নতিও এই অভিযানের অঙ্গ।
  • ১১। অঞ্চলের অধিবাসীদের স্বচ্ছ নজরদারি ---এই কর্মসূচির জনগোষ্ঠীভিত্তিক নজরদারি ব্যবস্থা থাকবে। শিক্ষা পরিচালন তথ্য ব্যবস্থা (ইএমআইএস) স্কুল থেকে পাওয়া তথ্যের সঙ্গে আঞ্চলিক অধিবাসীদের থেকে পাওয়া তথ্য মিলিয়ে দেখবে। এর পাশাপাশি প্রতিটি স্কুলকে অনুদানের পরিমাণ-সহ যাবতীয় তথ্য অঞ্চলের মানুষের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার জন্য উৎসাহিত করা হবে। এর জন্য স্কুলে একটি করে নোটিশ বোর্ড দেওয়া  থাকবে।
  • ১৩। পরিকল্পনার একক বসতি --- স্থানীয় বসতি পরিকল্পনার একক হিসেবে কাজ করবে। সর্ব শিক্ষা অভিযান স্থানীয় অধিবাসীভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করবে। এক একটি বসতির জন্য পরিকল্পনা করা হবে এবং এরই ভিত্তিতে জেলাস্তরের পরিকল্পনা তৈরি হবে ।
  • ১৪। আঞ্চলিক দায়বদ্ধতা --- সর্ব শিক্ষা অভিযানের মূল ভিত্তি শিক্ষক, অভিভাবক ও পিআরআই-এর মধ্যে সহযোগিতা এবং স্থানীয় মানুষজনের কাছে দায়বদ্ধ ও স্বচ্ছ থাকা।
  • ১৫। মেয়েদের শিক্ষায় অগ্রাধিকার --- মেয়েদের জন্য শিক্ষা, বিশেষ করে তফশিলি জাতি ও উপজাতি ও সংখ্যালঘু মেয়েদের শিক্ষা সর্বশিক্ষা অভিযানের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
  • ১৬।  বিশেষ গোষ্ঠীর প্রতি নজর --- সর্ব শিক্ষা অভিযানে বিশেষ নজর দেওয়া হয় তফশিলি জাতি ও উপজাতি সম্প্রদায়ভুক্ত শিশু, শহরের অবহেলিত শিশু, অন্যান্য গোষ্ঠীর বঞ্চিত শিশু এবং যে সব শিশুর বিশেষ যত্ন প্রয়োজন তাদের দিকে।
  • ১৭। প্রকল্প রূপায়ণের পূর্ব অবস্থা --- সমগ্র দেশ জুড়ে সুপরিকল্পিত প্রকল্প-পূর্ব প্রস্তুতির মাধ্যমে সর্ব শিক্ষা অভিযানের সূচনা হয়, যাতে শিক্ষাপ্রদান ব্যবস্থা ও নজরদারি ব্যবস্থার উন্নতি ঘটাতে যথেষ্ট সক্ষমতা সৃষ্টি করা যায়। এর মধ্যে রয়েছে বাড়ি বাড়ি সমীক্ষা, গোষ্ঠীভিত্তিক পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনা ও স্কুল নির্বাচন, গোষ্ঠী নেতাদের প্রশিক্ষণ, স্কুল পর্যায়ে ক্রিয়াকলাপ, তথ্য ব্যবস্থা তৈরিতে মদত, অফিসের জিনিসপত্র কেনা, স্বাস্থ্য পরীক্ষা প্রভৃতি।
  • ১৮। মানের ওপর বিশেষ গুরুত্ব --- প্রাথমিক স্তরে শিক্ষাকে কার্যকর ও শিশুদের কাছে প্রাসঙ্গিক করার ব্যাপারে সর্ব শিক্ষা অভিযানে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাঠক্রমের উন্নতি ঘটিয়ে, শিশুকেন্দ্রিক কর্মকাণ্ডের ব্যবস্থা করে এবং শেখা ও শেখানোর কার্যকর কৌশল অবলম্বন করে এই লক্ষ্যে পৌঁছনো হয়।
  • ১৯।  শিক্ষকদের ভূমিকা --- সর্ব শিক্ষা অভিযানে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল শিক্ষক ও আইনজীবীদের ভূমিকা। ব্লক/ ক্লাস্টার রিসোর্স সেন্টার তৈরি করে, শিক্ষিত শিক্ষক নিযুক্ত করে, পাঠক্রম সংক্রান্ত বিষয়বস্তু তৈরিতে যোগদানের মাধ্যমে শিক্ষকদের  উন্নতির ব্যবস্থা করে এবং শিক্ষকদের শিক্ষামূলক ভ্রমণের ভিতর দিয়ে তাঁদের মানবসম্পদটি বের করে এনে শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন সাধনই হল সর্ব শিক্ষা অভিযানের উদ্দেশ্য।
  • ২০। জেলা স্তরে প্রাথমিক শিক্ষা পরিকল্পনা --- সর্ব শিক্ষা অভিযানের কাঠামোয় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা পরিকল্পনা তৈরি করে প্রত্যেকটি জেলা। এই পরিকল্পনা অনুসারে প্রাথমিক শিক্ষায় কতটা লগ্নি হচ্ছে ও কতটা দরকার তা সামগ্রিক ও অভিসারী দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে দেখা হয়। একটি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও করা হয়, যাতে সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা অর্জনের জন্য পরবর্তী সময়ে কী ক্রিয়াকলাপ চালানো দরকার তার কাঠামো থাকে। সব কাজের একটি অগ্রাধিকারভিত্তিক তালিকা করে একটি বাত্সরিক পরিকল্পনা রচনা করা হয় ও আয়ব্যয়ের হিসেব তৈরি হয়। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাটি কোনও স্থির বিষয় নয়, গতিশীল বিষয়। প্রয়োগের ভিত্তিতে একে নিয়মিত ভাবে সমৃদ্ধ করা হয়।


© 2006–2019 C–DAC.All content appearing on the vikaspedia portal is through collaborative effort of vikaspedia and its partners.We encourage you to use and share the content in a respectful and fair manner. Please leave all source links intact and adhere to applicable copyright and intellectual property guidelines and laws.
English to Hindi Transliterate