স্ব্চ্ছ ভারত নির্মল ভারত কর্মসূচিতে প্রতিটি স্কুলের অংশ গ্রহণ করা দরকার।এর ফলে বাস্তবিক ক্ষেত্রে পরিবেশ দূষণের সমস্যা ও তার মাত্রা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়বে। বর্তমানে জৈব বর্জ্য সংক্রান্ত দূষণ একটি বড় বিপদের কারণ। এই দূষণ কী এবং কেন তা ছড়ায় তা নিয়ে অবিভাবকদের মধ্যেও সংশয় রয়েছে। ফলে স্কুল থেকে অভিভাবকদের নিয়ে কর্মশালার ব্যবস্থা করতে পারলে ভাল হয়। ছোটদের ফেলে দেওয়া কম্পিউটার,ডিজিটাল যন্ত্রপাতি, সিডি,ক্যাসেট প্রভৃতি না ব্যবহার করতে দেওয়ার পরামর্শ দিতে হবে। প্রতিনিয়ত হাত ধোওয়ার ব্যপারে ছোটদের সতর্ক করতে হবে। এটি জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও পরিবেশ বিধি মেনে চলার ক্ষেত্রেও এই শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। কখনও কাগজ নষ্ট করো না। কাগজ বানাতে আমরা গাছ কাটি। কাগজ বাঁচালে গাছ বাঁচে। হাঁটো, সাইকেলে চড়ো অথবা বাসে চড়ে স্কুলে যাও। এতে জ্বালানি বাঁচে এবং দূষণ কম হয়। স্নান করতে করতে এবং দাঁত মাজতে মাজতে কল বন্ধ করে রাখো। এর ফলে জল সঞ্চয় হয়। স্কুলে একটি জৈব উদ্যান তৈরি কর। এর জন্য প্রয়োজনীয় কম্পোস্ট সার তৈরি করো। এতে কী ভাবে প্রাকৃতিক উৎস ব্যবহার করা যায় সে সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারবে। যখন কাজে লাগছে না তখন বৈদ্যুতিক বা বৈদ্যুতিন যন্ত্রের সুইচ বন্ধ করে দাও। এর ফলে বিদ্যুতের সাশ্রয় হয়। মরশুমি ফল খাও। এর ফলে প্রকৃতি রক্ষা পায় ও পয়সার সাশ্রয় হয়। গাছ লাগাও। গাছ তোমার পরিবেশকে স্বাস্থ্যকর ও সবুজ রাখে। প্যাকেটজাত দ্রব্য এবং নষ্ট করে ফেলা যায় এমন দ্রব্য কম ব্যবহার করো। এর ফলে বর্জ্য কমবে। এবং তোমার পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে পারবে। ভিডিও গেমস, টিভি দেখে সময় নষ্ট করো না। প্রকৃতির সঙ্গে বেশি সময় কাটাও, খেলাধুলো করো। এতে শক্তির সাশ্রয় হবে এবং স্বাস্থ্যেরও উন্নতি হবে। পরিবেশকে বাঁচানোর জন্য দৌত্য শুরু করে দাও। তোমার বন্ধুদের এই পরামর্শগুলি দাও। সুত্রঃ পোর্টাল কন্টেন্ট টিম