অরণ্য : অরণ্য সংক্রান্ত যে কোনও আইনের আওতায় থাকা সমস্ত জমি সহ যে সব জমি বনাঞ্চল হিসাবে প্রশাসিত হয়। অকৃষি কাজে ব্যবহৃত এলাকা : বাড়ি, রাস্তা ও রেলের জন্য অধিগৃহীত জমি বা নদী,খাল এবং অন্যান্য অকৃষি কাজের জন্য ব্যবহৃত জমি। বন্ধ্যা ও অকৃষিযোগ্য জমি : পাহাড়, মরুভূমি-সহ সমস্ত অকৃষিযোগ্য বন্ধ্যা জমি। স্থায়ী পশুচারণক্ষেত্র ও পশুচারণের জন্য ব্যবহৃত জমি : সমস্ত পশুচারণ ক্ষেত্র তা স্থায়ী হোক বা না হোক অথবা যে কোনও তৃণভূমি। গ্রামের পশুচারণ ক্ষেত্রও এর মধ্যে রয়েছে। বিবিধ বৃক্ষজাত শস্য ও উপবনের জমি : এর মধ্যে সব ধরনের কৃষিযোগ্য জমি পড়ে। এই জমির হিসাবে শুধুমাত্র ফসল বোনার জন্য ব্যবহৃত মোট এলাকা ধরা হয় না বরং যে কোনও কৃষিকাজে ব্যবহৃত এলাকা এর অন্তর্গত। ক্যাসুরিনা গাছের জন্য ব্যহৃত জমি, বাঁশ ঝাড়, জ্বালানি তৈরিতে ব্যবহৃত ফসল তৈরির জমি, আচ্ছাদিত তৃণভূমি যা কিনা ‘বাগান’ পর্যায়ভুক্ত নয় তা এই বর্গের মধ্যে পড়ে। চাষযোগ্য পতিতজমি : এর মধ্যে পড়ে চাষের জন্য লভ্য জমি। এই জমি পতিত হতে পারে বা ঝোপঝাড় জঙ্গলে ভরা হতে পারে অর্থাৎ চাষযোগ্য হলেও অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। এক বার চাষ হয়ে যদি পরবর্তী পাঁচ বছরে চাষ না হয় তা হলে সেই জমি পঞ্চম বছর পূর্ণ হওয়ার পর থেকে এই বর্গের মধ্যে পড়বে। বর্তমানের অনাবাদি জমি ছাড়া অন্যান্য অনাবাদি জমি : চাষের জন্য নেওয়া সব জমি যা এক বছর থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত যা কৃষিকাজে ব্যবহৃত হয়নি। বর্তমানের অনাবাদি জমি : চলতি বছরে চাষ হয়নি এমন চাষযোগ্য জমি। এক বছর চাষ করার পর পরের বছর যদি সেই জমিতে চাষ করা না হয় তা হলে সেই জমি বর্তমানের অনাবাদী জমি বলে চিহ্নিত করা যায়। মোট আবাদি জমি : শস্য চাষ করা হয়েছে এবং বাগান করা হয়েছে এমন জমি এই শ্রেণির মধ্যে পড়ে। এক বছরে এক বারের বেশি ফসল বোনা হলেও তা এক বার ফসল বোনা জমি হিসাবে গণ্য হবে। উপরের শ্রেণিবিভাগ থেকে বলা যায় পঞ্চম থেকে নবম শ্রেণিভুক্ত জমিকে কৃষিজমি/আবাদি জমি/চাষযোগ্য জমি বলা যায়। অষ্টম ও নবম শ্রেণিভুক্ত জমি হল আবাদি জমি। সুত্রঃ http://fsi.nic.in/