ই-ঠেলাগাড়ি ও ই-রিকশার জন্য মোটর ভেহিকল আইনের সংশোধনী ই-রিকশা এবং ই-ঠেলাগাড়ির চালকদের লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে যে অসুবিধা হচ্ছে তা দূর করার জন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা মোটর ভেহিকল আইন ১৯৮৮-র ৭(১) ধারার সংশোধন করে এই আইনের আওতায় ই-রিকশা ও ই-ঠেলাগাড়ির সংজ্ঞাকে সংযোজিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরিবহণ ব্যবস্থায় ই-ঠেলাগাড়ি এবং ই-রিকশা একেবারে শেষ স্তর পর্যন্ত সংযোগের বাহন। সড়ক পরিবহন এবং হাইওয়ে মন্ত্রক বিজ্ঞপ্তি জারি করে মোটর ভেহিকল আইন ১৯৮৮-র আওতায় বিধি তৈরি করেছে যাতে ই-রিকশা ও ই-ঠেলাগাড়িকে আইনি কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসা যায়। তবে এই ধরনের যান নিবন্ধীকৃত করানোর আগে তার সঠিক গুণমান ও নিরাপত্তাজনিত দিকটি খতিয়ে দেখা হবে। নির্ধারিত শক্তি ও গতির মধ্যে থেকে এই ধরনের যান চালানো যাবে। মোটর ভেহিকল আইন ১৯৮৮ অনুযায়ী অন্তত এক বছর যদি কারও ড্রাইভিং লাইসেন্স না থেকে তা হলে সে কোনও পরিবহণ যান চালানোর জন্য লারনার লাইসেন্স পাবে না। যে হেতু ই-রিকশা এবং ই-ঠেলা গাড়ির চালকদের কোনও ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকে না ফলে আগামী এক বছর এ ধরনের যান চালানো তাঁদের পক্ষে আইনত সম্ভব নয়। এই বাধা দূর করার জন্যই কেন্দ্রীয় সড়ক ও হাইওয়ে মন্ত্রক আইনের ৭(১) ধারা সংশোধন করে শুধুমাত্র ই-রিকশা ও ই-ঠেলাগাড়ির চালকদের ছাড় দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। ই-রিকশা এবং ই-ঠেলা গাড়ির সংজ্ঞাও মোটর ভেহিকল আইন ১৯৮৮-র মধ্যে ঢোকানো হয়েছে। সূত্র : PIB কেজিতে ২০ টাকা হারে এলপিজি ভর্তুকি কেন্দ্রীয় সরকার স্থির করেছে এ বার থেকে রান্নার গ্যাসের এলপিজি সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে প্রতি সিলিন্ডার পিছু ২৮৪ টাকা ভর্তুকি দেওয়া হবে। এর ফলে প্রচলিত অ্যাড-হক পদ্ধতিতে ভর্তুকি প্রদানের ব্যাপারটির অবসান হল। আগের পদ্ধতির ফলে তেল কোম্পানিগুলি সরকার বা আপস্ট্রিম কোম্পানির কাছ থেকে কবে ভর্তুকির টাকা পাওয়া যাবে তা নিয়ে চিন্তায় মাথা খুঁড়তো। সরকার স্থির করেছে ১৫ নভেম্বর থেকে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির ক্ষেত্রে প্রতি কেজিতে ২০ টাকা হারে ভরতুকি দেওয়া হবে। বাকি টাকা দেবে তেল কোম্পানিগুলি। এখন প্রতি গ্রাহক বছরে ১৪.