শহরের বর্জ্য, শিল্পজাত ও কৃষিজাত বর্জ্য/অবশিষ্ট থেকে দ্বাদশ যোজনায় বিদ্যুৎ উৎপাদনের কর্মসূচি উদ্দেশ্য এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হল-- শহুরে বর্জ্য, শিল্পজাত ও কৃষিজাত বর্জ্য/অবশিষ্টাংশ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যাপারে প্রকল্প স্থাপনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। শক্তি উৎপাদনের জন্য বর্জ্য ও অবশিষ্টাংশকে ব্যবহার করার ব্যাপারে উপযুক্ত পরিবেশ ও অবস্থার সৃষ্টি এবং এই ধরনের প্রকল্পের উন্নয়ন, প্রদর্শন ও একে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে উপযুক্ত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণ। সুযোগ এই প্রকল্পে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে মূলধনী ভর্তুকি ও অনুদান বাবদ কেন্দ্রীয় আর্থিক সহায়তা পাওয়া যায়। পুরসভার কঠিন বর্জ্যভিত্তিক পাঁচটি পাইলট প্রকল্প স্থাপন শিল্পজাত বর্জ্য থেকে জৈবগ্যাস উৎপাদন শহরের জঞ্জাল বা শিল্পজাত বর্জ্য থেকে বায়োমিথেনেশন পদ্ধতিতে পাওয়া জৈবগ্যাস দিয়ে বিদ্যুৎ ও জৈব-সিএনজি প্রস্তুত করা। শিল্পজাত কঠিন বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন। প্রসারের কাজ গবেষণা ও উন্নয়ন, সম্পদ মূল্যায়ন, কারিগরি উন্নয়ন এবং কার্যকারিতার মূল্যায়ন ইত্যাদি। শিল্পে জৈবভর সহ-উৎপাদন প্রকল্প স্থাপন (আখের ছিবড়ে সহ-উৎপাদন ছাড়া) যার মাধ্যমে শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় বিদ্যুতের অন্তত পঞ্চাশ শতাংশ ক্যাপটিভ পাওয়ার প্লান্টের মাধ্যমে উৎপাদন করা যায়। শিল্পের নিজস্ব প্রয়োজনে ব্যবহারের পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ গ্রিডে পাঠানোর ব্যবস্থা। কী ধরনের বর্জ্য হলে প্রকল্প কেন্দ্রীয় আর্থিক সহায়তা পাবে যোগ্যতা নির্ণয়ের জন্য যে যে ধরনের বর্জ্যকে গণ্য করা হয় শহরের বর্জ্য, কৃষিজ, শিল্প/কৃষিভিত্তিক শিল্প (আখের ছিবড়ে ছাড়া) থেকে প্রাপ্ত জৈববর্জ্য নির্ভর প্রকল্প। জৈবগ্যাস থেকে সহ-উৎপাদন/বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং জৈব-সিএনজি তৈরি করার প্রকল্প। পুনর্নবীকরণযোগ্য অন্যান্য বর্জ্য মিশিয়ে (যেমন গোবর, জঞ্জাল, চালের ভুসি, আখের ছিবড়ে এবং অন্যান্য শিল্পজাত বর্জ্য) বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প। ডিস্টিলারির জলীয় বর্জ্য থেকে এবং জীবাশ্ম জাতীয় বর্জ্য থেকে জৈবগ্যাস উৎপাদন প্রকল্প। জ্বালানি এবং বর্জ্য তাপ এই প্রকল্পে গ্রহণযোগ্য নয়। স্বচ্ছ প্রতিযোগিতামূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে নির্বাচিত পুরসভার কঠিন বর্জ্য প্রকল্পই কেবলমাত্র কেন্দ্রীয় আর্থিক সহায়তার জন্য বিবেচিত হবে। বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পে মোট ক্যালোরি মূল্যের ভিত্তিতে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত যে কোনও প্রকারের জৈবগ্যাসকে মিশ্রিত করা যায়। যে কোনও কৃষিজাত বর্জ্য থেকে প্রাপ্ত জৈবভর সহ-উৎপাদন পদ্ধতিতে (আখের ছিবড়ে ছাড়া) চিরায়ত বিদ্যুতের ২৫ শতাংশ পর্যন্ত চিরায়ত জ্বালানি ব্যবহার করা যেতে পারে। কেন্দ্রীয় আর্থিক সহায়তা সংক্রান্ত তথ্যের জন্য এখানে click here