প্রতিটি রূপায়ণকারী স্কুল ঠিকমতো যোগ্যতা বিচার করে প্রয়োজনীয় উত্সাহ ভাতার জন্য রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল সরকারকে উপযুক্ত পন্থায় একটা প্রস্তাব প্রস্তুত করে পাঠাবে। রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল, কেন্দ্রীয় সরকারের মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের স্কুল শিক্ষা ও সাক্ষরতা বিভাগে একটা সন্মিলিত প্রস্তাব পাঠাবে, যার মধ্যে নিম্নলিখিতগুলি বিষয়গুলি জানানো থাকবে: রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে যোগ্যতাসম্পন্ন স্কুলের সংখ্যা এই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্তির যোগ্য স্কুলের সংখ্যার প্রস্তাব তফশিলি জাতি/উপজাতিভুক্ত এবং তফশিলি জাতি/উপজাতিভুক্ত নয় কিন্তু কেজিবিভি স্কুল থেকে অষ্টম শ্রেণি পাস করা ছাত্রী যারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার যোগ্য, তাদের সংখ্যা বয়সভিত্তিক ছাত্রীর সংখ্যা যারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার যোগ্য উত্সাহ ভাতা বাবদ দেয় অর্থের প্রস্তাব রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে প্রতি বছর দুটো কিস্তিতে অর্থ দেওয়া হতে পারে। প্রথম কিস্তিটি প্রস্তাব পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ছাড়া হবে, দ্বিতীয় কিস্তি ছাড়া হবে প্রথম কিস্তি কাজে লাগানোর এবং রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সরকারের কাছ থেকে অগ্রগতির প্রতিবেদন পাওয়ার পর। স্কুলের ভর্তির রেকর্ড দেখে স্কুলের প্রধান জন্মতারিখের যে শংসাপত্র দেবেন তার ভিত্তিতে প্রস্তাবটি যাচাই করা হবে। রূপায়ণকারী সংস্থা (রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল সরকার বা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা) নিকটতম সরকারি ব্যাংক বা পোস্ট-অফিসে সুবিধাপ্রাপকের নামে এ্যাকাউন্ট খুলে দেবে এবং সেটি হবে মেয়াদি আমানত। ছাত্রীকে একটা পাশবই বা শংসাপত্র দেওয়া যেটা তাকে সুবিধাপ্রাপক হিসাবে চিহ্নিতও করবে। নবম শ্রেণিতে ভর্তি হয়ার পর প্রকল্পটির অধীনে সুবিধা পাওয়ার জন্য সুবিধাপ্রাপককে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অন্তত দুই বছর অবশ্যই পড়াশোনা করতে হবে। প্রিন্সিপ্যাল বা স্কুল-প্রধান সেই মর্মে একটি শংসাপত্র দেবেন। পূর্ণকাল প্রাপ্ত হওয়া টাকাটা তোলার জন্য সুবিধাপ্রাপককে দশম শ্রেণির বোর্ডের পরীক্ষায় সফল হতে হবে। ১৮ বছর বয়স হলে নিম্নলিখিতগুলি নথিগুলি দাখিল করতে হবে- দশম শ্রেণি পাশের শংসাপত্র এবং প্রিন্সিপ্যাল বা স্কুল-প্রধানের থেকে একটি শংসাপত্র যে সুবিধাপ্রাপক ছাত্রী নবম শ্রেণিতে ভর্তি হয়ে কম করে দুই বছর পড়াশনা করেছে। এগুলি পেলে ব্যাঙ্কের সুদসহ সম্পূর্ণ অর্থ ছাত্রীর সেভিংস খাতে স্থানান্তর করার জন্য রূপায়ণকারী সংস্থা ব্যাঙ্ককে অনুমতি দেবে । সময়সীমা প্রতিটি রূপায়ণকারী স্কুল উপযুক্ত ছাত্রীদের চিহ্নিত করার এবং প্রস্তাব তৈরির কাজ শিক্ষাবর্ষ শুরু হওয়ার এক মাসের মধ্যে সম্পন্ন করবে। রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল সরকার সন্মিলিত প্রস্তাব তৈরি করে শিক্ষাবর্ষ শুরুর তিন মাসের মধ্যে নয়াদিল্লির মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের স্কুলশিক্ষা ও সাক্ষরতা বিভাগে পাঠাবে। সূত্র:সেকেন্ডারি এদুকাতীয়ন