২ কেজির ১২টি সিলিন্ডার ভর্তুকিতে পায়। সেই হিসাব ধরলে গ্রাহক পিছু বাৎসরিক ভর্তুকির পরিমাণ ৩,৪০৮ টাকা। সূত্র : The Economic Times দিল্লিতে পুনর্বার জ্বালানি ভরার ক্ষেত্রে দূষণ পরীক্ষা শংসাপত্র আবশ্যক ১ ডিসেম্বর ২০১৪ থেকে কোনও পেট্রল পাম্পে তেল ভরাতে গেলে ‘পল্যুশন আন্ডার কন্ট্রোল’ (পিইউসি) শংসাপত্র থাকাটা জরুরি। যান দ্বারা নির্গত দূষণের মাত্রা দিল্লি শহরে কমানো যায় তার জন্যই এই ব্যবস্থা। নতুন ইউরো-৪ জাতীয় যানে দূষণ শংসাপত্রের এক বছর মেয়াদ থাকে। অন্য ধরনের যানে তা মাত্র তিন মাস মেয়াদের। পেট্রোল ও ডিজেল চালিত যানে দূষণ পরীক্ষা জনিত শংসাপত্রের জন্য ৭০ থেকে ১০০ টাকা লাগে। সূত্র : Deccan Herald ভারতের প্রখম নেটজিরো এনার্জি বিল্ডিং ভারতের অন্যতম প্রথম নেটজিরো এনার্জি বিল্ডিং হল কেন্দ্রীয় সরকারের ইন্দিরা পর্যাবরন ভবন। বাড়িটিতেই প্রথম দক্ষ হাতে শক্তির ব্যবহার করা হয়েছে এবং পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি কারিগরি ব্যাপক মাত্রায় ব্যবহার করা হয়েছে। ইন্টিগ্রেটেড হ্যাবিট্যান্ট অ্যাসিস্ট্যান্স প্রকল্পের সবুজ মূল্যায়নের মাধ্যমে এই উদাহরণযোগ্য প্রকল্পের মূল্যায়ন করা হবে। এই অঞ্চলে গৃহ নির্মাণের ক্ষেত্রে এই বাড়িটি দিকচিহ্ন হিসাবে পরিগণিত হবে। বাড়িটি সম্পূর্ণ ভাবে ভূমিকম্পমুক্ত। এর ভিত্তি এলাকা ৩১,৪৮৮ বর্গমিটার। মূল বাড়িটি গোটা এলাকার মাত্র ৩০ শতাংশ জায়গার উপর নির্মিত। ৫০ শতাংশ এলাকায় গাছ এবং ঘাস বসানো হয়েছে। বাড়িটির বেসমেন্টে রোবোটিক পার্কিং পদ্ধতি রয়েছে যেখানে ৩৩০টি গাড়ি ধরে। ডেস্ক টপ কম্পিউটারের বদলে থিন-ক্লায়েন্ট নেটওয়ার্কিং ব্যবস্থার মাধ্যমে বিদ্যুতের ব্যবহার কমানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সূত্র: The Hindu সরকার প্রতি বছর ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বায়ুশক্তি থেকে পেতে চায় সরকার বায়ুশক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করার হার দ্রুত করতে চায়। গত আর্থিক বছরে এই ক্ষেত্র থেকে যত বিদ্যুৎ পাওয়া গিয়েছিল তার পাঁচগুণ ক্ষমতা বাড়িয়ে তারা বছরে ১০ হাজার মেগাওয়াট এই ক্ষেত্র থেকে পেতে চাইছে। সরকার মহার্ঘ বিদ্যুৎ আমদানি কমানোর লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে। সৌর বিদ্যুতের জনপ্রিয়তায় বায়ু বিদ্যুতের ব্যাপারটি কিঞ্চিৎ পিছনের সারিতে চলে গিয়েছিল। কিন্তু সরকার এই নিয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করে কর ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বিশ্বের মধ্যে বায়ুশক্তি দ্বারা বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যাপারে ভারত একটি প্রধান জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে। সরকার মনে করে কর ছাড় দেওয়ার পাশাপাশি উপযুক্ত পরিবেশ পেলে বায়ুশক্তির দ্বারা বিদ্যুৎ উৎপাদনের দ্রুত বৃদ্ধি হওয়া সম্ভব। গোড়ায় দ্বাদশ যোজনায় সরকার ১৮,৫০০ মগাওয়াট বায়ু বিদ্যুৎ প্লান্ট বসানোর কথা ভেবেছিল। যাই হোক এখন নতুন সরকার আরও দ্রুত হারে বায়ু শক্তি সংযোজন করার কথা ভাবছে। এর ফলে আমদানি করা জ্বালানি নির্ভরতা কমবে, পরিবেশ দূষণেরও নিয়ন্ত্রণ হবে। সূত্রঃ The Economic Times