শুকনো গরম এবং আর্দ্র গরমের মধ্যে কিছু মৌলিক ফারাক রয়েছে সেটা মাথায় রাখতে হবে। শুকনো গরমের ক্ষেত্রে ‘লু’ লাগা বিষয়ে প্রচলিত কিছু ধারণা রয়েছে। সেগুলির বাছবিচার করে প্রয়োগ করা দরকার। যেমন অনেকে ‘লু’ এর প্রভাব থেকে রক্ষা পেতে পকেটে পেঁয়াজ রাখেন। আদৌ এই প্রথা বিজ্ঞান সম্মত কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। আর্দ্র গরমের ক্ষেত্রে শরীরের জলসমতা মাপার প্রধান উপায় হল শরীর থেকে কতটা জল বেরিয়ে যাচ্ছে তার পরিমাণ সম্পর্কে সচেতন হওয়া। আর্দ্র গরমের ক্ষেত্রে নিয়মিত জল পানের পাশাপাশি ইলেকট্রোলাইট প্রয়োগের বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে। ইলেকট্রোলাইট কমে গেলে অনেকে ঝিমিয়ে পরেন। কোল্ড ড্রিংক্স সাময়িক তৃষ্ণা নিবারণ করতে পারে কিন্তু অতিরিক্ত কোল্ড ড্রিংকস খেলে জলশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন সুরু হতে পারে। প্রচুর পরিমাণে জল খাও। বোতলের জল খাওয়া এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করো। এতে জঞ্জাল তৈরি হওয়া কমবে এবং প্রাকৃতিক সম্পদ ধ্বংস হওয়ার হাত থেকে বাঁচবে। ক্যাফেনযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলো। ঘোল জাতীয় স্বাভাবিক ঠান্ডা পানীয় পান করো। হাল্কা রঙের পোশাক পরো। বিশেষ করে সুতির পোশাক হলে ভালো হয়। ডিহাইড্রেশনের হাত থেকে নিস্তার পাওয়ার জন্য প্রচুর পরিমাণে পানীয় গ্রহণ কর। স্বাভাবিক প্রাকৃতিক পানীয় হল লেবুর জল,ডাবের জল, ফলের রস ইত্যাদি। ডাবের জলে শর্করা, তন্তু ও প্রোটিন, ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ থাকে। প্রচুর পরিমাণে স্যালাড ও তাজা ফল খাও। প্রচুর পরিমাণে জলীয় পদার্থ আছে এমন ফল যেমন তরমুজ ইত্যাদি খাও। তরমুজে ৯২ শতাংশ জল ও ১৪ শতাংশ পর্যন্ত ভিটামিন সি রয়েছে। ঘামের দরুন যে জলীয় পদার্থ বেরিয়ে যায় তা কিছুটা পূরণ হয় তরমুজ খেলে। তরমুজে অল্প পরিমাণে ভিটামিন বি ও পটাশিয়াম রয়েছে। মাটির পাত্রে রাখা জল গ্রহণ কর। তৈলাক্ত খাদ্য বর্জন করার চেষ্টা করো। রাস্তায় বিক্রি হওয়া কাটা ফল খেও না। এতে মাছি বসতে পারে বা ধুলোময়লা লেগে থাকতে পারে। সূত্র : পোর্টাল কনটেন্ট টিম