ভারত সরকার বিদ্যুৎ মন্ত্রক দ্বাদশ যোজনাকালেও রাজীব গান্ধী গ্রামীণ বিদ্যুতীকরণ যোজনা চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যগুলি লক্ষ্যণীয় --- পরিধি দশম ও একাদশ যোজনাকালে নেওয়া কাজের অবশিষ্টাংশ রূপায়ণ করা। ১০০-এর বেশি মানুষ রয়েছে এমন বাকি সব গ্রাম বিদ্যুদয়নের আওতায় এনে প্রকল্প চালিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা। যে সব গ্রাম ও বসতি বিদ্যুদয়িত হয়েছে সেখানে বিপিএলভুক্ত পরিবারগুলিকে নিখরচায় বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া। যে সব এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ৬ ঘণ্টার কম থাকে সেখানে আরও বিদ্যুৎ দিতে ডিডিজি ব্যবস্থাকে গ্রিড-সংযুক্ত এলাকায় বিস্তৃত করা। আর্থিক বরাদ্দ দ্বাদশ যোজনাকালে প্রকল্প বরাদ্দ ২২৫৮৯ কোটি টাকা বকেয়া কাজের জন্যভর্তুকি ১২৮৪৯ কোটি টাকা মোট মূলধনী ভর্তুকি ৩৫৪৪৭ কোটি টাকা বরাদ্দ পদ্ধতি অর্থ প্রদানের বর্তমান পদ্ধতি (৯০:১০) চালু থাকবে। বিপিএলভুক্ত পরিবারগুলিকে বিনা পয়সায় বিদ্যুৎ সংযোগ-সহ এলইডি ল্যাম্প সরবরাহ করা হবে। এর জন্যপ্রতিটি সংযোগ পিছু ৩ হাজার টাকা খরচ ধার্য করা হয়েছে। আরজিজিভিওয়াই প্রকল্পের মধ্যে ডিডিজি প্রকল্পগুলির জন্যভর্তুকি হিসাবে ৯০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। কিন্তু প্রয়োজনে বরাদ্দ নমনীয় করার সংস্থানও রাখা হয়েছে। দ্বাদশ যোজনায় আরজিজিভিওয়াই-এর নির্দেশিকা অনুযায়ী নিম্নলিখিত সংশোধন করা হয়েছে ১০০ জন বসবাস করে এমন বাকি সব গ্রাম ও বসতিকে দ্বাদশ যোজনার আওতায় আনা হয়েছে। বিপিএল সংযোগের জন্যবিদ্যুতের লোড ৪০-৬০ ওয়াট থেকে বাড়িয়ে ২৫০ ওয়াট করা হয়েছে। প্রতি বিপিএল পরিবারে এলইডি বালব-সহ নিখরচায় বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার জন্যরাজ্যএজেন্সিগুলিকে অনুদানের পরিমাণ সংযোগ পিছু ২২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০০০ টাকা করা হয়েছে। সব ক্ষেত্রে ফ্র্যাঞ্চাইজি লাগানো আবশ্যিক নয় (প্রচলিত এবং নতুন প্রকল্পের ক্ষেত্রে)। যাই হোক রাজ্যগুলিকে জানাতে হবে তৈরি হওয়া সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণের জন্যতারা কী ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং ডিসকম স্তরে স্থায়ী রাজস্বের কী ব্যবস্থা করা হচ্ছে। উপযুক্ত কারণ দেখিয়ে বেশি পরিমাণ লোড গ্রহণের জন্য৬৩ ও ১০০ কেভি ক্ষমতাসম্পন্ন হাইয়ার ক্যাপাসিট ডিস্ট্রিবিউশন ট্রান্সফরমার বসানোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।